(Bengali Budget Expense)
মাসের ১৫ তারিখ পেরোল মানে পকেটের জ্বর-জ্বর ভাব। খরচের ঘোড়ায় লাগাম টানার সিগন্যাল। বাইরে ডিনারের বদলে ‘ঘরোয়া খাবারই স্বাস্থ্যকর’ বুলি মুখে মুখে। রেস্ত-কে রেস্ট দিয়ে রেস্তরাঁ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা। ক’দিন পর আবার সাত সকালে ঘুম ভাঙতেই শ্যামের বাঁশি বেজে উঠল ফোনে। একটা মেসেজের শব্দেই আকাশে কালো মেঘ দেখে ‘লগান’ ছবির দৃশ্যের মতো ‘মন ধড়কায়ে বদরওয়া’! বেতন পেতেই ফের শুরু চালাও পানসি বেলঘরিয়া…। (Bengali Budget Expense)
আপনার মতো আর পাঁচটা বাঙালি ছাপোষা মধ্যবিত্তের রোজনামচা এরকমই। কথায় আছে, ‘যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ’। সেই নীতি বাঙালি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে, তবে পকেটের ক্ষেত্রে। যতক্ষণ পকেট গরম, ততক্ষণ মস্তি। বেতো ঘোড়ার মতো পকেট ঝিমিয়ে পড়লে শুরু হয় কুস্তি, খরচের সঙ্গে। বাঙালির পকেট থেকে টাকা বাবাজি বেরিয়ে ঠিক কোথায় কোথায় যান? একের পর এক প্রোমোশন পেলেও, পকেটের সঙ্গে টাগ অফ ওয়ার শেষ হয় না কেন? কোথায় টাকা ঢালে বাঙালি? (Bengali Budget Expense)
আরও পড়ুন: অলকা, Big Brother Is Watching You
আগে মস্তি, পরে কুস্তি
বহুজাতিক সংস্থায় আইটি কর্মী সৌম্যজিতের বয়স ২৯। বেতন ৬০-এর ঘরে। অথচ মাসে হাজার তিনেক টাকাও সঞ্চয় হয় না। বেতন বাড়বার পরই পুরনো বাইক জলের দরে বেচে ঝাঁ চকচকে বুলেট কেনা হল। ‘স্ট্যাটাস মেনটেন’ না করলে চলে! চার চাকার গাড়ি কেনা হয়েছে কয়েক বছর আগেই। তার কিস্তি চলেছে। বাড়ির জরুরি জিনিস সব চলে আসে অনলাইনে, গৌরী সেন ক্রেডিট কার্ডের ভরসায়। বহু আগে স্টক, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ শুরু করে লাখ খানেক টাকা জমিয়ে ওখানেই ইতি। সঞ্চয়ের ময়দান ধুধু। সাকুল্যে আছে ভাল মেডিক্লেম আর বিমা। বাড়ি নিজের (থুড়ি নিজের বাবার), বছরে ৫-৬টা ট্যুর, ভাল রেস্তরাঁয় খাওয়া, প্রেমিকার ‘এটা-সেটা খরচ’, বাড়ির আসবাব, সব মিলিয়ে খরচের অঙ্ক নীল তিমির মতো জলের উপর ভেসে শ্বাস নেওয়ার ফুরসতও পায় না। (Bengali Budget Expense)
অভিরূপের বয়স আবার ৪০ পেরিয়েছে। প্রথম সারির সংবাদ সংস্থায় কাজ করেন, বেতন চলনসই। ছোট্ট মেয়ে আছে। ফ্ল্যাটের লোনের কিস্তি মেটাতেই মাস কেটে যায়। স্ত্রী চাকরি করেন। দু’য়ে মিলে দিন চলে যায়। স্ত্রী আবার বেশ কিছু দিন হল সমাজ মাধ্যমে ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’। বাড়ির পরিচারিকাও নিজের প্রোফাইলে ‘ভিডিয়ো ছাড়ে’। বাড়তি টাকা আসে কিছু। মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করার পর থেকে সঞ্চয়ে টান পড়েছে। এর মধ্যেই অভিরূপের বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। লাখ তিনেক টাকা খসিয়ে সুস্থ করা গেল। মেডিক্লেম নেওয়া থাকলেও, কী এক ভুলে বিমার টাকা মিলল না। বহু কষ্টে জমানো ‘এমার্জেন্সি ফান্ড’ শেষ! (Bengali Budget Expense)

