অনিল কপূরকে সতেরোটা চড়!!!

অনিল কপূরকে সতেরোটা চড়!!!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অনিল কপূর এক জন পার্ফেকশনিস্ট| মানে যত ক্ষণ না ছবির কোনও দৃশ্য মনের মতো হচ্ছে উনি বার বার সেই দৃশ্যের টেক দিতেই থাকেন| এমনই একটা ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন অভিনেতা জ্যাকি শ্রফ| বলিউডের ক্লাসিক ছবি ‘পরিন্দা’ তিরিশ বছর পূর্ণ করলো| বিধুবিনোদ চোপড়া পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পেয়েছিল নভেম্বর ৩‚ ১৯৮৯ সালে| অনিল কপূর এবং জ্যাকি শর্ফ ছড়াও ছবির প্রধান চরিত্রে দেখা গেছিল নানা পটেকর আর মাধুরী দীক্ষিতকে|

While displays of affection are commonplace in Bollywood today, 30 years ago such scenes were few and far in between. Have a look at the trials and tribulations behind shooting one such scene. #30YearsOfParinda @MadhuriDixit @AnilKapoor @bindasbhidu #Parinda pic.twitter.com/4L3XCA5lir— Vidhu Vinod Chopra Films (@VVCFilms) 1 November 2019

‘পরিন্দা’-র তিরিশ বছর পূর্ণ হওয়ার আনন্দে ছবির পরিচালক সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবিকে ঘিরে বিভিন্ন ঘটনার কথা উল্লেখ করেন| একই সঙ্গে ছবির বেশ কয়েকটা দৃশ্যও উনি শেয়ার করেছেন| তেমনই একটা ভিডিওতে ছবির প্রস্তুতকারক জানিয়েছেন অনিল কপূর এই ছবির একটা দৃশ্য একাধিকবার শ্যুট করেন| অবশেষে সতেরোবার শ্যুট করার পর ফাইনাল কাট পাওয়া যায়|

জ্যাকি শ্রফও ছবির শ্যুটিং চলাকালীন নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন| ওঁর কথায় ‘ এই ছবিতে অনিল কপূর আমার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিল| একটা দৃশ্যে বড় দাদা রেগে গিয়ে চড় মারে ছোট ভাইকে| প্রথমবারেই দৃশ্যটা ওকে ছিল| কিন্তু অনিলের পছন্দ হল না| আমি ওকে আরও এক বার চড় মারলাম‚ তাতেও হল না| অবশেষে সতেরো বার চড় মারার পর ওই শট ওকে করা হল| প্রতি বারই আমাকে জোরে চড় মারতে হয়েছিল| কারণ নকল চড় মারলে আবার অনিল ঠিক মতো এক্সপ্রেশন দিতে পারছিল না|
জাত অভিনেতারা বোধ হয় এ রকমই হন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।