(Akashvani All India Radio)
‘মাত্র ৪২০০০ পাউন্ড! এত কম টাকায় রেডিওর কাজ চলে নাকি!’ এরিক ডানস্ট্যানের কথাগুলোর বাংলা অনুবাদ করলে এমনটাই দাঁড়ায়। সময়টা উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধ। ভারতবর্ষে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানির অর্থনৈতিক অবস্থা তখন তথৈবচ। ১৯২৭ সালের ২৩শে জুলাই মুম্বাই ও তার একমাস পর ২৬শে আগস্ট কলকাতায়, দুটি বেতার কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। খরচ হয়েছে যথেষ্ট। অন্যদিকে মানুষের বন্ধু হয়ে উঠছে বেতার। সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবনের অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছেন রেডিওকে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে প্রয়োজন আরও টাকার। কিন্তু ১৯২৭ সালে প্রবল অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি। হঠাৎ এই কোম্পানির প্রসঙ্গ এল কেন? একটু পিছন ফিরে তাকানো যাক। (Akashvani All India Radio)
১৯২৭ সালের ২৩শে জুলাই। সরকার অনুমোদিত বেসরকারি সংস্থা ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানির উদ্যোগে ভারতবর্ষে প্রথম বেতার কেন্দ্র সম্প্রচার শুরু হয়। বোম্বে সেই সময় মুম্বাই হয়ে ওঠেনি। তৎকালীন বোম্বেতেই শুরু হয় প্রথম সম্প্রচার। সময় ছিল সন্ধ্যে ছটা। বেজে ওঠে একটা নির্দিষ্ট সুর। সিগনেচার টিউন অর্থাৎ বেতারের অধিবেশন শুরুর ধ্বনির ভাবনা আসে তখন থেকেই। উদ্বোধনী সুরের পর শুরু হয়েছিল উদ্বোধনী ভাষণ। (Akashvani All India Radio)
আরও পড়ুন: আলোকরেখার অন্তরালে প্রয়োগ-শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভারত তখন পরাধীন। ভাইসরয় ছিলেন লর্ড আরউইন। শুরুর দিনটিতেই তিনি স্পষ্ট করে দেন রেডিওর কর্তব্য। ‘ভারতে সবসময় সম্প্রচারের পরিসর ও সুযোগের ক্ষেত্র প্রস্তুত থাকে। ভারতের প্রান্তিক গ্রামগুলিতে পৌঁছে যেতে পারে রেডিও। কাজ সেরে বিশ্রামের সময় এবং কর্মসূত্রে যাঁরা বাইরে থাকেন তাঁদের কাছে, রেডিওর গুরুত্ব অপরিসীম। যাঁরা আপনজনের বন্ধুত্ব খোঁজেন, সঙ্গীদের খোঁজেন, তাঁদের সকলের বন্ধু হতে পারে রেডিও।’ (Akashvani All India Radio)
বেতার বেশিরভাগ মানুষের কাছে পৌঁছে যাক, এমনটাই চেয়েছিলেন লর্ড আরউইন। লাভজনক সংস্থা হলেও রেডিওর সম্প্রচারের মৌলিক উদ্দেশ্য মানুষকে পরিষেবা প্রদান করা। শুরু থেকেই বেতার সেই উদ্দেশ্যটি মানুষের কাছে স্পষ্ট করে দেয়। (Akashvani All India Radio)

প্রথম বেতার কেন্দ্র স্থাপিত হয় বোম্বেতে। কারণ ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানির অফিস ছিল ৩৪/৩৮ অ্যাপোলো বান্দার রোড, বোম্বেতে। বোম্বে বেতার কেন্দ্রের স্টুডিওটিও ছিল এখানেই। ১৯২৭ সালের ১লা এপ্রিল মাসিক ৮৫০ টাকায় লিজ নেওয়া হয় স্টুডিওটি। প্রায় পাঁচ বছর এই ব্যবস্থায় চলে। বেতার কেন্দ্রের ট্রান্সমিটার অর্থাৎ তরঙ্গবাহী বিরাট ব্যবস্থা, যা না হলে মানুষের কাছে রেডিওর পৌঁছানোর উপায় থাকে না, সেটিও অবস্থিত ছিল বোম্বের ওরলি অঞ্চলে। মিডিয়াম ওয়েভ অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটির শক্তি ছিল ১.৫ কিলোওয়াট। (Akashvani All India Radio)
