Lockdown

Indoor plant

আত্মীয়স্বজন

লকডাউনের মধ্যে নাটক বন্ধ। কিন্তু একঘেয়েমিতে পেয়ে বসেনি নাট্যব্যক্তিত্ব ডলি বসুকে। তিনি মন দিয়েছেন তাঁর ঘরকে সবুজ সজীব করে তোলায়। নতুন করে ইন্ডোর প্ল্যান্ট নিয়ে রীতিমতো পড়াশোনা করে বাগান করছেন।

Read More »
recession

জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক যুগ্মসঙ্কট এবং মোকাবিলার পথ – কথোপকথন

করোনাভাইরাসের কবলে ধুঁকতে থাকা বিশ্ব-অর্থনীতি, দুনিয়াজোড়া মন্দা, লাগাতার কর্মহীনতা এবং তার মোকাবিলা করতে সরকারি পদক্ষেপ — এই নিয়েই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মৈত্রীশ ঘটকের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলালাইভ।

Read More »

লকডাউনের ছড়া (শেষ পর্ব)

কবে থেকে ভাবছি ,কবে রেজাল্ট পাব?
স্কুল যাবে না স্কুল যাবে না, গোল্লা খাব।
অনলাইনে রেজাল্ট ? সেটাও কবে?
আদর দিয়ে বাঁদর, এটাও দেখতে হবে!…

Read More »
Illustration by Upal Sengupta

লকডাউনের ছড়া

লকডাউনের এই বাজারে,
এই তো সময়
দেওয়াল জুড়ে অন্ধকারে
কাটাকুটি, ছায়াবাজি
রূপকথা আর জলপরীদের
আঁকিবুকি স্বপ্নে বাজি। …..

Read More »

লকডাউনে নট আউট!

থেমে না-থাকা এই সব রেস্তোরাঁর মানুষের কাছে ভালো খাবার পৌঁছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। অনেকেই আছেন যারা প্রতিনিয়ত তিনবেলা রান্না করতে পারছেন না বা একা বাড়ি থেকে কাজ করছেন। তাঁদের জন্য ফুড ডেলিভারি নিশ্চয়ই অত্যন্ত জরুরি পরিষেবা। অন্যদেরও সংসারের সব কাজ সামলে রোজকার রান্নার ভার নেওয়া কঠিন। তাই খাবার ডেলিভারি অনেকের মুখেই হাসি আনতে বাধ্য।

Read More »
monotony

চাওয়ার তুই (কবিতা)

স্যাঁতস্যাঁতে দিন জ্বালাচ্ছে খুব, কিছুই মন টানছে না!
ভাল্লাগে না, ভাল্লাগে না, রোজনামচার কাজের চাপ,
তারচে বরং তুই এলে, বেশ, রোদের আয়েশ চায়ের কাপ;

Read More »
image courtesy Sanjukta Sarkar

ছানাদের চাঙ্গা রাখতে অনুত্তমার টিপস

এই বয়সের ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মায়ের বা কেয়ার গিভারের স্পর্শটা কিন্তু একটা বড় রোল প্লে করে| যদি বাচ্চা একটু বেশি বিরক্ত, ঘ্যানঘ্যানে আচরণও করে তবে সেই সময়েও তার ওপর রাগ না করে, বকুনি না দিয়ে তাকে আদর করে জড়িয়ে ধরে শারীরিক স্পর্শ দিয়েও আস্বস্ত করা যেতে পারে|

Read More »
Spring during corona

ঘর (কবিতা)

আসলে মেঘেদের অন্তরে জমছে বিন্দু বিন্দু কান্নার বাষ্প। পৃথিবীর অগনিত পুত্রকন্যার অসহায় কান্না।
ক্রমশ একটা আশ্চর্য ভয় আমাদের একলা করে দিচ্ছে, কুঁকড়ে দিচ্ছে ভেতরে ভেতরে
মৃত্যও আজ বড় একলা…
আজ মৃত মানে অতি দ্রুত বেড়ে ওঠা দেহের সংখ্যা মাত্র,
নেই প্রিয় মুখ, নেই শোকের অবকাশ, নেই কারও হাত ধরে বৈতরণি পার!

Read More »
Alcohol

মিলে ‘সুরা’ মেরা তুমহারা! (রম্যরচনা)

ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যদি বন্ধুর সংখ্যা কোভিড-১৯ সংক্রমণের মতো বাড়াতে চান, তা হলে এর থেকে ভাল সুযোগ আর পাবেন না, গ্যারান্টি সহকারে বলতে পারি। শুধু এক লাইনের একটা ছোট্ট পোস্ট করে দিন— যত্নসহকারে মদের হোম ডেলিভারি করা হয়। দুশো ফ্রেন্ড কুড়ি হাজার হয়ে যাবে তিন দিনে।

Read More »
Bread Delight

লকডাউনে সহজ খানা!

