Tags Posts tagged with "virat kohli"

virat kohli

এক বছর পূর্ণ হয়ে গিয়েছে বিরুষ্কার বিয়ের। তবুও তাঁদের বিয়েটা যেন সকলের কাছে একটা স্বপ্নের মত। কিন্তু সেই বিয়ের খবরই একসময় লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন অনুষ্কা। এমনকি সেই কাজে সফলও হন এই জুটি। একদিকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর একদিকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা অনুষ্কা শর্মা। কিন্তু এত বড় মাপের তারকা হওয়া সত্তেও কীভাবে লুকোলেন সবকিছু?

সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে অনুষ্কা জানান, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে ওয়েডিং প্ল্যানার কেউই তাঁদের আসল পরিচয় জানতো না। তাঁদের ম্যানেজার, পরিবার এবং বিশেষ কিছু বন্ধু ছাড়া কারওর কাছেই সেই বিয়ের খবর পৌঁছোতে দেননি তারকা জুটি। খেলা এবং বিনোদন এই দুই দিক থেকে সবকিছু গোপন করতে নাকি নিজেদের নামটুকুও পাল্টে ফেলেছিলেন তাঁরা। হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। অভিনেত্রীর কথায়,’ক্যাটারিং এবং বাকিদের কাছে আমরা নিজেদের নাম পাল্টে অন্য নামে পরিচয় দিয়েছিলাম। বিরাটের নাম সম্ভবত রাখা হয়েছিল রাহুল।’ কিন্তু ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জি? তিনিও কী কিছুই না জেনে অসামান্য অভিনব বিয়ের পোশাকটি দিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে? এর উত্তরে অভিনেত্রী জানান,’একমাত্র তিনিই জানতেন সবটা কিন্তু কাউকে জানতে দেননি।’

বিয়ের একবছর পরও একইভাবে হিট এই জুটির বিয়ের অ্যালবাম। এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ছবি এবং ভিডিও। গোপনে সাত পাক ঘুরলেও সেই বিয়েই আজ বহু মানুষের স্বপ্নের থেকে কিছু কম নয়,তা বলা বাহুল্য।

ইন্টারনেট খুললেই দেখা যাচ্ছে বিরুষ্কার একের পর এক অসাধারণ মুহূর্তের ছবি, শেয়ার করেছেন বিরাট কোহলি। তবে একার নয়, পাশে নিজের স্ত্রীকে নিয়েই প্রত্যেকটা ছবিতে রোম্যান্টিক পোজে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। কখনও জঙ্গলে,আবার কখনও রাস্তায়,বা লেকের ধারে সময় কাটানোর ছবিতে মুগ্ধ তাঁদের ভক্তরা। এমনিতেই বিরুষ্কার জুটি হিট সর্বত্র। তার উপর উপরি পাওনা হিসেবে এই ছবিগুলি যেন আরও বেশি রোম্যান্টিক করে তুলছে ভালবাসার মুহূর্তকে। কিন্তু পাশাপাশি নেটিজেনদের একাংশের দাবি এইসব ছবিগুলি যখন সেল্ফি নয়,তবে তুলেছেন কে?

যে ছবিগুলিতে বিরাট এবং অনুষ্কাকে একা দেখা যাচ্ছে,সেই ছবিগুলি নয় তাঁরা একে অপরকে তুলে দিয়েছেন, কিন্তু দুজনের একসঙ্গে ছবিগুলি কাদের তোলা? তাহলে কি এই জুটি তাঁদের সঙ্গে কোন ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে করে গিয়ে গিয়েছেন? বা সবসময়ই কি তাঁদের কোন ভাড়া করা লোক রয়েছে যারা একসঙ্গে ঘুরছেন এই জুটির সঙ্গে? এইসকল প্রশ্নে আপাতত ভর্তি হয়ে গিয়েছে নেট দুনিয়া। ট্রোলও কম হয়নি এই বিষয়টি নিয়ে। প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দুজনে। এমনই এক ছবি পোস্ট করেছিলেন বিরাট। আর তার নিচে এক ভক্ত প্রশ্ন রেখেছেন, ”ক্যামেরাম্যানটা কে? জঙ্গলে কে আপনাদের ছবি তুলে দিল!”