সদ্য অবসর নেওয়া কৃষ্ণা দত্তর গল্প কিছুটা আলাদা। স্কুলে পড়াতেন, পিএফ-গ্র্যাচুইটি মিলিয়ে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা পেয়েছেন। বেশিরভাগই খরচ হয়ে গিয়েছে ছেলের বিয়েতে। স্বামীও অবসর নিয়েছেন। বাড়ির ঋণ পাঁচ বছর আগে শোধ হয়েছে। হাতে বা ব্যাঙ্কে জমানো টাকা অনেকটাই কম। আগে কেনা কিছু সোনার গয়না আছে। শখ বলতে গাছপালা, শাড়ি…। না হয় নিজের পিছনে একটু বেশি খরচ হয়, হোক। মেয়ের বিয়েও দিতে হবে। টাকা কম পড়ে যাবে না তো? চিন্তা থাকে। ফিক্সডের টাকাই শেষ সম্বল। (Bengali Budget Expense)
আপনার, আমার ঘরের গল্পও অনেকটা একই। পকেটের টানাটানিতেই অর্ধেক জীবন কেটে যায় আমাদের। এছাড়া, অসুখবিসুখের খরচ তো আছেই। রোগে আর ভোগে সব টাকা সাবাড়। খরচের খাতায় আর কিছু না থাক, ভাল-মন্দ বাজার, ঘুরে বেড়ানো, ডাক্তারের ভিজিট আর ওষুধের খরচ থাকবেই। হাল আমলে অনলাইন শপিং গোদের উপর বিষফোঁড়া। (Bengali Budget Expense)
সমীক্ষা বলছে, গোটা দেশের মধ্যে বাংলার শহুরে মানুষরা চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেন।
২০২৩-২৪ সাল নাগাদ দেশের ‘হাউজ়হোল্ড কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার সার্ভে’-তে ধরা পড়েছে বাঙালিদের পকেট-কাহিনি। সমীক্ষা বলছে, গোটা দেশের মধ্যে বাংলার শহুরে মানুষরা চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেন। অন্য কোনও রাজ্যে এত খরচ হয় না চিকিৎসার জন্য। তবে, এই খরচের কারণ নিয়েও খানিক আলোচনার দরকার। (Bengali Budget Expense)
রিপোর্ট বলছে, এ রাজ্যে শহরের মানুষ খাবারের জন্য মাসে ১০০০ টাকা খরচ করলে, তার মধ্যে ২৫০ টাকা বরাদ্দ থাকে প্যাকেটবন্দি খাবার আর রেস্তরাঁর জন্য। অন্যদিকে, চাল-ডাল-গম কিনতে খরচ হয় ১১৪ টাকা, মাছ-মাংস-ডিম কিনতে ১৬৯ টাকা। বাকি টাকায় অন্য খাবার। চিকিৎসার পিছনে শহুরে মানুষদের খরচ হয় এক হাজার টাকায় প্রায় ১৫০ টাকা, গ্রামের মানুষদের সেই খরচ এক হাজার টাকায় ১৬৮ টাকা। (Bengali Budget Expense)

এ তো গেল মাসিক খরচের খুঁটিনাটি। অনলাইন শপিংয়ের হিসেব একটু আলাদা। অনেকের ধারণা, মহিলারাই অনলাইনে বেশি কেনাকাটা করেন। এই ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে ২০২৪ সালের আইআইএম আমেদাবাদের এক রিপোর্ট। ভারতের ২৫টি রাজ্যের ৩৫ হাজার মানুষের মধ্যে করা হয় এই সমীক্ষা। দেখা গিয়েছে, এক জন পুরুষ গড়ে ২৪৩৪ টাকা খরচ করেন অনলাইন শপিংয়ে, তুলনায় মহিলাদের খরচ মাত্র ১৮৩০ টাকা। অর্থাৎ পুরুষরা মহিলাদের তুলনায় বেশ খানিকটা এগিয়ে! তবে পোশাক কেনাকাটার নিরিখে পুরুষদের সাফল্যের সঙ্গে টেক্কা দিয়েছেন মহিলারা। পুরুষরা ৪৭ শতাংশে দাঁড়িয়ে, মহিলারা হাফ সেঞ্চুরি করে ৫৪ শতাংশের কোঠায়। (Bengali Budget Expense)
কিছু মাস আগে ললনটপের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা অরশদ ওয়ারসিও স্বীকার করেন, আমাজনে শপিং করা তাঁর বদ অভ্যাস। নানা সময় অপ্রয়োজনীয় প্রচুর জিনিস কিনে ফেলেন। বাড়ির কেউ কিছু কিনবে বললেই, ঝট করে ল্যাপটপ খুলে বসে যান অর্ডার দিতে। সবচেয়ে বড় কথা, এই ঝোঁকে এমন অনেক জিনিস কিনে ফেলেছেন, যেগুলো নিজে একবারও ব্যবহার করেননি! (Bengali Budget Expense)
