ঘরে ফেরার গান

ঘরে ফেরার গান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Flight Take off
ছবি সৌজন্য – thewire.in
ছবি সৌজন্য - thewire.in
ছবি সৌজন্য – thewire.in
ছবি সৌজন্য - thewire.in

মরসুমের প্রথম বরফ পড়েছে আজ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর খানিকটা দেরিতে। ডিসেম্বরের  পাঁচ তারিখ, সারা দুপুর অবিশ্রান্ত বরফ পড়ে বাইরেটা এখন ধূসর, বর্ণহীন। প্রথম বরফের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িয়ে থাকে: ঘন্টায় ঘন্টায় হেজ়েলনাট কফিখ্রিস্টমাস ক্যারোল চলতে থাকে দিনভর, ফায়ারপ্লেস জ্বালানো হয় ঝেড়েঝুড়েআর লিভিংরুমের উষ্ণতার সঙ্গে মিলিয়ে পিনো নোয়ার বা শার্ডনের গ্লাসে হালকা চুমুক সন্ধেরাতে। প্রথম বরফের সঙ্গে অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা থাকে আরও একটা জিনিস। ঘরে ফেরার টান, শেকড়ের কাছে ফেরার আকুলতা। রাত্রে শোবার সময় মাথার কাছে জ্বালিয়ে দিই ছোট্ট বেতের লণ্ঠনগতবছর  ইকো পার্কের হস্তশিল্প মেলা থেকে কেনা। দোকানি ভদ্রলোক বলেছিলেন, দিদি জুতোর বাস্কোর মধ্যে বসিয়ে নিয়ে যাবেন, কিচ্ছু  হবে না। হয়নি কিছু, এক বছর ধরে মাথার কাছে উষ্ণতা দিয়েছে বেতের লণ্ঠন।

বছরের এই সময়টা কলকাতা হাতছানি দিয়ে ডাকে আমাদের মতো “পরিযায়ী পাখিদের সেমেস্টারের পড়ানো চুকিয়ে, ফাইনাল গ্রেড জমা দিয়েই প্রায় দৌড়ে প্লেনে ওঠা নান্দীকারের নাট্যমেলা ধরার জন্যে! অ্যাকাডেমিনন্দন চত্বরে চেনা মুখআরে, কবে এলে? চল একদিন বসা যাক।” ঘাড়ের পাশ দিয়ে চেনা গলাদাদা, দুটো ডেভিল, দুটো কাটলেট, একটু জলদি।এক বছর কানেকটিং ফ্লাইট মিস করে আটত্রিশ ঘণ্টা জার্নি করে যখন কলকাতায় পৌঁছলাম, বেহালা মিউজিক ফেস্টিভালের প্রথম দিনের অনুষ্ঠান শুরু হতে তখন মাত্র ঘণ্টা পাঁচেক বাকি। বুধাদিত্যবাবু ইমদাদখানী ঘরানার গায়েকি অঙ্গে বাজালেন ইমন, হায় হায়! কপালে লাল টিপ, নরম  শালের ওম গায়েপঞ্চাশোর্ধ কিশোরী আমি সেই বাজনা শুনতে শুনতে ভেসে ধুয়ে গেলাম কান্নায়, ঘরে ফেরার আনন্দে। 