বছরের শুরুতেই  বিরাট কহলির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন অনুষ্কা। এবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে এসে নিউজিল্যান্ডে ছুটির মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিরুষ্কা। যেহেতু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে খেলছেন না বিরাট,তাই অফুরন্ত সময় নিজের স্ত্রী-এর সঙ্গে কাটাচ্ছেন অধিনায়ক। নিজের ইনস্টাগ্রাম ওয়ালে তা শেয়ার করতেও ভুলছেন না অবশ্য।

বলা হয় এই পৃথিবীতে কিছুই অসম্ভব নয়। এমনও শোনা যায়,একই ধরনের দেখতে মানুষও নাকি খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল নয়। এর আগে আমরা ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং ক্যাটরিনা কইফের হামসকলকে দেখেছি। এবার খুঁজে পাওয়া গিয়েছে অনুষ্কা শর্মার যমজ বোনটিকে। 

কি অবাক হচ্ছেন তো?  অনুষ্কা শর্মার মত এক্কেবারে এক দেখতে এই মহিলা আসলে আমেরিকারন একজন গায়িকা এবং গীতিকার। নাম জুলিয়া মাইকেলস। আর ২৫ বছর বয়সী এই গায়িকা  ২ বছর আগে জিতেছেন গ্রামি অ্যাওয়ার্ডও। হলিউডে বহুদিন থেকেই জনপ্রিয় এই গায়িকা। এবার জুলিয়া হলিউডের সঙ্গে সঙ্গে বলিউডেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে গায়িকা হিসেবে নয়,অনুষ্কা শর্মার হামসকল হিসেবে। তবে জানেন কি অনুষ্কার মত দেখতে এই গায়িকাকে খুঁজে বের করে আনার পিছনে আছেন নেটিজেনদেরই। আর তারপর থেকেই ভাইরাল সেই ছবি গোটা নেট দুনিয়ায়। 

আপাতত  ভারতীয় ক্রিকেট টিমের ক্যাপটেন তথা স্বামী বিরাট কোহলির সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন অনুষ্কা শর্মা। আর সেই সময়ের কিছু রোম্যান্টিক মুহূর্তের ছবিও নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন বিরাট।

 

  

View this post on Instagram

♥️

A post shared by Virat Kohli (@virat.kohli) on

লিখেছেন -
0 1384

খুব ছিমছাম একটি সুখী গৃহকোণ। সেখানে সুখের ওম গায়ে মেখে বাস করেন একজোড়া কপোতকপোতী। তাঁদের ঘরের বয়স কিন্তু বেশি নয় মাত্র একবছরএই একবছরের অভিজ্ঞতাই তাঁদের অনেক সমৃদ্ধ করেছে। আড্ডার ছলে সেই আলোচনাই তাঁরা করছিলেন একদিন। কপোতী কপোতকে দেখাচ্ছিলেন, তাঁর স্কুল লাইফে অভিনয়ের ফটো। তাই দেখে কপোতের মিষ্টি খুনসুটি। নিজের স্কুলের ড্রামা কমপিটিশনের ছবি দেখিয়ে পাল্টা জাহির, ‘আমিও কিন্তু অভিনয় পারি।’ কিছুটা বন্ধুত্ব, অনেকটা খুনসুটি আর ষোলোআনা ভালোবাসার আশ্লেষে জড়ানো এই দাম্পত্যের ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। একটি সংস্থার বিজ্ঞাপনের সৌজন্যে। সংস্থাটি বলতে চেয়েছে, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে তাদের প্রডাক্ট এই জুটির মতোই অটুট। বিজ্ঞাপনের জনপ্রিয়তার আরও একটা কারণ এই দম্পতির অফস্ক্রিন রসায়ন। জুটির একজন যে বিরাট কোহলি। অন্যজন? অবভিয়াসলি ‘লেডি লাক’ অনুষ্কা শর্মা!

