(Bengali Novel)
-ম্যাডাম, আসব? বলে বাবু ঘরে ঢুকলো। ল্যাপটপ, ব্যাগ নিয়ে যাই? বেরোবেন তো এবার?
-কটা বাজে? ল্যাপটপ থেকে মুখ না সরিয়েই মোহনা জিজ্ঞেস করল।
-আটটা বাজতে চলল।
-ওহ! তাহলে তো এবার উঠতেই হয়। তুই লক করে আয়। আমি এগোলাম।
-ঠিক আছে। বলে মোহনার ল্যাপটপ, চার্জার, ব্যাগে ঢোকাতে মন দিল বাবু।
আরও পড়ুন: জলকে চল: পর্ব – (১) (২) (৩) (৪) (৫) (৬) (৭) (৮) (৯) (১০) (১১), (১২)
নিজের ঘর ছেড়ে ওয়াশরুমে গিয়ে চোখে মুখে ঘাড়ে জল দিল মোহনা। তারপর নিচে নেমে এসে গাড়িতে না উঠে হাঁটতে শুরু করল। এটা তার বহু দিনের অভ্যাস। যখন গাড়ি ছিল না, তখনও দীর্ঘ পথ হেঁটে এসে মেট্রো ধরত। কলেজে পড়ার সময় শ্যামবাজার মোড়ে নেমে হেঁদোয়া অবধি হাঁটত। তার মনে হয়, এই হাঁটার সঙ্গে মানব সভ্যতার এক দীর্ঘকালীন সম্পর্ক লুকিয়ে।
যখন যানবাহন ছিল না, রাষ্ট্র বলে কোনও কনসেপ্ট ছিল না, তখন একদল মানুষ পায়ে হেঁটে পৌঁছে যেত পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। জানতোও না সামনে কী আছে তাদের। প্রতি পদে অচেনা বিপদ, হিংস্র পশুর দল, নদী, সমুদ্র, মরুভূমি, পাহাড়, জঙ্গল পেরিয়ে তারা এক সীমানা থেকে আরেক সীমানায় উপনীত হত। সেখানে কিছুদিন থেকে, আবার অন্য কোথাও। এভাবেই আদিম মানুষ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে। এখনও বহু মানুষ প্রতিদিন হেঁটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছায়। হয়তো অর্থের অভাবে নিরুপায় হয়ে যেতে হয় তাদের। কিন্তু তার নিজের ভাল লাগে এই হাঁটা। হাঁটতে হাঁটতে সে রোজ নিজেকে আবিষ্কার করে, এই শহরটাকে নতুন দৃষ্টিতে দেখে। প্রতিদিন তার মনে হয় আরে! কাল তো এটা ছিল না। আজ কীভাবে এখানে জন্মে গেল! (Bengali Novel)

যখন ফিরে এল বিদেশ ছেড়ে এখানে, তখন একটা চাকরির জন্য প্রতিদিন ধর্মতলা থেকে পার্কস্ট্রিট, ময়দান হয়ে রবীন্দ্র সদন অব্দি হাঁটত সে। যতগুলো মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানি, সবগুলোই প্রায় ওই অঞ্চলে। প্রথম প্রথম শ্বশুরমশাই গাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলতেন। কিন্তু মোহনা লক্ষ করেছিল, যে চৌধুরী বাড়ির বউ হয়ে সে এসেছিল, সেই আর্থিক স্বচ্ছলতা তাদের আর নেই। প্রমিত টাকাপয়সাও পাঠাত না। সে যতদিন প্রমিতের সঙ্গে ছিল, নিজে দায়িত্ব নিয়ে পাঠিয়ে দিত। কিন্তু তার চলে আসার পর সেই পাঠানো বন্ধ হয়ে গেছে। (Bengali Novel)