তিরিশ বছর প্রবাসে, তবু শীতের কুয়াশামাখা আলোফুটছে ভোরে প্লেনটা যখন মেঘ কাটিয়ে আমার শহরের বাড়ি, ছাদ, নারকেলগাছগুলোকে ছুঁতে চায়, বুকের মধ্যে তখন দে দোল দোল মাদল। দুই বিনুনি থেকে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মধ্যবয়সে পৌঁছেছি, এয়ারপোর্টে এখন আর অনেকগুলো চেনামুখ দাঁড়িয়ে থাকে না, তবু ফেরা সেই শহরে। প্লেনের ভেতরে যান্ত্রিক আবাহন “Ladies and gentlemen, we have landed in Netaji Subhash Chandra Bose International Airport….the outside temperature is…..”| এপাশ ওপাশ থেকে টিপটিপ জ্বলে ওঠে সবুজ আলো, আর অন্ধকার ভেদ করে দূরে কার কলার টিউনে বাজেএকি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ।এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি যাওয়ার পথেই রাধারানি, ল্যান্সডাউন রাসবিহারীর মোড়ে। একটু থেমে গরম গরম কচুরি আর জিলিপি—- নাথিং ছাড়ান! তাছাড়া গরম  জিলিপি আর ডাল দিয়ে কচুরি পৃথিবীর যে কোনও কারাবাস ভুলিয়ে দিতে পারে, প্রবাস তো সেখানে বাচ্চা! গাড়ি ঘ্যাঁচ করে গ্রিল দেওয়া গেটের সামনে দাঁড়াতেই দৌড়ে এসে কাঠের দরজার ছিটকিনি খোলে বলাইদা আমার আশি পেরনো নড়বড়ে মা দোতলার বারান্দা থেকে একটু গলা বাড়িয়ে হাসে। বনহুগলির হোস্টেল থেকে বাড়ি ফিরতাম যখন সপ্তাহের শেষে, মা এইভাবেই হাসত।

এক বছর কানেকটিং ফ্লাইট মিস করে আটত্রিশ ঘণ্টা জার্নি করে যখন কলকাতায় পৌঁছলাম, বেহালা মিউজিক ফেস্টিভালের প্রথম দিনের অনুষ্ঠান শুরু হতে তখন মাত্র ঘণ্টা পাঁচেক বাকি। বুধাদিত্যবাবু ইমদাদখানী ঘরানার গায়েকি অঙ্গে বাজালেন ইমন, হায় হায়! কপালে লাল টিপ, নরম  শালের ওম গায়েপঞ্চাশোর্ধ কিশোরী আমি সেই বাজনা শুনতে শুনতে ভেসে ধুয়ে গেলাম কান্নায়, ঘরে ফেরার আনন্দে। 

সকালবেলাই বেড়িয়ে পড়ি পাড়া বেড়াতে। জেটল্যাগ পাত্তা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের পাড়ায় প্রতিটা প্রহরের একটা শব্দগন্ধস্পর্শ আছে, সুতরাং কিচ্ছুটি মিস করা চলবে না। রিকশার ঝকর ঝকর, পাশ দিয়ে মাঙ্কি ক্যাপে ঢাকা কিছু চেনা মুখ পেরিয়ে ছায়াকাকিমার বাড়িতে পৌঁছই। ডাকনাম ধরে ডাকার মতো মানুষ তো হাতেগুণে এখন এই জন। ছায়াকাকিমা মানে  আমার ছোটবেলার প্রাণের বন্ধু তুতুনচন্দনার মা। একসঙ্গে মাধ্যমিকের টেস্ট পেপার সল্ভ করা থেকে শুরু করে চিত্রাঙ্গদাবঁধূ, কোন আলো লাগল চোখেসবই ছিল ওদের সঙ্গে।  পুষ্পরানি রেকাব ভরে মুড়ি, নারকেলকোরা  দিয়ে যায়, ওপরে অল্প চিনি ছড়ানো। খাটের ওপরে ঠ্যাং ছড়িয়ে বসে চা মুড়ি খেতে খেতে চলে টুকিটাকি আদানপ্রদানআমেরিকা থেকে আমদানি ভেরা ব্রাডলির হালকা কম্বল, কাকিমার গাঁটের ব্যাথার জন্য গ্লুকোসামিন কনড্রয়টিন, আর ওয়ালমার্টের ডিজিটাল শপ থেকে ছাপানো আমার নিজের ডিজ়াইন করা গ্রিটিং কার্ড।ওমা, কত বড়ো হয়ে গেছে রে ছেলেমেয়েগুলো!” বলে কাকিমা কার্ড সেটেঁ দেয় আলমারির গায়ে। ফেরার সময় বাগানের মানকচু, চারটি লেবু, আর একফালি পাটালি গুড় সঙ্গে দিয়ে দেয়। জয়নগর থেকে কাকিমার বড় জামাই নিয়ে এসেছে, অনেকটা পথ মোপেড চালিয়ে। সেই গুড়ের ভাগ সঙ্গে নিয়ে, সরু গলি, কচুরিপানা ভরা পুকুর, চায়ে ছাউনির সামনে গুটিশুটি মানুষ এইসব  পেরিয়ে ফিরি গ্রিল দেওয়া গেটের সামনে। 