বিজ্ঞাপনটি কিন্তু জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চর্চিতওএবং একটু বিতর্কিত, নিন্দিতকারণ, একটি ছোট্ট দৃশ্য। যেখানে সোফায় বসা অনুষ্কা পা দিয়ে ঠেলে ডাকছেন বিরাটকে। আর বিরাট অলরেডি ‘দেহি পদপল্লব’ গোছের আকুতি নিয়ে যেন বউয়ের পায়ের গোড়ায় বসে (দর্শকের মত এমনটাই)! বিশ্লেষণাত্মক মন নিয়ে দেখতে বসলে প্রশ্ন জাগবেই, দাম্পত্যের এমন দুর্লভ মুহূর্ত সত্যিই কি খুবই দৃশ্যদূষণ ঘটিয়েছে? বিরাটকে অনুষ্কার ‘পায়ে ঠ্যালা’ কী প্রমাণ করতে চেয়েছে? বন্ধুত্ব থাকলে এই আচরণ চলতেই পারে? উদারমনস্কদের মতে, নারীপুরুষ নির্বিশেষে ‘হ্যাঁ’ রক্ষণশীলদের দাবি, ‘না’ কেন? দাম্পত্য সুখের হয় বন্ধুত্বের গুণে। সেখানে বউকে সোফাসেটে আরাম করে বসতে দিয়ে স্বামী মাটিতে বসতেই পারেন। তাই নিয়ে রক্ষণশীলদের কোনও সমস্যা নেই। তাঁদের যাবতীয় সমস্যা ওই ‘পায়ে ঠ্যালা’ দৃশ্য। এখানে আবার মুখ খুলেছেন উদারমনস্করা। তাঁদের কথায়, বিরাট যদি পা দিয়ে অনুষ্কাকে ঠেলতেন তাহলে তথাকথিত নারীবাদীরা রেরে করে উঠতেনবলতেন, ‘‘এমনিতেই নারীরা পুরুষের পায়ের তলায় পড়ে থেকেছে বরাবরএবার সেটা বিজ্ঞাপনেরও ‘পণ্য’ হচ্ছে! মুখে কথা বলুন বিরাট। কেন অনুষ্কাকে পায়ে ঠেলবেন? তারপরেও আবার মাঠে বড়াই করে বলেন, অনুষ্কা নাকি তাঁর ‘লেডি লাভ’ এবং ‘লাক’! আজ বিপরীত লিঙ্গ সেই কাজটা করায় সব খুশ হ্যায়?’’

এই প্রেক্ষিতে উদারমনস্কদের কটাক্ষ, পাও কি হাতের মতোই শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নয়? হাতের বদলে পা দিয়ে ডাকলে দোষের কী? আর বন্ধুত্বের খাতিরে এটুকু মেনে নেওয়া যেতেই পারে। একুশ শতকেও যদি নিখুঁত আচরণ নিয়ে এত বাড়াবাড়ি, কড়াকড়ি, তবে মুক্ত মন ডানা মেলবে কবে? উদারপন্থীদের এই যুক্তি অকাট্য। ভালোবাসার জন্য অবশ্যই দুনিয়া কুরবান। কিন্তু নারীপুরুষ ভেদাভেদ ভুলে যদি দেখা হয় ব্যাপারটা? তাহলে মানতেই হবে বিরাটকে অনুষ্কার পা দিয়ে ঠ্যালা কিংবা অনুষ্কার বিরাটকেব্যাপারটা চোখে বেঁধে বৈকি। এমন মন্তব্যের নেপথ্যের নিরপেক্ষ কারণগুলো এরকম

কারণ ১: সভ্যতা এগিয়েছে। আমরা চারপেয়ে থেকে দু’পেয়ে হয়েছি। হাত দুটো ব্যবহার করি লেখাপড়া সহ যাবতীয় কাজে, খেতে, কাউকে ডাকতে, আদর করতে, জড়িয়ে ধরতে এবং আঘাত করতে। পায়ের কাজ চলাফেরায় সাহায্য করা। একই সঙ্গে কাউকে হেয় করতে যতটা আঘাত এবং অপমান করা যায় পা দিয়ে, সেটাও করা হয়। এর মধ্যে লাথি মারা, ঠোক্কর মারা বা পা দিয়ে ঠেলে দেওয়াও আছে। প্রসঙ্গত, এখনও কোনও সহকর্মী তাঁর সিনিয়রের মনপসন্দ না হলে তিনি সেই বিরক্তি প্রকাশ করেন সহকর্মীকে অসাবধানতাবশত (পড়ুন ইচ্ছাকৃত) পা দিয়ে ঠোক্কর মেরে। একে কোনওভাবেই কি খুনসুটি বা ভালোবাসার প্রকাশ বলা যাবে?

