Tags Posts tagged with "Salman Khan"

Salman Khan

শেষ অনস্ক্রিন এসেছেন ২০১৮-এ। এ রেস থ্রি’ আর ‘টাইগার জিন্দা হ্যা’ ছবির পর এবার ভারত’ নিয়ে ফিরছেন সলমন খান। আর সেই ছবির শুটিং-এই এখন পুরো দমে ব্যস্ত অভিনেতা। 

বেশ কয়েকদিন ধরেই গুরুগ্রামে ভারত’-এর শেষ পর্বের শুটিং চলছে। আর সেই কারণেই মাঝে মধ্যে মুম্বইয়ে ফিরতে পারছেন না অভিনেতা। ফলে নিজের সময় মত ও পছন্দমত জিমে ওয়ার্ক আউট করা সম্ভব হয়ে উঠছে না তাঁর। তাই ছবির প্রযোজক অতুল অগ্নিহোত্রী ও নিখিল নমিত অভিনেতার জন্য বানিয়েছেন এই জিম। তাও যে সে নয়, প্রায় ১০ হাজার বর্গফুটের জিম বানানো হয় তাঁর জন্য। যেখানে ভাইজানের জিম থেকে এবং কিছু নতুন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা রয়েছে। 

ব্যস্ত রুটিন সেরে প্রত্যেকদিন শরীর চর্চা করতে ভোলেন না সলমন খান। তবে ভাইজানের তৈরি এই বিশেষ জিমে শুধু তিনিই নন,ব্যবহার করতে পারবেন বাকি কলাকুশলীরাও। সম্প্রতি সলমন খানের শরীরচর্চার কিছু ছবি নিজের সোশ্যাল ওয়ালে পোস্ট করেন পরিচালক আলি আব্বাস জফর।  

View this post on Instagram

Training#session#sultan#fire#eyes

A post shared by ali (@aliabbaszafar) on

প্রত্যেক বছর একটি করে ব্লকবাস্টার ছবি নিয়ে হাজির হন ভাইজান। আর সেই ছবিই জানান দিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট যে তিনি ছিলেন আছেন এবং থাকবেন। এই বছরে সলমন খানের ভক্তরা যে ছবির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষারত, সেটি হল ‘ভারত’। আর সেই ছবির শেষ পর্যায়ের শুটিং-এই খেলার মেজাজে সলমন খান। 

জানা গিয়েছিল, ‘ভারত’-র শেষবেলার শুটিং-এ নাকি বেশ ব্যস্ত অভিনেতা সহ বাকি কলাকুশলীরা। কিন্তু তার মধ্যেও সময় বার করে নাকি ক্রিকেট খেলায় মত্ত ভাইজান। আবার সেটি ভিডিও করে তাঁর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন অভিনেতা। যার ক্যাপশনে লেখা থাকে ”ভারত খেলেগা”। দেখে নিন সেইদিনের খেলার কিছু মুহূর্ত। 

View this post on Instagram

Bharat Khelega… #onlocationstories @bharat_thefilm

A post shared by Salman Khan (@beingsalmankhan) on

প্রসঙ্গত,আলি আব্বাস জফরের পরিচালনায় আসতে চলেছে ‘ভারত’। মূল চরিত্রে দেখা যাবে সলমন খান এবং ক্যাটরিনা কইফকে। ছবিটিতে ভাইজানকে মোট ৫টি ভিন্ন লুকে দেখতে পাবেন দর্শক। এছাড়াও ছবিটতে রয়েছেন দিশা পাটানি,সুনীল গ্রোভার সহ আরও অনেক কলাকুশলীরা।  

বলিউড তারকাদের সবথেকে ভাল গুণ বললেই আমরা ভাবি অভিনয়ের দক্ষতার কথা। একদিকে সলমন, অক্ষয়ের মত অভিনেতারা যেমন প্রত্যেক বছর বক্স অফিস কাঁপাচ্ছেন , তেমনই নিজের অভিনয় ঘায়েল করছেন আলিয়া, রণবীর, কঙ্গনা, আয়ুষ্মান, প্রিয়াঙ্কা। বিটাউনের তারকা মানেই সকলের আগ্রহ থেকেই থাকে তাঁদের নিজস্ব জীবন কেমন জানার। কিন্তু জানেন কি এইসকল বলি তারকাদের রয়েছে এমন কিছু গুণ যা দেখে তাক লেগে যেতে পারে আপনাদের।

