(Rabindranath Tagore)
একটি আলো ঝলমলে শীতের সকাল। স্থান শহর কলকাতা। সময় উনিশ শতকের প্রথমার্ধ। কলকাতা তখন ভারতের বাণিজ্য রাজধানী। রাজার রাজদণ্ডের ভারও সেদিন ন্যস্ত ছিল, এই শহরের উপর। ঐতিহ্যে ভরপুর এবং আধুনিক চেতনায় অগ্রণী সেদিনের কলকাতার মধ্যবর্তী অংশে, ভাবগম্ভীর মুখে প্রবীণ মানুষদের আনাগোনা দেখা গেল। তাঁরা সমবেত হয়েছেন নতুন ধর্মের উপাসনার জন্য। সেখানে উপস্থিত আছেন স্বয়ং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথও। এ হেন স্থানে এগারো বছরের একটি বালক দুরুদুরু বুকে এগিয়ে এলো। এঁদের সামনে ১১ মাঘের উৎসবে ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে সে গান গাইবে। (Rabindranath Tagore)
এই পরিস্থিতিতে গান গাওয়া সত্যি খুব কঠিন। তবে ভরসার কথা এই যে, বালকটি একা গান গাইবে না। সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। বালকটির নাম রবীন্দ্রনাথ। ১২৭৮ বঙ্গাব্দের (ইংরেজি ১৮৭১-৭২ সাল) মাঘোৎসবে সেই প্রথম রবীন্দ্রনাথের গান গাওয়া। তারপর থেকে প্রতি বছর সেই ধারা চলতেই থাকল। কয়েক বছর পরে তিনি কেবল গায়ক নন– গীতিকার, সুরকার, গায়ক এবং মাঘোৎসব উপাসনার শ্রদ্ধেয় আচার্য। রবীন্দ্র-জীবনে এই মাঘোৎসবের তাৎপর্য আমরা কিছু তথ্যের মাধ্যমে উপস্থিত করার চেষ্টা করব। (Rabindranath Tagore)
আরও পড়ুন: ওড়িশার শিল্পগ্রাম পিপলি
১১ মাঘ ত্রিধা-বিভক্ত ব্রাহ্মদের কাছে অতি পবিত্র দিন। কেন না ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠা এই তিথিতে হয়েছিল। এর পিছনে একটি ইতিহাস আছে। দীর্ঘ বেদান্তচর্চার ফলে রামমোহন রায়ের চেতনায় ‘বেদান্ত-প্রতিপাদ্য সত্যধর্ম’ হয়ে উঠেছিল হিন্দুধর্মের পরিমার্জিত রূপ। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, ‘প্রতিমাদিতে পরমেশ্বরের উপাসনা ব্রাহ্মরা করিবেন না।’ তাহলে কীভাবে তাঁরা পরমেশ্বরের উপাসনা করবেন? সেই ধর্ম পালনের জন্য ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের, ২০ অগস্ট কলকাতার আপার চিৎপুর রোডে কমলকৃষ্ণ বসুর বাড়ি ভাড়া নিয়ে, রামমোহন রায় ব্রহ্মসভা বা ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন। (Rabindranath Tagore)
উপাসনার জন্য নির্দিষ্ট দিন ছিল শনিবার। সেই সভায় বেদ পাঠ, নিরাকার পরম ব্রহ্মের উপাসনা এবং ব্রহ্মসংগীত গাওয়া শুরু হল। ব্রাহ্মসমাজের নিজস্ব উপাসনা মন্দির স্থাপিত হতে অবশ্য বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। প্রায় দু’বছর পরে ১৮৩০-এর ২৩ জানুয়ারি, ৫৫, আপার চিৎপুর রোডে তার দ্বারদ্ঘোটন হল। সেদিন উপস্থিত ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং প্রসন্নকুমার ঠাকুর। (Rabindranath Tagore)

