(Social Media)
ফেসবুক বাংলা লেখার নতুন জায়গা। সবাই লিখছেন, প্রাণ খুলে লিখছেন— মন খুলে লিখছেন, যা ইচ্ছে হচ্ছে তাই লিখছেন। কথ্য লিখছেন, অকথ্য লিখছেন। গুরু লিখছেন, লঘু লিখছেন। বাংলা হরফে বাংলা লিখছেন, ইংরেজি হরফে বাংলা লিখছেন। সম্পাদকের ভয় নেই, লেখা বাতিলের শঙ্কা নেই, কেউ পড়বে না ভাবার অবকাশ নেই। একটা না একটা লাইক জুটবেই। সুতরাং বাঙালিকে থামায় কে!
বাঙালি ইংরেজি লিখতে গিয়ে দু’বার ভাবে, ভুল ইংরেজি লিখলে লজ্জা পায়। বাংলায় তারা লজ্জা-ঘৃণা-ভয় তিন থাকতে নয়। তাই ফেসবুক দেখি, ফেসবুকের বাংলার দিকে তাকিয়ে কিশোর কুমারের গানের মতো বলি ‘শুধু আমার দু’চোখ ভরে দেখবো তোমারে’। ভাববেন না ফেসবুকে কেবল ছেলেরা লেখেন, মেয়েরাও বীরদর্পে মন খুলে লেখেন। অনেক সময় তাঁদের লেখাতে বহুযুগের স্তব্ধতার অবসান হয়। যা কিছু ছোট ও সাংসারিক বলে তুচ্ছ করা হত, তা উঠে আসে। (Social Media)
আরও পড়ুন: চর্ব্যচূষ্যলেহ্যপেয়: পর্ব ১- লপসি ও লপ্সিকার জন্য বিপ্লব
যা কিছু মেয়েদের পক্ষে বেহায়া-বিষয় বলে সামাজিকভাবে বিবেচিত হত, তার রুদ্ধতার অবসান হয়। তাই ফেসবুকের বাংলা চর্চা, বিষয়ের দিক থেকে, মোটেই কেবল তুচ্ছ নয়। সমাজের মন ও প্রাণ অনুসরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলে প্রথমেই গুরু দিয়ে শুরু করার কারণ দেখি না। বরং লঘু থেকে গুরুতে যাওয়াই ভাল। বানানের লঘু ভুলের আগে প্রথমে শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি বিচিত্র ফেসবুকলব্ধ বাতুলতার কথা খেয়াল করিয়ে দেওয়া যাক। (Social Media)

এই তো বছর কয়েক আগে হঠাৎ দেখি, ফেসবুকে একদল ইংরেজি ‘থ্যাঙ্ক য়্যু’-র বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ‘ধন্যযোগ’ লিখতে শুরু করলেন। প্রথমে বিষয়টি ঠিক বুঝতে পারিনি। সহসা ধন্যবাদ-এর মতো শব্দের উপরে এমন যোগসাধন কেন? শব্দটিতে ভুল কিছু নেই। রবীন্দ্রনাথ ব্যবহার করেছেন। না-করার কারণও নেই। রবীন্দ্রনাথের ‘অনুবাদ-চর্চা’ থেকে উদ্ধার করি। (Social Media)
“আমি আমার সকাল বেলাকার সারথির কণ্ঠস্বর চিনিলাম। মনুষ্যজাতীয় সেই অপূর্ব্ব পদার্থটিকে আমি পুনর্ব্বার পাইলাম। এই সৌভাগ্য আমার নিকট দৈবঘটিত বোধ হইল এবং আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলাম। আর এক মুহূর্ত্ত দেরি করিলেই পদব্রজে যাত্রা করিতে বাধ্য হইতাম–খাঁটি দেড় ক্রোশ পল্লীপথ।” (Social Media)
“ভেবেছিলাম এঁরা সকলেই বুঝি যোগাসন পটু হয়ে উঠেছেন। তাই কেউ কিছু উপকার করলে তাঁকে যোগাসনের মাধ্যমে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে তৎপর।”
দীর্ঘপথ পদব্রজে যেতে হচ্ছে না, গাড়িওয়ালা এসে হাজির। তাই ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিতে কসুর করেননি। রবীন্দ্রনাথের‘চিরকুমার সভা’-র মতো নাটক তো ধন্যবাদ-এ ভরা।
‘শ্রীশ। আপনি যে আর- কারও কাছে না গিয়ে আমাদের কাছে এসেছেন, সেজন্যে অন্তরের সঙ্গে ধন্যবাদ দিচ্ছি।
রসিক। আমি আর আপনাদের ধন্যবাদ দেব না। সেই কন্যা দুটির চিরজীবনের ধন্যবাদ আপনাদের পুরস্কৃত করবে।’
এ-নাটক তো বিবাহ-সংক্রান্ত কৌতুকের, তাই এখানেও ‘ধন্যবাদ’ কন্যা-বিষয়ক।
প্রশ্ন হল ফেসবুকে হঠাৎ একদল ‘বাদ’ বাদ দিয়ে ‘যোগ’ সংযোগ করলেন কেন?