শ্বশুরমশাই এতটুকু বুঝতে দেন না তাদের আর্থিক বিপর্যয়ের সমস্যা। তবু সে বুঝতে পারে। তারপর চাকরি, প্রমোশন, প্রথমে অফিসের গাড়ি, এরপর নিজের কেনা, তবু যেন এখনও হাঁটাটা অদ্ভুতভাবে টানে তাকে। এই হাঁটার মুহূর্তগুলোতে সে অনুভব করে, জীবন একটা বড় জার্নি। এই জার্নিতে কেউ পাশাপাশি হাঁটবে, কেউ সামনে, আর কেউ পেছনে। কিন্তু জার্নি থেমে যাবে না। (Bengali Novel)
আলোক কাকুর সঙ্গেও কী কম হেঁটেছে! প্রথম যখন পত্রিকার ও প্রকাশনার দায়িত্ব নিল কাকু তাকে নিয়ে কলেজস্ট্রিট থেকে জগত সিনেমার গলি অবধি হাঁটিয়ে নিয়ে যেত। মিত্র ইন্সটিটিউটের পাশ দিয়ে ট্রাম লাইন ধরে যে রাস্তা তার দু’ধারে কাগজ, বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সম্ভার। (Bengali Novel)
ধীরে ধীরে সে শিখেছিল তাদের যে পত্রিকা, ছাপা হয় তা হোয়াইট ম্যাপলিথো, ৭০ জিএসএম পেপারের থিকনেস। জেনেছিল কাগজ কত রকম কোয়ালিটির হয়।
আমরা এখানে সাধারণত এদের মধ্যে অন্ধ্র, ইমামি, টি এন পি এল টাই ব্যবহার করি।
কাকু একটা করে স্যাম্পেল দেখাত, আর বলত– এটা হল অন্ধ্রের কাগজ। এর মধ্যে সাদা ভাগ বেশি থাকে। এরকম কাগজের অনেক কোম্পানি আছে। বালার পেন, আই টি সি, টি এন পি এল, এটা তামিলনাড়ুর পেপার মিল, ইমামি, আরও অনেক কোম্পানি আছে। এগুলো হল ব্র্যান্ড নেম। তবে আমরা এখানে সাধারণত এদের মধ্যে অন্ধ্র, ইমামি, টি এন পি এল টাই ব্যবহার করি। (Bengali Novel)
কিন্তু কোম্পানি আর কাগজের কোয়ালিটি এক নয়। কাগজ কতরকম হয়, সেটাও তোকে জানতে হবে। সাধারণত দামি বইয়ে ছবি ছাপা হয় আর্ট পেপারে। ছবি আঁকে যেসব পেপারে, সেটা আর্ট পেপার। কভার ছাপাও হয় আর্ট পেপার দিয়েই।

-কাকু আমি আর্ট পেপার জানি। এক সময় ছবি আঁকতাম। প্রতিযোগিতার সময় আর্ট পেপারে আঁকতে হত।
-তুই আঁকতে পারিস? তাহলে তো কভার ডিজাইন নিজেই করতে পারবি।
-দূর! আমি শুধু ভাল আল্পনা আঁকতে পারি। তাও এখন আর পারি না বোধহয়। দীর্ঘদিন অভ্যাস নেই।
-শোন, কতগুলো জিনিস মানুষ একবার শিখলে আর ভোলে না। সাঁতার, নাচ, গান, আর আঁকা। অভ্যাস না করলে হয়তো আগের মতো পারফেক্ট হবে না। কিন্তু ভুলে যাবে না। আসলে কী বলত, আমাদের জীবন হচ্ছে অভ্যাসের দাস। (Bengali Novel)
-তা বলে আমার দ্বারা আঁকা হবে না। হেসে উঠত মোহনা।
-এবার দেখ আর্ট পেপার ছাড়াও কত রকম কাগজে বইয়ের কাজ হয়। ম্যাপলিথো, এন এস ম্যাপলিথো, ক্রিম ওব। বই সাধারণত আমরা এগুলোতেই করি। পত্রিকায় অবশ্য তুই নিউজপ্রিন্ট ব্যবহার করতে পারিস।
কিছু নিউজপ্রিন্ট আছে দেখবি একটু কালো হয়, সেগুলো পত্রিকায় ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তাহলে পত্রিকার ছাপা ভাল আসবে না।
-মানে যা দিয়ে খবরের কাগজ ছাপা হয়?
