(Aloka The Peace Dog)
কখনও পাশের বাড়ি থেকে এক মগ জল বা ভাতের গরম ফ্যান, কখনও বা পাড়ার বখাটে ছেলের ছুঁড়ে মারা ঢিল বা পাথর; কখনও মানুষের বীভৎস উল্লাসে মাখানো দোলের রং, কখনও বা কালীপুজোয় লেজের আগায় বেঁধে দেওয়া কালীপটকা, শব্দবাজি। এসবের মধ্যে কারোর দয়া হলে, মাঝে মাঝে জুটে যাওয়া উচ্ছিষ্ট ভাত, হাড়, মাছের কাঁটা; কখনওবা অধিক দয়ার অংশ স্বরূপ পাওয়া কয়েক হাতা গলা ভাত, মাংসখণ্ডযোগে।…(Aloka The Peace Dog)
আর পাঁচটা পথকুকুরের মতো এই রুটিনেই হয়তো দিন গুজরান হত অলকার। আগামী দিনেও বোধহয় তেমনই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চলতি হাওয়ায় বদল আনল তার ‘মানুষ’ চেনার ক্ষমতা ও কৌতূহল। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে হঠাৎ একদিন কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের দেখে পিছু নেয় সে। পিছু নিতে নিতে বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার শিকার হয়। কিন্তু, তাঁদের সঙ্গ ছাড়ে না কিছুতেই। দুর্দম আকর্ষণ ও অবিরাম হেঁটে চলাই যেন শেষমেশ তাকে এনে দিল তার নাম ও উপাধি, দিল বিশ্বজোড়া খ্যাতি। কলকাতার নামহীন এক পথকুকুর বিশ্বের কাছে হয়ে উঠল ‘অলকা, দ্য পিস ডগ’। (Aloka The Peace Dog)
আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় দোকানপাট
কলকাতা থেকে মার্কিন মুলুক
তিলোত্তমার শহুরে অবহেলায় বেড়়ে ওঠা অলকা কীভাবে মার্কিন মুলুকে পৌঁছাল, সে কাহিনি নেট দুনিয়ার সুবাদে বহু মানুষেরই জানা। তবু, সংক্ষেপে বলা যাক কিছুটা, সমাজমাধ্যমে যাঁরা ততটা সক্রিয় নন, তাঁদের জন্য। বৌদ্ধভিক্ষু পন্নকারার কথায়, অলকার মতো আরও অনেক পথকুকুরই কৌতূহলবশে সঙ্গ নিয়েছিল। কিন্তু এক সময় প্রত্যেকেই উৎসাহ হারায়, ফিরে যায় নিজেদের ঠিকানায়। ফেরেনি শুধু অলকা। ঝড়জল সয়ে তাদের সঙ্গে হেঁটেছে ভারতজুড়ে, প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার। অবশেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তাঁকে সঙ্গী করে নেয়। পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি হয়। বিমানে চড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেয় তিলোত্তমার ফুটপাথের বাসিন্দা। (Aloka The Peace Dog)

‘ওয়াক ফর পিস’ পন্নকারার মতো বেশ কয়েকজন বৌদ্ধ ভিক্ষুর এক আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। উত্তপ্ত পৃথিবীকে শান্ত ও স্বস্তিময় করার প্রয়াস। প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল সংঘর্ষ হোক বা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ভারত-পাক সংঘর্ষ বা বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ‘শুল্কযুদ্ধ’— সাম্প্রতিক ঘটনাবলির দিকে তাকালে পৃথিবীকে জলজ্যান্ত যুদ্ধক্ষেত্র বলে ভ্রম হয়। সেই উত্তপ্ত ভূমির মাঝ দিয়েই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হেঁটে চলেছে অলকা। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কথায়, সে সাক্ষাৎ ‘ডিভাইন লাইট’। কেমন সেই স্বর্গীয় আলো? যেমনটা বোধিসত্ত্ব ছিলেন জাতকের কাহিনিতে? (Aloka The Peace Dog)
