আবার ওয়ান্টেড সলমান খান

বড় আশা ছিল সঞ্জয় লীলা বনশালির সঙ্গে ফের জুটি বাঁধবেন। কিন্তু পুরো হিসেবটা এমন গোলমেলে হয়ে গেল যে সঞ্জয়ের ছবি থেকে বাদ পড়লেন স্বয়ং সলমান খান। ‘ইনশাল্লাহ’ নিয়ে যাবতীয় জল্পনা যখন তুঙ্গে তখনও পুরো প্রজেক্ট থেকে হাত গুটিয়ে নিলেন খোদ পরিচালক। সঞ্জয়, সলমান এই প্রসঙ্গে টুইট করলেও, সিনেমায় নায়িকার ভূমিকায় চুক্তিবদ্ধ হওয়া আলিয়া ভট্ট কিন্তু টুঁশব্দটি করেননি। এ দিকে সলমান তো তাঁর ভক্তকূলকে বলে দিয়েছেন, যে ‘ইনশাল্লাহ’ না বলুন, আগামী বছর ঈদে উনি তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেনই। আর সলমান তো জানেনই, ‘একবার জো ম্যায়নে কমিটমেন্ট করদি, তো খুদকি ভি নহি শুনতা’-য় বিশ্বাস করেন। ফলে ছবি তো শুরু করতেই হবে।

এত দিন শোনা যাচ্ছিল যে ‘কিক’-এর সিক্যুয়েল ‘কিক ২’ নিয়ে সলমান ২০২০-র ঈদে পর্দায় আসবেন। জনপ্রিয় ‘ডেভিল’ চরিত্রে আবার তাঁকে দেখা যাবে। কিন্তু নতুন খবর ‘কিক’ নয় ‘ওয়ান্টেড’-এর সিক্যুয়েলের শুটিং শুরু করতে চলেছেন তিনি। ২০০৯ সালে ‘ওয়ান্টেড’ মুক্তি পেয়েছিল। বক্স অফিসে একেবারে ঝড় তুলেছিল সেই সিনেমাটি। আন্ডারকভার আইপিএস অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন সলমান। বিপরীতে ছিলেন তখনকার জনপ্রিয় অভিনেত্রা আয়েশা টাকিয়া। পরিচালনা করেছিলেন প্রভুদেবা। তেলেগু ছবি ‘পোকিরি’-র রিমেক ছিল ‘ওয়ান্টেড’।

এই সুপারহিট ছবির সিক্যুয়েলে অভিনয় করার জন্য সলমান মুখিয়ে আছেন। অনেক দিন নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে দর্শকদের সামনে আসতে পারেননি তিনি। সিনেমাটির প্রযোজনা করবে সলমান খানেরই প্রডাকশন হাউস। পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন প্রভুদেবাই। নায়িকা অবশ্য ঠিক হয়নি। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর, ছবির নাম নাকি বদলে যাবে। ‘ওয়ান্টেড ২’ জাতীয় নাম চাইছেন না সলমান। তবে ছবির নাম পাল্টালেও গল্প যে একজন আন্ডারকভার পুলfশ অফিসারকে কেন্দ্র করেই এগোবে, তা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সলমানের মারমার কাটকাট অবতার যে দর্শক ভালভাবেই নেবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।