কেট মিডলটন ও মেগান মার্কেল সন্ধ্যা ৬টার আগে হীরে পরেন না‚ কিন্তু কেন?

কেট মিডলটন ও মেগান মার্কেল সন্ধ্যা ৬টার আগে হীরে পরেন না‚ কিন্তু কেন?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ব্রিটেনের রাজ পরিবারে হিরে জহরত‚ মনি-মাণিক্যের ছড়াছড়ি| তাঁদের গয়নার সংগ্রহ দেখলে চোখ কপালে উঠে যাবে আমার আপনার| তা সত্ত্বেও কেট মিডলটন ও মেগান মার্কেল কিন্তু যখন তখন যা খুশি গয়না পরতে পারেন না| শুনলে অবাক হবেন রাজ পরিবারের সদস্যরা হিরের গয়না শুধুমাত্র সন্ধ্যা ৬টার পরই পরতে পারেন|

অবশ্য কেট ও মেগান দু’জনেই তাঁদের হিরে খচিত এনগেজমেন্টের আংটি পরে থাকেন| কিন্তু এ ছাড়া সারা দিনে আর অন্য কোনও হিরের গয়না পরতে দেখা যায় না তাঁদের | অবশ্য বিশেষ উপলক্ষ্য হলে আলাদা কথা| তখন এই নিয়মের অন্যথা করা হয়|

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম মানতে হয় ওঁদের? বিশজ্ঞদের মতে দিনের বেলা রাজপরিবারের সদস্যরা জমকালো কোনও গয়না পরতে পারবেন না| দিনের আলোর তীব্রতা যেন হিরের গয়নাকে বেশি না ঝলকায়। তা হলে ঝকমকে গয়নায় ‘ফ্ল্যাসি’ লাগতে পারে রাজপরিবারের বউদের। এবং সেটাতে আভিজাত্য নষ্ট হয। তাই দিনের বেলা ওঁরা মুক্ত বা পোখরাজ বা চুনির গয়না বেছে নেন| কিন্তু সন্ধ্যা ৬টার আগে অতিরিক্ত জমকালো গয়না যা সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তা এড়িয়ে চলেন|

অবশ্য কেট কোনওদিনই অতিরিক্ত মূল্যবান গয়না পরতে পছন্দ করেন না| ওঁকে মাঝে মধ্যেই এমন গয়না পরতে দেখা যায় যা সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে | বেশ কয়েকবার কেটকে মাত্র ৮ পাউন্ডের কানের দুল পরেও দেখা গেছে| অন্য দিকে মেগান, মিসোমা-র তৈরি করা আংটি পরতে ভালবাসেন যার দাম খুবই কম|

এটিকেট এক্সপার্ট মাইকা মিয়রের মতে একমাত্র রাতে কেট ও মেগান জমকালো গয়না পরে থাকেন| অন্য দিকে রয়ল বাটলার গ্রান্ট হ্যারল্ডের মতে রাজ পরিবারের বিবাহিত মহিলারাই শুধুমাত্র মুকুট বা টিয়ারা পরতে পারেন| গ্রান্টের কথায়’বিবাহিত মহিলাদের কাছে মুকুট স্টেটাস সিম্বল| একই সঙ্গে মুকুট মাথায় থাকা মানে তাঁদের বিয়ে হয়ে গেছে| তাই অবিবাহিত পুরুষরা সেই ব্যাপারে সাবধান থাকবেন এবং সেই মহিলাদের এড়িয়ে চলবেন |’

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কেট‚ রাজকুমারী ডায়নার প্রিয় মুকুট মাথায় দিয়েছিলেন রানি এলিজাবেথের আয়োজিত একটা অনুষ্ঠানে| এ ছাড়াও ডাচেস অব কেমব্রিজ ও ডাচেস অব সাসেক্সকে বিয়ের দিন চোখ ধাঁধানো মুকুট পরতে দেখা গেছিল|

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