গরম কমাতে গরম চা খান…

গরম কমাতে গরম চা খান…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
tea_hot

না! একেবারেই কোনও মন গড়া গল্প বলছি না। একেবারে খাঁটি সত্যি।মনে আছে যখন ছোট ছিলাম, তখন মা প্রায়ই বলতেন, ‘চুয়িং গাম খেও না, পেটে পোকা হবে।’ আবার কখনও বলতেন, ‘কানে কিছু দিও না, তা হলে মাথায় গাছ গজাবে।’ ব্যাপরটা খানিকটা সেই রকমই মনে হলেও তা কিন্তু একেবারেই নয়। এমন বেশ কিছু হেলথ টিপস বা বলা ভাল স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরামর্শ আছে যা শুনে আষাঢ়ে গল্প মনে হলেও ভীষণ উপকারী। এই সব অদ্ভুত হেলথ টিপস নিয়ে আজকের আলোচনা। মেনে চললে শরীর ভাল এবং সুস্থ থাকবেই। আসুন সবিস্তারে আলোচনা করি।

খাওয়ার পর পরই ব্রাশ করবেন না

জানি বলবেন এ আবার কেমন কথা! সবাই বলে পারলে প্রতিবার খাওয়ার পর ব্রাশ করতে, সেখানে আমরা উলটো কথা বলছি। খাওয়ার পর ব্রাশ করা অবশ্যই ভাল, কিন্তু সব সময় নয়। যে সমস্ত খাবারে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড আছে, যেমন লেবু জাতীয় সিট্রাস ফল, টোম্যাটো বা সফ্ট ড্রিংক, সেই ধরনের খাবার খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ না করাই ভাল। কারণ অ্যাসিড আমাদের দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে এবং তাকে দুর্বল করে দেয়। আর এমন সময় যদি ব্রাশ করা হয়, তা হলে এনামেলের আরও ক্ষতি হতে পারে। তাই এই ধরনের অ্য়াসিড যুক্ত খাবার খাওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা পর ব্রাশ করা ভাল। ততক্ষণে এনামেল আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

ওজন কমাতে ক্যালরি খান

আশ্চর্য হলেন তো! কিন্তু এই কথাটা একশো ভাগ সত্যি। আসলে ক্যালরি শব্দটা শুনলেই আমরা কেমন ঘাবড়ে যাই। ভাবি এই বুঝি মোটা হয়ে গেলাম। কিন্তু মোটা হওয়ার নেপথ্য়ে যার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি সে কিন্তু কার্বোহাইড্রেট। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কার্বোহাইড্রেটের কাজ শুধুমাত্র রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া। আর ব্লাড শুগার লেভেল বেড়ে যাওয়া যে কতটা ক্ষতিকর, তা নিশ্চয় আলাদা করে বলে দিতে হবে না। তার চেয়ে বরং বেশি পরিমাণে পিনাট বাটার বা চিজের মতো প্রোটিন আর ফ্যাট নিজের ডায়েট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে ক্যালরি বেশি থাকলেও, পেট অনেকক্ষণ ভর্তি থাকবে। ফলে খুচখাচ খাওয়ার প্রবণতা কমবে। এর ফলে ক্রমশ অনেক কম ক্যালরি আপনার শরীরে প্রবেশ করবে। ওজন তখন নিজে থেকেই কমবে।

গরম লাগছে? গরম চা খান

গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। তখন ঠান্ডা জল, লেবুর সরবত কিংবা কোল্ড ড্রিংকেই যেন সবচেয়ে বেশি আরাম। গলায় ঢালা মাত্রই প্রাণের শান্তি। তবে জানেন কি, ঠান্ডা পানীয়র চেয়ে গরম পানীয় অনেক তাড়াতাড়ি শরীর ঠান্ডা করে? সত্য়ি বলছি। আসলে গরম লাগলে যদি গরম চা বা কফি খান, তা হল শরীরে অনেক বেশি পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ করে। আর এই ঘাম যখন বাষ্পে পরিণত হয়, তখন শরীর অনেক বেশি ঠান্ডা হয়ে যায়। তাই এবার গরম লাগলে কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার বদলে গরম চা খাওয়ার কথা অবশ্যই ভেবে দেখবেন!

এনার্জি বাড়াতে এক্সারসাইজ করুন

অফিস থেকে হা ক্লান্ত হয়ে ফিরেছেন, শরীর যেন আর চলছে না। এই সময় যদি কেউ আপনাকে এক্সারসাইজ করতে বলেন, মাথা তো গরম হবেই। কিন্তু এনার্জি বাড়াতে এক্সারসাইজের থেকে ভাল বিকল্প আর নেই। এক্সারসাইজ করলে শরীরের সমস্ত কোষে অক্সিজেন পৌঁছে যায়। ফলে যারা ঝিমিয়ে ছিল, তারা আবার চনমন ও সজাগ হয়ে ওঠে। মন-মেজাজও দেখবেন ফুরফুরে হয়ে যায়। মাংসপেশির কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে এমন এক্সারসাইজ করলে মাইটোকনড্রিয়াও দ্রুত এনার্জি উৎপাদন করতে পারে। ফলে সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

ফ্লাশ করার সময় টয়লেট পটের ঢাকা বন্ধ করুন

টয়লেট সিট ওঠানো-নামানো নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বোধহয় সব বাড়িতেই হয়। সে এক আলাদা গল্প। কিন্তু টয়লেট সিট এবং ঢাকার যে স্বাস্থ্যের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে, তা কোনওদিন ভেবেছিলেন? আজ্ঞ হ্যাঁ, বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফ্লাশ করার সময় টয়লেট পটের ঢাকা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ফ্লাশ করার ফলে কিছু জলের কণা উপরে ভেসে উঠতে পারে, যা বাথরুমের ভিতরে ঘুরে বেড়ায় এবং শেষমেশ টুথব্রাশ বা অন্য কোথাও জমে যেতে পারে। এ গুলো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু শরীরের জন্য ভাল নয়। আবার ফ্লাশের ফলে, জলের তোড়ে বাথরুমের মধ্য়ে এক ধরনের অদৃশ্য বাষ্প তৈরি হতে পারে, যার পোশাকি নাম ‘টয়লেট প্লুম। এই বাষ্পে এমন অনেক জীবাণু থাকতে পারে, যা শরীরের ক্ষতি করে। কিন্তু যদি ঢাকা দিয়ে ফ্লাশ করা হয়, তা হলে এই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

Tags

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply