সাধের আসন (কবিতা)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Nakshi Kantha
ছবি সৌজন্য – thedailytopnews24.wordpress.com
ছবি সৌজন্য - thedailytopnews24.wordpress.com
ছবি সৌজন্য – thedailytopnews24.wordpress.com
ছবি সৌজন্য - thedailytopnews24.wordpress.com

সেলাই করতে বসেছি
মেঝে জোড়া আসন, মাঝে সোনালি সুতো।
ও ছিল আমার অতীত।
যখন মানুষ চারপাশে ছড়ানো গল্পগুলিকে,
ফুটে ওঠা পদ্ম ও জলবিন্দু ধরা পদ্মপাতাকে
আর খিড়কির পাতিহাঁস, বড়দিঘির ভিনদেশির ছবি,
পরম যত্নে বুনে নিতো সুতোর রঙে,
সোনালি সুতো কোনও মুকুট নয়,
শিল্পীর গরিমার মতো,
এঁকেবেঁকে যাওয়া বহতা নদী  ছিল

এখন এই ছেঁড়া সুতো ওঠা
মাথা কাটা হরিণী,
পেট থ্যাঁতলানো হস্তিনী আর,
ডানাভাঙা ময়ূরের নকশা খুবলে,
ভেঙেচুরে গেছে পদ্মদিঘি আর
ভোরের মুদিত আঁখি পেঁচা,
এ আসনের ছেঁড়া সুতোগুলিকে,
পূর্বে ফেরাতে না পারি,
মেরামত করার আকাঙ্ক্ষায়,
ফের বুনতে বসেছি পুরনো সংসার

 

মালতি মাসি

ছাদজুড়ে ঘুড়ির সুতোয় মাঞ্জা মাখছে হাত,
হৃষ্ট মনে আটা আর ভাতের মাড় গালছে,
তারপর সবার মুখে চব্যচোষ্য তুলে দিয়ে,
পোড়া আর বাসি শাক ডাঁটা চচ্চড়ি শেষে,
কখনও লুকনো আচারে অপরাধবোধ মেখে,
বিড়াল আসার আগে ল্যাজা চিবিয়ে চুষে,
আধপেটা, নিজের জন্য পান সাজতে বসে।

Tags

2 Responses

  1. দুটি কবিতাতেই আটপৌরে একটা ইমেজারি আছে। বেশ লাগলো।

Leave a Reply