কারণ ২: আমাদের শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট। তাহলে তো আমরা হাত দিয়ে হাঁটতেই পারি? কিংবা পা দিয়ে খাওয়াদাওয়া! শুধুই অফিসিয়ালি নয়, বন্ধুদের মধ্যেও পাশ্চাত্যে তাহলে কেন করমর্দন করা হয়? পায়ে পা মেলানোর বদলে!

কারণ ৩: যেকোনও বিরক্তিকর জিনিস, সেটা বস্তু হোক বা প্রাণীতাকে সরাতে আমরা পায়ের সাহায্য নিই। যেমন, কুকুর, বেড়াল। দীর্ঘক্ষণ ধরে পায়ে পায়ে ফিরলে প্রথমে হুশহাশ করে তাড়ানোর চেষ্টা চলে। তারপরেই সজোরে লাথি। আবার চলার পথে পাথর বা ইঁটের টুকরো পড়লে পা দিয়েই ঠেলে সরাই আমরা। এছাড়া, সম্মানজনক কোনও জিনিস বা ব্যক্তির গায়ে পা ঠেকলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রণাম করি। পা যদি হাতেরই সমান, তবে এই কাজ আমরা করি কেন?

খুঁজে দেখলে এমন আরও লাখো যুক্তি পক্ষেবিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেওয়া যায়। চাইলে, ‘পায়ে পা লাগিয়ে’ নারীবাদী ও নিপীড়িত পুরুষদের মধ্যে ‘উপভোগ্য খণ্ডযুদ্ধ’ও বাধিয়ে দেওয়া যেতেই পারে। বিশ্বাস করুন, তেমন কোনও ভাবনা থেকে এই লেখা নয়। আসলে আমাদের সংস্কার, আমাদের রীতি বলছে, পায়ে ঠ্যালা অসম্মান দেখানোরই নামান্তর। এই অসম্মান পুরুষ করলেও যা, নারী করলেও একই। যতই তা ভালোবাসার প্রকাশ হোক না কেন! বিরুষ্কা, আপনারাই তো বলেছিলেন, এমন কোনও বিজ্ঞাপনের ব্র্যান্ডিং করবেন না যা আমাদের সংস্কারকে আঘাত করে। সমাজকে ভুল বার্তা দেয়। পায়ে ঠেলে কাউকে ডাকা সত্যিই কি নারীপুরুষ নির্বিশেষে উদারমনস্কতার পরিচায়ক? যাকে মারাত্মক ভালোবাসব তাকে কি পায়ে ঠ্যালা যায়? পাঠক, আপনারা কী বলেন?

আপাতত বলিউডের লাভবার্ড বললে সবার আগে মাথায় আসে দীপিকা পাদুকোন ও রণবীর সিং-র কথা। ৬ বছরের সম্পর্ক পরিনতি পাওয়ার পর থেকে সকলেই চান রণবীরের মত বর পেতে। আর সেই কিনা বিয়ের পরও তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকাকে ভুলতে পারেন নি এখনও।

ব্যান্ড বাজা বারাত’-এ প্রথম একসঙ্গে জুটি বেধেছিলেন এই তারকারা। হ্যাঁ,কথা হচ্ছে রণবীর সিং ও অনুষ্কা শর্মার। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে সম্পর্ক তোইরি হতেথাকে তাঁদের মধ্যে। তবে আচমকাই আলাদাও হয়ে যান তাঁরা। তবে একসঙ্গে ছবিতে কাজ করেছেন পরেও। পরিচালক জোয়া আখতরের ছবি ‘দিল ধরকনে দো’তেও জুটি বেঁধে এসেছিলেন স্ক্রিনে। কিন্তু তখন ব্যক্তিগত জীবনের চাকা ঘুরে গিয়েছে দুজনেরই। একদিকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ভিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িইয়ে পরেছিলেন অনুষ্কা। আর একদিকে দীপিকার প্রেমে তখন হাবুডুবু খাচ্ছেন বাজিরাও। আর সেই মত পরপর বিয়েও সেরে ফেললেন তাঁরা। তবুও নিজের প্রাক্তন অনুষ্কাকে ভুলতে পারেন নি অভিনেতা। নিজের মুখেই স্বীকার করলেন সেই কথা।

