Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

সোশ্যাল মিডিয়ায় দোকানপাট

সংকেত ধর

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬

Social Media
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Social Media)

তখন সন্ধ্যে নেমেছে শীতের বিষণ্ণ চাদর জড়িয়ে। বিষণ্ণ পরেশদার মুদি দোকানও। শপিং মলের ঝোড়ো হাওয়ায় উড়ে গিয়েছে পাড়াতুতো ক্রেতা-বিক্রেতা সম্পর্ক। একসময় যে দোকানের সন্ধে নামলেই ভিড়ের নেশা হত, এখন তার ঝুলের নেশা। ঝুল দোকানের যত্রতত্র, এমনকি ফাঁকা বয়ামের ভিতরও। নতুন স্টক তোলা হচ্ছে না ক্রেতার অভাবে। ‘বাজার খারাপ’ জাতীয় একগুচ্ছ লব্জের বোঝা নিয়ে ঝাঁপ খোলা আর বন্ধ করাই রুটিন। স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে সংসার পরেশদার। ‘ছেলে’-হীন পরিবার যেন মাথার ভিতর রোজ ভয়ের হাতুড়ি মারছে। (Social Media)


আরও পড়ুন: ফেসবুক আর বাংলা বানানের ধন্যযোগ


ইদানিং ফেসবুকে ভ্লগিং না করলে প্রমিতার দিন কাটে না। তাতেই নাকি টাকার পাহাড় গড়া সম্ভব। পরেশদা আশ্চর্য এহেন দাবিতে। ব্যক্তিগত পরিসরের ঘরে অভাবের ছিদ্র দিয়ে ঢুকে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার কালসাপ। যখন-তখন কামড়ের ভয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরমে অশান্তি। কিন্তু বিষহীন বাস্তুসাপকেও কখনও কখনও বিষাক্ত বলে ভ্রম হয়! প্রমিতার আইডিয়া শুনে প্রথমে প্রবল আপত্তি করলেও দুই মেয়ের জোরে তা ধোপে টেকেনি। (Social Media)

Social Media
ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে প্রমিতার ভ্লগিং শুরু হল পরেশদার দোকানে।

ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে প্রমিতার ভ্লগিং শুরু হল পরেশদার দোকানে। আশেপাশের দোকান, প্রথমে পরেশদার বউয়ের কাণ্ডকারখানা দেখে হাসাহাসি করল বেশ কিছুদিন। কিন্তু বেশিদিন নয়। দোকানের ঝুল যখন ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে, পাড়াতুতো না হলেও নতুন নতুন মুখ দেখা দিচ্ছে দোকানে, তখন হাসি উবে গিয়ে চোখ ছানাবড়া প্রতিবেশীদের। ব্যাপারখানা বোঝার চেষ্টা। ঠিক কী কাণ্ড হচ্ছে? (Social Media)

পাড়া থেকে নয়, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংসারের জন্য সহানুভূতি আদায় করতে পেরেছেন প্রমিতা। ফেসবুক, ইউটিউবে ইউজারদের ফিডে হঠাৎ করেই এক পরিবারের করুণ কাহিনি— দুই মেয়ের ভবিষ্যত, চারজনের দু-বেলা দু-মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা নির্ভরশীল একটা দোকানের বেঁচে থাকার উপর। যে দোকানের গায়ে ঝুল জমেছে অনাদরে, ক্রেতার অভাবে কমে এসেছে প্রোডাক্টের ‘অলংকার’। মানবিকতাই পারে সেই লক্ষ্মীর শ্রী ফেরাতে। (Social Media)

মানবিকতা হাজির হয়েছে ক্রেতার রূপ ধরে, কখনও বা ডিজিটাল ক্রিয়েটর হয়ে এবং ক্রিয়েটরদের মারফত ফের ক্রেতার বেশে।

