(Short Story)
পরের দিন ভোর রাতে বিশুর ঘুম ভাঙল। চারদিকে লুচি ভাজার ঘ্রাণ। ভোর চারটের সময়ও মানুষ রান্না করে? রান্না-পুজোর দিন রাত জেগে রান্না হয়। কিন্তু পৌষ মাসে তো সে পুজো নয়! রমজানের মাসও নয়, যে রাতব্যাপী খাওয়া দাওয়া হবে। অন্য পুজো হতে পারে। সত্যনারায়ণ? বেস্পতিবারের লক্ষ্মীপুজো? বা এমনিই খায় মানুষগুলো? আর না ভেবে বিশু হাঁটতে বেরিয়ে গেল।
ফিরে এসে স্নান করে বারান্দায় চেয়ার নিয়ে মৌজ করে এক কাপ চা হাতে বসল সে। এদিকটায় বেশ গাছপালা আছে, মন ভাল হয়ে যায়। একটা দুটো কাঠবেড়ালিও দেখা যায়, দিব্যি লাফালাফি করে বেড়ায়। মফঃস্বলের ঘেঁষাঘেঁষি বাড়ির মধ্যে বিশু বড় হয়েছে। এর বাড়ির লতা গাছ ওর জানালার পাশ অব্দি লম্বা হয়ে গেল কেন বলে নিত্য ঝামেলা ওখানে লেগেই থাকে। কাক আর শালিক ছাড়া অন্য কোনও পাখি সে-সব ঝগড়া পেরিয়ে আসতে চায় না। কলকাতার হস্টেল এবং শেষমেষ এক কামরার সস্তার বাড়িতে এত বিলাসিতার সুযোগ ছিল কই!
আরও পড়ুন: ক্ষুৎকাতর প্রথম পর্ব
চায়ে চুমুক দিতে দিতে লুচি ভাজার আঘ্রাণ পেল বিশু। সকাল পৌনে সাতটায় জলখাবার খায় কারা? কিম্বা লুচি হয়তো নয়, অন্য রান্না চাপিয়েছে। হতে পারে। যাই হোক, সে সুঘ্রাণে বিশুরও খিদে পেয়ে গেল যে! আরও দু’টো বিস্কুট নিয়ে সে দু’কাপ চা খেয়ে ঘরে ঢুকে পড়ল। আজ ছুটির দিন নয়, হিয়া কিছুতেই লুচি খাবে না। রুনুমাসিকে বিশু তাই লুচির কথা বলতেই পারবে না। হিয়া স্নান করে এলে ওরা দু’জনে পাঁউরুটি টোস্ট-মাখন, কলা জাতীয় কিছু খাবে। তারপর হিয়া বেরিয়ে যাবে।
বিশুর বায়না মোতাবেক ওর ঘরের লাগোয়া বারান্দায় বসেই জলখাবার খেল ওরা। গল্প হল। লুচি ভাজার প্রসঙ্গ উঠল না। হিয়া কি গন্ধ পায় না? পাশের বাড়ির রান্না ঘরটা পাশে বলাতে হিয়া বলল, ‘একদম না। এই দিকে বাবলিদিদের বসবার ঘর আর নটাইরা ও পাশের ঘরে পড়াশোনা করে। এদিকে কোথাও কোনও রান্নাঘরের গল্পই নেই।’

‘তাহলে লুচির গন্ধ আসে কোথা থেকে?’
