আমাদের পাড়ার শিবমন্দির

আমাদের পাড়ার শিবমন্দির

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Pastel drawing by Aryaneel Samanta
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
ছবি আর্যনীল সামন্ত, পঞ্চম শ্রেণী, ব্যারাকপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়

আমাদের বাড়ির পাশে একটা পুরনো শিব মন্দির আছে। মন্দিরটা অনেক পুরনো। কত পুরনো কেউ ঠিক করে বলতে পারে না। ভেতরে একটা শিবলিঙ্গ আছে। আমরা যখন এই পাড়ায় আসি, তখন মন্দিরটা খুব ভাঙ্গাচোরা ছিল। চূড়োয় গাছপালা গজিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তখনও রোজ দুবার পুরোহিত পুজো করে যেত। সকালে আর বিকেলে।

তারপর একদিন মন্দিরটা সারানোর কাজ শুরু হল। অনেক মিস্তিরি কাজ করতে লাগল। চারদিকে বাঁশের মাচা বেঁধে কাজ হতে লাগল। মাচায় উঠে মিস্তিরিরা কাজ করত। দুপুরে কাজ থামিয়ে মন্দিরের চাতালে এসে ওরা বসত। ব্যাগ থেকে খাবার বের করে খেত। মাঝে মাঝে ওদের মধ্যে একজন আমাদের বাড়িতে কলিং বেল বাজিয়ে মার কাছে খাবার জল চাইত। ওরা খালি বোতল দিত, মা সেটায় ফ্রিজের জল ভরে দিত। একদিন আমি দরজা খুলেছিলাম। যে এসেছিল তার নাম নাসিমুল। আমি জিজ্ঞেস করায় বলেছিল। ওদের আসল বাড়ি মুর্শিদাবাদ কিন্তু কাজের জন্য নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হয়। বাড়িতে বাবা মা বউ দুই ছেলে আর এক মেয়ে আছে বলল। বলল মেয়েকে ইস্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে। সবাই বারণ করেছিল কিন্তু ও তাদের কথা শোনেনি। মেয়ে এখন ক্লাস টুয়ে পড়ে।

মন্দিরের কাজ শেষ হয়ে গেলে নাসিমুল কাকারা চলে যায়। যাবার আগে মায়ের কাছে চেয়ে দুটো পুরনো শাড়ি নিয়ে যায়। মা ওকে একশ টাকা দিয়ে বলে ছেলেমেয়েদের মিষ্টি কিনে দিতে।

কিছুদিন পরে মন্দিরটায় একটা ছোটখাটো অনুষ্ঠান হয়। পাড়ার সবাই সেই অনুষ্ঠানে এসেছিল। আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলরও ছিলেন। এখন মন্দিরটা খুব সুন্দর দেখতে লাগে। পুরোহিত দুবেলা পুজো করে যায়। আর দুপুরে মন্দিরের চাতালে কয়েকটা কুকুর শুয়ে ঘুমোয়। রাতে বাবা, নিমাই কাকা, তরুণ জেঠু, আর কয়েকজনে মিলে বসে আড্ডা মারে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

2 Responses

Leave a Reply

sharbat lalmohon babu

ও শরবতে ভিষ নাই!

তবে হ্যাঁ, শরবতকে জাতে তুলে দিয়েছিলেন মগনলাল মেঘরাজ আর জটায়ু। অমন ঘনঘটাময় শরবতের সিন না থাকলে ফেলুদা খানিক ম্যাড়মেড়ে হয়ে যেত। শরবতও যে একটা দুর্দান্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে এই সিনটিতে, তা বোধগম্য হয় একটু বড় বয়সে। শরবতের প্রতি লালমোহন বাবুর অবিশ্বাস, তাঁর ভয়, তাঁর আতঙ্ক আমাদেরও শঙ্কিত করে তোলে নির্দিষ্ট গ্লাসের শরবতের প্রতি।…