মানবিকতা হাজির হয়েছে ক্রেতার রূপ ধরে, কখনও বা ডিজিটাল ক্রিয়েটর হয়ে এবং ক্রিয়েটরদের মারফত ফের ক্রেতার বেশে। ফ্লাশ লাইটের ঝলকানি যখন-তখন। একের পর এক ‘ইন্টারভিউ’ দিতে দিতে ঘাম ছুটছে পরেশ-প্রমিতার। তবে এই ব্যস্ততা ‘লাভ’হীন নয়। বিক্রি বেড়েছে, দোকান সেজেছে নতুন আইটেমে। প্রমিতা এখন দোকানে বসেন। ‘টেন মিনিটস ডেলিভারি’-র মতো সাইকেল চালিয়ে আশেপাশের এলাকার মধ্যবিত্তদের গ্রসারি পৌঁছে দিচ্ছেন পরেশ, ডেলিভারি চার্জ নামমাত্র। (Social Media)

মধ্য তিরিশ বা তার থেকে একটু বেশি বয়স যাঁদের, তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়াকে দেখেছেন জন্মলগ্ন থেকেই। প্রথম প্রথম এই মাধ্যম ছিল বন্ধুদের মধ্যে যোগাযোগ রাখা, কথা বলা, সুন্দর মুহূর্তগুলি ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে সীমিত। দূরদূরান্তে থাকা বন্ধুদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে এনেছিল ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু আড্ডা আর কতক্ষণই বা চলে। মানুষ তো বাড়ি ফেরে, ফেরে নিজের নিজের কাজে। সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বিতীয় যুগ যেন এই ‘কাজ’ দিয়েই শুরু। (Social Media)

কিছু মানুষের অবসর বিনোদনকে কিছু মানুষের ‘কাজ’ করে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটা শক্ত খুঁটি খুঁজে পেল। টিভি, খবরের কাগজ, রেডিয়োর বিজ্ঞাপন বিরতির মতোই ফিডের মাঝে মাঝে পরিসর খুঁজে নিল নানা ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন। আরও পরে সাধারণ ইউজারদের কন্টেন্ট। মানিটাইজেশন সে আগুনে ঢালল ইনসেনটিভের ঘি। (Social Media)

Social Media
ফেসবুক একটা পথ খুলে দিল, যাত্রা শুরুর পথ।

কবি শঙ্খ ঘোষের কবিতা ধার করে বলাই যায়, ‘নিয়ন আলোয় পণ্য হল/ যা কিছু আজ ব্যক্তিগত’। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে। ধীরে ধীরে তাই ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’। কিন্তু বাজারের আগ্রাসী, নির্মম নিয়মে মুখকেও কখনও কখনও বিজ্ঞাপন করে তুলতে হয়। ফ্রেন্ডলিস্টের সাদামাটা প্রোফাইল একদিন সকালে তাই ডিজিটাল ক্রিয়েটর হয়ে ওঠে। বেঁচে থাকার নতুন পথ খুঁজে নেয় কোভিডে বিনাদোষে চাকরি হারানো যুবক। উপার্জনের উপায় খুঁজে পায় শিক্ষিত বেকার তরুণী। হাজারের ভিড়ে সহজেই হারিয়ে যেতে পারে এমন সংস্থাও নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে হাজির হয় সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে।  হাজির হয়, বেঁচে থাকে ছোট ছোট বহু ‘উদ্যোগ’, যাকে ইংরেজিতে স্টার্ট আপ ইনিশিয়েটিভ বলা হয়। (Social Media)

‘মিট্টি’র কর্ণধার নিবেদিতার যেমন বড় ভরসা সোশাল মিডিয়া। পোশাকের ব্যবসায় তিনি বেশ কয়েক বছর। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রোডাক্ট নিয়ে হাজির হওয়ার পর অনেকটাই বেড়েছে ব্যবসা। ছোট থেকেই ছবি আঁকা প্রিয়। হ্যান্ডক্রাফ্টসও করতেন। কিন্তু চার দেওয়ালের ভিতরে তৈরি সেসবের কথা, কেই বা জানতে পারছে? ফেসবুক একটা পথ খুলে দিল, যাত্রা শুরুর পথ। বর্তমানে কাস্টমাইজড অর্ডারের এতটাই চাপ থাকে, যে হস্তশিল্প মেলাতেও স্টল দেওয়ার সময় পান না নিবেদিতা। (Social Media)

