Tags Posts tagged with "aishwarya rai bachchan"

aishwarya rai bachchan

ব্রেকাপের পর আর কোনদিন একে অপরের চোখের দিকেও তাকান নি এই জুটি। হ্যাঁ কথা হচ্ছে বি-টাউনের সবথেকে চর্চিত এবং চিরনতুন প্রাক্তন জুটি সলমন খান এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের।

‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবিতে অসামান্য রোম্যান্স দেখা গিয়েছিল তাঁদের। কিন্তু অফস্ক্রিন চলছিল তুমুল সমস্যা। তাই ছবি রিলিজের পর পরই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাঁদের। বিচ্ছেদের পর বলিউড ‘ভাইজান’-এর বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী। সলমন অবশ্য এরপরও সম্পর্ক জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু ঐশ্বর্য রাজি হননি কোনওভাবেই। এরপর বচ্চন পরিবারের বউ হওয়ার পর থেকে সলমনের নাম শুনলেও এড়িয়ে যান অভিনেত্রী। তবে ভাগ্যের জেরে আবারও এক ছাঁদের তলায় হাজির হন এই প্রাক্তন।

সম্প্রতি পরিচালক সুভাষ ঘাই-র জন্মদিনে হাজির হন বলিউডের সকলে। উপস্থিত থাকেন ঐশ্বর্য এবং ভাইজানও। কিন্তু তবুও মুখোমুখি হন নি তাঁরা। জানা গিয়েছে অনুষ্ঠানে বেশ খানিক আগেই উপস্থিত হয়েছেন প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী। আর অনুষ্ঠানের শেষের দিকে এন্ট্রি নেন সলমন। তাই একই ছাদের তলায় থাকলেও সেই মূহুর্তেই অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যান ঐশ্বর্য। বাইরে মিডিয়ার আগ্রহ তুঙ্গে থাকলেও প্রত্যেকবারের মত সলমনকে এড়িয়ে যান বলেই জানা যায়।

তবে এটি প্রথমবার নয়, গত বছর অনিল কপূরের কন্যা সোনম কপূরের বিয়ের দিনও একই ঘটনা ঘটে। সলমন খানের এন্ট্রি হওয়ার আগেই সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন ঐশ্বর্য।

লিখেছেন -
0 1134

প্রথম ছবি কম্পানি তে অভিনয়ের জন্য খুবই প্রসংসিত হয়েছিলেন বিবেক ওবেরয় | ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও পান এই ছবির জন্য | ওই একই বছর (২০০২) মুক্তি পায় সাথিয়া | এবং এই ছবি মুক্তি পাওয়ার পর কারুর মনে আর সন্দেহ থাকে না যে উনি একজন সফল এবং উচ্চমানের অভিনেতা হবেন | কিন্তু মন্দ কপাল হলে যা হয় ! বিবেক জড়িয়ে পরলেন ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে | ব্যাস ! এরপর ওঁর জীবনে নেমে এলো দুর্ভাগ্য | কিছুদিনের মধ্যেই বলিউড থেকে হারিয়ে গেলেন উনি |

ঘটনার সুত্রপাত ৩১ মার্চ‚ ২০০৩ সাল | ওইদিন বিবেক একটা সাংবাদিক সম্মলেন ডেকে জানান সলমন খান নাকি ওঁকে হুমকি দিচ্ছেন | সেই সময় সলমন আর ঐশ্বর্যের জীবনে বেশ উথাল পাথাল চলছিল | খুব বেশীদিন হয়নি ঐশ্বর্য সলমনের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করে বিবেকের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন |

অবশ্য ঐশ্বর্য বিবেকের সঙ্গে ওঁর সম্পর্কের কথা কোনদিনই স্বীকার করেননি | কিন্তু সেই সময় দুজনকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান‚ পার্টিতে একসঙ্গে দেখা যেত | অন্যদিকে সলমন খানের সময় ভালো যাচ্ছিল না সেই সময়‚ এর কয়েকদিন আগে হিট অ্যান্ড রান কেসে জড়িয়েছেন উনি | দ্বিতীয়ত ঐশ্বর্যের সঙ্গে ব্রেক আপ |

সলমনের সঙ্গে ব্রেক আপের ফলে ঐশ্বর্যও সেই সময় মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন | আর বেচারা বিবেক শুধুমাত্র ওঁর ভালো বন্ধুঐশ্বর্যের পাশে থাকতে চেয়েছিলেন | তাই উনি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে সলমনের নামে অভিযোগ করেন |