-হ্যাঁ। তবে ওগুলো তো খুব ভাল কোয়ালিটির হয় না। বড় হাউজগুলো মেকানিক্যাল নিউজ প্রিন্ট ব্যবহার করে। ওদের সুবিধা হচ্ছে ওরা কেন্দ্র থেকে এটা নিউজপেপারের কোটায় সরাসরি পায়। আমরা তো তা পাব না। খোলা বাজারে কিনতে হবে। তাই কোয়ালিটি দেখে নিতে হবে। কিছু নিউজপ্রিন্ট আছে দেখবি একটু কালো হয়, সেগুলো পত্রিকায় ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তাহলে পত্রিকার ছাপা ভাল আসবে না, বিশেষ করে ছবি থাকলে এপাশের ছবি ওপাশেও ফুটে উঠবে। আমাদের হোয়াইট বেশি থাকবে এমন নিউজপ্রিন্ট ব্যবহার করতে হবে। (Bengali Novel)

-কিন্তু পত্রিকা কেন এই পেপারে ছাপব?
-ঠিক। কেন ছাপব? তার একটা কারণ এর দাম, সাধারণ কাগজের তুলনায় অনেকটাই কম। আর একটা সুবিধা হচ্ছে বড় হাউজের পত্রিকাগুলো কিন্তু এই পেপারে ছাপে। এখন তোর পত্রিকা যদি নিয়মিত ভাল বিজ্ঞাপন পায়, তবে ম্যাপলিথোতে ছাপবি। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে তোর এখন সবার প্রথম ‘সাগরিকা’ নিয়মিত বের করা দরকার। (Bengali Novel)
-ঠিক বলেছ, আমি দেখলাম গত বছর মাত্র তিনটে সংখ্যা বেরিয়েছিল। তাও খুব অগোছালো। লেখার মানও ভাল নয়। মোহনা উত্তর দিল।
-আমার বুদ্ধিতে বলে তোদের পুরোনো যে সংখ্যাগুলো আছে, আগে সেগুলোর থেকে কতগুলো পপুলার উপন্যাস বেছে নে। সেগুলো ধারাবাহিকভাবে বার কর। এতে সুবিধা হল, তোর ৪৮ বা ৫৬ পাতা বা ৬৪ পাতার পত্রিকা, তার একটা বড় অংশ এই দুটো বা তিনটে ধারাবাহিকে গেল। বাকি অংশের দুটো বা চারটে পাতা কবিতার, এর বেশি কবিতা কখনোই রাখবি না। শেষের ষোলো পাতা বিনোদন, অনুষ্ঠানের বর্ণনা, বইয়ের রিভিউ, একটা বা দুটো সাক্ষাৎকার বিখ্যাত কারোর, একটা কলাম রাখবি একদম সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে, ধর কলেজস্ট্রিট পাড়ায় যারা বই বিক্রি করে, হকার, তাদের ঘিরে যেসব খুচরো বিক্রেতা, খাবারের দোকানের কর্মচারী, যারা জেরক্স করছে তাদের কথা- এতে তোর সার্কুলেশন বাড়বে। এরা মুখে মুখে ছড়িয়ে দেবে নিজেদের কথা লেখা থাকছে বলে। দু’টো পাতা রাখবি এই প্রজন্ম কী ভাবছে এই নিয়ে, আর বাকিটা গল্প। দু’টো গল্প পুরোনো সংখ্যার আর তিনটে নতুনদের। আপাতত প্রবীণ বা বিখ্যাত লেখকদের বাদ রাখবি। তারা কেউ প্রচার করবেন না ‘সাগরিকা’র। আর একটা সুবিধা হল নতুনদের তুই যে সাম্মানিক দিতে পারবি, বিখ্যাত লেখকদের সেটা দিলে হবে না। (Bengali Novel)
তুই প্রেস, কম্পোজিটার, ইলাস্ট্রেটার সবার টাকা দিবি আর লেখককে দিবি না, তারা বিনা সাম্মানিকে তোকে ভাল লেখা দেবে কেন?