কয়েক বছর পর ১৮৩৯ সালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করলেন ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’, যার উদ্দেশ্য ব্রাহ্মসমাজের প্রসার এবং প্রকৃত জ্ঞানচর্চা। এর আট বছর পরে ১৮৪৭ সালের ২৮ মে একটি সভায় স্থির করা হল– ‘বেদান্ত-প্রতিপাদ্য সত্যধর্ম’ এখন থেকে ‘ব্রাহ্মধর্ম’ নামে পরিচিত হবে। আর ব্রহ্মমন্দির প্রতিষ্ঠার তারিখ ১১ মাঘ, হবে মাঘোৎসবের পবিত্র দিন। (Rabindranath Tagore)
ফিরে আসি রবীন্দ্রনাথের কথায়। প্রথমবার মাঘোৎসবে গান গাওয়ার তিন বছর পর ১২৮১ বঙ্গাব্দে চোদ্দ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ মাঘোৎসব উপলক্ষে প্রথম গান লিখলেন– ‘গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে’। তিনিই সুরকার। (Rabindranath Tagore)
১২৯০, ১২৯১ ১২৯২, ১২৯৩ এবং ১২৯৪-এর মাঘোৎসব উপলক্ষে কবি যথাক্রমে নয়টি, চব্বিশটি, নয়টি, ছাব্বিশটি এবং সতেরোটি গান লিখেছেন।
কিশোর কবির সংগীত রচনার প্রতিভা দেখে ১২৮৭ সনে মাঘোৎসবের সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হল। সেই সুযোগে তিনি সাতটি গান লিখলেন। এই গানগুলি-সহ তাঁর পরিচালনায় পরিবেশিত হল এগারোটি গান। দু’বছর পরে ১২৮৯-তে মাঘোৎসব উপলক্ষে কবি লিখলেন চারটি ব্রহ্মসংগীত। এদের মধ্যে দু’টি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে প্রভাতী উপাসনায় এবং বাকি দু’টি মহর্ষি ভবনে সায়ংকালীন উপাসনায় গাওয়া হয়। (Rabindranath Tagore)
মাঘোৎসব নিঃসন্দেহে রবীন্দ্র-জীবনে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে তাঁর অন্তর থেকে সুগভীর ভক্তিভাব উৎসারিত হত। কলম থেকে বেরিয়ে আসত ব্রহ্মসংগীতের ঝরনাধারা। ১২৯০, ১২৯১ ১২৯২, ১২৯৩ এবং ১২৯৪-এর মাঘোৎসব উপলক্ষে কবি যথাক্রমে নয়টি, চব্বিশটি, নয়টি, ছাব্বিশটি এবং সতেরোটি গান লিখেছেন। কেবল গান লেখাই নয়, সুর সংযোজন করে গানের দলকে গান শেখানোর মতো কঠিন পরিশ্রমও তাঁকে বছরের পর বছর করে যেতে হয়েছে। পৌষ-মাঘ মাসের সেই ব্যস্ত দিনগুলির কথা তিনি বন্ধু প্রিয়নাথ সেনকে চিঠিতে লিখেছেন। (Rabindranath Tagore)

তবে রবীন্দ্রনাথের ভূমিকাও ধীরে ধীরে বদলে গেল। পরের দিকে তিনি আর কেবল গীতিকার এবং সুরকার নন। ১৩০৮ বঙ্গাব্দের ১১ মাঘের উপাসনায় আচার্যের পবিত্র আসনে উপবিষ্ট হয়ে ভাষণ দিচ্ছেন। এই বছর গান শেখানোর দায়িত্বে ছিলেন সরলা দেবী। (Rabindranath Tagore)
মানুষের সব দিন সমান যায় না। রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে একথা বেশি সত্য। ১৩০৯-এর ১১ মাঘ আসার আগে রবীন্দ্রনাথের জীবনে ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ৭ অগ্রহায়ণ, ১৩০৯ তারিখে কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী পরলোক গমন করলেন। সেই ঘটনা ভয়ংকর আঘাত হেনেছিল কবিকে। তা সত্ত্বেও, প্রবল মানসিক শক্তিতে অসীম ধৈর্য্যে তিনি এই দুঃখ অতিক্রম করলেন। (Rabindranath Tagore)
কেবল মোহিতচন্দ্র সেনকে চিঠিতে না লিখে পারেননি যে, ‘জীবনের সমস্ত ঘটনাবলী ও সুখদুঃখের সমস্ত পরিবেষ্টন হইতে আমি নিজেকে একেবারে আস্ত বাহির করিয়া লইব, এই আমার ইচ্ছা।…