বলা যেতে পারে এই সাংবাদিক সম্মেলনের কারণেই বিবেকের কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল | ঐশ্বর্যের জন্য উনি এমনটা করেন | আর পরে ঐশ্বর্য সাফ জানিয়ে দেন উনি এই ব্যপারে কিছুই জানতেন না | এই ঘটনার পর অ্যাশ বিবেক কে এড়িয়ে চলতে আরম্ভ করেন |

সলমনের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য একরকম বয়কট করা হয় বিবেককে | ওঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতে নেমে আসে অন্ধকার | একবার প্রযোজক আদিত্য চোপরা বিবেক ওবেরয় সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন বিবেক একদিন শাহরুখ খান হতে পারতো | কিন্তু নিজের হাতে সেই সম্ভবনা শেষ করেছে সে |

এর বহু বছর বাদে ফারহা খানের টক শোতে উপস্থিত হয়েছিলেন বিবেক | সেই সময় বিবেক পরোক্ষভাবে জানিয়েছিলেন ঐশ্বর্য ওঁকে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন | কিন্তু পরে উনি তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং বিবেককে একা ছেড়ে দেন | | এছাড়াও বিবেক জানিয়েছিলেন সলমনের ভাই সোহেল খানের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব ছিল ওঁর | কিন্তু সলমনের বিরুদ্ধে কথা বলার ফলে সেই বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় | পরে অবশ্য বিবেক বহুবার সলমনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন | কিন্তু সলমন ওঁকে মাফ করেননি |

তারপর কেটে গেছে ১৫ বছর‚ বিবেক কিন্তু এখনো সেই ঘটনার মাশুল দিচ্ছেন |  অন্যদিকে সলমন আর ঐশ্বর্য কিন্তু দিন কে দিন উন্নতি করেছেন | আর বিবেক ওঁদের মাঝে পড়ে বলিউডের একজন সাধারণ অভিনেতা হয়ে রয়ে গেলেন !

২০ এপ্রিল‚ ২০০৭ সালে ঐশ্বর্য রাই ও অভিষেক বচ্চন বিয়ের পিঁড়িতে বসেন | ২০১১ সালে জন্মায় মেয়ে আরাধ্যা | বিয়ের পর কেটে গেছে দশ বছর কিন্তু আজও ওঁদের দেখে অনেকেই অনুপ্রেরণা নেন | ফেমাসলি  ফিল্মফেয়ার-এর সেকেন্ড সিজনের একটা এপিসোডে উপস্থিত ছিলেন অ্যাশ | ইতিমধ্যেই সেই এপিসোডেল প্রমো মুক্তি পেয়েছে | প্রমোতে অভিনেত্রী জানিয়েছেন অভিষেক ওঁকে বিয়ের জন্য প্রপোজ করার কয়েকদিনের মধ্যেই হঠাৎ করে ওঁদের রোকা অনুষ্ঠিত হয় |রোকা অনুষ্ঠান এতটাই হঠাৎ করে হয়েছিল যে ঐশ্বর্য নিজে এবং ওঁর পরিবারের বাকিরা এর জন্য তৈরী ছিলেন না |

এখানেই শেষ নয় বিয়ের আগে রোকা অনুষ্ঠানের মানেও জানতেন না ঐশ্বর্য | ওঁর কথায় আমরা সাউথ ইন্ডিয়ান‚ তাই বিয়ের আগে রোকার মানে জানতাম না | হঠাৎ ওঁদের বাড়ি থেকে ফোন এলো যে ওঁরা আসছে |

অভিষেক যখন অমিতাভ ও জয়া কে নিয়ে ঐশ্বর্যের বাড়ি যাবেন বলে ঠিক করেন সেই সময় অ্যাশের বাবা শহরের বাইরে ছিলেন | ঐশ্বর্য জানিয়েছেন অভিষেক বললো আমরা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরেছি | আমরা আসছি | আমি তখনো বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে রোকা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে |

উনি আরো যোগ করেন মা বাড়িতে ছিল | ওঁরা সবাই এলো | সবাই খুব ইমোশনল হয়ে গেছিল | আমি তখনো বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না | সব যেন এক মুহুর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেল | ওঁরা যাওয়ার পর মায়ের কাছে জানতে চাইলাম মা আমার এনগেজমেন্ট হয়ে গেল?