হিয়া খুব হাসল। ‘তোমার মন থেকে। লুচি আর কই?’ বিশু যে ভয়ানক কল্পনাপ্রবণ কবি, এ নিয়ে ঠাট্টা করল। ‘বিকেলে লুচি খেতে চাইলে না হয় রুনুমাসিকে বলো।’
‘নাহ্ একা কেন খাব? তোমার ছুটির দিনে খাব।’
‘বেশ, তবে রুনুমাসিকে বলে রেখো শনিবার সকালে লুচি আর আলু ফুলকপির সাদা তরকারি খাব আমরা।’
লিখে তো মাস মাইনে হয় না, তাই টাকাপয়সা নিয়ে সবসময় সজাগ থাকতে হয়। এখানে মন দিয়ে লিখতে বাধা নেই কোনও।
হিয়া অফিস চলে গেলে বিশুও সারাদিনের জন্য খাতা বই ব্যাগে পুরে লাইব্রেরি চলে গেল। লুচির খিদেয় নয়তো গোটা দিন নষ্ট হবে তার। যাওয়ার আগে রুনুমাসিকে শনিবারের লুচির কথা বলে গেল।
অনেকগুলো চিন্তা, এখন আর বিশুর মাথায় নেই। একা থাকতে বাজার হাট রান্না সব নিজেকে করতে হত। এ বাড়ির কর্তৃত্ব রুনুমাসি কাউকে ছাড়তে নারাজ। বাড়িভাড়া জোটানোর ভাবনা থেকেও সে মুক্ত। লিখে তো মাস মাইনে হয় না, তাই টাকাপয়সা নিয়ে সবসময় সজাগ থাকতে হয়। এখানে মন দিয়ে লিখতে বাধা নেই কোনও। (Short Story)

শুক্রবার ভোরবেলা প্রাতঃভ্রমণ সেরে বাড়ি ঢুকে খুব অবাক হল বিশু। সাতসকালে টেবিলে চা সাজিয়ে অপেক্ষা করছে হিয়া। হঠাৎ তার দিকে তাকিয়ে, মনে হল বেশ সুন্দর সেজেছে তো! কী ব্যাপার? একটু পরেই নাকি আপিসের গাড়ি এসে তাকে কাজের জন্য সপ্তাহান্তে অন্যত্র নিয়ে যাবে। তার বদলে দু’দিন ছুটি হিয়ার পাওনা হবে পরে। (Short Story)
প্রাতঃরাশ শেষ হতেই, গাড়ির প্যাঁ-পোঁ শব্দ শোনা গেল। হিয়া বেরিয়ে যাওয়ার পর, বিশু খুব মন দিয়ে পড়াশোনায় বসল। মুখটা একদম তেতো লাগল তার। কেন কে জানে! কেমন যেন নিম পাতা খেয়েছে মনে হচ্ছে। উচ্ছে বা করোলার মতো তেতো নয়। আর একটু তীব্র। দুপুরে কিছু খাওয়ার ইচ্ছাটাই চলে গেল। ভাগ্যিস রুনুমাসি শুক্তো রান্না করেছিল। ভারি সুবিধা হল তাতে। মুখ খুব তেতো হয়ে গেছে বলে বিশু আর কোনও খাবার খেল না। (Short Story)
বিছানায় পড়ে আছে ওর ছাড়া জামাকাপড়, তাতেও লেবুর বাস। বিছানায় বসে অনেকক্ষণ চোখ বন্ধ করে বিশু জোরে জোরে শ্বাস নিল।
তামাম ভারতবর্ষে বাঙালিদের গর্ব হল শুক্তো। উচ্ছে বা করলা দেবে, কিন্তু তেতো হবে না। নিজের হাতের রান্না নিয়ে রুনুমাসির একটা গর্ব আছে। থাকা উচিতও বটে। সারাজীবন ধরে খেটেখুটে এই কঠিন দক্ষতা সে অর্জন করেছে। শুক্তো তার যথেষ্ট ভাল হয়, কেউ কখনও তেতো হয়েছে বলে নালিশ করেনি। তাই বেচারা খুবই দুঃখ পেল। বিশু কেমন করে বোঝাবে যে তেতোটা উচ্ছে নয় নিম পাতার! আজব ব্যাপার। (Short Story)