ভেবেছিলাম এঁরা সকলেই বুঝি যোগাসন পটু হয়ে উঠেছেন। তাই কেউ কিছু উপকার করলে তাঁকে যোগাসনের মাধ্যমে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে তৎপর। ধরা যাক আমি কাউকে শীতকালে নরম রসগোল্লা খাওয়ালাম। তিনি দু’হাত অঞ্জলিবদ্ধ করে নৃত্যের ভঙ্গিতে আমার চারপাশে বৃত্তাকারে ঘুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন। এই অঞ্জলিবদ্ধ বৃত্তাকার নৃত্যের নাম বুঝি ধন্যযোগ। এক্কেবারে ভারতীয় কায়দার ‘থ্যাঙ্ক য়্যু’। এই নৃত্য হিন্দু-ভারতের অবদান। (Social Media)
“তবে সেই যে ফেসবুকে ‘ধন্যযোগ’ চালু হয়েছিল এখনও সেই ‘ধন্যযোগ’-এর যুগাবসান হয়নি। অনেকেই ‘ধন্যযোগ’ বজায় রেখেছেন।”
পরে বুঝলাম বিষয়টি সেইরকম নয়। ধন্যযোগীরা ভেবেছেন ধন্য শব্দের পরে ‘বাদ’ শব্দটি বাদ দেওয়া অর্থাৎ exclude অর্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। নরম রসগোল্লা খেয়ে ধন্য হয়েছেন এই কথাটা বাদ দিয়ে ফেলছেন। এই অকৃতজ্ঞ বাঙালিদের হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করছেন ধন্যযোগীরা। কেউ উপকার করলেই ‘ধন্যযোগ’, ‘ধন্যযোগ’ বলে ডাক দিচ্ছেন। এই কথা বুঝতে পেরেই ধন্যযোগীদের দিকে কয়েকটি শব্দ নিক্ষেপ করতে হল। অপবাদ, অনুবাদ, প্রতিবাদ শব্দগুলি তাঁদের অচেনা নয়। নিদেন পক্ষে সংবাদ শব্দটিও তো মনে করতে পারতেন। বাদ এখানে exclude করা অর্থে প্রযুক্ত নয়। বাদ এসেছে বদ্ ধাতু থেকে, অর্থ বলা। যেমন অনুবাদ মানে কেউ একটা ভাষায় কিছু বললেন, তাঁর পিছু-পিছু তাঁকে অনুসরণ করে আরেকজন বললেন। এই হল অনুবাদ। আপনার উপকারে আমি ধন্য হয়েছি, সে কথা বলছি তাই ধন্যবাদ। সংবাদ হচ্ছে সম্যক বা যথার্থ কথা বলা। সেখানে ভেজাল কথা বলার কথা নয়। (Social Media)
তবে সেই যে ফেসবুকে ‘ধন্যযোগ’ চালু হয়েছিল এখনও সেই ‘ধন্যযোগ’-এর যুগাবসান হয়নি। অনেকেই ‘ধন্যযোগ’ বজায় রেখেছেন। আমি তাঁদেরকে ‘ধন্যযোগ’ বন্ধ করতে বলিনি, কেবল ধন্যযোগ নামে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের একটি স্বতন্ত্র স্বাদেশিক ভারতীয় ‘নৃত্যমুদ্রা’ উদ্ভাবন করতে অনুরোধ করছি। খাঁটি হিন্দু, খাঁটি ভারতীয়। (Social Media)
শব্দের ভুল প্রয়োগের পাশাপাশি ফেসবুকে চালু ভুল বানান যেগুলি, সেগুলি ইস্কুল-পর্বেও চালু ভুল।
তার সংশোধনের জন্য কতগুলি বাণী ফেসবুকের জন্য তৈরি করা যেতেই পারে।
আরও পড়ুন: চর্ব্যচূষ্যলেহ্যপেয়: পর্ব ২- বাঙালি পুরুষ যখন রাঁধুনি
১। আপনি একা বলে আপনার একাকিত্ব-কে দীর্ঘ-ঈ দিয়ে একাকীত্ব করে তুলবেন না।
২। সখ্য হলেই যথেষ্ট, সখ্যে তা দিলেই বন্ধুত্বের ডিম ফেটে যাবে। নো সখ্যতা।
৩। অঞ্জলি দিন, অঞ্জলী দেবেন না।
৪। দশভুজা হলেও দুর্গা, মোটেই তিনি দূর্গা নন।
৫। আপনার সত্তা স্বাধীন, তলায় ব-লাগিয়ে সত্ত্বা পরাধীন করবেন না।
