প্রথম পাতা » বিশ্বজিৎ রায়
দেখা কি কেবল সেখানেই ফুরিয়ে গেল? গেল না। বউটি অবোধ সুন্দর ছেলেটিকে মোহনভোগ তৈরি করে খেতে দিল। অপু ঘি দেওয়া মোহনভোগ খেয়ে অবাক হয়ে গেল। ...
কেরির সংলাপ-সংকলনে যা মেয়েদের মুখের ভাষার নমুনা, ঈশ্বর গুপ্তের পদ্যে তা স্মরণযোগ্য সরস পদ। সেখানে এসেছে মেয়েদের রান্নাঘরের কথাবার্তার প্রসঙ্গ– ছবির মতো বিবরণ।... বিশ্বজিৎ রায়ের কলাম।
অনেকে বলেন রবীন্দ্রনাথের ‘পঞ্চভূত’ বইয়ের ব্যোম চরিত্রটি দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদলে গড়া। অন্যমনস্ক, উদাসীন, দার্শনিক প্রকৃতির ব্যোম অকাজের চিন্তায় আনন্দময়। তার অভিমত, এই অকাজের অকারণ চিন্তা মেয়েরা
রাঁধুনি-বামুনি, বারযোগে পাচক ঠাকুর থেকে হাল আমলের শেফ, কেউই কিন্তু সচরাচর আর মা-মাসি নন; তখন সেখানে পুরুষদেরই প্রাধান্য। এই ট্রাডিশন মহাভারতের যুগ থেকে সমানে চলেছে। খাদ্যাখাদ্য
জেলের লপসির মতোই অনেক সময় চেহারা নেয় কাঙালি-ভোজনের খিচুড়ি। তাতে চাল-ডাল প্রায় নেই, যা আছে তা হলুদ গোলা লবণাক্ত জল। ... কারাগারের খাদ্যাখাদ্য নিয়ে এই পর্বের
রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই ‘মূল জিনিসটা’ কী? এই মূল জিনিসটিকে একবাক্যে নির্দেশ করা অসম্ভব। তবে কতগুলি ভাবনা ও নীতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করা যায়। লিখছেন বিশ্বজিৎ রায়।
মানবীপ্রেমের স্বরূপকে অস্বীকার না করে, তাকে অনুকূল স্রোতের মতো ব্যবহার করে কীভাবে জীবপ্রেমে উত্তরণ ও সন্তরণ সম্ভব... এ কথা বোধহয় একমাত্র স্বামী বিবেকানন্দই বোঝাতে পারতেন নিবেদিতাকে।
যদি সময়ের নিরিখে সাজিয়ে ফেলা যায় শঙ্খ ঘোষের রবীন্দ্রবিষয়ক বই তাহলে দেখা যাবে ১৯৬৯ সালে ‘কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক’ দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু। দীর্ঘ যাত্রাপথে ক্রমশই
Notifications