বিশুকে একাই থাকতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই শনিবার আর লুচি খাওয়ার রুচি হল না তার। সেই মোতাবেক রুটির বন্দোবস্তই হল। বিশুর কেমন যেন মনে হল রান্না থেকে রুনুমাসিকে একটু ছুটি দিলে হয়তো খাওয়ার ব্যাপারে সুবিধা হবে। এমনিতে হয়তো সে মোটেও মেনে নিত না। কিন্তু আগের দিন বিশু কিছুই খায়নি বলে তাকে রাজি করানো সহজ হল। রুনুমাসি ছুটি পেয়ে ভাইঝির বাড়ি বেড়াতে চলে গেল। (Short Story)

কী মনে করে বিশু হিয়ার ঘরের দরজা খুলে ঢুকল। সারা ঘরে কমলালেবুর সুবাস। বিছানায় পড়ে আছে ওর ছাড়া জামাকাপড়, তাতেও লেবুর বাস। বিছানায় বসে অনেকক্ষণ চোখ বন্ধ করে বিশু জোরে জোরে শ্বাস নিল। মনে হল কমলালেবুর বাগানে বসে আছে সে। যদিও এমন জায়গায় যাওয়ার সুযোগ তার কখনও হয়নি, তবু চোখের সামনে সে সহজে যে ফলবাগিচার দৃশ্য দেখতে পেল, তাতে তার সব ইন্দ্রিয় কৃতার্থ হল। (Short Story)
হিয়ার সাজের টেবিলে চোখে পড়ল একটা কমলালেবু। তবে এটারই বাস ছড়াচ্ছে? যদিও বুদ্ধি বলে একটা কমলার এত গন্ধ হওয়া অসম্ভব। বিশু ঘোর থেকে উঠে কাছে গিয়ে দেখল নেহাৎই রবারের বলের মতো একটা আধার সেটা। হিয়ার নানা পুঁতির দুল রাখার পাত্র। হয়তো হিয়ার কোনও সুগন্ধির এমন কড়া কমলার গন্ধ। বন্ধ ঘরে আরও জোরদার হয়েছে। (Short Story)
রান্নাঘরে যেতেই বিশু চমকে উঠল। সমস্ত বাসন কে যেন নীচে নামিয়ে রেখেছে। রাতে চোর এসেছিল?
কিন্তু হিয়ার গা থেকে বিশু তো কোনওদিন কমলালেবুর এমন গন্ধ পায়নি। তবে লেবুর সুবাস যে হিয়ার বিশেষ পছন্দ, সে কথা বিলক্ষণ জানে বিশু। কমলালেবুর সুগন্ধটা সারাদিন তার নাকে লেগে থাকল। এমন কী পুলকের বাড়ি গিয়ে ভোদকায় চুমুক দিয়ে সে নিশ্চিত হল, সেটা ‘অরেঞ্জ ফ্লেভর্ড’। বিশুর মনে হল, সে যতদূরেই যাক তার সঙ্গে যাবে সোঁদা সোঁদা কমলার বাস। (Short Story)
রবিবার আর কিছুতেই সাতসকালে ঘুম থেকে উঠতে পারল না বিশু। কী করেই বা পারবে? আগের দিন বোধহয় একটু বেশিই ভোদকা খেয়ে ফেলেছিল। বাড়ি ফিরে আর নিজের ঘরে নয়, হিয়ার ঘর অবধি গিয়ে শুয়ে পড়েছিল। সকালে উঠে ভেবেছিল আবার সেই কমলালেবুর সুগন্ধ পাবে, কিন্তু না, আজ আর সেটা নেই। একেবারে উধাও হয়ে গেছে। অবশ্য হাওয়া খেললে তো গন্ধ উবে যাওয়ারই কথা। কতক্ষণ ঘরের দরজা খোলা ছিল! (Short Story)
সারা বাড়ি একবার ঘুরে নিল সে। কিন্তু অন্য কোনও ঘরে কারুর আসার কোনও লক্ষণ চোখে পড়ল না।
