প্রতিষেধক এবং ইমিউনিটি নিয়ে কিছু কথা (স্বাস্থ্য)

প্রতিষেধক এবং ইমিউনিটি নিয়ে কিছু কথা (স্বাস্থ্য)

immunity https://www.pngkit.com/
ছবি সৌজন্যে https://www.pngkit.com/
ছবি সৌজন্যে https://www.pngkit.com/
ছবি সৌজন্যে https://www.pngkit.com/
ছবি সৌজন্যে https://www.pngkit.com/

করোনায় কোথায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে, কোথায় কতজন সংক্রমিত, এসব তথ্য এখন সমস্ত সচেতন পাঠকের আঙুলের ডগায়। সেসব প্রসঙ্গে না গিয়ে সরাসরি চলে আসি ভারতের কথায়। এখানে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ এখনও ঊর্ধমুখী বা এক্সপোনেনশিয়াল। সকলের মনে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের মুক্তির উপায় কী? এখানেই আসবে আমাদের ইমিউন সিস্টেম নিয়ে প্রাথমিক কিছু কথাবার্তার প্রসঙ্গ।

smallpox virus wikimedia
স্মল পক্স ভাইরাস

কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস ঘটিত যে ভয়ঙ্কর সংক্রমণের সময় আমরা অতিবাহিত করছি সেটা একেবারেই অচেনা, আগন্তুক। মানুষের শরীরের সঙ্গে এর কোনও পূর্ব পরিচয় ছিলনা। আরএনএ ভাইরাস ঘটিত যে মহামারি অতীতে হয়েছে – যেমন, ২০০২-৩-এ সার্স-কোভ-১ বা ২০১২-তে মূলত মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ মার্স (MERS) – সেগুলোর থেকে এর চরিত্র ভিন্ন। এর গায়ে থাকা স্পাইক প্রোটিনের ফলে সাধারণ ফ্লু-র চেয়ে দশ গুণ বেশি এর সংক্রমণ ক্ষমতা। যদি আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি তৈরি করতে পারে তাহলেই একমাত্র স্থায়ী সমাধান হবে, যেমনটা হাম, পোলিও বা স্মল পক্সের ক্ষেত্রে হয়েছে। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া এ রোগগুলো এখন পৃথিবী থেকে নির্মূল হয়ে গেছে।

কীভাবে ইমিউনিটি গড়ে তুলব?

দু’ভাবে আমরা করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে স্থায়ীপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি গড়ে তোলার কথা ভাবতে পারি। এবং এ দুটোই একমাত্র পরীক্ষিত কার্যকরী পথ।

১) সমষ্টিগত ইমিউনিটি বা হার্ড ইমিউনিটি – যদি ৭০% থেকে ৯০% জনসংখ্যার মধ্যে সংক্রমণ ঘটে (১০.০৪.২০২০-তে জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাব্লিক হেলথের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী) তাহলে আমরা হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করেছি এমনটা ভাবতে পারি। এরকম একটা পরিসংখ্যান প্রায় অসম্ভব। নিউ ইয়র্কের মতো করোনা-বিধ্বস্ত শহরে যেখানে মৃত্যু হয়েছে ২৪,২৯৯ জনের (সমগ্র ভারতের চেয়ে অনেক বেশি) সেখানে শহরের সমগ্র জনসংখ্যার মাত্র ১২.৩ থেকে ১২.৭% আক্রান্ত হয়েছে। ফলে ওখানেও হার্ড ইমিউনিটির কোন ভরসা বৈজ্ঞানিকেরা দেখতে পাচ্ছেন না।

২) টীকা বা ভ্যাক্সিন

আমরা দুটো বিষয় নিয়েই একটু বিস্তারে কথা বলি। ভাইরাসের প্রজনন সংখ্যা (রিপ্রোডাকশন নাম্বার) দিয়ে এর গতিপ্রকৃতি এবং সংক্রামিত করার ক্ষমতা মাপা হয়। একে বলা হয় R0 – যা দিয়ে বোঝা যায় একজন সংক্রমিত মানুষ ক’জনের মধ্যে এই ভাইরাসকে ছড়িয়ে দিতে পারে। সংক্রমণের সময় সাধারণভাবে এ সংখ্যা ২-২.৫। চিনের য়ুহানে একসময়ে এটা ৪ অব্দি পৌঁছেছিল। এখন এর সংখ্যা ০.৩২-এর নীচে এসে পৌঁছেছে। এখানে আরও পরিষ্কার করে বলা দরকার।

