-- Advertisements --

Bengali Short story

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Short Story

ক্ষণিক-প্রভা (ছোটগল্প)

তুমি কিন্তু ওই তীব্র চোখ ঝলসানো আলোর মাঝখানেও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। ঠিক সেই সময় বাড়ি থেকে দু’জন দৌড়ে বেরিয়ে এসে কোলে তুলে নিয়ে বাড়ির দিকে দৌড়োতে শুরু করল। তুমি তখনও হেসে যাচ্ছ। হাত নেড়ে যাচ্ছ।…

Read More »
Sekhar Roy

ডিসচার্জ (ছোটগল্প)

আমাদের এই বিনিময় কারও চোখে পড়েনি। কী আশ্চর্য, আমাকে ছাপিয়ে সে ছুঁতে চাইছে আমার নাচ? অথচ মহড়ায় কোনওদিন কোনও কথাই তো সে বলেনি!

Read More »
Photo by Walter Ellem from Pexels

রথসচাইল্ডের জিরাফ (গল্প)

সুবর্ণ তখন স্কুলে, ওদের টিভি দেখার বড় ঘরে ভনভনে মশা আর পিঁড়িতে বসা ঠাকুমা মালা জপতে জপতে ঢুলে পড়ছে। এদিকে টিভিতে চিত্রহারে গ্র্যান্ড পিয়ানোয় বিশ্বজিৎ আর গলা মেলানোর ঠিক আগে ঢাকাই শাড়ি পরা সন্ধ্যা রায় ঘোরানো সিঁড়িতে একলা দাঁড়িয়ে। যেন ফিনফিনে চিনেমাটির পুতুল।

Read More »

বিপ্রতীপ (বড়গল্প) দ্বিতীয় পর্ব

ভোটপর্ব নির্বিঘ্নে সমাধা করে বাড়ি ফিরে এসে আশ্চর্য এক স্বপ্ন দেখে বিপ্রতীপ। আর তারপর আসে সেই ফোন। ফোনের ওপারে বিপ্রতীব বোস। নিবাস দুর্লভপুর। সে কী করে হয়?

Read More »

বিপ্রতীপ (বড়গল্প) প্রথম পর্ব

স্কুলশিক্ষক বিপ্রতীপ বসু অবসরের দ্বারপ্রান্তে উপনীত। পোলিং অফিসার হিসেবে এই তাঁর শেষ ভোট। ভোটগ্রহণ করাতে দুর্লভপুরের উত্তরপ্রান্তে ছোট একটি গ্রামে এসে পৌঁছয় সে। তারপর? …

Read More »

মা’র ছোটবেলা (গল্প)

দিদিমার বয়স যত বেড়েছে, গৌরাঙ্গ, সুদর্শন, কীর্তনিয়া স্বামীর গর্বে তত গরবিনী হয়েছে। এগার বছরে ঋতুমতী হয়ে চোদ্দতে গর্ভবতী। বেশ কয়েকটা সন্তানের পর মার জন্ম। সেদিন চ্যাটচ্যাটে গরমের পর গোধূলি লগ্নে ঝড় ওঠে। তারপর ঝপ করে রাত নেমে আসে। জলঙ্গীর ধারের গ্রামগুলোতে মোটা দড়ির মত বৃষ্টি শুরু হয়।

Read More »

দু’টি নারীঘটিত গল্প

দু’টি ছোট্ট ছোট্ট গল্প। দু’য়েরই কেন্দ্রে নারীচরিত্র। আর তাদের নানা সংস্কার, নানা মনোবিকলন! ঋতা বসুর কলমে…

Read More »
Illustration by Suvranil Ghosh

পশমিনা (গল্প)

কিংশুক আর শ্রেয়ার বিয়েতে অনুঘটকের কাজ করেছিল কাশ্মীর থেকে আনা পশমিনা শাল। তাদের ডিভোর্সের পর চুরি গেল সেই শালও। তারপর? পড়ুন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প পশমিনা।…

Read More »
Illustration by Suvranil

যত দূরেই যাই (শেষ পর্ব) (বড়গল্প)

দ্যুতিদীপা অসংখ্য মানুষের মুখ দেখতে থাকে। লিফ্টম্যানের তিতিবিরক্ত মুখ, চড়া লিপস্টিক পরা রিসেপশনিস্টের ভাবলেশহীন মুখ, এবং অগণিত নিকটজনেদের উদ্বিগ্ন, সন্ত্রস্ত মুখ। অসুখ, অর্থব্যয়, বিচ্ছেদের ভারে ক্লিষ্ট মানুষেরা অধীর অপেক্ষায় বসে থাকে এইখানে, এই লাউঞ্জে।…