তিনি বলেন, অনুষ্কা সব সময় স্পেশাল তাঁর কাছে। এমনকী, সম্পর্ক ভেঙে গেলেও, অনুষ্কাকে তিনি ‘মিস’ করতেন বলে আগেও জানিয়েছেন রণবীর সিং। কিন্তু, এবার রণবীর বলেন, তাঁর রিসেপশনে হাজির হয়ে অনুষ্ঠানকে আরও স্পেশাল করে তোলেন অনুষ্কা। যদিও ‘জিরো’ অভিনেত্রী এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

লিখেছেন -
0 122

ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক । বিরাট কোহলিই প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক যাঁর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজে জয়লাভ করল ভারত । এই ঐতিহাসিক জয়ের পর ভারতীয় দল এখন রয়েছে উৎসবের মেজাজে ।

ক্রিকেটপ্রেমীদের শুভেচ্ছাবার্তায় উপছে পড়ছে অধিনায়কের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট। তার মধ্যে সবচেয়ে নজর কেড়েছে স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার শুভেচ্ছাবার্তা । আর স্বামীর জয়ে স্বভাবতই খুশি অনুষ্কা । নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে তিনি ভারতীয় দল-সহ বিরাট কোহলির বেশকিছু ছবি শেয়ার করেছেন এবং ভারতীয় দলকে তাঁদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন । সবথেকে উল্লেখযোগ্য নিজের স্বামীর জন্য তিনি যে কতখানি গর্বিত, তাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি ।

গত ডিসেম্বরেই প্রথম বিবাহ-বার্ষিকী একসঙ্গে পালন করেছেন তাঁরা। সেসব না-দেখা মুহূর্তও শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় । সাম্প্রতিককালের অন্যতম জনপ্রিয় এই সেলিব্রিটি কাপলের হাঁড়ির খবর জানতে নিত্যদিন মুখিয়ে থাকেন তাঁদের ভক্তরা । অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে সরাসরি বিরাট-অনুষ্কার কিছু ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের ঝড় ওঠে ।

তবে, যা-ই হোক না কেন কোনও আনন্দ অনুষ্ঠানই মিষ্টি মুখ ছাড়া শেষ হয় না । এদিন জয়ের আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে দেখা গেল অস্ট্রেলিয়ার একটি হোটেলের ঘরে বিরাট কোহলি একটি ডার্ক চকলেট কেকের টুকরো খাইয়ে দিচ্ছেন স্ত্রী অনুষ্কাকে। অনুষ্কাও হাসি মুখে কামড় বসাচ্ছেন সেই কেক-এ । রাতারাতি সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ।

বর্তমানে ট্রোল একটি বহুল জনপ্রিয় শব্দ। থুড়ি,নেট দুনিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পান থেকে চুন খসলেই নেটিজেনরা আক্রমণের হাতিয়ার বানায় ট্রোলকে। আর বলিউড হোক বা হলিউড কেউই সেই তালিকা থেকে বাদ যান না,উল্টে আরও বেশি করে নজর রাখা হয় তাঁদের কার্যকলাপ। এর আগে বহুবার বহু সেলেব শিকার হয়েছেন এই ট্রোলং-র। ঠিক সেইভাবেই এবার প্রীতি জিন্টার দিকে আক্রমণ নেটিজেনদের। 

৭১ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরছেন কোহলির টিম ইন্ডিয়া। আর সেই খুশিতেই ভারতীয় ক্রিকেট দলকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাতে একটি পোস্ট করেন প্রীতি। কিন্তু হটাৎই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায় পোস্টটি। পরে নিন্দুকদের ট্রোল দেখে বোঝা যায় পোস্টে টেস্ট সিরিজের বদলে টেস্ট ম্যাচ লিখে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী।