এপিডেমিওলোজির ভাষায় সংখ্যাটি ১-এর নীচে গেলে সম্পূর্ণ সংক্রমণমুক্ত বলা যেতে পারে না। যেটা হয় তা হল সংখ্যাটি ১ এর নীচে গেলে নতুন করে সংক্রমণ হয়ে মহামারীর আকার ধারণ করার ক্ষমতা আর থাকে না। ১ এর নীচে গেলে নতুন সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে যায়, নতুন ক্লাস্টার হবার সম্ভাবনা কমে যায়। একে সঠিক অর্থে সংক্রমণ মুক্ত বলা যায় না। Effective Reproduction Number 0.২৫ মানে আগে যদি R = ২ হয়ে থাকে যেখানে একজন মানুষ দুজনকে সংক্রমণ করছিল (R = ২ ), এখন উল্টোটা, ৪ জন সংক্রমিত ও আক্রান্ত লোক লাগবে একজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে। অর্থাৎ, খুব বড়  ক্লাস্টার ছাড়া আর রোগ টিকবে না। ফলে সংক্রমণ ছড়াতে প্রায় পারবেনা বললেই চলে। এটা ঠিক সংক্রমণমুক্ত নয়, তবে হার্ড ইমিউনিটি কিছুটা অর্জিত হয়েছে একথা বলা যায়। ক্লাস্টারগুলো খুলে গেলে আবার ছোট বড় মহামারী হতে পারে, যেমনটা চিনে কিংবা সিঙ্গাপুরে হচ্ছে।

mRNA-1273 vaccine testing
প্রথম mRNA-1273 ভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে মানুষের শরীরে

হার্ড ইমিউনিটির ভরসায় আমরা বসে থাকলে সমগ্র দেশ উজাড় হয়ে যেতে বেশি সময় লাগবেনা। সর্বোপরি, এটা একটা দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়া। তাহলে বর্তমান মুহূর্তে আমাদের একমাত্র ভরসার জায়গা হ’ল ভ্যাক্সিন। ১৬ মার্চ, ২০২০-র খবর ছিল ন্যাশনাল ইন্সটিটিউটস অব হেলথ-এর তরফে করোনাভাইরাসের প্রথম ভ্যাক্সিন সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে mRNA-১২৭৩।

করোনার টীকা

সাধারণভাবে যে ভ্যাক্সিন তৈরি হয় এই ভাক্সিন তার থেকে ভিন্ন। এটা নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ বা আরএনএ, এক্ষেত্রে আরএনএ) ভ্যাক্সিন। এ ভ্যাক্সিন দেওয়া হয় তুলনামূলকভাবে নতুন মাইক্রোনিডল অ্যারে (MNA) পদ্ধতিতে। আমাদের মনে সঙ্গত প্রশ্ন উঠবে এই Microneedle array ব্যাপারটা কী? সহজ করে বললে একজন মানুষের আঙ্গুলের ডগায় একটি প্যাচ (ছোট ব্যান্ড এইডের টুকরোর সঙ্গে তুলনীয়) লাগিয়ে দেওয়া হবে। এতে ৪০০টি ছোট ছোট স্পাইক প্রোটিনের নিডল বা সূচ থাকবে। এই সূচগুলো ত্বকের উপরিস্তরে (যেখানে ইমিউন প্রতিক্রিয়া সবচেয়ে বেশি ও শক্তিশালী হয়) দ্রবীভূত হবে। এই সূচগুলো সবকটাই শুগার এবং প্রোটিন দিয়ে তৈরি। ফলে সহজেই ত্বকে দ্রবীভূত হয়ে যায়।

microneedle patch https://medicalxpress.com/
মাইক্রো নিডল প্যাচ

আরেকটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হল যে এই ভ্যাক্সিনকে সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইনের আলাদা করে প্রয়োজন নেই। এমনকি গামা রশ্মি দিয়ে একে পরিশুদ্ধ করলেও এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়না। উল্লেখ করা দরকার, যেকোনও ওষুধ, প্রযুক্তি বা ভ্যাক্সিনকে ৩টি ফেজের ট্রায়ালের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখানে ফেজ-১, ২ এবং ৩ কিভাবে হয় জেনে নেওয়া ভালো।

Effective Reproduction Number 0.২৫ মানে আগে যদি R = ২ হয়ে থাকে যেখানে একজন মানুষ দুজনকে সংক্রমণ করছিল (R = ২ ), এখন উল্টোটা, ৪ জন সংক্রমিত ও আক্রান্ত লোক লাগবে একজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে।