বোম্বে বেতার কেন্দ্রের প্রথম কেন্দ্র অধিকর্তা এল. বি. পেজ। এই কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুরু হত সন্ধে ছটার সময়। মূলত ইউরোপিয়ানদের জন্য অনুষ্ঠান হলেও স্থানীয় ভাষার অনুষ্ঠানের জন্যও রাখা হয়েছিল একটি স্লট বা সময়। প্রচারিত হত সংবাদও। বোম্বে থেকে আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরুর সপ্তাহখানেক আগেই ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি প্রথমবার রেডিওর অনুষ্ঠানসূচি, বিভিন্ন লেখা ও বিজ্ঞাপনসম্বলিত পাক্ষিক পত্রিকা ইন্ডিয়ান রেডিও টাইমস প্রকাশ করে। (Akashvani All India Radio)
সেই সময় ইউরোপীয় সঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন ওয়ালটার কফম্যান। রেডিওর সিগনেচার টিউন তাঁরই তৈরি।
বেতারের সিগনেচার টিউনের জন্ম বোম্বে বেতার কেন্দ্রেই। সেই সময় ইউরোপীয় সঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন ওয়ালটার কফম্যান। রেডিওর সিগনেচার টিউন তাঁরই তৈরি। বোম্বে বেতার কেন্দ্র পরে অল ইন্ডিয়া রেডিও মুম্বই হিসেবে পরিচিত হয়। বর্তমানে যদিও তার নাম আকাশবাণী মুম্বই। বেতারের বাণিজ্যিক বিভাগ অর্থাৎ সেন্ট্রাল সেলস ইউনিট মুম্বইতেই অবস্থিত। (Akashvani All India Radio)
১৯২৭ সালের ২৬শে আগস্ট। বোম্বে বেতার কেন্দ্রে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের ঠিক এক মাসের মধ্যেই সম্প্রচার শুরু করল দেশের দ্বিতীয় বেতার কেন্দ্র কলকাতা রেডিও। ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানির তত্ত্বাবধানে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে টেম্পল চেম্বারে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হল সম্প্রচার। (Akashvani All India Radio)

মানুষের কাছে যেন এক ম্যাজিকের জগত খুলে গেল। গান, কথা, শব্দ, অভিনয় সব মিলিয়ে বেতারের গায়ে তখন শ্রোতাদের ভালবাসার পরশ। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এক নম্বর গার্স্টিন প্লেসের ভাড়া বাড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে বেতারের সম্প্রচার শুরু হয়ে যায়। এই দিনটিই কলকাতা বেতারের জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয়। ২৬শে আগস্ট সন্ধ্যে ছটায় কলকাতা বেতার কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলার তৎকালীন গভর্নর স্যার স্ট্যানলি জ্যাকসন। (Akashvani All India Radio)
‘পাবলিক সার্ভিস’ শব্দবন্ধটি রেডিওর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল প্রথমদিন থেকেই। বোম্বেতে তখন ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। গুজরাট এবং কাঠিয়াবাড়ের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মূল ভূখণ্ড থেকে। রেডিওর মাধ্যমেই তখন ওই অঞ্চলের খবর মানুষের কাছে পৌঁছত। এমনকী রেডিওর মাধ্যমে ওই এলাকাগুলিতেও পৌঁছে যেত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। (Akashvani All India Radio)
মুম্বইয়ের মতো এখানেও শুরু হত সন্ধে ছটায়। যন্ত্রসঙ্গীতের সঙ্গে কখনও কখনও ‘ক্যালকাটা কলিং’ বলে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার হত।