বেহাল জব মার্কেটে ছবি-আঁকিয়ের চাকরি পাওয়া আরও কঠিন। যখন চাকরি দেওয়ার কেউ নেই, সাগ্নিক নিজেই পথ খুঁজে নিলেন তুলি ও ক্রাফ্টের ক্ষমতা সম্বল করে।

ছবি আঁকা অনেকের কাছেই প্যাশন। সেই প্যাশন থেকেই ফাইন আর্টসে মাস্টার্স করেন সাগ্নিক রায়। কিন্তু ক্ষুন্নিবৃত্তির উপায় তো খুঁজতে হবে। বেহাল জব মার্কেটে ছবি-আঁকিয়ের চাকরি পাওয়া আরও কঠিন। যখন চাকরি দেওয়ার কেউ নেই, সাগ্নিক নিজেই পথ খুঁজে নিলেন তুলি ও ক্রাফ্টের ক্ষমতা সম্বল করে। সাগ্নিকের ‘নেত্রাস’ এখন কাস্টমাইজড জুয়েলারি তৈরি করে। ঘরে বসেই দু-তিনজন বন্ধু মিলে কাজ। ইনস্টাগ্রামে ‘এক্সহিবিশন’ হয়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে অর্ডার আসে, অর্ডার দেন বিদেশিনীরাও। মাস গেলে বেশ ভাল অঙ্কের প্রফিট। পুজোর সময় আরেকটু বেশি। এতেই সংসার চালিয়ে নিচ্ছেন সাগ্নিক ও তাঁর দু-তিন বন্ধু। (Social Media)

সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বিতীয় যুগ আসলে কোভিডের প্রতিক্রিয়া বলেই মনে করেন সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়। পেশায় জনসংযোগ আধিকারিক সুমন নিজে হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিন-চারটে ব্র্যান্ড। তার মধ্যে যেমন একদিকে ‘ছোটে মিয়াঁ, সেভেন্থ হেভেন কলকাতা’র মতো খাবারের দোকান ও কনফেকশনারি, অন্যদিকে তেমনই ‘হ্যাপি মেডিটেশন’-এর মানসিক স্বাস্থ্যের উদ্যোগ। সুমনের অভিজ্ঞতা, মানুষ সবসময় নতুন কিছু, আলাদা কিছু খুঁজে চলেছে। (Social Media)

সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে তেমনই এক পরিসর এনে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে দিয়ে ব্র্যান্ড প্রোমোশনের বিস্তর সুবিধা। এক ঝটকায় পৌঁছে যাওয়া যায় কলকাতা থেকে আমেরিকা। রিল-ভিডিয়োর গুণে ছোঁয়া যায় নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত মন। সবচেয়ে বড় কথা, পৌঁছানো যায় এক বিশাল সংখ্যক মানুষের কাছে। বিজ্ঞাপন না দিলে একটি পাড়ার দোকানের সামনে দিয়ে যে-কজন হেঁটে যান, তারাই একমাত্র দোকানটির কথা জানতে পারেন। (Social Media)

Social Media
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া এনে দেয় ভিন শহরের খবর। জেলা, রাজ্য, দেশ পেরিয়ে নিয়ে আসা ‘পছন্দ’ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম মিশিয়ে দিচ্ছে মানুষের জীবনে— অভিনবত্বের স্বাদ।

জিনিস কেনাকাটা করলে সেইসব ক্রেতাদের মুখে মুখে খবর পান আরও কিছু ক্রেতা। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার গুণে আরও পাঁচটা খবরের মতোই একটি  নতুন দোকান বা ব্যবসার খবর এসে পৌঁছায় অগণিত ইউজারদের ফিডে। পছন্দ হলে ইউজাররা দোকানে চলে যান একটা শুভ দিনক্ষণ দেখে। কেনাকাটার পর খুশি হলে ফের যান, রেকমেন্ড করেন অন্যদের। ব্যবসার চাকা গড়ায়। (Social Media)