বড়োরা এই লকডাউনের মধ্যে জলখাবার বা বিকেলের নাস্তা স্কিপ করলেও ছোটরা যেন সেটা না করে। বড়োরা চা-বিস্কুট খেয়ে ক্ষান্ত দিলেও ছোটদের করে দেওয়া যাক এসব পুষ্টিকর আর মুখরোচক খাবার। বেচারাদের সেদ্ধভাত, খিচুড়ি-আলুভাজা, ডাল-ভাত-ডিমভাজা থাক দুপুরে। বিকেলে ওদের এমন বানিয়ে দাও না এক-আধদিন! …

Read More »
Illustration by Mandar Mukherjee

আইঢাই: ‘হাড় ভাঙা বিশ্রাম’

দিনে বারো ঘণ্টা খেটে যার রোজগার খুব বেশি হলে মাসে তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশ, সে কী করে চালাবে? তার তো সবেতন ছুটি নয় এবং ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এও তো ওর চলবে না। আমারই যেন মাথায় হাত।…

Read More »
Illustration by Upal Sengupta

লকডাউনের দিনগুলো (প্রবন্ধ)

পরিবারের সব লোকজন আজ একঘরে। ভাবা যায়! যে বাড়ির চরম দুর্দিনেও ঘরের সব ব্যাটা একমুখো হয় না, তারা আজ এক সঙ্গে এক ভাবে এক জায়গায় ঘুম থেকে উঠছে ও ঘুমোতে যাচ্ছে। সকালের কচুরি কালচারে অভ্যস্ত ছেলেমেয়েদের শিরে সংক্রান্তি। যদিও শোনা গেল কিছু কিছু মিষ্টির দোকান এবার থেকে খোলা থাকবে।…

Read More »
peper sukto easy recipe

করোনার যুগে ভরোসার রান্না 

এখন করোনার লকডাউন পিরিয়ডে আমাদের সহকারীরা কাছে নেই। তাঁদের বাড়িতে ঢুকতে দিলে বিপদ দু’পক্ষেরই। তাই এই দুর্যোগের দিনে আমাদের নিজেদের কাজ নিজেদেরই চালিয়ে নিতে হবে। এছাড়া মনে রাখতে হবে, এই সময় ‘রিসোরসেস আর লিমিটেড।’ কিন্তু তাই বলে আমাদের ক্রিয়েটিভিটি কিন্তু আনলিমিটেড! তাই বুঝেশুঝে খরচা করতে হবে সঞ্চিত জিনিসপত্র। আর যেহেতু সহকারীরা কাছে নেই তাই সবজি কাটার সময়, মশলা বাটার সময় যেন বেশি না হয়ে যায়। কারণ তাহলে কুকিং টাইম আবার ইটিং টাইমের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যাবে। গৃহিণীদের গলদঘর্ম অবস্থা হবে এবং সেটা পোষাবে না।

Read More »
Ann Arbour picture

দূরকে করেছ নিকট বন্ধু

গত দু’সপ্তাহ ধরে আমরা এক অদ্ভুত সময়ের মধ্যে বাস করছি। এক এক দিন ঘুম ভেঙে মনে হচ্ছে যেন সায়েন্স ফিক্শন-এর মধ্যে বেঁচে আছি। স্পর্শ থেকে দূরে, একে অপরের স্পর্শ বাঁচিয়ে বেঁচে থাকা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব বন্ধ; এখন পড়াশোনা, গবেষণা, মিটিং সবকিছুর মাধ্যম ভার্চুয়াল। অর্থাৎ কম্পিউটার বা ফোন। শিক্ষার্থীদের দেখাশোনা হচ্ছে zoom, blue jeans, webex, ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে। হাত বাড়িয়ে প্রিয় বন্ধুকে ছোঁয়ার উপায় নেই। বড় জোর একটা দু’টো উড়ন্ত চুম্বন স্ক্রিন তাক করে পাঠানো যেতে পারে।

Read More »

শাশ্বত রাত্রির বুকে অনন্ত সূর্যোদয়

যে শহরে আমি থাকি, সেই শহরে গুজব ছড়িয়েছে যে, অন্য রাজ্য থেকে আসা জনা পনেরো শ্রমিক নাকি গায়ে জ্বর নিয়ে লুকিয়ে রয়েছে। পুলিশ তাদের খুঁজছে। যদি এ খবর নিছকই গুজব হয়, তাহলে চিন্তার কিছু নেই। পুলিশ প্রশাসনই এর সত্যতা বলতে পারবে। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষদের যা মানসিকতা, তাতে অন্য রাজ্য থেকে এসে গায়ে জ্বর বা সর্দি-কাশি নিয়ে স্রেফ কোয়ারেনটাইনে থাকার অহেতুক ভয়ে কেউ কেউ ডাক্তার না-দেখিয়ে লুকিয়ে থাকতেই পারেন। হাসপাতালে হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার জন্য লম্বা লাইন পড়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমন অনেকেই যে প্রয়োজন থাকলেও পরীক্ষা করাচ্ছেন না—এটাও সত্যি।

Read More »