মানিব্যাগ ফাঁকা হলে হৃৎস্পন্দন বন্দেভারতের গতিতে ছোটে, অথচ কখন জিপে-ফোনপে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের গলা টিপে ধরে, তা বুঝতে পারা যায় না।
অরশদের এই ‘বদঅভ্যাস’ অনেকেরই আছে। তাতেই গাদা গাদা টাকা খসে যায় অজান্তে। হিসেবও থাকে না। অনলাইন লেনদেন চালু হওয়ার পর বেহিসেবি খরচ পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। মানিব্যাগ ফাঁকা হলে হৃৎস্পন্দন বন্দেভারতের গতিতে ছোটে, অথচ কখন জিপে-ফোনপে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের গলা টিপে ধরে, তা বুঝতে পারা যায় না। নাকি বুঝেও বোঝে না বাঙালিরা? (Bengali Budget Expense)
হাম তো বুলেট লেঙ্গে
সোনি লিভের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘গুল্লক’-এর মিশ্র পরিবারের কাহিনি মনে আছে? গড়পড়তা বাঙালি পরিবারের ছবি তার থেকে কিছুমাত্র আলাদা নয়। সিরিজে অমন মিশ্র তার বাবা সন্তোষ মিশ্রকে একটা বাইক কেনার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। নাটকীয় ভঙ্গিতে কিছুক্ষণ পরেই বাবা বলেন, ‘আরেহ বাইক নেহি, হাম তো বুলেট লেঙ্গে…’। স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে ওঠা মধ্যবিত্তের বুলেটের চাকা সাধারণ বাইকের চেয়ে বেশি ‘চোখ টাটায়’। স্বপ্ন তো আর হিসেব বোঝে না! (Bengali Budget Expense)

চাকরি পেলেন, প্রথম বেতন পেলেন, বাইক কিনলেন। প্রোমোশন হল, বেতন বাড়ল, এবার ফ্ল্যাট। মাসে দু-তিনবার বাইরে খাওয়া-দাওয়া তো আছেই। মডার্ন যুগের মুশকিল আসান ‘বাই নাও পে লেটার’, সঙ্গে ইএমআই দোসর। ফলে ‘যা কামাই, সব ইএমআই’ বহু বাঙালিরই। সমাজ মাধ্যমে দুটো ছবি দেওয়ার জন্য পোশাক-জুতো কেনা, বাইরে ঘুরতে যাওয়া, প্রিওয়েডিং শ্যুট, সবই হল একবার— কিন্তু খরচ গুনতে হয় বছরের পর বছর। হাল আমলে বিয়েও হচ্ছে ‘বাই নাও পে লেটার’ প্যাকেজে। একদা ‘হিসেবনিকেশ’ জানা বাঙালি এখন হিসেব ভুলে খরচের ফাঁদে ‘নিকেশ’ হয়ে যাচ্ছে। (Bengali Budget Expense)
যা সিমরন, জি লে আপনি জিন্দেগি
খরচ, খরচ আর খরচের চাপে জীবন ওষ্ঠাগত। স্বাভাবিকভাবে, টাকা রোজগারই হয়ে উঠছে মূল উদ্দেশ্য। হাঁপিয়ে উঠছে জেন জি-ও। জীবনকে উপভোগ করতে চাইছে মন-প্রাণ দিয়ে। পকেটের কথা আর কে ভাবে! ‘জীবন চাইছে আরও বেশি, আরও বেশি কিছু…’। (Bengali Budget Expense)
YOLO আর FOMO-এর ফাঁদে আটকা পড়েছে নবতম প্রজন্ম। দুটোই জেন জি স্পেশাল টার্ম।
YOLO আর FOMO-এর ফাঁদে আটকা পড়েছে নবতম প্রজন্ম। দুটোই জেন জি স্পেশাল টার্ম। YOLO মানে You Only Live Once। খরচের তোয়াক্কা না করে, ভবিষ্যতের কথা না ভেবে, দেদার উপভোগের ছাড়পত্র— ‘যা সিমরন, জি লে আপনি জিন্দেগি’। পকেট আর কঠোর ওমরেশ পুরী না। (Bengali Budget Expense)