ফেজ-১-এ কয়েক ডজন স্বাস্থ্যবান ভলান্টিয়ারকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। ফেজ-২-এ নেওয়া হয় কয়েক’শ মানুষকে। ফেজ-৩-এ সে পরীক্ষা করা হয় কয়েক হাজার মানুষের ওপরে – একে বলে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। এখনও অবধি জেনেটিক মেটেরিয়াল – আরএনএ কিংবা ডিএনএ – থেকে তৈরি ভ্যাক্সিন FDA-র অনুমোদন লাভ করেনি। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একধরনের আপতকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই জন্যই সমস্ত সম্ভাবনা খোলা রাখা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধী ভ্যাক্সিন তৈরির দৌড়ে ৯০টিরও বেশি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে আমেরিকার মডার্না, চিনের সাইনোবায়োটেক এবং অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা অন্যদের থেকে এগিয়ে। কিন্তু আমাদের কাছে চিন্তার বিষয় হল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের প্রথম ভ্যাক্সিন ট্রায়াল সফল হয়নি। মডার্না-র ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলার মতো অবস্থা এখনও আসেনি। ভ্যাক্সিনের ভবিষ্যৎ এবং কার্যকারিতা নিয়ে নেচার-এর মতো পত্রিকায় মন্তব্য করা হচ্ছে – “The picture is so far murky…Coronavirus Vaccine Trials Have Delivered Their First Results — But Their Promise is Still Unclear” (ছবিটা আখনও আশাব্যঞ্জক নয়। করোনা ভাইরাস টীকার পরীক্ষার প্রাথমিক ফল পাওয়া গেছে কিন্তু তার কার্যকারীতা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না)।

ফেজ-১-এ কয়েক ডজন স্বাস্থ্যবান ভলান্টিয়ারকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। ফেজ-২-এ নেওয়া হয় কয়েক’শ মানুষকে। ফেজ-৩-এ সে পরীক্ষা করা হয় কয়েক হাজার মানুষের ওপরে – একে বলে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল।

ফলে আরও কিছুদিন অনিশ্চয়তা এবং আতঙ্কের প্রহর গোনা ছাড়া সামান্য বিকল্পই আমাদের সামনে খোলা আছে, যেমন সবাই জানেন – (১) পার্সোনাল/সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং দূরত্ব রক্ষা করা (অন্তুত ৬ ফুটের বেশি), (২) যেকোন জিনিস ব্যবহারের আগে এবং পরে সাবান জলে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোওয়া বা অন্তত ৬০% অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করা, (৩) বাইরে বেরোলে আবশ্যিকভাবে ফেস মাস্ক (১০” লম্বা ও ৬” চওড়া টি-শার্টের দুটি খণ্ডকে ভালো করে সেলাই করে) ব্যবহার করা, এবং (৪) সামাজিক জমায়েত এড়িয়ে চলা। এগুলো কতদিন রক্ষা করতে হবে তা আমরা এবং বিজ্ঞানীরা জানেন না। কারণ, ভাইরাসটি এখনও এর শক্তি, সংক্রমণক্ষমতা এবং মারণক্ষমতা হারায়নি। এর প্রায় ২০০টি বিভিন্ন স্ট্রেন পাওয়া গেছে বিভিন্ন অঞ্চলে। এর দ্রুত মিউটেশনের ক্ষমতাও আছে।

ইমিউনিটির গোড়ার কথা

আমাদের ইমিউন সিস্টেম একটি জটিল নেটওয়ার্ক যার মধ্যে শরিরের শ্বেত কণিকার বিভিন্ন কোশ আছে, আছে রক্তে সংবাহিত প্রোটিন এবং তার বিভিন্ন রূপ যেমন অ্যান্টিবডি, কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারলিউকিন-১। আছে বিভিন্ন ধরনের ন্যাচারাল কিলার সেল। এছাড়াও রয়েছে রয়েছে মানবদেহের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম বা লসিকাতন্ত্র, প্লিহা, রক্ত মজ্জা বা বোন ম্যারো এবং থাইমাস।

immunity
মানবশরীর ও ইমিউনিটি

এরা সবাই মিলে একজন আরেকজনের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে এবং জুড়ে কী করে? শরীরকে ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, টিউমার, ক্যান্সার কোশ এবং অন্যান্য অজানা আক্রমণকারীর হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে যায় শেষ অবধি। একে আমরা বলি ইমিউনিটি। ভ্যাক্সিন এই ইমিউনিটিকে বাড়িয়ে তোলে। কিছু ক্ষেত্রে এই ইমিউনিটি সারাজীবন কাজ করে, যেমন স্মল পক্স। আবার কোনও ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা এক বছর যেমন, ফ্লু, হেপাটাইটিস, টিটেনাস ইত্যাদি।