শীতের কলকাতা, সন্ধে  নামার একটু আগে বড় মেদুর, বিশেষত উবর চাপলে। কসবা থেকে দেশপ্রিয় পার্ক, ওইটুকু যেতেই কত চিত্র, কত চরিত্র! জীবন হাঁটছে পুরোদমে। বিজন সেতুর ওপর থেকে চোখাচোখি হয় ওয়েস্টসাইডের সুন্দরীর সঙ্গে, ব্রিজের নীচে লাফিয়ে টপকে রেল লাইন পার হয় জামেনারা। গড়িয়াহাট মার্কেটের একতলায় কুচো নিমকি, চিঁড়েভাজার স্টপেজ। মার্কেটের ঠিক বাইরে খোকনের হজমির ঠেক— “দিদি, এবার একটা নতুন আম কাসুন্দি এসেছে, টেস্ট করে দেখে নিন আগে কদিন, ভাল লাগলে নিয়ে যাবেন সঙ্গে ওদেশে।খানিকটা এগিয়ে বাঁ হাতের ফুটপাথে জাঙ্ক জুয়েলারির আড়ৎ। ঘুপচি গলি থেকে মেটালের একটা নেকপিস কিনেছিলাম কয়েকবছর আগে। রীতিমতো শোস্টপার!! অ্যান আরবরের পার্কিং লটে মার্কিনি এক মহিলা আমাকে থামিয়ে ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করেছিলেন নেকপিসটা ডেভিড ইয়ুরম্যান না টিফানি

এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি যাওয়ার পথেই রাধারানি, ল্যান্সডাউন রাসবিহারীর মোড়ে। একটু থেমে গরম গরম কচুরি আর জিলিপি—- নাথিং ছাড়ান! তাছাড়া গরম  জিলিপি আর ডাল দিয়ে কচুরি পৃথিবীর যে কোনও কারাবাস ভুলিয়ে দিতে পারে, প্রবাস তো সেখানে বাচ্চা! গাড়ি ঘ্যাঁচ করে গ্রিল দেওয়া গেটের সামনে দাঁড়াতেই দৌড়ে এসে কাঠের দরজার ছিটকিনি খোলে বলাইদা আমার আশি পেরনো নড়বড়ে মা দোতলার বারান্দা থেকে একটু গলা বাড়িয়ে হাসে।

একটু এগিয়েমাড’এর  উল্টোদিকে মনোহরের ব্লাউজ়ের দোকান। সরু সিঁড়ির মাথায় কাচের দরজা ঠেলে কাটের এনসাইক্লোপিডিয়া। গতবার বোটনেকগুলো ভালই বানিয়েছিল। ২০২০ জানুয়ারিতে বীভৎস আড্ডা হয়েছিলো ’মাড’-  আমাদের “Unbeatables” দলের। পঁয়তিরিশ থেকে পঞ্চান্ন বছর বয়সী একদল মহিলা, আমাদের স্লোগান  “well-behaved women never made history.” নিজেরাই নিজেদের নাম দিয়েছি “Unbeatables”. সবাই থাকে কলকাতায় সশরীরে, শুধু আমি আর অন্য একজন সিঙ্গাপুরনিবাসী।  কলকাতায় না থেকেও আমরা কলকাতাতেই থাকি। আমাদেরবসা ঠেলায়  মাড সেদিন কাকপক্ষী বসার জো ছিল না।  কলকাতার হালের  এইবসাকালচারটা বেশ লাগে কিন্তু আমার। কোনওদিন ফার্স্ট ফ্লাশ, কোনওদিন সিয়েনা, কোনওদিন পটবয়লার কাফে। আমাদের ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গেবসা” হত বাড়িতে কিংবা বড়জোর মাসকাবারি ফুচকাওয়ালার ঠেকে। “Stop the count” বলে বলে ফুচকা খেতাম আমরা, আড্ডাটা যত বাড়ানো যায় সেই মতলবে। কে ভেবেছিল সেদিনের ঠেকের ভাষা ২০২০তে  উঠবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে!