-কিন্তু সাম্মানিক দেব কোথা থেকে? টাকা আসবে, তবে তো দিতে পারব।
-এটা বললে চলবে না। তুই প্রেস, কম্পোজিটার, ইলাস্ট্রেটার সবার টাকা দিবি আর লেখককে দিবি না, তারা বিনা সাম্মানিকে তোকে ভাল লেখা দেবে কেন? কাজেই প্রথম থেকেই তোকে মাথায় রাখতে হবে, যতটুকুই হোক না কেন একটা সাম্মানিক দিতেই হবে। আর ওই যে বললাম এই মেথডে চললে তোর নতুন লেখক খুব একটা হচ্ছে না। বড়জোর দশ জন। কিন্তু একটা প্লাস পয়েন্ট হল, এর ফলে অনেকেই লেখা পাঠাবে। তোর সিলেক্ট করার একটা অপশন থাকবে। (Bengali Novel)

-কাকু আমি পারব এত কিছু সামলাতে?
-জলে ঝাঁপ যখন দিয়েছিস, তখন সাঁতার তো কাটতেই হবে। আর যদি অ্যামেচার হয় তবে বলব, চাকরিটাই আবার কর। এই ব্যবসায় লাভের মুখ দেখতে অপেক্ষা করতে হবে।
-লাভের কথা ভাবছি না। ভাবছি এত কিছু সামলাব কী করে?
-মেয়েরা ইচ্ছে করলে পারে না এমন কিছু হয় না। তোরা অল্প টাকাতেও সংসার গুছিয়ে চালাতে পারিস। এটাও একটা সংসার। এটাও পারবি। আপাতত লোক খুব বেশি রাখবি না। একজন অফিস সামলানোর লোক থাকলেই হল। বিশুকে রেখে দে। পুরোনো কর্মচারী। আর বাকিটা আউটসোর্স কর। (Bengali Novel)
সেই জায়গাটা যদি ঠিকঠাক ধরতে পারিস, তবে কিন্তু একটা প্রচারও হবে, পাশাপাশি অফিস চালাবার খরচটাও উঠে আসবে।
-আউটসোর্স মানে?
-এই টাইপ করা, লে আউট, ইলাস্ট্রেশন, ছাপানো, প্রুফ দেখা সব বাইরে থেকে করিয়ে নে। তাহলে মাসে মাসে মাইনে দেওয়ার টেনশন থাকবে না। কিন্তু তোকে দু’টো জিনিসের উপর ফোকাস দিতেই হবে। এক বিজ্ঞাপন ও বিপণন, আরেকটা হল বই মানে গ্রন্থ প্রকাশ। তোদের সবচেয়ে বেশি যে বইগুলো বিক্রি হত সেগুলোর ট্রেসিং নিশ্চয়ই থাকবে, সেগুলো রিপ্রিন্ট করবি, আর নবাগত প্রচুর লেখক-লেখিকা আছে, যারা নিজের বই টাকা দিয়ে ছাপতে চায়। অনেক সময় এরা ঠিক মতো প্রকাশক পায় না, পেলেও প্রচুর টাকা দিয়েও প্রচার পায় না, কপিও পায় না। রয়্যালটি তো অনেক দূরের। সেই জায়গাটা যদি ঠিকঠাক ধরতে পারিস, তবে কিন্তু একটা প্রচারও হবে, পাশাপাশি অফিস চালাবার খরচটাও উঠে আসবে। (Bengali Novel)

-কিন্তু আমি তো কাউকেই চিনি না। কে আমাকে ভরসা করবে?
