সুজয় ঘোষের মেয়ের হাত ধরে ‘বব বিশ্বাস’ ফিরবে পর্দায়।

সুজয় ঘোষের মেয়ের হাত ধরে ‘বব বিশ্বাস’ ফিরবে পর্দায়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কিছু কিছু সিনেমা তার চরিত্রের জন্য মনে থেকে যায়। যেমন ২০১২ সালে সুজয় ঘোষ পরিচালিত ‘কহানি’ ছবির বব বিশ্বাস-এর চরিত্রটি। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়ের গুণে চরিত্রটি বেজায় জনপ্রিয় হয়েছিল। এবার শোনা যাচ্ছে বব বিশ্বাসের উপর আর একটি ছবি তৈরি হবে। আর পরিচালনা করবেন সুজয় ঘোষেরই বড় মেয়ে দিয়া। দিয়া বাবার মতোই পরিচালনায় উৎসাহী।

‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচারস অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত জানিয়েছেন যে ‘বব বিশ্বাস’ নামক একটি ছবি নথিভুক্ত করা হয়েছে তাঁদের সংস্থায়। দিয়া এর আগেও সিনেমা বানিয়েছেন। ২০১৮ সালে তাঁর ১০ মিনিটের ছোট ছবি ‘নেবারহুড টাইস’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছিল। সুজয় তখন নিজেই টুইট করে সে কথাটি জানিয়েছিলেন। উনি যে মেয়েকে নিয়ে কতটা গর্বিত তাও বলেছিলেন। সম্প্রতি সুজয় পরিচালিত অমিতাভ বচ্চন ও তাপসী পন্নু অভিনীত ‘বদলা’ ছবিতে সহযোগী পরিচালকের ভূমিকায় ছিলেন দিয়া। কিন্তু এই প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘের সিনেমায় হাতেখড়ি হবে তাঁর।

শোনা যাচ্ছে, বব বিশ্বাস-এর মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কেই। এখনও চুক্তি সই না হলেও, মৌখিক কথা দিয়েছেন উনি। চিত্রনাট্য তবে এখনও শোনেনি শাশ্বত। দিয়া নিজের টেকনিক্যাল টিম নির্বাচন করছেন। যদি সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোয় তা হলে অক্টোবরের শেষে শুরু হবে ছবির শুটিং। কহানির শুটিংও দুর্গা পুজোর সময় কলকাতায় হয়েছিল। সুজয়ের সঙ্গে কলকাতার আত্মিক যোগাযোগ। ‘কহানি ২’-র শুটিংও কলকাতায়, চন্দননগর আর কালিম্পং-এ হয়েছিল। শোনা যাচ্ছে বব বিশ্বাস-এর অন্য মুখ্য চরিত্রের জন্য বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কথাই ভাবে হচ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