বোধিসত্ত্বের কুকুরজন্ম
কুকুর রূপে একবার জন্ম হয়েছিল বোধিসত্ত্বের। স্বজাতির সঙ্গে থাকতেন মহাশ্মশানে। বারানসীতে তখন রাজ্য শাসন করছেন ব্রহ্মদত্ত। সুসজ্জিত রথে চড়ে একদিন রাজা ঘুরতে বেরিয়ে সন্ধে নাগাদ ফিরে এলেন। রথ সেই রাতে বাইরে ছিল। মাঝরাতের প্রবল বৃষ্টিতে তাই ভিজে গেল তার দামি চামড়ার সাজ। অতঃপর, প্রাসাদের ভিতরের কুকুররা লোভ সামলাতে না পেরে ছুটে এসে খেয়ে ফেলল ভিজে চামড়া। পরদিন সকালে রাজা এ হেন কাণ্ড দেখে প্রচণ্ড ক্রোধান্বিত। আদেশ দিলেন, রাজ্য জুড়ে সমস্ত কুকুর নিধনের। কুকুর হত্যার ভয়াবহ সেই যজ্ঞ রুখতে বোধিসত্ত্ব গেলেন রাজার সমীপে। (Aloka The Peace Dog)
বোধিসত্ত্বের স্বরূপ চিনতে পেরে তাঁকে পুজো করলেন ব্রহ্মদত্ত। কুকুরবেশী বোধিসত্ত্বও ধর্মের পাঠ দিলেন রাজাকে।
ব্রহ্মদত্তকে বোঝালেন, এই কাজ বাইরের কুকুরের পক্ষে করা সম্ভব নয়। প্রাসাদের কুকুররাই দায়ী। বোধিসত্ত্বের কথা মেনে, কুশ খাওয়াতেই চামড়া বমি করল রাজার কুকুররা। নিজের ভুল বুঝতে পারলেন রাজা। বোধিসত্ত্বের স্বরূপ চিনতে পেরে তাঁকে পুজো করলেন ব্রহ্মদত্ত। কুকুরবেশী বোধিসত্ত্বও ধর্মের পাঠ দিলেন রাজাকে। (Aloka The Peace Dog)
উৎসবে ব্যসনে চৈব…
চাণক্য তাঁর নীতিগাথায় লিখছেন— উৎসবে ব্যসনে চৈব/ দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্রবিপ্লবে/ রাজদ্বারে শ্মশানে চ/ যঃ তিষ্ঠতি স বান্ধব।। (Aloka The Peace Dog)
কখনও কখনও বিচার ব্যবস্থাও তাদের শত্রু ঠাওরে বসে। কিন্তু অলকারা বারবার প্রমাণ দেয়, তাদের মতো বিশ্বস্ত বন্ধু পাওয়াও ভার।
অর্থাৎ, উৎসব ও বিলাসব্যসনে, দুর্ভিক্ষ বা রাষ্ট্রবিপ্লবে, রাজসভায় বা শ্মশানে, যে সব সময় সঙ্গী, সে-ই প্রকৃত বন্ধু। চতুষ্পদী সারমেয়দের অনায়াসে দেওয়া যায় এই অভিধা। মানুষের আদিলগ্ন থেকে সভ্যতার শিখরে পৌঁছনো পর্যন্ত, সবটাই নিরন্তর প্রত্যক্ষ করে চলেছে তারা। যুদ্ধ হোক বা মহাকাশ অভিযান, রাষ্ট্রসুরক্ষা বা ধর্মপালন, সর্বত্র সঙ্গ দিয়েছে বন্ধুর মতো। তাদের প্রতি মানুষের নিষ্ঠুরতা আগেও যথেষ্ট ছিল, কম নেই এখনও। কখনও কখনও বিচার ব্যবস্থাও তাদের শত্রু ঠাওরে বসে। কিন্তু অলকারা বারবার প্রমাণ দেয়, তাদের মতো বিশ্বস্ত বন্ধু পাওয়াও ভার। (Aloka The Peace Dog)

যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণের ঢাল
এই যেমন ধরা যাক, প্রিন্স রুপার্ট অব দ্য রাইনের কথা। বিপক্ষের কাছে পরাজিত হয়ে তিনি যখন জেলবন্দি, সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন এক পুডল জাতের কুকুর, নাম ‘বয়’। কারাগারের নিঃসঙ্গতায় সে-ই ছিল বেঁচে থাকার রসদ। মুক্তির পরও তাই তাকে কাছছাড়া করেননি প্রিন্স। আবার, রুপার্টের এই অতিরিক্ত পশুপ্রেম সহ্য হচ্ছিল না তাঁর পারিষদদের। তাঁরা গুজব ছড়ালেন— ওই কুকুর ডাইনি, প্রিন্সকে বশ করে রেখেছে। তাঁকে দুর্বল করে দিচ্ছে। সেই ‘বয়’ই কিন্তু রুপার্টের ঢাল হয়ে দাঁড়াল মার্টসন মুরের যুদ্ধে। (Aloka The Peace Dog)
যে রাষ্ট্রের আইন সারমেয়দের জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে বলে, সেই রাষ্ট্রের প্রধান নিজেই সুরক্ষা নেন চতুষ্পদীদের থেকে।