পরে অবশ্য অ্যাশের বাবা ফিরে আসার পর অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি জলসাতে অভিষেক ও ঐশ্বর্যের এনগেজমেন্ট উপলক্ষে এক বড় পার্টির ব্যবস্থা করেন বিগ বি |

প্রসঙ্গত অভিষেক ঐশ্বর্যে কে নিউ ইয়র্কের হোটেলের ব্যলকনিতে প্রপোজ করেছিলেন | একটা সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেন আমি নিউ ইয়র্কে শ্যুটিং করছিলাম | হোটেলের ব্যলকনিতে দাঁড়িয়ে আমি ভেবেছিলাম যদি কোনদিন বিয়ের পর এই ব্যলকনিতে ঐশ্বর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে গল্প করতে পারি তাহলে দারুণ ব্যপার হবে | কয়েকবছর বাদে আমরা গুরু ছবির প্রেমিয়ারে ওখানে উপস্থিত হয়েছিলাম | প্রেমিয়ারের পর ঐশ্বর্য কে নিয়ে হোটেলে যাই‚ ওই একই ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ওঁকে বিয়ের জন্য প্রপোজ করি |

একই ছবিতে সলমন খান‚ ঐশ্বর্য রাই আর অভিষেক বচ্চন ! বিস্বাস হচ্ছে না তো? কিন্তু সত্যিই এমন একটা ছবি আছে যাতে ওঁরা তিনজনেই ছিলেন| ছবির নাম ”ঢাই অক্ষর প্রেম কে” | এই ছবির মুখ্য চরিত্রে ছিলেন অভিষেক ও ঐশ্বর্য | ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে প্রথমবার বড় পর্দায় অ্যাশ-অভি কে দেখা গেছিল |

এই ছবিতে ছিলেন সলমন খান ও | যদিও ওঁকে দেখা গেছিল একটা ছোট চরিত্রে | সলমন কে একজন ট্রাক চালকের ভূমিকায় দেখা যায় | ওই ট্রাক চালকের সাহায্যেই ছবির নায়ক মানে অভিষেক আবার ফিরে পান ঐশ্বর্য অভিনীত চরিত্রকে |

সব থেকে আশ্চর্যজনক ব্যপার হলো ওই সময় রিয়েল লাইফে সলমনের সঙ্গে প্রেম করছেন ঐশ্বর্য | তখন কেই বা জনতো ভবিষ্যতে অ্যাশের বিয়ে হবে অভির সঙ্গে | আসলে সময়ের সঙ্গে সব কিছু পাল্টে যায় | তাই না?

লিখেছেন -
0 1222

আট বছর আগে ১৯ নভেম্বার মুক্তি পায় সঞ্জয় লীলা ভনসালি পরিচালিত ‘গুজারিশ’ | ছবির গল্প একজন ম্যাজিসিয়ান কে ঘিরে যে প্যারালাইসিসের শিকার হয় খেলা দেখাতে গিয়ে | এই ছবিকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি হয় | আর এই ছবির মুক্তির সঙ্গে সঞ্জয় লীলার সঙ্গে সলমন খানের সম্পর্কও বিষিয়ে যায় |

তার আগে সঞ্জয় লীলার সঙ্গে সলমনের সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল | দু’জনে সুপারহিট ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবিতে কাজ করেছিলেন‚ ওইসময় সঞ্জয় লীলা সলমনের সঙ্গে বাজিরাও মস্তানি করবেন বলে ঠিক করেন | ওই একই সময় সলমন সঞ্জয় লীলা কে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দা প্রেস্টিজ’ ছবির ডিভিডি উপহার দেন | যার থেকে ‘গুজারিশ’ ছবি করার আইডিয়া আসে সঞ্জয় লীলার মাথায় |

সলমন আশা করেছিলেন ‘গুজারিশ’ ছবিতে ঐশ্বর্য রাইয়ের বিপরীতে ওঁকে নেওয়া হবে | কিন্তু তার বদলে হৃত্তিক রোসন কে নেওয়া হয় মুখ্য চরিত্রে | এইনিয়ে অবশ্য খোলাখুলি কোনদিনই কোনরকম অসন্তোষ প্রকাশ করেননি সলমন | কিন্তু একটা সাক্ষাৎকারে এই ছবি সম্পর্কে সলমন এমন কিছু মন্তব্য করেন যা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় ওঁর মনোভাব |

ছবির একটা দৃশ্য সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে সলমন বলেন ‘ ওই দৃশ্যে একটা মাছি উড়ছিল | কিন্তু একটাও মশাও ওই ছবি দেখতে যায়নি |’ উনি আরো বলেন ওই ছবি এতটাই অযোগ্য যে একজনও ওই ছবি দেখতে যায়নি |

ছবি সম্পর্কে সলমনের এই চরম মন্তব্য শেষ করে দেয় সঞ্জয় লীলা ভনসালির সঙ্গে ওঁর বন্ধুত্ব | তারপর কেটে গেছে অনেকটা সময়‚ কিন্তু আজও অভিনেতা ও পরিচালকের সম্পর্ক ঠিক হয়নি |

রেসিপি

error: Content is protected !!