ফেস ক্রিম মেখে কোমায় মহিলা

ফেস ক্রিম মেখে কোমায় মহিলা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সম্প্রতি একজন মহিলাকে হসপিটালে নিয়ে আসা হয় আচ্ছন্ন অবস্থায়। তাঁর অবস্থার জন্য দায়ী নাকি একটি কোম্পানির ফেস ক্রিম। ঘটনাটি ঘটেছে ক্যালিফর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোতে। ৪৭ বছর বয়সী মহিলাটি ‘পন্ডস’ কোম্পানির একটি ক্রিম কেনেন থার্ড পার্টির মাধ্যমে যারা মেক্সিকো থেকে এই ধরনের প্রডাক্ট আমদানি করে। সেই ক্রিম মেখে ভদ্রমহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর হাত-পা কাঁপতে থাকে, কথা জড়িয়ে যেতে থাকে। এই অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এবং তার পরই উনি কোমায় চলে যান।

জানা গেছে ওই তৃতীয় পার্টি ক্রিমটির মধ্যে মিথাইলমারকিউরি মিশিয়ে দিয়েছিল। স্যাক্রামেন্টো কাউন্টির ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সার্ভিস ক্রিমটি পরীক্ষা করে এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে। মিথাইল মারকিউরি অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ। ত্বকের ক্রিম থেকে এমন মিথাইলমারকিউরির বিষক্রিয়ার ঘটনা এই প্রথম। মহিলার ছেলে জানিয়েছেন যে কোমায় চলে যাওয়ার আগে তাঁর মা অল্পবিস্তর কথা বলতে পারছিলেন। জুলাই মাস থেকে এখনও পর্যন্ত উনি হাসপাতালেই আছেন। অবস্থার তেমন কোনও উন্নতি ঘটেনি।

পন্ডস কোম্পানির তরফ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে যে তাদের কোনও প্রডাক্টে এমন বিষাক্ত জিনিস থাকে না। তারা সকলকে অনুরোধ করেছে মেক্সিকো থেকে আমদানি করা এই ধরনের প্রডাক্ট না কিনতে। এতে ক্ষতি হতে পারে। এ বার ক্রিমের কম্পোজিশন জেনে বুঝে পাল্টানো হয়েছে বা এটা নিছকই দুর্ঘটনা তা অবশ্য জানা যায়নি।

মিথাইলমারকিউরি এতটাই বিষাক্ত যে শরীরে প্রবেশ করলে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষ অন্ধ, বধির হয়ে যেতে পারেন। নোংরা জলের মাছ খেলে অনেক সময় এই বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করে যায়।

আমাদের রক্তে সাধারণত ৫ মাইক্রোগ্রাম মারকিউরি থাকে। সেখানে মহিলার রক্তে ২৬৩০ মাইক্রোগ্রাম মারকিউরি পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে ওয়র্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ও প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেখানে লেখা ছিল যে মারকিউরি অনেক স্কিন লাইটলিং প্রডাক্টে থাকে, কারণে তা মেলানিন নিঃসরণ কমিয়ে দিতে পারে। যার ফলে হাইপারপিগমেন্টেশন, ব্রণর দাগ দূর হয়ে যায়। অ্যান্টি রিংকল ক্রিমেও মারকিউরি পাওয়া যায়। কিন্তু এই ধরনের প্রডাক্ট খুবই ক্ষতিকর, এই সতর্কবার্তা তারা দিয়েছিল এবং জনগণকে এই ধরনের বিউটি প্রডাক্ট কিনতে বারণ করেছিল। ভদ্রমহিলার ছেলে জানিয়েছেন যে তাঁর মা জেনেশুনেই এই ক্রিম ব্যবহার করতেন কারণ সাধারণ ক্রিমের চেয়ে তা অনেক বেশি কার্যকর। বছরের পর বছর উনি এই ক্রিম দিনে দু বার ব্য়বহার করেছেন।

‘স্যাক্রামেন্টো কাউন্টি অব পাবলিক হেলথ’ ও ‘ক্যালিফর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ’ জানিয়েছে যে এ বার এই ধরনের যাবতীয় ক্রিম (যা স্যাক্রামেন্টো অঞ্চলে পাওয়া যাচ্ছে) বাজেয়াপ্ত করবে এবং পরীক্ষা করবে। কিন্তু এর মধ্যে এই সব ধরনের বিউটি প্রডাক্ট থেকে তারা মানুষদের দূরে থাকতে অনুরোধ জানিয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

sharbat lalmohon babu

ও শরবতে ভিষ নাই!

তবে হ্যাঁ, শরবতকে জাতে তুলে দিয়েছিলেন মগনলাল মেঘরাজ আর জটায়ু। অমন ঘনঘটাময় শরবতের সিন না থাকলে ফেলুদা খানিক ম্যাড়মেড়ে হয়ে যেত। শরবতও যে একটা দুর্দান্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে এই সিনটিতে, তা বোধগম্য হয় একটু বড় বয়সে। শরবতের প্রতি লালমোহন বাবুর অবিশ্বাস, তাঁর ভয়, তাঁর আতঙ্ক আমাদেরও শঙ্কিত করে তোলে নির্দিষ্ট গ্লাসের শরবতের প্রতি।…