ইমিউনিটি প্রধানত দুধরনের হয় – (১) সহজাত বা innate, (২) অ্যাডাপ্টিভ বা অর্জিত। এছাড়াও আরেকধরনের ইমিউনিটির হদিস বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন। একে বলা হচ্ছে “ট্রেইন্ড ইমিউনিটি” – উদ্ভিদে বা অমেরুদণ্ডীদের ক্ষেত্রে একে দেখা গেছে। এই বিশেষ ইমিউনিটিকে মানুষের ক্ষেত্রে ভ্যাক্সিনের কার্যকরী সহযোগী ইমিউনিটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সায়ান্স পত্রিকায় (২২.০৪.২০১৮) এই বিশেষ ইমিউনিটি সম্বন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে মানুষের ইমিউন সিস্টেমের ক্ষেত্রে আগের থেকে “আনরেকগনাইজড” এক নতুন ইতিবাচক চরিত্র।

antibody and immunity
শরীরে প্রাথমিক আক্রমণের প্রতিরোধ দূর্গ হচ্ছে সহজাত বা innate ইমিউনিটি। এটা নন-স্পেসিফিক বা অনির্দিষ্ট। অজানা আক্রমণকারী দেখলেই শ্বেতকণিকার B cell রে রে করে প্রচুর অ্যান্টিবডি তৈরি করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর অ্যাডাপ্টিভ বা অর্জিত ইমিউনিটির ক্ষেত্রে শ্বেতকণিকার T cell অংশগ্রহণ করে। নির্দিষ্টভাবে শত্রুকে চিনে নিয়ে আক্রমণ করে। এর মধ্যে আবার কিছু মেমরি সেল থাকে যারা স্মৃতি থেকে বুঝে নেয় শত্রুটিকে আগে দেখেছিল কিনা। সে অনুযায়ী প্রতিরোধের হাতিয়ার সাজায়।

এই ইমিউনিটিকে নিয়েই, এদের সংসারকে নিয়েই আমাদের বেঁচে থাকা, সুস্থ থাকা। করোনা আক্রমণের সময়ে একটি ভ্যাক্সিনের সন্ধানে ছুটে চলা যাতে মানব জাতি বাঁচে।

Tags

9 Responses

  1. সময়োপযোগী দারুণ লেখা, অনেক কিছু জানলাম

  2. বাংলায় সহজবোধ্য লেখা। আমি বুঝলাম।সকলে বুঝলে তবেই শান্তি আপাতত হলেও। কি বলো ?

  3. মাতৃভাষায় এ এক অভূতপূর্ব রিসার্চ ওয়ার্ক। খুবই ভাল লাগল আপনার সাবলীল বাংলায় তথ্য সমৃদ্ধ লেখাটা পড়ে।

  4. ভ্যাকসিন তৈরী নিয়ে আরো একটু বিস্তারিত লিখলে ভাল হত।বিশেষত NIH এর RNA vaccine এবং অক্সফোর্ড এর Vaccine।

  5. জটিল বিষয়কে খুব সহজে ও সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করেছেন। উপকৃত হলাম

  6. আপনার লেখা বরাবরই ভালো হয়। এটাতেও বেশ সমৃদ্ধ হলাম।

  7. পরবর্তী কোন লেখায় – এখানে কিংবা অন্যত্র – ভ্যাক্সিন তৈরি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করবো। অক্সফোর্ড ট্রায়াল নিয়ে খুব বিশদে কিছু বলার। কারণ যেটুকু ডেটা পাওয়া গেছে তা খুব বিস্তৃত আলোচনার মতো নয়। তবে যে দ্রুততায় ভ্যাক্সিন তৈরির চেষ্টা চলছে তাতে সবসময় নির্ভুল হবে তেমনটা বৈজ্ঞানিক যুক্তি বলেনা।
    এবং যদি ভ্যাক্সিন তৈরি হয় তা প্রধানত আমেরিকার জনতার কাজে ব্যবহৃত হবে। এটাকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে Warp Speed এবং America-First নীতি।

  8. অক্সফোর্ড ট্রায়াল নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। এখনো পুরো ডেটা পাওয়া যায়নি। উল্লেখ করার আমেরিকার ভ্যাক্সিন তৈরি হচ্ছে আমেরিকার জন্য। সায়ান্স পত্রিকায় বলা হয়েছে (১২.০৬.২০২০) আমেরিকা ফার্স্ট নীতি নিয়ে ভ্যাক্সিন তৈরি হচ্ছে। ফলে অতি উচ্চ মূল্যে এই ভ্যাক্সিন কর্পোরেট পুঁজির মুনাফা বাড়াবে। মানুষের কতটা উপকার হবে বলা মুশকিল।

    এ নিয়ে এখানে কিংবা অন্যত্র নিশ্চয়ই আবার লিখবো।

  9. puro article ta porlam. Shotti vishon vabe opekkha korchi vaccine er jonno jate manob jati bache.

Please share your feedback

Your email address will not be published.

SUBSCRIBE TO NEWSLETTER

Resize-+=

Please share your thoughts on this article

Please share your thoughts on this article

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.

  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.

  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.

  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).

  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

SUBSCRIBE TO NEWSLETTER

Please login and subscribe to Bangalive.com

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com