এরপরই সঙ্গে সঙ্গে টুইটার থেকে ডিলিট করে ফেলা হয় পোস্টটি। কিন্তু তবুও থেমে থাকে না নেটিজেনরা। কেউ তাঁকে অর্ধেক জ্ঞানসম্পন্ন অভিনেত্রী বলে,কেউ বা লিখে বসে বুদ্ধিহীন অভিনেত্রী। আবার কেউ কেউ লেখে ” ‘আই পি এল’-এ একটি দলের মালিক হওয়া সত্তেও টেস্ট ম্যাচ আর সিরিজের পার্থক্য না জানাটা লজ্জার।”

তবে শুধু প্রীতি জিন্তাই নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ভিরাট কোহলির স্ত্রী তথা বলি অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মাকেও ক্রিকেটের মাঠে দুর্ভাগ্যসূচক বলে ট্রোল করা হয়েছে বহুবার।

গোটা ২০১৮ সাল জুড়ে বলিউডে চলেছে বিয়ের মরশুম। তবে সূত্রপাত ঘটেছিল ২০১৭ সালের শেষে বিরুষ্কার বিয়ের থেকেই। ঠিক তার পরপরই নতুন বছরের শুরুতে শিল্পপতি আনন্দ অহুজার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী সোনম কপূর। এরপর একে একে দীপিকা এবং প্রিয়াঙ্কাও সেরে ফেলেন বিয়ের পর্ব। তবে জানেন কি এদের মধ্যে কোন অভিনেত্রীর বিয়ে দেখে রীতিমত কেঁদে ফেলেছিলেন সোনম?

সম্প্রতি কফি উইথ করণে ভাই যশবর্ধণ ও বোন রিয়া কপূরকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সোনম । আর সেই কথোপকথনে বলিউডে বিয়ের প্রসঙ্গ তোলেন করণ। তাঁর উত্তরেই অভিনেত্রী জানান, অনুষ্কা শর্মার বিয়ে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী বলেন “একমাত্র বিরুষ্কার বিয়ের ভিডিও আমি বারবার করে দেখেছি । সব অভিনেত্রীকেই তাঁদের বিয়েতে অসাধারণ সুন্দরী লাগছিল, তবে অনুষ্কাকে দেখে আমি রীতিমত কেঁদে ফেলেছিলাম। এই কথার রেশ টেনে প্রযোজক তথা ডিজাইনার রিয়া কপূর বলেন “আমি অনুষ্কাকে খুবই পছন্দ করি। এবং তাঁর বিয়ের পর আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম”।

এছাড়াও অভিনেত্রী ও তাঁর ভাইবোন কথা বলেন তাঁদের বাবা অর্থাৎ বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অনিল কপূরের প্রসঙ্গে। প্রসঙ্গত ২৪ ডিসেম্বর অনিল কপূর তাঁর ৬২ তম জন্মদিন পালন করেন পরিবারের সঙ্গে।

লিখেছেন -
0 205

শাহরুখ খান, ক্যাটরিনা কাইফ ও অনুষ্কা অভিনীত ‘জিরো’ মেলবোর্নে বসেই দেখলেন বিরাট এবং তা নিয়ে টুইটও করলেন তিনি।

এক ভিডিয়োতে ধরা পড়েছে, শাহরুখ-অনুষ্কার সদ্য রিলিজ হওয়া সিনেমা ‘জিরো’ দেখে বেরিয়ে আসছেন তিনি । শাহরুখের এই সিনেমা ফিল্ম সমালোচকদের কাছে নেতিবাচক রিভিউই পেয়েছে। দর্শকরাও একেবারেই উচ্ছ্বসিত নন । এদিকে বিরাট ট্যুইটে লিখে বসলেন‚ তিনি এই সিনেমা উপভোগ করেছেন এবং উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন স্ত্রী অনুষ্কার অভিনয়ের। পোস্টে লিখেছেন, “খুব চ্যালেঞ্জের রোল ছিল অনুষ্কার এবং অসাধারণ করেছেন তিনি।”