Read More »
Illustration by Suvranil

যত দূরেই যাই (প্রথম পর্ব) (বড়গল্প)

বিশ্বের যাবতীয় মুগ্ধতার ঘোর নিমেষে ভেঙে দিতেই বোধ হয় মোবাইল ফোনের জন্ম হয়েছিল। বিতনুর ফোনে গায়ত্রীর ফোন আসে। ডাক্তারখানা থেকে নিরাপদে ফ্ল্যাটে ফেরার পৌঁছসংবাদ। চকিতে সেলফোন হাতে নিয়ে বারান্দায় বেরিয়ে যায় দ্যুতিদীপা।…

Read More »
Illustration by Upal Sengupta

দুর্জয়বাবুর দুঃসময় (গল্প)

এতদিনের ‘ফোনাসঙ্গের’ অভ্যেস থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সহজ ব্যাপার নয়। তাছাড়া দুর্জয়বাবুর একটা নৈতিক দায়িত্বও তো আছে একাকিনী নারীদের প্রতি! তার সঙ্গে যোগ হয়েছে একটা চোরা ভয়!…

Read More »
illustration by Shubhraneel Ghosh

বসন্তদিন (গল্প)

ছুটির দিনে দুব্রোভনিকের জনবহুল রাস্তা স্ত্রাদুনে চলে যায় সুজয়। একটা বিয়ার নিয়ে বসে থাকে সৈকতে। দু’ চারটে চেনা মুখ হাসে। সামান্য গল্পস্বল্প হয়।

Read More »
Illustration for short stories

সহযোদ্ধা (গল্প)

দু’জনকে যদি একসঙ্গে তাড়ানো হত তাহলে দু’জনকে এক করে দেওয়া হত। একটা ইউনিট করে দেওয়া হত। আর পার্টি সেটা চায় না। বাঘ যেমন শিকারের আগে হরিণকে একা করে দিতে চায়, পার্টিও ঠিক সেটাই চায়। তাই তোমাকে মঞ্চে নামিয়ে এই নাটক সাজানো হয়েছে। কিন্তু নাটকের সংলাপটা আমি একটু বদলাব। আর আমাকে হেল্প করবে তুমি। আমাকে বহিষ্কার করবে পার্টি থেকে।

Read More »
illustration by Alekhya Talapatra

মানবপুত্র (গল্প)

সন্ধেবেলায় বাদশাদাদা রুটি আলুভাজা খায়, নাহলে চায়ের সঙ্গে সিঙ্গাড়া। টাবু নানা ছলছুতোয় তখন বাদশাদাদার বাড়ি যায়। কিন্তু হাবু তার মাথায় চাঁটা মেরেছিল, ‘হ্যাংলা কোথাকার! ওরা বোঝে, তুই কেন যাস।’

Read More »
শুভ্রনীল ঘোষ illustration

কুমার বিশাখ (গল্প)

শুধু কুমারের ওদের প্রতি দুর্বলতা আছে। লাজুক ময়ূরের দৃপ্ত ভঙ্গিতে, চলার মধ্যে একটা যুদ্ধংদেহী ভাব আছে। যেভাবে ঝোপ জঙ্গল চাষের জমি থেকে বিষধর সাপ ধরে তীক্ষ্ণ ঠোঁটের আঘাতে তাকে ফালাফালা করে দেয় তা মুগ্ধ হয়ে দেখে কুমার।

Read More »
Illustration by Upal Sengupta

টেলিপ্যাথি (গল্প)

ঠিক পরের মাসে ধুমধাম করে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়ে গিয়েছিল সেই ডাক্তার পাত্রের সঙ্গে। ইমরান কোনওদিন জানতেও পারেনি যে তার জন্যে মনে এত আগুন নিয়ে একটি মেয়ে আরেকজনের ঘরের প্রদীপ জ্বালাতে যাচ্ছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই বাকি বছরটা ইয়াসমিন এক কলেজে থাকলেও তিনজনের খুব একটা দেখা হয়ে ওঠেনি। হোস্টেলেও আর থাকা হয়ে ওঠেনি ইয়াসমিনের। প্রতিনিয়ত স্বামীসেবা আর ঘরকন্না বাদ দিয়ে নিজের জন্যে বাঁচা প্রায় ভুলেই গিয়েছিল সে ।

Read More »
-- Advertisements --