আর ইনশাল্লাহ বলবেন না আলিয়া-সলমান

আর ইনশাল্লাহ বলবেন না আলিয়া-সলমান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সঞ্জয় লীলা বনশালির ছবি ‘ইনশাল্লাহ’ নিয়ে যখন উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, তখনই একটা বিশাল ধাক্কা দিলেন পরিচালক নিজেই। কয়েক মাস আগেই সলমান খান ও আলিয়া ভট্টকে নিয়ে ছবির পরিকল্পনা জানিয়েছিলেন সঞ্জয়। প্রেমের ছবির নাম রেখেছিলেন ‘ইনশাল্লাহ’। শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল এ মাসেই। গানের দৃশ্য শুট করার জন্য সেটও তৈরি হয়ে গেছিল।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর সলমানের সঙ্গে জুটি বাঁধছিলেন সঞ্জয়, ফলে দর্শকরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন আর একটি সুপারহিট ছবির জন্য। আলিয়ার সঙ্গেও এটি প্রথম ছবি হত সলমানের। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি নিয়ে নানা কথাও বলেছেন সলমান। আলিয়ার সঙ্গে কাজ করতে কতটা উৎসাহী তা-ও জানিয়েছেন। ২০২০-র ঈদে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু সব হিসেব গোলমাল হয়ে গেল। গতকাল সলমান টুইট করে জানিয়েছিলেন, যে ইনশাল্লাহ ঈদে মুক্তি পাবে না। ছবির কাজ পিছিয়ে গেছে। আশাহত হয়েছিলেন সলমানের ভক্তকূল। কিন্তু সন্ধে হতে হতেই একেবারে বিস্ফোরণ ঘটান সঞ্জয় লীলা বনশালি। নিজের প্রডাকশন হাউসের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে জানিয়েছেন, যে ইনশাল্লাহার কাজ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। সিনেমাটি আর তৈরি করছেন না উনি। ভগবান যদি চান, তা হলে ফের ছবিটি বানাবার কথা ভাববেন। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন পরিচালক তা নিয়ে ধোয়াশা আর কাটছে না। তবে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গেছে যে সলমান খানের সঙ্গে ঠিক বনিবনা হচ্ছিল না তাঁর। প্রচুর টাকাও নাকি চেয়েছিলেন সলমান ছবিতে অভিনয় করার জন্য। কারণটা যাই হোক সলমান -আলিয়া ভক্তদের কাছে নিঃসন্দেহে এ এক বিশাল ধাক্কা। শোনা যাচ্ছে সলমান খান এখন ‘কিক ২’ নিয়ে আসবেন ২০২০-র ঈদে। সঞ্জয় লীলা বনশালি নাকি শাহরুখ খানের সঙ্গে বানাবেন তাঁর পরবর্তী ছবি। দেখা যাক শাহরুখের সঙ্গে সঞ্জয় আবার ‘দেবদাস’-এর জাদু সৃষ্টি করতে পারেন কি না!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