আর, FOMO মানে Fear Of Missing Out। সবাই কোল্ডপ্লের কনসার্টে যাচ্ছে, আমি কেন বাদ যাব? আমাকেও যেতে হবে, ধার করে হলেও। সমাজ মাধ্যমের বিজ্ঞাপনী কৌশলের ভিত এই ফোমো। ফলস্বরূপ, বাঙালি এখন মোমোও খায়, ফোমোও খায়। উত্তম-অপর্ণা অভিনীত ‘সোনালী খাঁচা’-য় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গানটার মতো— ‘কে জানে ক’ঘণ্টা, পাবে রে জীবনটা/ যেটুকু চোখে পড়ে, মনে ধরে নিয়ে যা’— জীবনের নতুন নীতি। (Bengali Budget Expense)
ইসকো লাগা ডালা তো লাইফ জিঙ্গালালা
এত খরচের মধ্যে পকেট সামলাবেন কীভাবে? কোন সোনার কাঠির ছোঁয়ায় খরচের যম ঘুমিয়ে পড়বে? অমল গুপ্তের ‘ওয়ান ইডিয়ট’ আর ‘রিটার্ন অফ ওয়ান ইডিয়ট’ শর্ট ফিল্মে রয়েছে খানিক সুলুকসন্ধান। দু’টি ছবিই আর্থিক পরিকল্পনা আর আর্থিক সাক্ষরতার কথা বলে। ‘ওয়ান ইডিয়ট’-এর ‘বাগস আঙ্কল’-কে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা বিদ্রুপ করে, তিনি একটাই পুরনো চটি পড়ে রোজ বাজারে যান বলে। পঞ্চাশ পয়সা দাম কমাতে সবজিওয়ালার সঙ্গে ঝগড়াও করেন। শেষে তিনিই তাদের শেখান, নিয়মিত বিনিয়োগই জীবনে স্বাধীনতা এনে দেয়, শেখান ‘এসআইপি-মাহাত্ম্য’। আর্থিক ভাবে সুরক্ষিত সাধারণ জীবনযাপনেই বিশ্বাসী তিনি। (Bengali Budget Expense)

‘রিটার্ন অফ ওয়ান ইডিয়ট’ মূলত বার্ধক্যের সুরক্ষিত জীবনের কথা বলে। বৃদ্ধ বয়সে সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার উপায় পরিকল্পিত সঞ্চয়, বিনিয়োগ। কীসে বিনিয়োগ, কী ভাবে বিনিয়োগ তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা না করে সংক্ষেপে বলতে হয়, অবসর গ্রহণের আগে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নিয়মিত মিউচুয়াল ফান্ডে জমালে, পরে সেটিই হয় বার্ধক্যের অবলম্বন। পাশাপাশি মনে রাখতে হবে, ওয়ারেন বাফের একটি ছোট্ট টিপস, ‘খরচের পরে সঞ্চয় নয়, আগে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ, পরে খরচ’। (Bengali Budget Expense)
৩০ বছর ধরে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা খরচ করে পেয়ে যাবেন প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকা।
সবশেষে একটা আশ্চর্য উদাহরণ দিয়ে নটে গাছ মুড়োব। আপনি যদি সামান্য ১০০০ টাকা কোনও মিউচুয়াল ফান্ডে এসআইপি করেন, বছরে গড়ে ১৫ শতাংশ রিটার্ন পেলে, ৩০ বছর ধরে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা খরচ করে পেয়ে যাবেন প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকা। আরও ৫ বছর একইভাবে এসআইপি করলে, মাত্র ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জমিয়ে হাতে পাবেন প্রায় ১ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা।
তাই আগামী দিনে কম্পাউন্ডিং হোক বড় অস্ত্র। মোমো সুস্বাদু, বাঙালি মোমো খাক। ফোমোটুকুও কেটে যাক।
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সিমন অগ্নিহোত্র রায়। জন্ম ১৯৯৬, বরানগরে। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। কবিতাই ঘিরে রেখেছে জীবন, গবেষণার তাগিদে আসে গদ্য, প্রবন্ধ। শব্দ নিয়ে খেলার শখ। তুখোড় হিসেবি। অনর্থক অর্থ অপচয় না-পসন্দ। বর্তমানে কাজের ঠিকানা আনন্দবাজার পত্রিকা।