১। সলমন খান

প্রত্যেক বছর একটা করে ছবি রিলিজ হয় ভাইজানের। আর তাতেই বক্স অফিস জবাব দিয়ে দেয় তিনি আছেন এখনও ফর্মেই। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি যে গান গাইতেও পছন্দ করেন তা হয়তো কারওরই অজানা নয়, কিন্তু জানেন কি ছোট থেকেই খুব ভাল আঁকতে পারেন সলমন।

২। আমির খান

বিটাউনে খানেদের যে কোন ট্যালেন্টের অভাব নেই তা সন্দেহের অবকাশ রাখে না। বরাবরই বুদ্ধিমান ও ছক কষে মাঠে নামার মানুষ আমির খান। তবে জানেন কি কেন এই গুণটি তাঁর মধ্যে রয়েছে? বরাবরই দাবা খেলায় ওস্তাদ আমির খান। এমনকি দাবা বিশেষজ্ঞ তথা বিশ্ব চাম্পিয়ান বিশ্বনাথন আনন্দের সঙ্গেও দাবা খেলায় বসেছিলেন অভিনেতা।

৩। অক্ষয় কুমার


অভিনয়ের পাশপাশি যে মার্সাল আর্টেও ওস্তাদ এই অভিনেতা তা এতদিনে কারওরই অজানা নয়, তবে জানেন কি গুণের কোন শেষ নেই অভিনেতার। একসময় হোটেলে খাবার বিলি করেও দিন কেটেছে তাঁর। কিন্তু সেই থেকেই পাকাপোক্ত রাঁধুনি এই মিস্টার খিলাড়ী।

৪। কঙ্গনা রানাওয়ত


‘কুইন’ ছবিতে ফুচকার স্টল দিয়ে বিদেশীদের মন জিতেছিলেন কঙ্গনা। জানেন কি আসল জীবনেও তিনি হলেন একজন পাকা রাঁধুনি। রান্না করতে ভালবাসেন এই অভিনেত্রী। অভিনয়ে আসার আগে রীতিমত একটি রেস্তরাঁর সেফ ছিলেন কঙ্গনা।

৫। বিদ্যা বালন


বিটাউনের সুলু ওরফে বিদ্যা বালনের গলার আওয়াজে ইতিমধ্যেই ঘায়েল হয়েছেন দর্শক-শ্রোতারা। তবে জানেন কি খুব ভাল মিমিক্রি করতে পারেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, কবিতা লেখার অভ্যেসও রয়েছে তাঁর।

৬। জুহি চাওলা

বলিউডে ক্লাসিকাল ডান্সার মানেই অভিনেত্রীদের মধ্যে নাম আসে মাধুরী দীক্ষিতের। কিন্তু হয়তো অনেকেই জানেন না নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুহি চাওলাও একজন প্রশিক্ষিত ডান্সার। নাচের সঙ্গে সঙ্গে ৬ বছর ধরে গানের তালিমও নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এমনকি এখনও প্রর্যন্ত রেওয়াজ না করে দিন শুরু করেন না তিনি।

লিখেছেন -
0 1100

প্রথম ছবি কম্পানি তে অভিনয়ের জন্য খুবই প্রসংসিত হয়েছিলেন বিবেক ওবেরয় | ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও পান এই ছবির জন্য | ওই একই বছর (২০০২) মুক্তি পায় সাথিয়া | এবং এই ছবি মুক্তি পাওয়ার পর কারুর মনে আর সন্দেহ থাকে না যে উনি একজন সফল এবং উচ্চমানের অভিনেতা হবেন | কিন্তু মন্দ কপাল হলে যা হয় ! বিবেক জড়িয়ে পরলেন ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে | ব্যাস ! এরপর ওঁর জীবনে নেমে এলো দুর্ভাগ্য | কিছুদিনের মধ্যেই বলিউড থেকে হারিয়ে গেলেন উনি |