৬। দেবাশীষ দেব যাই লিখুন, আপনি দেবাশিস লিখেই দেবতার আশিস প্রার্থনা করুন।
৭। লক্ষ্যণীয় নয়, লক্ষণীয়। (Social Media)
ইস্কুলবেলার ভুল বানানগুলি ফেসবুকেও বজায় আছে। এদের বিরুদ্ধে ফেসবুকেই এই রকম ভাবে বাণী দেওয়া যেতে পারে। চাইলে আপনারাও বানান সংশোধনের জন্য শ্রুতিরোচক ও মুখরোচক বাণী তৈরি করতে পারেন।

এর অর্থ এই নয় যে ফেসবুকে কোনও শাসন নেই। খুবই আছে। বাংলা বানান ও পরিভাষা বিষয়ে গম্ভীর ভঙ্গিতে মাথা-ঘামানোর গ্রুপ কিন্তু চোখে পড়ে। এই গ্রুপগুলিতে যাঁরা আছেন তাঁদের অনেকেই বিশিষ্ট বাঙালি। বিভিন্ন বিদ্যাবিষয়ের মানুষ। আমার-আপনার মতো সাধারণেরা এমনিতে তাঁদের নাগাল পেতেন না। ফেসবুকের দৌলতে পাচ্ছেন, কেবল নাগালই পাচ্ছেন না, বিনি-পয়সায় তাঁদের বাংলা ভাষা সম্বন্ধে মতামতও জানতে পারছেন। কয়েকটি গ্রুপের কথা বলি। বাংলা বানান চর্চা, সংক্ষেপে বাবাচ। মেম্বার এই মুহূর্তে সাতাশ হাজার। কে বলে বাঙালি বানান সচেতন নয়? এঁরা তো বানান শিখতেই চাইছেন। ‘শুদ্ধ বানান শিখব, শুদ্ধ ভাষায় লিখব’ এই হল গ্রুপের উদ্দেশ্য। এমন গ্রুপ আরও আছে: ‘শুদ্ধ বানান চর্চা’ (শুবাচ), ‘বাংলা শুদ্ধ বানান ও উচ্চারণ’, ‘বাংলা ব্যাকরণ ও বানান চর্চা’। এছাড়া আছে পরিভাষা নিয়ে ভাবনা-চিন্তার গ্রুপ। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ এই দুই ভৌগোলিক পরিসরে ‘যত্ন সহকারে’ বাংলা ভাষা ব্যবহারের যাঁরা পক্ষপাতী, তাঁরা এই গ্রুপগুলির উৎসাহী সদস্য। (Social Media)
“ফেসবুকের সাধারণ-জনতা অবশ্য এত গুরু-গম্ভীর নন। তাঁরা বানান মোটামুটি কোনটা ঠিক তা জানতে চান। সে-কাজটা এই সমস্ত গ্রুপের সাহায্যে বেশ চলে যাচ্ছে।”
উনিশ শতকে বাংলা ছাপাখানার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা বানানের মান্যরূপ তৈরি করার প্রয়োজন অনুভূত হয়। ছাপাখানা পূর্ব সময়ে লিপিকররা একই পুথিতে নানা বানানে একই শব্দ লিখতেন। ছাপাখানা আসার ফলে ছাপা বইয়ের মাধ্যমে পড়াশোনা শুরু হল। তখন বাংলা বানানের মান্য নিয়ম তৈরি করার দরকার হল। সংস্কৃত শব্দের বানানের নিয়ম ছিল। অসংস্কৃত শব্দের বানানের ক্ষেত্রে সে নিয়ম চলবে কি? প্রথমে মানা হত। পরে ভাবা হল, বাংলায় অসংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত নিয়ম মান্য করার দরকার নেই। বিশ শতকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিদ্যাচর্চা ও বাংলা ভাষার মাধ্যমে বিদ্যাচর্চা, দু’য়ের প্রয়োজনে বাংলা বানান সংস্কার বিধি তৈরি করলেন। রাজশেখর বসু, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানান নিয়ে মতামত দিলেন। বাংলা ক্রিয়াপদের বানান কী হবে তা নিয়ে কথা উঠল। তাই বানান মোটেই খুব সহজ বিষয় নয়। (Social Media)
