কেট মিডলটন ও মেগান মার্কেল সন্ধ্যা ৬টার আগে হীরে পরেন না‚ কিন্তু কেন?

ব্রিটেনের রাজ পরিবারে হিরে জহরত‚ মনি-মাণিক্যের ছড়াছড়ি| তাঁদের গয়নার সংগ্রহ দেখলে চোখ কপালে উঠে যাবে আমার আপনার| তা সত্ত্বেও কেট মিডলটন ও মেগান মার্কেল কিন্তু যখন তখন যা খুশি গয়না পরতে পারেন না| শুনলে অবাক হবেন রাজ পরিবারের সদস্যরা হিরের গয়না শুধুমাত্র সন্ধ্যা ৬টার পরই পরতে পারেন|

অবশ্য কেট ও মেগান দু’জনেই তাঁদের হিরে খচিত এনগেজমেন্টের আংটি পরে থাকেন| কিন্তু এ ছাড়া সারা দিনে আর অন্য কোনও হিরের গয়না পরতে দেখা যায় না তাঁদের | অবশ্য বিশেষ উপলক্ষ্য হলে আলাদা কথা| তখন এই নিয়মের অন্যথা করা হয়|

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম মানতে হয় ওঁদের? বিশজ্ঞদের মতে দিনের বেলা রাজপরিবারের সদস্যরা জমকালো কোনও গয়না পরতে পারবেন না| দিনের আলোর তীব্রতা যেন হিরের গয়নাকে বেশি না ঝলকায়। তা হলে ঝকমকে গয়নায় ‘ফ্ল্যাসি’ লাগতে পারে রাজপরিবারের বউদের। এবং সেটাতে আভিজাত্য নষ্ট হয। তাই দিনের বেলা ওঁরা মুক্ত বা পোখরাজ বা চুনির গয়না বেছে নেন| কিন্তু সন্ধ্যা ৬টার আগে অতিরিক্ত জমকালো গয়না যা সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তা এড়িয়ে চলেন|

অবশ্য কেট কোনওদিনই অতিরিক্ত মূল্যবান গয়না পরতে পছন্দ করেন না| ওঁকে মাঝে মধ্যেই এমন গয়না পরতে দেখা যায় যা সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে | বেশ কয়েকবার কেটকে মাত্র ৮ পাউন্ডের কানের দুল পরেও দেখা গেছে| অন্য দিকে মেগান, মিসোমা-র তৈরি করা আংটি পরতে ভালবাসেন যার দাম খুবই কম|

এটিকেট এক্সপার্ট মাইকা মিয়রের মতে একমাত্র রাতে কেট ও মেগান জমকালো গয়না পরে থাকেন| অন্য দিকে রয়ল বাটলার গ্রান্ট হ্যারল্ডের মতে রাজ পরিবারের বিবাহিত মহিলারাই শুধুমাত্র মুকুট বা টিয়ারা পরতে পারেন| গ্রান্টের কথায়’বিবাহিত মহিলাদের কাছে মুকুট স্টেটাস সিম্বল| একই সঙ্গে মুকুট মাথায় থাকা মানে তাঁদের বিয়ে হয়ে গেছে| তাই অবিবাহিত পুরুষরা সেই ব্যাপারে সাবধান থাকবেন এবং সেই মহিলাদের এড়িয়ে চলবেন |’

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কেট‚ রাজকুমারী ডায়নার প্রিয় মুকুট মাথায় দিয়েছিলেন রানি এলিজাবেথের আয়োজিত একটা অনুষ্ঠানে| এ ছাড়াও ডাচেস অব কেমব্রিজ ও ডাচেস অব সাসেক্সকে বিয়ের দিন চোখ ধাঁধানো মুকুট পরতে দেখা গেছিল|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

afgan snow

সুরভিত স্নো-হোয়াইট

সব কালের জন্য তো সব জিনিস নয়। সাদা-কালোয় উত্তম-সুচিত্রা বা রাজ কপূর-নার্গিসকে দেখলে যেমন হৃদয় চলকে ওঠে, এ কালে রণবীর-দীপিকাকে দেখলেও ঠিক যেমন তেমনটা হয় না। তাই স্নো বরং তোলা থাক সে কালের আধো-স্বপ্ন, আধো-বাস্তব বেণী দোলানো সাদা-কালো সুচিত্রা সেনেদের জন্য।স্নো-মাখা প্রেমিকার গাল নিশ্চয়ই অনের বেশি স্নিগ্ধ ছিল, এ কালের বিবি-সিসি ক্রিম মাখা প্রেমিকাদের গালের চেয়ে।