ঘটনার সুত্রপাত ৩১ মার্চ‚ ২০০৩ সাল | ওইদিন বিবেক একটা সাংবাদিক সম্মলেন ডেকে জানান সলমন খান নাকি ওঁকে হুমকি দিচ্ছেন | সেই সময় সলমন আর ঐশ্বর্যের জীবনে বেশ উথাল পাথাল চলছিল | খুব বেশীদিন হয়নি ঐশ্বর্য সলমনের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করে বিবেকের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন |

অবশ্য ঐশ্বর্য বিবেকের সঙ্গে ওঁর সম্পর্কের কথা কোনদিনই স্বীকার করেননি | কিন্তু সেই সময় দুজনকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান‚ পার্টিতে একসঙ্গে দেখা যেত | অন্যদিকে সলমন খানের সময় ভালো যাচ্ছিল না সেই সময়‚ এর কয়েকদিন আগে হিট অ্যান্ড রান কেসে জড়িয়েছেন উনি | দ্বিতীয়ত ঐশ্বর্যের সঙ্গে ব্রেক আপ |

সলমনের সঙ্গে ব্রেক আপের ফলে ঐশ্বর্যও সেই সময় মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন | আর বেচারা বিবেক শুধুমাত্র ওঁর ভালো বন্ধুঐশ্বর্যের পাশে থাকতে চেয়েছিলেন | তাই উনি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে সলমনের নামে অভিযোগ করেন |

বলা যেতে পারে এই সাংবাদিক সম্মেলনের কারণেই বিবেকের কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল | ঐশ্বর্যের জন্য উনি এমনটা করেন | আর পরে ঐশ্বর্য সাফ জানিয়ে দেন উনি এই ব্যপারে কিছুই জানতেন না | এই ঘটনার পর অ্যাশ বিবেক কে এড়িয়ে চলতে আরম্ভ করেন |

সলমনের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য একরকম বয়কট করা হয় বিবেককে | ওঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতে নেমে আসে অন্ধকার | একবার প্রযোজক আদিত্য চোপরা বিবেক ওবেরয় সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন বিবেক একদিন শাহরুখ খান হতে পারতো | কিন্তু নিজের হাতে সেই সম্ভবনা শেষ করেছে সে |

এর বহু বছর বাদে ফারহা খানের টক শোতে উপস্থিত হয়েছিলেন বিবেক | সেই সময় বিবেক পরোক্ষভাবে জানিয়েছিলেন ঐশ্বর্য ওঁকে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন | কিন্তু পরে উনি তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং বিবেককে একা ছেড়ে দেন | | এছাড়াও বিবেক জানিয়েছিলেন সলমনের ভাই সোহেল খানের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব ছিল ওঁর | কিন্তু সলমনের বিরুদ্ধে কথা বলার ফলে সেই বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় | পরে অবশ্য বিবেক বহুবার সলমনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন | কিন্তু সলমন ওঁকে মাফ করেননি |

তারপর কেটে গেছে ১৫ বছর‚ বিবেক কিন্তু এখনো সেই ঘটনার মাশুল দিচ্ছেন |  অন্যদিকে সলমন আর ঐশ্বর্য কিন্তু দিন কে দিন উন্নতি করেছেন | আর বিবেক ওঁদের মাঝে পড়ে বলিউডের একজন সাধারণ অভিনেতা হয়ে রয়ে গেলেন !

লিখেছেন -
0 5138

ভূমিকা চাওলা সলমন খানের বিপরীতে তেরে নাম ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন | এই ছবি ২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল | সেই বছর বক্স অফিসে অন্যতম সফল ছবি ছিল তেরে নাম | কিন্তু তা সত্ত্বেও ভূমিকাকে খুব বেশীদিন বি-টাউনে দেখা যায়নি | ধীরে ধীরে হারিয়ে গেলেন উনি |

অবশ্য ভূমিকা আবার কামব্যাক করেন ২০১৬-র মুক্তিপ্রাপ্তএম.এস.ধোনি : দ্যা আনটোল্ড স্টোরি ছবির মাধ্যমে | এই ছবিতে ধোনির দিদি জয়ন্তী গুপ্তার চরিত্রে দেখা গেছিল ওঁকে |

