ঈশান-অনন্যার ‘কালি-পিলি’

ঈশান-অনন্যার ‘কালি-পিলি’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বলিউডে এখন নবাগতাদের রমরমা। তবে সকলের মধ্যে অবশ্যই নজর কেড়েছেন নতুন স্টুডেন্ট অনন্যা পাণ্ডে আর ‘ধড়ক’ খ্যাত ঈশান খট্টর। আর এবার এঁরাই জুটি বাঁধছেন ‘সুলতান’, ‘এক থা টাইগার’, ‘ভারত’-এর মতো সুপারহিট ছবির পরিচালক আব্বাস আলি জফরের নতুন ছবিতে। তবে আলি এই সিনেমার প্রযোজক, পরিচালনা করবেন মকবুল খান। শোনা যাচ্ছে  জি স্টুডিও সহ প্রযোজিত এই ছবিটি একটি অন্য রকম প্রেমের গল্প।

মুম্বইয় শহরকে কেন্দ্র করেই লেখা হয়েছে এই ছবির গল্প। অনন্যা আপাতত লকনউ-এ কার্তিক আরিয়ান ও ভূমি পেডনেকরের সঙ্গে ‘পতি, পত্নী অউর ওহ’-র শুটিং-য়ে ব্যস্ত। কালি পিলি-র শুটিং শুরু হবে সামনের মাস থেকে। এই নতুন জুটি নিয়ে স্বভাবতই খুশি ছবির প্রযোজক। আলি জানালেন, “কালি পিলি-র জন্য কাস্টিং করতে আমাদের বেশি ভাবতে হয়নি। মকবুল, হিমানশু আর আমি প্রায় এক বছর ধরে চিত্রনাট্যের উপর কাজ করছিলাম। মোটামুটি খাড়া হতেই আমরা ঈশান আর অনন্যাকে চুক্তিবদ্ধ করি। আমরা খুবই খুশি যে জি স্টুডিও আমাদের এই ছবিটি সহ প্রযোজনা করছে।” ছবিটির প্রথম লুক ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। ঈশান-অনন্যা দু’জনকেই দেখা যাচ্ছে একেবারে গ্ল্যামারস অবতারে। প্রেক্ষিতে কালো-হলুদ ট্যাক্সির উপস্থিতি বলে দিচ্ছে যে সিনেমার অন্যতম চরিত্র সে-ও। ঈশান সম্প্রতি মীরা নায়ার-এর ছবির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

কালি পিলি-র গল্প মূলত এক রাতের। হঠাৎই একটি ছেলের ও একটি মেয়ের দেখা হয় আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁদের রোলারকোস্টার জার্নি। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২০২০-র ১২ জুন। ঈশান আর অনন্যার জুটি দর্শকদের মন জয় করতে পারে কি না, সেটা সময়ই বলবে।   

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।