ভিনাস ছিল বাসযোগ্য, জানাল নাসা

ভিনাস ছিল বাসযোগ্য, জানাল নাসা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সম্প্রতি নাসা প্রকাশ করেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রায় তিন বিলিয়ন বছর ধরে নাকি ভিনাসের পরিবেশ থাকার জন্য আদর্শ ছিল। ভিনাসের স্থায়ী তাপমাত্রা এবং সমুদ্র বরাবর জল থাকায়, সেখানে মানুষ থাকতেই পারতেন। অর্থাৎ থাকার মতো অনুকূল পরিস্থিতি ছিল এক সময়ে ভিনাসে।

কিন্তু ৭০০ মিলিয়ন বছর আগে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে ভিনাস ক্রমশ বিষাক্ত হয়ে ওঠে। এই খব উঠে এসেছে দ্য ইউরোপিয়ান সায়েন্স প্ল্যানেটারি কনগ্রেসে। নাসার গোডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস সায়েন্সের গবেষকরা দীর্ঘ গবেষণা করে এই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।

এই স্টাডি অনুযায়ী, ভিনাসে এক সময় জলবায়ু একেবারেই অন্য রকম ছিল। তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে। প্রায় ৩ বিলিয়ন বছর ধরে এমন তাপমাত্রাই ছিল ভিনাসে। কিন্তু কিছু ঘটনার কারণে, এই গ্রহের পাথরের ভিতর যত কার্বন ডাইঅক্সাইড ছিল তা বেরিয়ে আসে এবং তার চেহারা পুরো পাল্টে দেয়।

গোডার্ড ইনস্টিটিউটের মাইকেল ওয়ে জানিয়েছেন, আনুমানিক তিন বিলিয়র বছর ধরে পৃথিবীর মতোই জলবায়ু ছিল ভিনাসের। কিন্তু গ্লোবাল রিসারফেসিং ইভেন্টের কারণে তার এখন এই বিষাক্ত দশা হয়েছে। এখন তাপমাত্র এতই বেশি যে তাকে ছোঁয়াও অসম্ভব।

আগে মনে করা হত সৌর জগতের বাসযোগ্য অঞ্চলের মধ্যে ভিনাস পড়ে না। আর যেহেতু ভিনাস থেকে সূর্যের দূরত্ব কম, তাই সেখানে জল থাকার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কিন্তু এখন এই নতুন তথ্য সবাইকে আশ্চর্যচকিত করে দিয়েছে। ওয়ে জানিয়েছেন যে পৃথিবীর চেয়ে ভিনাসে সূর্যের তাপ দ্বিগুণ বেশি, কিন্তু তাও সেখানে জল থাকার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 

ভিনাসে যে জল থাকতে পারে, তার আগাম আভাস পাওয়া গেছিল ৪০ বছর আগে। নাসার প্রথম ভিনাস মিশনে যুক্ত ছিলেন যাঁরা সেই কথা জানিয়েছিলেন। সেই সময় তা প্রমাণ করতে অনেক পরীক্ষানীরিক্ষাও করা হয়েছিল। আর এই গবেষণা এখন সেই সব দিক গুলো খতিয়ে দেখে জানিয়েছে যে ভিনাসে সত্যি জল ছিল এক সময়ে। তবে তা পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য ছিল কি না বলার আগে আরও কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ভিনাসের তৈরি হওয়া, তখনকার পরিবেশ, জলবায়ু কেমন ছিল, তারপর কীভাবে তা বদলালো  সবটাই আরও বিশদে জানতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Tags

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

SUBSCRIBE TO NEWSLETTER

Member Login

Submit Your Content