রুনুমাসি ছুটির দিন দেরি করে আসে। হিয়া বাড়ি থাকে বলে কাজ একটু বেশি করতে হয়। হিয়ার নানা আবদার থাকে। যদিও আজ হিয়া নেই তাতে কী! সে থাকুক না থাকুক আজ ছুটি। (Short Story)
পর্দা সরিয়ে বাইরে তাকাতে চোখে পড়ল পাশের বাড়ির মহিলা কড়াইতে কিছু নাড়ছেন। কী তা দেখা বা বোঝা মুশকিল। জানালা খুলে জোরে জোরে প্রশ্বাস নিয়েও কোনও গন্ধ পাওয়া গেল না। মহিলাও বিশুকে দেখেননি বলেই মনে হয়। জানলা বন্ধ করে সরে এল সে। অন্যের খোঁজ নিয়ে কাজ নেই। (Short Story)
রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ভাবার চেষ্টা করল তার কীর্তি কি না। কিন্তু অসম্ভব! বিশু এদিকে কাল আসেইনি।
এমনিতেই অনেক বেলা হয়ে গেছে। হাঁটতে যাওয়া হল না। প্রাতঃরাশ কিছু একটা তো করতেই হবে। রান্নাঘরে যেতেই বিশু চমকে উঠল। সমস্ত বাসন কে যেন নীচে নামিয়ে রেখেছে। রাতে চোর এসেছিল? তাই হবে। এ ছাড়া কোনও ব্যাখ্যা বিশুর মনে হল অসম্ভব! সারা বাড়ি একবার ঘুরে নিল সে। কিন্তু অন্য কোনও ঘরে কারুর আসার কোনও লক্ষণ চোখে পড়ল না। সব যেমন থাকে তেমনই আছে। (Short Story)
হিয়া নয়, রুনুমাসিকেই আগে ফোন করল সে। জানা দরকার, গতকাল কিছু করেছিল কী না। সময় পেয়ে যে সব বাসন সে গুছিয়ে রেখেছিল! উল্টে খুব বিরক্ত হয়ে এমন কথাই বারবার বলল রুনুমাসি। তাড়াতাড়ি চলে আসবে, তাও বলল। হিয়াকে জানানো কর্তব্য। তাও করল বিশু। ‘মাতাল পুরুষ কী না করতে পারে!’ বলে হিয়া হেসেই ফেলল। খোয়ারি কাটানোর জন্য অনেকটা ঘুম আর প্রচুর জল খাওয়ার পরামর্শ দিল বিশুকে। (Short Story)

রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ভাবার চেষ্টা করল তার কীর্তি কি না। কিন্তু অসম্ভব! বিশু এদিকে কাল আসেইনি। পুলকের বাড়িতে এলাহি ভোজ ছিল। খেয়েছে সে। স্পষ্ট মনে আছে বাড়ি ফিরে হিয়ার ঘরে কমলালেবুর ঘ্রাণ পেতে সে ঢুকেছিল। তাহলে ইঁদুর। অসন্তুষ্ট বিশু মোড়া নিয়ে বারান্দায় বসল। (Short Story)
রুনুমাসি শেষ পর্যন্ত এসে বেশ তাড়াতাড়ি একটু ডিম আলুসেদ্ধ ভাতের ব্যবস্থা করে দিল। জলখাবার বা দুপুরের খাবার নয়, একেবারে ইংরেজিতে যাকে বলে ‘ব্রাঞ্চ’। ঘি আর লবণ পাশে দেওয়া। রান্নাঘর পুরো ধুয়ে মুছে সাফ করার ব্রত নিয়েছে মাসি। কে না কে কী ঘেঁটেছে কে জানে। খিদের মুখে সেদ্ধ ভাত লা জবাব! ভাত মাখতে গিয়েই গন্ধ পেল বিশু। এক গাল খাওয়া মাত্র তাকে দৌড়ে বাথরুমে যেতে হল। মারাত্মক ঝাল! দু-গেলাস জল আর চিনি চিবিয়ে, ভাবল অনেক। ঝোল নয়, চচ্চড়ি নয়, সেদ্ধ ভাতে ঝাল? তাও শুকনো লঙ্কার! ভাতের হাঁড়ি শুঁকে দেখল, সত্যি সাদা গোবিন্দভোগ চালেই শুকনো লঙ্কার গন্ধ। অথচ ভাতে লাল ছিঁটেফোঁটা কিছু তো চোখে পড়ল না! (Short Story)