যত দিন যাচ্ছে আরো সুন্দরী হয়ে উঠছেন ভূমিকা

বলিউডে পা দেওয়ার আগে ভূমিকা অবশ্য প্রথম তেলেগু ইন্ড্রাস্ট্রিতে পা রেখেছিলেন | সেখানে একাধিক সফল ছবিতে অভিনয় করেছেন উনি | ২০০১-র মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি খুশি-তে অভিনয় করার ফলে উনি তেলেগু বেস্ট অ্যাকট্রেস হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও জেতেন | রজনীকান্ত থেকে কমল হাসান  দক্ষিণের মোটামুটি সব বড় নায়কদের বিপরীতেই দেখা গেছে ওঁকে | তেলেগু এবং হিন্দি ছাড়াও উনি তামিল‚ মালায়লম‚ ভোজপুরী এবং পাঞ্জাবী ছবিতে অভিনয় করেছেন | এছাড়াও ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক হিপ হিপ হুরে-তেও দেখা গেছিল ওঁকে |

২০০৭ সালে ভূমিকা ওঁর বহুদিনের প্রেমিক এবং যোগা শিক্ষক ভরত ঠাকুরের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন | শোনা যায় বিয়ের আগে চার বছর সম্পর্ক ছিল ওঁদের | ২০১৪ সালে জন্মায় এক পুত্র সন্তান | তবে ২০১১ সালে শোনা গেছিল ভূমিকা ও ভরতের নাকি বিবাহ বিচ্ছদ হয়ে যাবে | পরে অবশ্য দুজনে সমস্যা মিটিয়ে নেন‚ এবং একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন |

ধোনির বায়োপিক মুক্তি পাওয়ার পর ভূমিকা একটা সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন উনি ৭০ বছর অবধি অভিনয় করতে চান | তবে উনি বুঝে গেছেন সাইড রোলেই নেওয়া হবে ওঁকে | তাই উনি খুব ভেবেচিন্তে চরিত্র নির্বাচন করবেন |

সলমন খানের পরিবারের সঙ্গে বরাবরই ভাল সম্পর্ক অর্জুন কপূরের। একসময় ভাইজানের বাড়িতে থেকে বলিউডের নায়ক হওয়ার তালিম নিয়েছিলেন তিনি। এমনকি খান পরিবারের  কন্যা অর্পিতা খানের সঙ্গে সম্পর্কের কথাও শোনা গিয়েছিল কানা ঘুষো। তবে নায়ক হওয়ার পরে গল্প যে এভাবে পাল্টে যাবে তা হয়তো ভেবে পান নি অনেকেই। খান বাড়ির বউকেই শেষ পর্যন্ত জীবন সঙ্গী হিসেবে পছন্দ অর্জুন কপূরের।

আর একদিকে অভিনেতা আরবাজ খানের প্রাক্তন স্ত্রী মালাইকা অরোরাও একেবারে প্রস্তুত দ্বিতীয় বিয়ের জন্য। তাই খুব শিগগিরি অর্জুন কপূরের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পরতে চলেছেন তিনি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষে কিংবা এপ্রিলের শুরুতে বিয়ের পর্ব সেরে ফেলবেন তাঁরা।

তবে খুব জাঁকজমক করে নয় পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের নিয়েই বিয়ে সেরে নেবেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও, মালাইকা অরোরা বা অর্জুন কপূর কিন্তু এখনও এ বিষয়ে নিজে মুখে কিছুই বলেন নি।

১০ সেপ্টেম্বর এই তারিখটার প্রতি সলমন খানের একটা আলাদা দুর্বলতা আছে | এমনটা কেন বলছি জানেন? আসলে এই তারিখে সলমন ওঁর তিনটে ছবি মুক্তি করেছেন | ২০ বছর আগে এই দিনে মুক্তি পায় হ্যালো ব্রাদার | এর পাঁচ বাছর বাদে সলমন আবার এই দিনে দিল নে জিসে আপনা কহা  ছবিটা মুক্তি করার সিদ্ধান্ত নেন | এই ছবিতে ওঁর বিপরীতে ছিলেন প্রীতি জিনতা ও ভূমিকা চাওলা | এখানেই শেষ নয়‚ ২০১০ সালে আবার ওই একই তারিখে মুক্তি পায় দাবাং |

