কড়ি বা কোমল

কড়ি বা কোমল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Illustration for Bengali Poetry বাংলা কবিতা
অলঙ্করণ: অয়ন্তিকা চট্টোপাধ্যায়
অলঙ্করণ: অয়ন্তিকা চট্টোপাধ্যায়

কে বলে দুর্বল তুমি?

কে বলেছে দৃঢ়চিত্ত নও

ওরা কতটুকু বলো, 

কাছ থেকে দেখেছে তোমায়?

অস্থিসার পুরুষের পেলব হৃদয় এক

সযতনে পুলওভারে ঢাকা। 

গলায় মাফলার আর মাথা জুড়ে শীতটুপিখানি

তোমাকে উষ্ণতা দেয়, যে তুমি কুণ্ঠিত বড়

দাবিদাওয়া বুঝেসুঝে নিতে।

দুমুঠো ভাতের থালা — সেও নির্মম হলে

চুপ করে বসে দ্যাখো, রোদ,

দক্ষিণ বারান্দায় নেমে আলোকিত করছে দুপুর।

সে হলুদে হাতড়াও

সবুজ ঘাসের কোমলতা।

ইদানিং তন্দ্রা আসে, আসে প্রেম, বয়সে স্বভাবে

 

যে সাঁকোটি প্রিয় খুব, সে কখনও একমুখী নয়।

গ্রাম থেকে গ্রামে যাও। সপ্তাহে হাটবার,

মাথায় কপির ঝাঁকা বয়ে বয়ে নিয়ে যাও

অনায়াস, সাঁকোপথ ধরে৷ ওই পথে বাড়ি ফেরো,

বাড়ি বাড়ি, পুঁইমাচা, ইঁটের দেওয়াল।

পরের পৌষ এলে পাকা ছাদ, দ্যাখ খুকি,

দেখে নিস ঠিক

 

যে সাঁকোটি প্রিয় খুব, সে কখনও একমুখী নয়।

বাবার বকুনি আর 

ভাইয়ের খুনসুটি সহজ হাওয়ায় মিলেমিশে

অদূরের ঝিল হয়, সেই ঝিলে টলটলে জল।

জলে ভাসে সখাটির অন্যায় আবদার যত,

সেই জলে ডুব দেয় প্রেমিকের মুখভার,

আড়ি ভাব আদরে আদরে

 

যে সাঁকোটি প্রিয় খুব, সে কখনও একমুখী নয়

চারটি দশক পর মাঠগুলি, ঘরগুলি,

গাছগুলি, পাখিগুলি, হাওয়াতেই উতরোল হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