১৬৪৪ সালের ব্রিটিশদের গৃহযুদ্ধে পরাজিত হন প্রিন্স, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দেয় ‘বয়’। তবে এই পরাজয় চরম শোকে পরিনত হয় রুপার্টের জীবনে। কারণ, রাজ্যের থেকেও বেশি আপন হয়ে উঠেছিল তাঁর পোষ্য। (Aloka The Peace Dog)
রাষ্ট্রের প্রহসন
বহু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের চক্ষুশূল হয় অলকারা। এর মধ্যে প্রহসনও আছে। যে রাষ্ট্রের আইন সারমেয়দের জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে বলে, সেই রাষ্ট্রের প্রধান নিজেই সুরক্ষা নেন চতুষ্পদীদের থেকে। ২০২০ সালে বিদেশি সারমেয়দের বদলে দেশের পথকুকুরদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তাঁর স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের অন্যতম সদস্য মুধল হাউন্ড ও রামপুর হাউন্ড গোত্রের দেশীয় সারমেয়। (Aloka The Peace Dog)
শুধু রাষ্ট্রপ্রধান নয়, জাতীয় সুরক্ষার জন্যও তারাই বারবার অস্ত্র হয়ে ওঠে। ঠিক যেমন, ২৬/১১-র মুম্বই হামলায় উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়়েছিল টাইগার, ম্যাক্স, সিজার, সুলতান, প্রিন্স; ৯/১১-র টুইন টাওয়ার নাশকতায় প্রাণপাত করে আর্তদের উদ্ধার করেছিল ব্রিটানি, ট্র্যাকর, রিলে, কাউবয়। এছাড়া অহরহ বোমা উদ্ধার, সন্ত্রাসবাদী খুঁজে বার করা তো তাদের রোজকার সিলেবাসে। (Aloka The Peace Dog)
মনিব জাতির ইচ্ছেপূরণ করতে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে তারা গিনিপিগ সাজে। প্রথম জীব হিসেবে মহাকাশে পাড়ি দিতে হয় লাইকাকে।
বিশ্বস্ত বন্ধু যখন গিনিপিগ
মহাকাশ ছাপিয়ে ভিনগ্রহ দখল মানুষের নবতম উচ্চাকাঙ্খা। মনিব জাতির সেই ইচ্ছেপূরণ করতে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে তারা গিনিপিগ সাজে। প্রথম জীব হিসেবে মহাকাশে পাড়ি দিতে হয় লাইকাকে। অতিরিক্ত চাপে-তাপে স্থবির হয়ে গিয়েছিল তার হৃৎপিণ্ড। লাইকার মৃত্যুর ‘ভুল’ থেকে বিজ্ঞানীরা শিক্ষা নিয়েছিলেন। আবিষ্কৃত হয় মানুষ মহাকাশচারীদের মহাকাশযানের ভিতর বাঁচিয়ে রাখার ঠিক পদ্ধতি। পরে বেলকা, স্টেলকা, চেরুনুশকা, মুশকারাও মানুষের উচ্চাকাঙ্খা সফল করতে পাড়ি দিয়েছিল মহাকাশে। কেউ কেউ তাদের ফিরে আসতে পেরেছিল, কেউ কেউ মহাকাশেই হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। (Aloka The Peace Dog)

নরকগমন থেকে রক্ষাকর্তা
তবে সব দেশকাল একরকম ছাঁচে গড়া নয়। নেপালে প্রতি বছর ধুমধাম করে পালিত হয় কুকুর তিহার উৎসব। ভাল বা খারাপ, সব সময়ই পাশে থাকে এই পোষ্য। সেই ঋণস্বীকার করে, মালা পরিয়ে ফল, মিষ্টি সহযোগে পুজো করা হয় পোষ্যকে। নেপালি হিন্দুদের বিশ্বাস, কুকুর ভৈরবের বাহন। ভৈরবকে তুষ্ট করতে এই আরাধনা করা হয়। ভিন্নমতে, মৃত্যুর দেবতা ভগবান যমের দু’টি কুকুর শ্যামা এবং শরভরা নরকের দ্বারের প্রহরী। প্রচলিত বিশ্বাস, তিহার উৎসবে তাই কুকুরের পুজো করলে নরকগমন থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। (Aloka The Peace Dog)

মহাপ্রস্থানের সঙ্গীর মতোই…
