দিনে কতটা জল খাওয়াবেন বাচ্চাকে?

দিনে কতটা জল খাওয়াবেন বাচ্চাকে?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

জল খাওয়া জরুরি। এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন দিনে ২-৩ লিটার জল খাওয়া ভাল। কিন্তু বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে? আদতে কতটা জল খাওয়া উচিত বাচ্চাদের? উত্তর খুঁজলাম আমরা।

সাধারণত বাচ্চাদের শরীরের ৭৫% জল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর পরিমাণ কমে যায় ১৫% মতো। অর্থাৎ তখন পরিমাণ এসে দাঁড়ায় ৬০%-এ। জল শরীরের পক্ষে জরুরি হলেও অতিরিক্ত পরিমাণে জল খেলে, তা শরীরের ক্ষতিও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এতে কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। বাচ্চাদের শরীরে জলের প্রয়োজন বড়দের চেয়ে আলাদা। ফলে জল খাওয়ার পরিমাণও আলাদা। বয়স এবং লিঙ্গের উপর নির্ভর করে এক জন বাচ্চার কতটা জল খাওয়া প্রয়োজন। এর সঙ্গে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে তার পরিবেশ এবং তার শারীরিক অবস্থা। কারও কারও শরীরে জলের চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে।

সাধারণত আমাদের দেশের বাচ্চাদের দিনে ১.১ লিটার থেকে ১.৩ লিটার জল খেলেই হয়। তবে এই কথাটা চার থেকে আট বছরের বাচ্চাদের জন্য প্রযোজ্য।  ৯ বছর থেকে ১৩ বছর বয়সী মেয়েদের সাধারণত খাওয়া উচিত ১.৩ থেকে ১.৫ লিটার জল। আর একই বয়সী ছেলেদের খাওয়া প্রয়োজন ১.৫ লিটার থেকে ১.৭ লিটার জল। অন্য দেশে আবার এই নিয়ম পাল্টে যায় জলবায়ুর কারণে।

অনেক বাচ্চা আবার জল খেতে চায় না। সে ক্ষেত্রে দুধ, ডাবের জল, ফলের রস জাতীয় তরল পানীয় ওকে খাওয়ান। আসল উদ্দেশ্য কিন্তু শরীরে তরল পদার্থ প্রবেশ করানো। জলের অভাবে বাচ্চার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। মনোযোগ দিতে অসুবিধে হয়। ত্বকও শুষ্ক হয়ে ফাটতে শুরু করে, কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে মাথায় রাখবেন, জল খাওয়া জরুরি বলে বাচ্চাকে জোর করে জল খাওয়াবেন না। এতে জলর অরুচি ধরে যাবে।

বাচ্চারা তো এক সঙ্গে অনেকটা জল খেতে পারে না, তাই সারা দিনে বারে বারে ওকে জল খাওয়ান। ঘুম থেকে ওঠার পর, ঘুমোতে যাওয়ার আগে, স্কুল থেকে এলে, বিকেলে খেলতে যাওয়ার আগে জল খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। ওর ঘরে সব সময় জলের বোতল রাখুন। কোথাও গেলেও সঙ্গে করে নিয়ে যান। এ ভাবেই আস্তে আস্তে ওকে জল খাওয়ানো অভ্যেস করুন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।