পাতার নৌকা 

পাতার নৌকা 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
pxhere
ছবি সৌজন্যে pxhere.com
ছবি সৌজন্যে pxhere.com

একদা স্কুলের বন্ধু সপরিবারে গিয়েছে বেড়াতে
গাঢ় নীল আকাশের গায়ে অরুনাচল প্রদেশ যেন মেঘ জড়ো করে
ঢেকেছে শরীর তবু পায়ে পায়ে আনন্দ এসে লেগেছে আর বোনের মুখ ছুঁয়ে
রামধনু উঠেছে এবং দুটি হাত ভেসে গিয়েছে সুবনশিঁরির জলে… 

এইতো ভ্রমণ, সংক্রামিত রোগের মতো ছড়ায় মনে তারপর হুশ থাকেনা
কবে যে এসেছিলে অথবা কাদের সঙ্গে!
পাখিরা নিজস্ব ভাষা খুঁজে পেয়ে কতদূর গিয়েছিল সেবার?
আপাত বেকার আমি ছবি দেখি বুক ভরে আর চিলেকোঠার ঘরে

তেমনই শান্ত এক চাঁদ এসে সঙ্গ দেয় রোজ।

গতকাল ওরা কি তবে চারশ বছরের পুরনো তাওয়াং মঠে গিয়েছিল!
পাহাড়ে পাহাড় লেগে রাস্তা ক্রমশ উঁচু হয়ে ঠেকেছে গুম্ফায়
শ্বাসপ্রশ্বাসের কষ্ট হবে জেনে বাবা-মা কী ছিলনা হোটেলে!
একে আপরকে কাছে টেনে ওরা বুঝি দেখেছে বহুদূরে
বৃষ্টি যেন অভিমানী কিশোর হয়ে ঝরে পড়ে গাছের আড়ালে 

নির্জন ভ্রমণ আমি শুরু করি বাবাকে ছুঁয়ে আর
একা কিছু হবে না জেনে ছায়ারই মতো উঠে এসেছিল মা
লোকমুখে আর বইপত্র ঘেঁটে কতো পথ, নদী আর পাহাড়ের কথা জেনে
গিয়েছি গাড়িতে তারপর হেঁটে ভীষণ জঙ্গল, দূরে
জোনাকির মতো আলো জ্বেলে রাতের খাবার 

এইভাবে কিছুকাল নানা পথ ঘুরে তুমিও শয়তান হলে বাবা! 

সমস্ত শুরুর কথা একভাবে যারা বলে যায়, আমি
তাদের খাদ্যতালিকায় রসের অভাব বোধ করি
যদিও লেখা দীর্ঘ হলে প্রসঙ্গ বদল হতে পারে!
বাবার নোটবই খুলে আমি দেখেছি বহুবার –
ভ্রমণের কথা ছাড়া কিছুই নেই তেমন জোরালো 

বড়জোর না-পাঠানো চিঠির ভূমিকা শেষে নিজেরই নাম লেখা

অরুনাচলের পথে যেতে গিয়ে শান্তি পাওয়া যায়
এইটুকু লিখে মারা যায় বাবা এবং তারপরে
হয়ত শান্তির খোঁজে পাহাড়ে পাহাড়ে কিংবা গুম্ফায়
ঘুমিয়ে রয়েছে আর বন্ধুর ঘুমের ভিতরে ঢুকে
জানতে চেয়েছে বাড়ির খবর, মায়ের পা ব্যথা, ছেলের বেকারত্ব… 

মধ্যরাত্রে ঘুম ভেঙে গেলে আমি দেশলাই জ্বেলে এইসব ভাবি আর মনে হয়-
আমার পিছনে বসে কে যেন  এক অপরূপ ভ্রমণকাহিনী লিখছে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।