-তোকে চেনার দরকার নেই তো। চৌধুরী সাহিত্য কুটির নবাগত লেখকদের পাণ্ডুলিপি চাইছে- এই সংক্রান্ত একটা বিজ্ঞাপন দিবি, তাতে উল্লেখ করবি পাণ্ডুলিপি মনোনীত হলে বিস্তারিত কথা হবে। কোনও কিছুই রাতারাতি হয় না, ধীরে ধীরে হবে। খালি একটাই অনুরোধ, পেশার প্রতি, কাজের প্রতি সৎ থাকতে হবে। তাহলে আজ না হলেও কাল লোকে ঠিক চিনে নেবেই। (Bengali Novel)
-সবই তো বুঝলাম। কিন্তু একটা জায়গায় এখনও সংশয় হচ্ছে।
-বলে ফেল। সিগারেটে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে কাকু বলল।
-বিজ্ঞাপন আনব কোথা থেকে?
তুই তো কর্পোরেটে চাকরি করেছিস। নিশ্চয়ই বেশ কিছু কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ আছে। সেখান থেকে শুরু কর। তারপর সরকারি লেভেলে যাতায়াত শুরু কর।
-তোদের পুরোনো সোর্সগুলো বোধহয় সব গেছে। এটা একেবারে গোড়া থেকেই শুরু করতে হবে। বিজ্ঞাপন ছাড়া কিন্তু বেশিদিন পত্রিকা চালানো সম্ভব নয়। তুই তো কর্পোরেটে চাকরি করেছিস। নিশ্চয়ই বেশ কিছু কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ আছে। সেখান থেকে শুরু কর। তারপর সরকারি লেভেলে যাতায়াত শুরু কর। মন্ত্রী, বড় কর্তা এদের কাছে যেতে হবে। আপাতত তোর ব্যাক কভার আমি স্পন্সর করব। একটা রেট চার্ট নিশ্চয়ই আছে তোদের? (Bengali Novel)
-জানি না কাকু। কাল অফিসে গিয়ে খোঁজ করব।
-থাকতে তো হবেই। আর একটা জিনিস তুই লিখে নিবি, প্রতি ফর্মা বই করতে কত কস্টিং পড়ে তার একটা মোটামুটি হিসেব। যাতে একেকজনের কাছে একেক রকম না হয়।
মোহনা মাথা নেড়ে বলল- বেশ তাই হবে।
(ক্রমশ)
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বিতস্তা ঘোষাল ঔপন্যাসিক, গল্পকার, কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। আধুনিক ইতিহাসে এম এ, লাইব্রেরি সায়েন্সে বিলিস। কলেজে সাময়িক অধ্যাপনা। প্রকাশনা সংস্থা ভাষা সংসদের কর্ণধার। ও অনুবাদ সাহিত্যের একমাত্র পত্রিকা ‘অনুবাদ পত্রিকা’-র সম্পাদক।
'বাংলা আকাডেমি', 'সারস্বত সম্মান', 'বিবেকানন্দ যুব সম্মান', ‘একান্তর কথাসাহিত্যিক পুরস্কার', 'কেতকী' কবি সম্মান, ‘চলন্তিকা’, 'দুই বাংলা সেরা কবি সম্মান', 'বিজয়া সর্বজয়া', 'মদন মোহন তর্কালঙ্কার সম্মান', 'বই বন্ধু সেরা লেখক ২০২৪' সহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মান প্রাপ্ত।
বিতস্তার প্রকাশিত বই ৩৪টি। তাঁর কবিতা ও গল্প হিন্দি, ওড়িয়া, অসমিয়া ও ইংরেজি,ইতালি, গ্রীক ও স্প্যানিশে অনুবাদ হয়েছে। সম্প্রতি ওড়িয়া ভাষায় প্রকাশিত তার গল্প সংকলন রূপকথার রাজকন্যারা।
দেশ বিদেশে কবিতা ও গল্প পড়ার ডাক পেয়েছেন একাধিকবার।বাংলা সবকটি জনপ্রিয় পত্রিকা ও সংবাদপত্রে তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত।
নিজের কাজের গণ্ডীর বাইরে অফিস ও পরিবারেই স্বচ্ছন্দ বিতস্তা কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটান নানান সামাজিক কাজে।
ভালোবাসা ছাড়া বাকি সব কাজ গুরুত্বপূর্ণহীন। তার নিজের কথায় ভালোবাসা ছাড়া কেউ কি বাঁচে?