কম্পিটিশনের বাজারে গ্রাহকই বাঁচিয়ে রাখতে পারে একটা ব্যবসা বা উদ্যোগকে। কিন্তু কাস্টমার মিলবে কোথায়? সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে মানুষের পছন্দ, চাহিদা। চাল, ডাল, আটা, নুন, তেল বাদ দিলে সবেতেই অভিনবত্বের প্রত্যাশী বেশিরভাগ গ্রাহকরা। সেই অভিনবত্বের হদিশ দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াও। অফলাইন ব্যবসা করলে নিজের দোকানে বসে থেকে আশেপাশের দোকানের খবর পাওয়া সম্ভব। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া এনে দেয় ভিন শহরের খবর। জেলা, রাজ্য, দেশ পেরিয়ে নিয়ে আসা ‘পছন্দ’ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম মিশিয়ে দিচ্ছে মানুষের জীবনে— অভিনবত্বের স্বাদ। (Social Media)

ভুবন বাদ্যকর আস্ত একটা বাড়ি করেছেন, পকেট পরোটার রাজুদা পেয়েছেন বিপুল মাত্রার খ্যাতি। সোশ্যাল মিডিয়া তো তাঁদের কাছে প্রায় ভগবানই। (Social Media)

সোশ্যাল মিডিয়া কখনও কখনও ভগবানও হয়ে ওঠে, তেমনটাই ধারণা দীপান্বিতার। কলকাতার নানা স্থানের কাহিনি তুলে ধরে তাঁর ‘পকেটস্টোরি’ ইনস্টা পেজ। দীপান্বিতার মতে, আগে বিভিন্ন অ্যাড দিতে হলে ব্র্যান্ডগুলিকে সেলেবদের পিছনে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হত। অ্যাডগুলির কতটা ‘ইমপ্যাক্ট’ বা প্রভাব, তা মাপাও মুশকিল ছিল। কারণ তথ্য পাওয়া যেত না। ফেসবুকের মেটা এখন সেই রিচের তথ্য এনে হাজির করেছে প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ডে। অল্প টাকার বিনিময়ে ছোট ছোট ডিজিটাল ক্রিয়েটরদের দিয়ে অনেকেই ব্র্যান্ড প্রমোশন করান। (Social Media)

একজন সেলেব্রিটির টাকায় ১০-২০ জন ডিজিটাল ক্রিয়েটরদের দিয়ে সহজে প্রমোশন সেরে ফেলা যায়। ছোট ব্র্যান্ডগুলোর অ্যাডের বাজেট বরাবর কম। সোশ্যাল মিডিয়া এখানেই দূত হয়ে এসেছে। তাছাড়়াও, ফেসবুকে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের দৌলতে রানু মণ্ডল পৌঁছে গিয়েছেন বোম্বেতে, হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে ডুয়েট করতে। ভুবন বাদ্যকর আস্ত একটা বাড়ি করেছেন, পকেট পরোটার রাজুদা পেয়েছেন বিপুল মাত্রার খ্যাতি। সোশ্যাল মিডিয়া তো তাঁদের কাছে প্রায় ভগবানই। (Social Media)

ছোট ব্যবসা শুধু নয়, বহু যুবক-যুবতী ও বেকারদের জীবনে রোজগারের পথ হয়ে উঠেছে এই মাধ্যম। বিশেষ করে মহিলা। যেসব মহিলা সংসারের জাঁতাকলের শিকার। যাঁদের জীবনে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় হয়ে আসে।

