টুনটুনির গল্প

টুনটুনির গল্প

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
human and nature by Richeek
মানুষ ও পরিবেশ। ছবি এঁকেছে ঋচীক সামন্ত।
মানুষ ও পরিবেশ। ছবি এঁকেছে ঋচীক সামন্ত।

একটি দুর্গামন্ডপে থাকত দুটি টুনটুনি পাখি। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওখানে থাকে। দুর্গাপূজোর সময় তাদের নিজেদের বাসা ছেড়ে চলে যেতে হয়। আর তখন তাদের কীরকম লাগে আমি নিচে লিখলাম।

বাবা টুনটুনি – দুর্গাপূজো তো চলেই এল আবার আমাদের বাসা ছাড়া হতে হবে। তাড়তাড়ি সব করো। আগে তো মহালয়ার সময় ঠাকুর আসত আর এখন…দাঁড়াও দাঁড়াও ঐ তো মনে হয় ঠাকুর আসছে! উড়ে গিয়ে দেখি।

কিছুক্ষণ পর…

বাবা টুনটুনি – ঠিক বলেছি ঠাকুরই আসছে। আজকেই বাসা ছাড়া হতে হবে।

মা টুনটুনি – তাহলে আমার দুটি সাধের ডিম কি হবে?

বাবা টুনটুনি – ছাড়ো তো তোমার সাধের ডিম। চলো এখনই বেরিয়ে পড়ি।

অনেক্ষণ পর…

মা টুনটুনি – আর কতক্ষণ উড়বে গো?

বাবা টুনটুনি – সন্ধ্যার মধ্যে কোনও বাসা না পেলে মুশকিল হবে।

সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনাতেই…

বাবা টুনটুনি – ঐ তো একটা পেঁচার বাসা না? চলো ওখানে গিয়ে কিছুক্ষণ বসা যাক।

বসার পর…

বাবা টুনটুনি – আরে পেঁচাটা তো ডালে বসে আছে! চলো পালিয়ে যাই।

যেই পালাতে গেছে, ওমনি পেঁচাটার ডানার ঝাপটা খেয়ে মা টুনটুনি পড়ে গিয়ে মারা গেল।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।