সেবারের মাঘোৎসবে তিনি গায়ক নন। তবু সকালে আদি ব্রাহ্মসমাজের উপাসনায় এবং সন্ধ্যায় মহর্ষি ভবনের উপাসনায় গীত গানগুলির নির্বাচন থেকে বোঝা যায়, বিচ্ছেদ-বেদনা এবং তার থেকে উত্তরণের পথ অধিকাংশ গানের বিষয়বস্তু। সান্ধ্যকালীন উপাসনায় দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শিবধন বিদ্যার্ণবের সঙ্গে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। কেবল মোহিতচন্দ্র সেনকে চিঠিতে না লিখে পারেননি যে, ‘জীবনের সমস্ত ঘটনাবলী ও সুখদুঃখের সমস্ত পরিবেষ্টন হইতে আমি নিজেকে একেবারে আস্ত বাহির করিয়া লইব, এই আমার ইচ্ছা। …জড়জগতে জড় শরীর লইয়া জন্মিয়াছি– অধ্যাত্মজগতে আর একটা জন্মলাভ করিতে হইবে, তাহা অনুভব করিতেছি।’ (Rabindranath Tagore)
পরের বছর ১৩১০-এর মাঘোৎসবে রবীন্দ্রনাথ দু’বেলাতেই আচার্য ছিলেন। সকালে আদি ব্রাহ্মসমাজের মন্দিরে তাঁর সঙ্গে আচার্য ছিলেন শিবধন বিদ্যার্ণব এবং চিন্তামণি চট্টোপাধ্যায়। উপাসনার পরে কবি বললেন, ‘যাহাকে দুঃখের মধ্য দিয়া কঠিনভাবে লাভ করি, হৃদয় তাহাকেই নিবিড়ভাবে, সমগ্রভাবে প্রাপ্ত হয়। মনুষ্যত্ব আমাদের পরম দুঃখের ধন, তাহা বীর্যের দ্বারাই লভ্য।’ আর মহর্ষি ভবনের সান্ধ্যকালীন উপাসনাতেও এঁরা তিনজনেই ছিলেন। সেবারে শান্তিনিকেতন থেকে চার-পাঁচটি ছেলে মহোৎসবে গান গাইতে গিয়েছিল। (Rabindranath Tagore)

১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি কবির জীবনে আবার বিপর্যয় নেমে এল। ওই দিন দুপুর ১টা ৫৫-এ মহর্ষিদেব লোকান্তরিত হলেন। ১৩১১ সনের মাঘোৎসবের মাত্র পাঁচ দিন আগে এই ঘটনার কারণে প্রথমে ভাবা হয়েছিল সেবারের উৎসব বন্ধ রাখা হবে। কিন্তু তা হয়নি। বরং প্রাতঃকালীন এবং সান্ধ্যকালীন উপাসনার জন্য কবি আটখানি গান লিখেছিলেন। আর তাঁর ভাষণে পরম পিতার প্রতি অনিঃশেষ সমর্পণের ভাবটি প্রকাশিত হয়েছিল: ‘গৃহস্বামী যাঁহাকে তাঁহার চিরজীবনের স্বামী বলিয়া বরণ করিয়াছিলেন, তাঁহার উৎসব তো লেশমাত্র ক্ষুণ্ণ হইতে পারে না।’ (Rabindranath Tagore)
মাঘোৎসবের আগে পুনশ্চ মৃত্যুর অভিঘাত আছড়ে পড়ল কবির উপর। ১৩১৪ সনের ৭ অগ্রহায়ণ (১৯০৭ সালের ২৪ নভেম্বর) রবিবারের রাত্রি শেষে মাত্র এগারো বছর বয়সে কবির কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ চলে গেলেন। এই মৃত্যু কবিকে কীভাবে যন্ত্রণায় উথালপাতাল করেছিল, তার চিহ্ন নানা প্রসঙ্গে ছড়িয়ে আছে। তবু ১১ মাঘ ১৩১৪-এ (২৫ জানুয়ারি ১৯০৮ সাল) কবি মাঘোৎসবের উপাসনায় অংশ নিলেন। ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে তাঁর সঙ্গে উপাসনায় ছিলেন প্রিয়নাথ শাস্ত্রী এবং জ্ঞানচন্দ্র ভট্টাচার্য। ‘দুঃখ’ প্রবন্ধটি এই সূত্রে তিনি পড়েন। সকাল এবং সন্ধ্যার উপাসনায় মোট একুশটি ব্রাহ্মসংগীত গীত হয়েছিল, যার মধ্যে পনেরোটি কবির রচনা। (Rabindranath Tagore)
কবি তাঁর জীবনের শেষ মাঘোৎসব কীভাবে পালন করেছিলেন– এই প্রশ্ন আমাদের মনে জাগে।