তার পরই এই পোস্ট ঘিরে টুইটারে শুরু হয়ে যায় ‘ট্রোল’। এটা অবশ্য প্রথম নয় এর আগেও অনুষ্কার ‘সুই ধাগা’ নিয়েও প্রশংসা করেছিলেন বিরাট। তিনি লিখেছিলেন, ‘‘মমতার চরিত্র আমার হৃদয় চুরি করে নিয়েছে। ওর কাজ ওর প্রেমে পড়তে বাধ্য করে। আমি গর্বিত অনুষ্কার জন্য।” তবে ‘জিরো’র সাফল্য নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে ।  অভিনয় নিয়ে প্রশ্ন না উঠলেও প্রশ্ন উঠছে সিনেমার গল্প নিয়ে । ছবির ট্রেলার দর্শকের মন জয় করলেও ছবি সেভাবে সাফল্য পায়নি বলেই ধারনা সমালোচকদের ।

লিখেছেন -
0 990
VIRUSHKA

মাঠের মধ্যে তো বটেই, মাঠের বাইরেও নেতা হয়ে দেখালেন ভারতীয় অধিনায়ক । অ্যাডিলেড থেকে পারথ যাবার উড়ানে ছিলেন বিরাট । স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা ও তিনি  নিজে জাতীয় দলের পেসারদের জন্য ছেড়ে দিলেন বিজনেস ক্লাসের আসন ।

এই ঘটনার কথা সবাইকে জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন । ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন যে, অ্যাডিলেড-পারথের উড়ানে পেসাররা যাতে আরামে যেতে পারে, তার জন্য বিজনেস ক্লাসের আসন ছেড়ে দিলেন বিরাট কোহালি ও তাঁর স্ত্রী । এবার অষ্ট্রেলিয়ার সময় সতর্ক হওয়ার। ভারতীয় বোলাররা যে শুধু আরামে আছেন তা-ই নয়‚ অধিনায়ক তাঁদের সঙ্গে মানবিক ব্যবহারও করছেন ।

স্বাভাবিক ভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাট-অনুষ্কার এই আচরণ প্রশংসিত হয়েছে । দিনকয়েক আগেই চলে গেল বিরাট-অনুষ্কার বিবাহবার্ষিকী । বিবাহ বার্ষিকীর দিন দু’জনে জাতীয় দলের সঙ্গে পারথে চলে যান। তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দু’জনেই পোস্ট করেছেন বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে ।

বিরাট লিখেছেন যে,  তাঁর বিশ্বাসই হচ্ছে না একবছর কেটে গেল । যেন গতকালেরই ঘটনা । সময়  যেন সত্যি উড়ে গেল । প্রিয় বন্ধু ও জীবনসঙ্গীকে শুভ বিবাহবার্ষিকী জানিয়ে পোস্টে বিয়ের বিভিন্ন ছবিও দিয়েছেন বিরাট । সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুষ্কা আবার পোস্ট করেছেন ভিডিও । সঙ্গে লিখেছেন যে, সময় কী ভাবে চলে যায় বুঝতেই পারলেন না । এটাই তাঁর কাছে স্বর্গ । একজন ভাল মানুষকে বিয়ে করাও তাঁর কাছে এক স্বর্গীয় অনুভূতির মত |

বিরাট – অনুষ্কাকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অনেকেই। তবে এই মেজাজকে একেবারেই অন্য মাত্রা দিয়েছে ভনের পোস্ট। বিরাট-অনুষ্কার আরামদায়ক সিট পেসারদের জন্য ছেড়ে দেওয়া প্রশংসিত হলেও উঠে এসেছে অন্য প্রশ্ন । দলের সবাই একসঙ্গে বিজনেস ক্লাসে কেন ছিলেন না, অনেকেরই এটা জিজ্ঞাস্য। কেন বাকি দলের থেকে আলাদা আসন পাবেন অধিনায়ক, এই প্রশ্নও উঠছে।  ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও পড়ছে প্রশ্নের মুখে । তবে সমস্ত বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিরুষ্কার এই আত্মত্যাগ প্রশংসিত হচ্ছে সর্বত্রই |


রেসিপি

error: Content is protected !!