একবছর বোনবন্ধুর সঙ্গে সারারাত জেগে অ্যাকাডেমিতে উরুভঙ্গম দেখলাম। অবিশ্বাস্য প্রযোজনা! ইন্টারভালে প্রেক্ষাগৃহের বাইরে এসে হি হি কাঁপুনি, কালো চা, আগুনের চারপাশে নাচগান — সবকিছু মিলিয়ে কি মারাত্মক অর্গানিক একটা অনুভূতি! একটি বাচ্চা মেয়ে রামানতা বাজিয়ে রাজস্থানি মান্দ গেয়েছিল, এখনও ভুলিনি। নাটক যখন শেষ হল, তখন ভোর হচ্ছে। অল্প আলোয় দূর থেকে দেখেছিলাম ভিক্টোরিয়ার পরি। আর এক বছর ডোভার লেনে শিশির ঝরিয়ে বেহালায় নীলাম্বরী বাজিয়েছিলেন এন রাজমজি। সেই রাতে আমার কানের একটা ঝুমকো খোয়া গিয়েছিল। 

খাটের ওপরে ঠ্যাং ছড়িয়ে বসে চা মুড়ি খেতে খেতে চলে টুকিটাকি আদানপ্রদানআমেরিকা থেকে আমদানি ভেরা ব্রাডলির হালকা কম্বল, কাকিমার গাঁটের ব্যাথার জন্য গ্লুকোসামিন কনড্রয়টিন, আর ওয়ালমার্টের ডিজিটাল শপ থেকে ছাপানো আমার নিজের ডিজ়াইন করা গ্রিটিং কার্ড।ওমা, কত বড়ো হয়ে গেছে রে ছেলেমেয়েগুলো!” বলে কাকিমা কার্ড সেটেঁ দেয় আলমারির গায়ে। ফেরার সময় বাগানের মানকচু, চারটি লেবু, আর একফালি পাটালি গুড় সঙ্গে দিয়ে দেয়।

আমার কাছে শীতকালের শহরে ফেরা এই সবকিছু নিয়ে। ভ্যাকসিন পেলেই প্লেনে উঠব, এটা মোটামুটি গোটা অ্যান আরবর জানে। শীত হয়তো তখন চলে যাবে, তবু অপেক্ষা করবে আমার শহর, আমি জানি। গতবার কলকাতা ছাড়ার দুদিন আগে এক ছোট্ট বন্ধু রাগ রাগ গলায় বলেছিল, “তা, আমেরিকা যাচ্ছ  যাও, কিন্তু ফিরছ কবে শুনি?” বুঝেছিল, ঠিক পরিযায়ী পাখি নয়, সিজ়ন টিজ়নের তোয়াক্কা না করেই বাড়ি ফেরে। স্বদেশ বিদেশের সীমারেখা তো বেঁধে দেয় রাজনীতির কারবারিরা, মন কি আর সে সীমারেখার ধার ধারে? মন তো ফিরেই থাকে এই শহরটাতে, শীতের ওমে, করোনার ধ্বংসে, আমফানের ঝড়ে, পুজোর ঢাকে, বেলা অবেলায়।