সত্যিই আশ্চর্য সমাপতন তাই না? দাঁড়ান আরো আছে |

ওঁর অভিনীত তিনটে ছবি যা ১০ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে তার মধ্যে দুটো ছবির গল্পও প্রায় এক | হ্যালো ব্রাদার-এ‚ ছবির হিরো সলমনের চরিত্র মারা যাচ্ছে এবং তাঁর হৃদযন্ত্র দেওয়া হচ্ছে এক আহত পুলিস ইন্সপেক্টর বিশাল কে | ওই পুলিস ইন্সপেক্টরের চরিত্রে ছিলেন সলমনের ভাই আরবাজ খান | ছবির হিরোর হৃদযন্ত্র পাওয়ার পর ইন্সপেক্টর বিশাল একই সঙ্গে মৃত সলমনের আত্মা কে দেখতে পান এবং রানি যার সঙ্গে সলমন জীবিত অবস্থায় প্রেম করতেন তাঁর প্রেমে পড়েন | এই ছিল ছবির গল্প | রানির চরিত্রে দেখা যায় রানি মুখার্জিকে | বক্স অফিসে বেশ সফল হয় এই ছবি |

হ্যালো ব্রাদার ছবি মুক্তির পাঁচ বছর পর ওই একই দিনে মুক্তি পায় দিল নে জিসে আপনা কহা | এই ছবি ইংরেজি ছবি রিটার্ন টু মি-এর হিন্দি রিমেক ছিল | ছবিতে দেখানো হয় সলমনের স্ত্রী ডাক্তার পরী মারা যান এবং ওঁর হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হয় ধানির মধ্যে | ডাক্তার পরীর চরিত্রে দেখা যায় প্রীতি জিনতা আর ধানির  চরিত্রে দেখা যায় ভূমিকা চাওলা কে | হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর ধানি সলমনের প্রেমে পড়েন এবং উনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি বাচ্চাদের হাসপাতালের ডিজাইন করতে পারবেন যা ডাক্তর পরী বানাতে চেয়েছিলেন |

বলিউডে এমন বড় ধরণের সমাপতন আর হয়েছে কি না সন্দেহ !? 

বলিউডে সলমন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। কখনও পশু হত্যা কখনও আবার নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ফুটপাতে গাড়ি তুলে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এবার তাঁর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে আরও একটি অপরাধ। ছোট্ট বয়স থেকেই নাকি চুরিবিদ্যায় পন্ডিত ভাইজান। আর সেই অপরাধের কথা জানালেন বাবা সেলিম খান।  

তবে কি সেই অপরাধ যাতে অভিনেতা ছোট থেকেই প্রশিক্ষিত ছিলেন? সম্প্রতি ‘কপিল শর্মা শো’-র দ্বিতীয় সিজনে সপরিবারে হাজির হয়েছিলেন সলমন খান। সঙ্গে ছিলেন দুই ভাই আরবাজ খান, সোহেল খান এবং বাবা সেলিম খান। আর সেখানেই বাবার কাছে সলমনের ছোটবেলার দুষ্টুমির কথা জানতে চান কপিল। তাঁর উত্তরেই সেলিম বলেন “আমাদের বাড়িতে একজন লোক আসতেন। গণেশ নাম ছিল তাঁর। গণেশ এলেই ওকে চা খাওয়ানো, বসার টুল এগিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেরা ব্যস্ত হয়ে উঠত। আমি ভাবতাম, কে এই লোকটা? আমারই বাড়িতে আমার থেকেও যার বেশি সম্মান? তারপর খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, পরীক্ষার আগে প্রশ্ন কী হবে তা জানতে গণেশ আমার ছেলেদের সাহায্য করত”। 

তবে সেলিম খানের কথায় শুধু সলমনই না বাকি দুই ভাইও সমানভাবে দোষী। যদিও ভাইজান সেই রেশ টেনে জানিয়ে দেন ভাইরা নয়,শুধু তিনিই গণেশকে দিয়ে এই কাজটি করাতেন।   

শুধু এই কথাই নয়,সলমনের আরও অনেক পোলই খোলা হয় এই শোতে। তাঁর অফস্ক্রিন গার্লফ্রেন্ড থেকে শুরু করে ‘কিস’ এর গল্পও শেয়ার করেন দুই ভাই। 