হিন্দুধর্মের প্রসঙ্গ যখন উপস্থিত, তখন মহাভারতের মহাপ্রস্থান কাহিনি না বললেই নয়। সেই কাহিনি পরোক্ষভাবে হয়তো দেখিয়ে দেয়, কেন অলকা আজ ‘পিস ওয়াক’-এর অংশীদার। মহাপ্রস্থানের পথে পঞ্চপাণ্ডব ও দ্রৌপদীর সঙ্গ নিয়েছিল এক কুকুর। একে একে দ্রৌপদী ও চার ভাই পথে পড়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত যুধিষ্ঠির ও কুকুরটি যাত্রা চালিয়ে যায়। (Aloka The Peace Dog)
অলকা বোধহয় সেই ‘ডিভাইন লাইট’, যা ধর্মের মতোই সতত উজ্জ্বল।
অবশেষে, ইন্দ্র যুধিষ্ঠিরকে স্বর্গে নিয়ে যেতে উপস্থিত হন। এই সময় জ্যেষ্ঠ পাণ্ডব সঙ্গে থাকা কুকুরকে নিয়ে স্বর্গারোহণ করতে চাইলেন। ইন্দ্র তাতে বাধা দিলেন। কিন্তু যুধিষ্ঠির বললেন, যে পাপ শরণাগতকে ভয় দেখানো, স্ত্রীবধ, ব্রহ্মস্বহরণ ও মিত্রবধের মতো কাজে হয়; সেই পাপ ভক্তকে ত্যাগ করলেও হয়। মহাপ্রস্থানের সময় ভাই, স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে গেলেও এই কুকুরটি তাঁর সঙ্গ দিয়েছে। তাই তাকে ফেলে যুধিষ্ঠির স্বর্গে যাবেন না। জ্যেষ্ঠপাণ্ডবের এই কথা শোনামাত্র, কুকুরের রূপ পরিত্যাগ করে স্বরূপে আবির্ভূত হন ধর্ম। স্বয়ং ধর্মই তাঁকে তখন আহ্বান জানান, স্বর্গারোহণের জন্য। অলকা বোধহয় সেই ‘ডিভাইন লাইট’, যা ধর্মের মতোই সতত উজ্জ্বল। (Aloka The Peace Dog)
বিগ ব্রাদার কথা

এই মুহূর্তে মার্কিন মুলুক ‘বিগ ব্রাদার’-এর আখড়া। ‘জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা’র নজর সর্বত্র। তাঁর শ্যেনদৃষ্টি দেশ ছাপিয়ে বিদেশেও পৌঁছে যায় প্রায়ই। অপহরণ, ভূখণ্ড দখল, কঠোর বিদেশনীতি আরোপ করে ক্ষমতা জাহিরে সুখ পান তিনি। কখনও কখনও স্রেফ খামখেয়ালি কার্যকলাপেই বুঝিয়ে দিতে চান— ‘বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ’। (Aloka The Peace Dog)
খামখেয়ালি বিগ ব্রাদারের চক্ষুশূল হতে পারে বঙ্গীয় বংশোদ্ভূত ‘পিস ডগ’ও। যেমনটা হয়েছিলেন গ্রেটা থুনবার্গ, শুধুমাত্র শান্তির বার্তা প্রচার করেছেন বলে।
টেক্সাসের ফোর্ট ওয়ার্থ থেকে ওয়াশিংটন ডিসি-র হোয়াইট হাউস পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩০০ কিলোমিটার পথ হাঁটবে অলকা ও বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের দল। যে কোনও মুহূর্তে, তাই খামখেয়ালি বিগ ব্রাদারের চক্ষুশূল হতে পারে বঙ্গীয় বংশোদ্ভূত ‘পিস ডগ’ও। যেমনটা হয়েছিলেন গ্রেটা থুনবার্গ, শুধুমাত্র শান্তির বার্তা প্রচার করেছেন বলে। পরিশেষে তাই একটাই বার্তা থাকে অলকার উদ্দেশ্যে— Big Brother is watching you. Please take care of yourself— and humanity, too! (Aloka The Peace Dog)
তথ্যসূত্র – জাতকের কাহিনি, চাণক্য নীতি, মহাভারত, 1984: জর্জ অরওয়েল, Walk For Peace, Historic-UK, New York Times, NDTV, Frontline, The Hindu, Space.com, BBC
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বইয়ের প্রতি অগাধ ভালবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতি। সাধারণ নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের জীবনধারা হয়ে উঠেছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দে জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।
