ভারতীয় কামিজকে ‘ভিন্টেজ বোহো ড্রেস’ বলে উল্লেখ করায় ট্রোলের শিকার ব্রিটিশ ব্রান্ড

210

অনলাইনে আজকাল আলপিন টু এলিফ্যান্ট সবই পাওয়া যায়| এক মাউসের ক্লিকে জামাকাপড় থেকে খাবারদাবার সবই পৌঁছে যায় দোরগোড়ায়| সম্প্রতি দিয়া নামের এক তরুণী অনলাইনে একটা ড্রেস কিনবেন বলে ঠিক করেন| যেমন ভাবা তেমন কাজ| বিভিন্ন সাইট ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ ওঁর চোখে পড়ে একটা ব্রিটিশ জামাকাপড়ের ব্রান্ড ‘ভিন্টেজ বোহো ড্রেস’ বলে ভারতীয় কুর্তি বা কামিজ বিক্রি করছে|

দিয়া সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনশট নিয়ে সেই ‘ভিন্টেজ ড্রেস’-এর ছবি শেয়ার করেন ওঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে| ক্যাপশনে উনি লেখেন ‘এগুলো নাকি ভিন্টেজ বোহো ড্রেস!?? আমার মতে এটা সালোয়ার ছাড়া কামিজ|’ কিছু ক্ষণের মধ্যে দিয়ার করা টুইট ভাইরাল হয়ে যায় | ইতিমধ্যেই ওঁর টুইটে ১৪,৫০০ লাইক পড়ছে আর ৭,০০০বার রি-টুইট করা হয়েছে| দিয়ার শেয়ার করা স্ক্রিনশট থেকে দেখা যাচ্ছে মডেলরা ভারতীয় কুর্তি পরে রয়েছে| যার দাম ২০ থেকে ৩৬ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ১৭৭৫ থেকে ৩১৯০ টাকা)|

দিয়া যে ক্লোদিং ব্রাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন তা ইংল্যান্ডে অবস্থিত| দিয়ার টুইটের পর ট্রোলের বন্যা বয়ে যায়| অনেকেই ওই জামাকাপড়ের ব্রান্ডটাকে নিয়ে মজা করেছেন কেউ কেউ আবার রেগেও গেছেন|

এক জন লিখেছেন ‘ মনে হচ্ছে কামিজের সালোয়ারগুলো হারিয়ে গেছে|’ অন্য এক জন লিখেছেন ‘আমি ভাবছি পাজামা গুলোর কী হবে? সেগুলো কী আলাদা করে বোহো এক্সটিক প্যান্ট বলে বিক্রি করা হবে?’ অন্য এক জন উল্লেখে করেছেন ‘আধা পোশাক বিক্রি করছে তাও আবার এত দাম দিয়ে?’ অন্য এক জন লিখেছেন ‘আমি ও ভাবছি আমার কামিজগুলোকে বোহো ড্রেস বলে বিক্রি করে দেবো |’ 

পরবর্তী খবর অনুযায়ী সেই জামাকাপড়ের ব্রান্ড এই ধরনের সব পোশাক সড়িয়ে দিয়েছে তাদের ওয়েবসাইট থেকে| সেই ওয়েবসাইটের মুখপাত্র জানিয়েছেন ‘আমাদের ওয়েবসাইট একসঙ্গে অনেক পোশাক কিনেছে| যার কাছ থেকে কিনেছে সে এইগুলোকে ‘বোহো ভিন্টেজ ‘ পোশাক বলে বিক্রি করেছে| তাই আমরাও আমাদের ওয়েবসাইটে তেমনটাই উল্লেখ করি| পরে যে মুহূর্তে আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারি সেই পোশাকগুলো সড়িয়ে দিয়েছি| আমরা এর জন্য ক্ষমা চাইছি| ‘

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.