আসলে ফেরার তাগিদগুলো বাঁধা থাকে অনেকগুলো জায়গায়, অদৃশ্য সুতো দিয়ে। ফেরা মানে প্রিয় মানুষের সঙ্গে রাস্তার ধারে ভাগাভাগি ডাঁসা পেয়ারা, বিটনুন ছড়িয়ে। ফেরা মানে হস্তশিল্প মেলায় ধুলো উড়িয়ে বেতের লণ্ঠন, হাতের গয়না আর লেবুর আচার। ফেরা মানে বারান্দায় মায়ের মুখ, কাঠের দরজায়  ছিটকিনি খোলার শব্দ। ফেরা মানে রেকাবি ভর্তি মুড়ি নারকেলকোরা, অল্প চিনি ছড়িয়ে  ফেরা মানে গড়িয়াহাটে হাঁটতে হাঁটতে টিপের পাতা, হজমি, বড়ি। ফেরা মানে সৌমিত্রবাবুর শেষ জন্মদিনে শ্রীজাতর পাঠ  “যারা সবথেকে কাছে আসে, তারাই তো সবথেকে দূরে যাবার পরোয়ানা নিয়ে আসে।ফেরা মানে সরস্বতীপুজোর সকালে কাঁচা হলুদ ছুঁইয়ে স্নাননির্ভয়ে নারকেলি কুল খাওয়াআর দিনভর গানবাজনা। ফেরা মানে বইমেলায় আনন্দ পাবলিশার্সএর তিনটে পাতাআর মণখানেক বই কিনে সেগুলো সুটকেসে ঢোকাতে না পেরে হৃদয়ের এক একটা টুকরোস্বরূপ রেখে আসা। আর ফেরা মানে কানের একটা ঝুমকো হারিয়ে ফেলা নজরুল মঞ্চেশিশির ঝরানো রাতে।

Tags

8 Responses

  1. Amar priyo manusher kalomey anyotamo priyo lekhoni, aro ekbar jhorey porlo! Ei sheet kaley jarpornai miss korechhi tomay, Amader priyo Sister-guide- philosopher- friend Santa ke! I feel proud to be in the unbeatable girls group too…
    lekha ta mon praan chhuye ek narom aador makhiye dilo. Shei awdrishyo shuto, jaa aajo Amader bnedhey rekhechhe, awtoot thaak, mojboot hok agami tey. Aaro onek bnedhey bnedhey thakar ongikarbadhyo hoi, esho!❤️

  2. Tomar lekha porte porte nijei kokhon chele balai pouche gechi.sob chobir moto mone porche.aei vabei tumi likhe cholo ar amra valolagar anonde ga vashia cholte thaki.

  3. Wonderful but too much show off. If you truly love your country, come back and do something here. I know it is impossible for you to avoid the glamourous world in USA with lots and lots of money to come back to your own country. I know that you do not miss anything while in USA, because every little bit that you have mentioned here are all available in USA. So, why show off?

  4. তোমার জন্য মন কেমন করছে। তাড়াতাড়ি দেখা হবে ।

  5. I do not agree with Abhijit at all . I think we all should appreciate how a soul pines for her city and how it is expressed in every small phrase. We all so this. I personally become hungry for Koi-PabdaTangra-Iilish and borir jhhol and also the classical music concerts especially Guruji Girija Deviji,s concerts while she was alive. What Moushumi does for her country and why she is not being able to return now is her personal matter. Criticizing her writing based on her personal matter is rude and uncalled for.

  6. এযে সেই না বদলে যাওয়া পাকা’র সাতকাহন। দিনযাপনের মুগ্ধ স্মৃতির শব্দ ঘেরা কথাগুলো পড়তে পড়তে হারিয়ে গেলাম সেই কোলকাতার বুকে। এমন করে নিজের শহরের ভালোবাসা উজার করে লিখতে কনে পারে !! খুউব ভালো লাগলো মৌ।

Please share your feedback

Your email address will not be published.

SUBSCRIBE TO NEWSLETTER

Resize-+=

Please share your thoughts on this article

Please share your thoughts on this article

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.

  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.

  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.

  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).

  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

SUBSCRIBE TO NEWSLETTER

Please login and subscribe to Bangalive.com

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com