ছোট ব্যবসা শুধু নয়, বহু যুবক-যুবতী ও বেকারদের জীবনে রোজগারের পথ হয়ে উঠেছে এই মাধ্যম। বিশেষ করে মহিলা। যেসব মহিলা সংসারের জাঁতাকলের শিকার। যাঁদের জীবনে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় হয়ে আসে, যেসব মহিলা ভোর হলেই লোকাল ধরে লোকের বাড়ি বাসন মাজতে যান, ভ্লগে নিজেদের মেলে ধরেন তাঁরাও। লেডিস কামরার দরজায় বসে সারাদিনের বিরক্তি উজিয়ে অশ্রাব্য খিস্তি মারলেও ফেসবুকে হেসে হেসে তাঁরা ভিডিয়ো করেন। যদি মেটা, সাবস্ক্রাইবার অপশনটা অন করে দেয়! (Social Media)

তিন বাড়ি রান্না করে সীমার আয় ১২ হাজার। বরের মদের টাকা আর ছেলের বাইকের ইএমআই তাঁকেই দিতে হয় কিছুটা। দিতে হয় বলার থেকে কেড়ে নেওয়া হয় বলাই ভাল। সবদিক থেকেই যখন দিশেহারা অবস্থা প্রায়, তখন রান্না-বাড়ির এক বৌদি বুদ্ধি দিলেন রিল বানানোর কথা। সীমার প্রোফাইল পাল্টে গেল ডিজিটাল ক্রিয়েটরে। কাকভোরের কাহিনি দিয়ে শুরু, পাঁচটার বনগাঁ লোকালে ফেরা দিয়ে শেষ। (Social Media)

Social Media
সোশ্যাল মিডিয়া কখনও কখনও ভগবানও হয়ে ওঠে।

ঘুম চোখ, রান্নার স্বাদ, ভিড়, ঘাম, বর ও ছেলের অত্যাচারে সীমার সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা অজস্র রিল। কখনও গৃহলক্ষ্মীর মতো, কখনও কখনও হয়তো অজানা কোনও বিপদের জন্য আগে থেকে বানিয়ে রাখা প্রমাণের মতো। (Social Media)

এই বনগাঁ লোকালেরই কথা। ভেন্ডারের গেটের কাছে পাশাপাশি দুই কমবয়সি বউ গল্প করছেন আর ফোন ঘাঁটছেন। হঠাৎ এক বউ চেঁচিয়ে উঠলেন বিকট শব্দ করে। কী ব্যাপার, কী ব্যাপার বলে ছুটে এলেন সবজি বিক্রেতা পুরুষরাও। বউটির চোখে জল, কিন্তু আনন্দের। সাবস্ক্রাইবার অপশন অন হয়েছে ফেসবুকে। তার জন্য এত চিৎকার, কান্না? ‘কী হয় রে এতে?’ এক বুড়ো সবজিওয়ালা জিজ্ঞেস করতেই বউটি বললেন, ‘এবার ফেসবুক থেকে টাকা আসবে গো। আমার শাশুড়ি রোজ ওকে বলে, তোর বউ নাচতে জানে না। নাচতে জানলে তো ভাল রিল হবে। তবে তো টাকা আসবে। তোর বউ একটা অপয়া। এবার বাড়ি গিয়ে দেখাব’খনে শাশুড়িরে!’
এভাবেই ‘দেখিয়ে’ দিচ্ছেন অনেকে, ‘রিচ’ পেতে পেতে রিচ হওয়ার পথ…। (Social Media)

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Author Sanket Dhar

বইয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় সংস্কৃতি। বর্তমানে বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট। নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জীবন হয়ে উঠছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দের ‘জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।

Picture of সংকেত ধর

সংকেত ধর

বইয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় সংস্কৃতি। বর্তমানে বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট। নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জীবন হয়ে উঠছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দের ‘জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।
Picture of সংকেত ধর

সংকেত ধর

বইয়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় সংস্কৃতি। বর্তমানে বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট। নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জীবন হয়ে উঠছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দের ‘জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

বিতস্তা ঘোষাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মোহনা মজুমদার

সংস্কৃতি

আহার

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
অমৃতা ভট্টাচার্য
শ্রুতি গঙ্গোপাধ্যায়

বিহার

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

দেবার্চন চ্যাটার্জি
নির্মাল্য চ্যাটার্জি
নির্মাল্য চ্যাটার্জি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com