কিছু খাওয়ার ইচ্ছাটাই হল না। অনেকটা হেঁটে ফিরে এসে দেখল খাবার টেবিলে বসে রুনুমাসি অম্লানবদনে ওই ভাত আলুসেদ্ধটাই খাচ্ছে। সঙ্গে কাঁচালঙ্কা।
রুনুমাসিকে না বলে নিঃশব্দে পুরো খাবার বাথরুমের কমোডে ঢেলে ফ্লাশ করে দিল বিশু। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পাড়ার দোকানে গিয়ে না হয় ফাটা পরোটা আর আলুর ঝোল খাবে। কিন্তু মুখের ওই তীব্র ঝালটা সারাদিন গেল না। কিছু খাওয়ার ইচ্ছাটাই হল না। অনেকটা হেঁটে ফিরে এসে দেখল খাবার টেবিলে বসে রুনুমাসি অম্লানবদনে ওই ভাত আলুসেদ্ধটাই খাচ্ছে। সঙ্গে কাঁচালঙ্কা। বিশু জিজ্ঞাসা না করে পারল না। (Short Story)
আর কোনও কথা বলার কোনও মানে নেই। বিশু ঘরে চলে গেল।
‘ঝাল লাগছে না রুনুমাসি?’
‘না গো এই লঙ্কাগুলো দেখতেই মোটা, ঝাল নাই। ঠকিয়ে দিয়েছে এবার।’
আর কোনও কথা বলার কোনও মানে নেই। বিশু ঘরে চলে গেল।
কাজ থেকে হিয়ার ফেরার সময় হয়ে এল। বিশুর এ বাড়িতে থাকার এক সপ্তাহ উত্তীর্ণ হয়েছে। আরেকটা সোমবার আজ।কিন্তু সে জানে না এখনও তার এখানে থাকা সম্ভব কী না। বিশু ভাবছে। সবাই বলেছিল পারবে না। কেন বলেছিল? আজ ভোরবেলা ইচ্ছা করেই সে হাঁটতে যায়নি। ভাবছে সে কী করবে। হঠাৎ ভয়ানক রকমের গা গুলিয়ে উঠল তার। (Short Story)
কাল সে বিশেষ কিছুই খায়নি। অথচ মাছ মাংস পর্যন্ত বেরিয়ে এল! মুখে চোখে ভাল করে জল দিয়ে, ঘাড় মুছে বিশু ঘরে এসে তার যাবতীয় বইপত্র ব্যাগে পুরে ফেলল।
বাথরুমে গিয়ে যা যা সে উগরে দিয়ে এল, তা আশ্চর্য। কাল সে বিশেষ কিছুই খায়নি। অথচ মাছ মাংস পর্যন্ত বেরিয়ে এল! মুখে চোখে ভাল করে জল দিয়ে, ঘাড় মুছে বিশু ঘরে এসে তার যাবতীয় বইপত্র ব্যাগে পুরে ফেলল। পুলককে ফোন করে তৎক্ষণাৎ গাড়ি নিয়ে আসার অনুরোধ করল। (Short Story)
সুটকেসের সব জিনিসপত্র সে যে একসঙ্গে বের করেনি, তাতে ভারি সুবিধাই হয়েছে। সব জিনিস বাক্সবন্দী করতে কয়েক মিনিটই লাগল তার। পুলক গাড়ি নিয়ে আসা মাত্র বিশু রওনা হয়ে গেল। কী হয়েছিল, সে কাউকে বলতে রাজি হল না। হিয়া বা রুনুমাসির সঙ্গে আর তার কোনওদিন দেখা হয়নি। (Short Story)
(সমাপ্ত)
মুদ্রণ ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জয়িতা বাগচী বর্তমানে স্বাধীন গবেষক। সাম্প্রতিকতম বই – আমাদের বেড়াল ও অন্যান্যদের কথা।
