দুটি কবিতা

Prithwi Basu Poem

পক্ষপাতের সমারোহ

উলুধ্বনিতে শাঁখ বাজছিল টানা
খেয়ালই করিনি ট্রেনলাইনের পাশে
অসমবয়সী নিভু নিভু দুটো তারা
জ্বলে উঠেছিল গঙ্গার পাড়ে, রাতে
হাতের ভিতরে হাত নিয়ে শুধু হাসি
সম্পর্কের আড় ভেঙে দেওয়া মেয়ে

শুনশান ঘাটে তাকে এত কাছে পেয়ে
আমার ভিতরও সচল হয়েছিল ডানা
আর সেও যেন সলতে পাকানো দাসী
নাগমাতা সেজে আগুন কুড়োতে আসে
দশদিক জোড়া বেপোরোয়া সাক্ষাতে
নেচেছিল খুব ঝুপড়ির বাচ্চারা

পক্ষপাতের সমারোহটুকু ছাড়া
মনে পড়ে যায় সমস্ত পথ ছেয়ে
এলোমেলো পায়ে রাজভচ্চকীয় মৌতাতে
আমাদের কেনা শহরের মালিকানা!
তছনছ হয়ে যাওয়া সে চৈত্রমাসের
শরীরে তখনই বেজে উঠেছিল বাঁশি

এভাবে আমরা নরকের থেকে উঠে
অতীতের সব ভুল ভেঙে দিয়ে আসি

দশমী

ভোরের মণ্ডপ থেকে একে একে তারাদের ছুটি

ওই প্রায় শেষ দেখা। নবমীর বিকলাঙ্গ মাঠ,
পার করে চলে যাওয়া তোমার না-থাকাটুকু নিয়ে
পশুপালকের মতো হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরি, দূরে

স্পষ্ট হয়ে আসে যত প্রতিমার বিসর্জন ঘাট

 

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।