ফেসবুকের সাধারণ-জনতা অবশ্য এত গুরু-গম্ভীর নন। তাঁরা বানান মোটামুটি কোনটা ঠিক তা জানতে চান। সে-কাজটা এই সমস্ত গ্রুপের সাহায্যে বেশ চলে যাচ্ছে।

সাম্প্রতিককালে বাংলা ভাষা ক্ল্যাসিকাল-এর মর্যাদা পেয়েছে। সে মর্যাদা প্রাপ্তির রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। চাইছি ক্ল্যাসিকাল এই ইংরেজি শব্দের বাংলা প্রতিশব্দের বানান নিয়ে। ধ্রুপদী এই বানানেই অনেকে ক্ল্যাসিকাল এই শব্দের বাংলা প্রতিশব্দটি লেখেন। ধ্রুপদী শব্দটি যে সংস্কৃত নয়, তা অবশ্য অভিধান খুললেই জানা যাবে। ধুর পদ থেকে ধ্রুপদ শব্দের উৎপত্তি। কাজেই সংস্কৃত বানানের নিয়ম অমান্য করে ধ্রুপদি লেখাই উচিত। কিন্তু মানুষ তাহলে ধ্রুপদী লেখেন কেন? লেখেন এর গায়ে সংস্কৃত-সংস্কৃত গন্ধ আছে বলে। সংস্কৃত বাহিনী শব্দের সাদৃশ্যে যেমন কাহিনী লেখা হত এও তেমন। এর থেকে একটা কথা মনে হয়। মানুষ সাধারণভাবে প্রাচীনের মর্যাদায় নিজেকে আলোকিত করতে চান। (Social Media)
এই মানসিকতা থেকেই কিন্তু ধ্রুপদী বানান লিখে সুখ ও তৃপ্তি। সংস্কৃত তৎসম শব্দে যেখানে বিকল্পে হ্রস্ব নেই সেখানে যেমন দীর্ঘ লিখি আমরা তেমনই কোনও কোনও অসংস্কৃত শব্দকে দীর্ঘের টুপি পরিয়ে মর্যাদা দিতে চাই। ক্ল্যাসিকাল যখন তখন দীর্ঘ-ঈ লেখা উচিত ধ্রুপদী বানানে। তাকে পরানো যাক সংস্কৃত নিয়মের জামা। (Social Media)
আরও পড়ুন: চর্ব্যচূষ্যলেহ্যপেয়: পর্ব ৩- মাছের মাংসের কারি
ফেসবুকে বাংলা বানান লেখার ক্ষেত্রে এই টানাপড়েন চোখে পড়ে। একদল নিয়ম মেনে ফিরতে চাইছেন সংস্কৃতে, নিদেন পক্ষে শুদ্ধে। আরেকদল মনের সুখে লিখতে বসে যেমন-খুশি লিখছেন। এই টানাপোড়েন প্রমাণ করছে, বাংলা সজীব জীবন্ত ভাষা। অনেকে লেখেন পড়েন। (Social Media)
শেষে একটা কথা। বলা চলে বিধিসম্মত সতর্কীকরণ: সর্বদা বাংলা শব্দকে সংস্কৃত জামা পরাবেন না। মন দিয়ে ভেবে ছোটদের বই পড়াবেন। বাংলা বানান বাংলা জামা পরে সংস্কৃত শব্দের অভিধান পড়তে বসুক।
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বিশ্বজিৎ রায়ের জন্ম ১৯৭৮-এ, কলকাতায়। রামকৃষ্ণ মিশন পুরুলিয়ায় স্কুলজীবন কাটিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশুনো। উভয় পর্যায়েই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম। বর্তমানে বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যজগতে সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গসংস্কৃতি বিষয়ে তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দ: স্বদেশে সমকালে’, ‘সচলতার গান’, ‘সব প্রবন্ধ রাজনৈতিক’। এর বাইরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর মুক্তগদ্যের বই ‘ঘটিপুরুষ’, ‘অন্দরবেলা’ ও ‘ইস্কুলগাথা’ এবং পদ্যের বই ‘বিচ্ছেদ প্রস্তাব’ ও ‘গেরস্থালির পদ্য’। ‘ঘটিপুরুষ’ গ্রন্থের জন্য পেয়েছেন নীলাঞ্জনা সেন স্মৃতি পুরস্কার।