অভিনেতা হিসেবে বরাবরই খুব খুঁতখুঁতে তিনি। পয়সার জন্য নয় বলিউডে ভাল ছবি করার আশা রেখেছেন জন। আর একটি সংবাদমাধ্যমকে সেই কথাই বারবার জানান জন আব্রাহাম।

একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান ” কে কত পয়সা রোজগার করলো, কোন ছবি বেশি রোজগার করেছে তাই নিয়ে কোনদিন মাথাব্যাথা নেই আমার। বেশি টাকা নেওয়ার চেয়ে কত ভাল করে ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যায় সেটায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি।”এমনকি এবছরের সবথেকে বেশি রোজগার করা সলমন খানের দিকে তোপ ছুঁড়ে বললেন,” বছর শেষে বেশি পয়সার মালিক হয়ে কি হবে যদি না আমি ভাল কোন ছবি দর্শকদের দিতে পারছি।”

শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা নিয়েও মুখ খোলেন অভিনেতা। তিনি বলেন “এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বেশি ফলোয়ারস মানেই যে আমি ভাল অভিনেতা তা একেবারেই নয়। নেট দুনিয়ার দৌড়াত্বে যেমন প্রশংসা পাওয়া যায়, তেমন নিন্দাও শুনতে হয়।”
প্রসঙ্গত, ২০১৮ এ মাত্র একটি ছবি (রেস ৩) দর্শকদের সামনে আসে সলমন খানের। তারপরেও বছরের সবথেকে বেশি পয়সা রোজগারকারী সেলেবদের মধ্যে ১ নম্বরে নাম আসে তাঁর। তবে ২০১৮ এ কাজের দিক থেকে খানেদের ৩ জনই রয়ে গিয়েছেন পিছিয়ে।

কলরস টিভি চ্যানেলে সেরা বউমা হিসেবে পরিচিত সিমর ওরফে সিমর দীপিকা কক্কর। আর সেই চ্যানেলেই অনুষ্ঠিত শো বিগবস এর ১২ নম্বর সিজনে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন দীপিকা। এবং শেষ অবধি খেতাব জিতেই ফিরেছেন তিনি। তবে জানেন কি বিগবস জেতা টাকায় কি করবেন এই টেলি তারকা?

বিগবসের এবারের প্রাইজ মানি রাখা হয়েছিল ৫০ লক্ষ টাকা। সেখান থেকে একজন প্রতিযোগী ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে শো ছেড়ে দেয়। ফলত শোটি জেতার পর বাকি ৩০ লক্ষ টাকা পান দীপিকা। আর সেই টাকা দিয়ে নিজের ‘আম্মি’ অর্থাৎ শাশুড়ির জন্য একটি বাড়ি কিনতে চান এই টেলি তারকা। বিগবসের ঘরে থাকাকালীন তাঁর এইধরনের ভাল ও গৃহবধূর মত ব্যবহারকে অনেকেই ‘ফেক’ ভেবেছেন। ভালমানুষের মুখোশ পরে আছেন বলে বহুবার অপমানও করা হয় তাঁকে। তবে এই অপবাধকে সম্পূর্ণ মিথ্যে করে শো-র বাইরেও একজন ভাল বউমার পরিচয় দিলেন দীপিকা।

গত কয়েকমাস আগেই টেলি তারকা শোয়েব ইব্রাহিমের সঙ্গে বিয়ে হয় দীপিকা কক্করের। এই শোটিতে আসার জন্য প্রধান উদ্যোগী যে শোয়েব ও তাঁর পরিবার তা বারবার স্বীকার করেছেন দীপিকা। পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। তাই শ্বশুরবাড়ির ভালবাসা ও প্রতিযোগিতার সময় তাঁকে সাহস জুগিয়ে যাওয়ার পুরস্কার এ বার ফিরিয়ে দেবেন তিনি।

বিগবসের শেষ লড়াইয়ে ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় শ্রীসন্থ এবং টেলি তারকা দীপিকা কক্কর। তবে এই বিখ্যাত খেলোয়াড়কে হারিয়ে শেষ বলে বাজিমাত করলেন সিমরই।

রেসিপি

error: Content is protected !!