কলকাতা বেতার আরেকটি বিষয়ের উপরেও জোর দিয়েছিল গোড়া থেকে। তা হল, বঙ্গসংস্কৃতিকে রেডিওর মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছিল বেতার উদ্বোধনের দিনেও। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যেসব শিল্পী গান গেয়েছিলেন বা বাজনা শুনিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েকজন ছিলেন জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী, কৃষ্ণচন্দ্র দে, দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, আঙ্গুরবালা দেবী, প্রফুল্লবালা দেবী, সিতাংশুজ্যোতি মজুমদার, নৃপেন্দ্রনাথ মজুমদার। সাহিত্যিক মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায় একটি স্বরচিত গল্পপাঠ করেছিলেন। কিশোর-কিশোরীদের জন্য গল্প শুনিয়েছিলেন যোগেশ বসু। অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল সানাই বাজানোর মাধ্যমে।’ (Akashvani All India Radio)
কলকাতা বেতারের প্রথম কেন্দ্র অধিকর্তা সি.সি. ওয়ালিক এবং স্টেশন ইঞ্জিনিয়ার এফ.এ. কব। মুম্বইয়ের মতো এখানেও সম্প্রচার শুরু হত সন্ধ্যে ছটায়। যন্ত্রসঙ্গীতের সঙ্গে কখনও কখনও ‘ক্যালকাটা কলিং’ বলে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার হত। অধিবেশন শেষ হত ‘গড সেভ দ্য কিং’ অনুষ্ঠানটি দিয়ে। (Akashvani All India Radio)

সেই সময় কলকাতার কেন্দ্রকেও পেরোতে হয়েছে অনিশ্চয়তার পথ। সরকারি হাতে থাকবে না বেসরকারি কোম্পানিই তত্ত্বাবধান করবে রেডিওর— এই তরজায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তিলোত্তমার বেতার-ভবিষ্যৎ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৯৩২ সালের ৫ই মে সরকারি পরিচালনায় অধীনস্থ হয় ভারতীয় বেতার ব্যবস্থা। কেটে যায় অনিশ্চয়তার মেঘ। নাম দেওয়া হয় ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিস বা আই.এস.বি.এস। (Akashvani All India Radio)
১৯৩৫ সালে বিবিসি-র লায়োনেল ফিল্ডেন ‘কন্ট্রোলার অব ব্রডকাস্টিং’ পদে যোগ দেওয়ার পর সম্প্রচার ব্যবস্থার অনিশ্চয়তাও দূর হয়। আই.এস.বি.এস অর্থাৎ ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিস নামটি অপছন্দ ছিল ফিলডেনের। সেই সময় ভারতের ভাইসরয় লর্ড লিন্ডলিথগো। তাঁকে বুঝিয়ে ফিলডেন নাম বদল করলেন। বেতারের নতুন নাম হল— অল ইন্ডিয়া রেডিও। ১৯৫৭ সালের ১লা এপ্রিল অল ইন্ডিয়া রেডিওর আরেক নাম হয় আকাশবাণী। যে কোনও ভাষাতেই বর্তমানে শুধু আকাশবাণী নামটিই ব্যবহার করা হয়। (Akashvani All India Radio)
আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রটির ফের ঠিকানা বদল হয় ১৯৫৮ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর। এক নম্বর গার্স্টিন প্লেসের বাড়িতে শুরু হওয়া রেডিও খুঁজে পায় স্থায়ী ঠিকানা।
১৯২৯ সালে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় বাংলা রেডিও পত্রিকা ‘বেতার জগত’। ১৫ দিন অন্তর প্রকাশিত হত পত্রিকাটি— এক পক্ষকালীন অনুষ্ঠানসূচি এবং বিখ্যাত লেখক-লেখিকাদের কথিকা, গল্প-কবিতার সম্ভার। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে বেতারকে জুড়ে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই পত্রিকা। (Akashvani All India Radio)