মাঘোৎসবে মানুষের যোগদানের সংখ্যা ক্রমেই যে বর্ধিত হচ্ছিল, তার প্রমাণ ১১ মাঘ ১৩১৫-র (২৪ জানুয়ারি ১৯০৯ সাল) দিনটি। যথারীতি সকাল এবং সন্ধ্যার উপাসনা আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে এবং মহর্ষি ভবনে হয়। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে দু’হাজারের বেশি লোক যোগদান করেছিলেন। সকালে আদি ব্রাহ্মসমাজ গৃহের উপাসনায় অংশ নেন কবি ও প্রিয়নাথ শাস্ত্রী। কবি পাঠ করলেন ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধ। কিন্তু মহর্ষি ভবনের সান্ধ্যকালীন উপাসনায়, রবীন্দ্রনাথ আর আচার্যের আসনে উপবেশন করেননি। তিনি এবং সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর গানে অংশগ্রহণ করেন। আচার্য হয়েছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রিয়নাথ শাস্ত্রী। তবে রবীন্দ্রনাথ ‘নবযুগের উৎসব’ প্রবন্ধটি পাঠ করেছিলেন। (Rabindranath Tagore)
এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে রবীন্দ্র-জীবনে মাঘোৎসবের বিশেষ মূল্য আছে। কিন্তু কবি তাঁর জীবনের শেষ মাঘোৎসব কীভাবে পালন করেছিলেন– এই প্রশ্ন আমাদের মনে জাগে। সেবারের উৎসব হয়েছিল শান্তিনিকেতন উপাসনা মন্দিরে। আর উপাসনা করেছিলেন গুরুদয়াল মল্লিক। তারপর কবির ভাষণ ‘১১ই মাঘ’ পাঠ করা হয়। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, মাঘোৎসবের শেষ ভাষণে কবি এই উৎসবের গুরুত্ব এবং এটি পালনে রামমোহন রায়ের ভূমিকা স্পষ্ট কথায় জানিয়েছেন –

‘১১ই মাঘের উৎসব যে-সত্যে প্রতিষ্ঠিত তাকে আমাদের দেশের জনসাধারণ স্বীকার করেনি। যা তারা স্বীকার করে না তাকে কলঙ্কিত করে। যিনি পরমশ্রদ্ধেয়, যেমন মহাত্মা রামমোহন রায়, তাঁর সম্বন্ধে বিরোধের উত্তাপ আজও প্রশমিত হয় নি।…এ সকল দ্বন্দ্ব-কোলাহল ভুলে গিয়ে অদ্যকার উৎসবের মূলে যাঁর মহান চারিত্রশক্তি প্রতিষ্ঠিত, শান্ত মনে তাঁকে স্মরণ করে তাঁর উদ্দেশ্যে আমাদের ভক্তি নিবেদন করব। সর্বব্যাপী আত্মার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সকলের মধ্যে জ্ঞানতৃপ্ত ঋষিরা প্রবেশ করেন। আমাদের শাস্ত্রমতে এই হচ্ছে মানুষের চরম সার্থকতা। এই বাণী ফিরিয়ে আনলেন মহাত্মা রামমোহন রায়।…আশ্চর্য ধীশক্তি নিয়ে রামমোহন রায় দাঁড়ালেন জাতীয় ধর্মবিশ্বাসের কুহেলিকার অতীতে; সত্যের অকুণ্ঠিত প্রকাশে নিয়োগ করলেন তাঁর অতুলনীয় চারিত্রশক্তি।’ (Rabindranath Tagore)
এই ভাষণ আসলে মহাকবির জীবনের একটি সুমহান বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়া। রামমোহন যে ধর্মের সূচনা করেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের অন্তিম মাঘোৎসবের ভাষণে তার কাছে নিজ ঋণ স্বীকার করে রামমোহনের প্রতি তাঁর আভূমি প্রণতি রেখে গেলেন। এ এক আশ্চর্য সমাপতন! (Rabindranath Tagore)
ঋণ স্বীকার: ‘রবীন্দ্রজীবনী’,‘শান্তিনিকেতনের উৎসব অনুষ্ঠান’
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সুদীপ বসু। অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বিশ্বভারতী। প্রাবন্ধিক এবং সমালোচক।