প্রথমে কলকাতা বেতারের অনুষ্ঠান প্রচারিত হত ‘কলকাতা ক’ চ্যানেলে। সেই নাম পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান নাম কলকাতা ‘গীতাঞ্জলি’। ১৯৫১ সালে কলকাতা বেতারের দ্বিতীয় চ্যানেল ‘কলকাতা খ’-র জন্ম হয়। বর্তমানে তার নাম ‘সঞ্চয়িতা’। জনকল্যাণমূলক বিষয় ছাড়াও বিনোদন ও সংস্কৃতির ধারাটিও অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। (Akashvani All India Radio)

আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রটির ফের ঠিকানা বদল হয় ১৯৫৮ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর। এক নম্বর গার্স্টিন প্লেসের বাড়িতে শুরু হওয়া রেডিও খুঁজে পায় স্থায়ী ঠিকানা। ইডেন গার্ডেন্সের নিজস্ব ভবন এবং অর্থাৎ আকাশবাণী ভবন থেকে বেতারের সম্প্রচার শুরু হয়। সেদিনের সেই কলকাতা বেতার আজ আকাশবাণী কলকাতা। (Akashvani All India Radio)
এখন ‘বিবিধ ভারতী’সহ আকাশবাণী কলকাতার অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় মোট ছ’টি চ্যানেল থেকে। ২০১৬ সালের ২৩শে আগস্ট উদ্বোধন হয় নতুন চ্যানেলের— ‘আকাশবাণী মৈত্রী’। ‘গীতাঞ্জলি’, ‘সঞ্চয়িতা’ এবং ‘মৈত্রী’-র অনুষ্ঠান প্রচারিত হয় মিডিয়াম ওয়েভে। এছাড়া, এফএম প্রচার তরঙ্গেও অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়— এফএম রেইনবো, এফএমগোল্ড এবং বিবিধ ভারতী। (Akashvani All India Radio)
বেতার এবং আকাশবাণী আজও সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। তাই মানুষের সঙ্গে মানুষের সুতো বাঁধার কাজটি আজও নিপুণভাবে, নিষ্ঠাভরে করে চলেছে রেডিও। শ্রোতারা রেডিওর সম্পদ।
প্রযুক্তিগতভাবেও বর্তমানে আকাশবাণী কলকাতা অনেকখানি উন্নত ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে। যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সব উপকরণই মজুদ রয়েছে আকাশবাণী কলকাতায়। বর্তমানে সবকটি স্টুডিওয় ডিজিটাল রেকর্ডিং এবং এডিটিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। ভাষাগত দিক থেকেও স্বকীয়তা বজায় রেখেই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে চলেছে আকাশবাণী। বাংলা, হিন্দি, উর্দু, ইংরেজি, সাঁওতালি ভাষায় অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানের ধরনের পরিসরটিও বড় রঙিন। কথিকা, আলোচনা, সাক্ষাৎকার, নাটক, ফিচার, টকশো, নিউজরিল এবং অন্যান্য সংবাদভিত্তিক অনুষ্ঠান ছাড়াও রয়েছে বিতর্ক, ক্যুইজ এবং সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠান। ব্রাত্য নয় কোনও ক্ষেত্র। (Akashvani All India Radio)
বেতার এবং আকাশবাণী আজও সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। তাই মানুষের সঙ্গে মানুষের সুতো বাঁধার কাজটি আজও নিপুণভাবে, নিষ্ঠাভরে করে চলেছে রেডিও। শ্রোতারা রেডিওর সম্পদ। তাঁরাই আগলে এবং আঁকড়ে রাখে বেতারজগতকে। তাই এখনও অব্যাহত রয়েছে মানুষের জীবনে জাদুকরের মতো রামধনু আঁকার চেষ্টা। (Akashvani All India Radio)
তথ্যসূত্র: কলকাতা বেতার- ভবেশ দাস, ভারতে বেতার: জানা অজানা- সৌম্যেন বসু
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আকাশবাণী কলকাতার ট্রান্সমিশন এক্সিকিউটিভ। পেশাগত সূত্রে দীর্ঘদিন লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। পরিবার আর কাজের বাইরে অক্ষর আর প্রকৃতি অবসরের সঙ্গী।
