রাখী সাওয়ান্তের মিথ্যে বিয়ে

রাখী সাওয়ান্তের মিথ্যে বিয়ে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

রাখী সাওয়ান্তের বিয়ের রহস্য যত দিন যাচ্ছে ততই ঘনীভূত হচ্ছে। কিছুদিন আগেই রাখী জানান যে রীতেশ নামক একজন এনআরআই-কে তিনি বিয়ে করেছেন। লন্ডনের বাসিন্দা রীতেশ নাকি প্রথম দর্শনেই রাখীর প্রেমে পড়ে গেছিলেন। রাখীরও নাকি কথা বলতে বলতে রীতেশকে ভাল লেগে যায় এবং তার পরই তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাখীর বিয়ের ছবি পাওয়া না গেলেও হনিমুনের ছবি পাওয়া গেছে। রাখী নিজেই সেগুলি পোস্ট করেছেন। আর সব ছবিতেই রাখীর সাজ পোশাক দেখে মনে হয়েছে যে তিনি নব বিবাহিতা বধূ। মাথায় সিঁদুর, গলায় মঙ্গলসূত্র পরা রাখীকে দেখে অনেকেই চমকে গেছিলেন। রাখী এও জানিয়েছিলেন যে  রীতেশের সঙ্গে এবার থেকে লন্ডনেই থাকবেন তিনি। দেশে আসবেন কাজের খাতিরে।

তবে এখন জানা যাচ্ছে, রাখীর এই বিয়ের খবর পুরোটাই ভূয়ো। আদতে কাউকেই বিয়ে করেননি রাখী। রিতেশ নামে আদৌ কেউ আছে কি না, তাই নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ তথাকথিত স্বামীর সঙ্গে একটিও ছবি দেননি রাখী। সুতরাং অনুমান করাই যায়, যে শুধু মাত্র লাইমলাইটে থাকার জন্যই রাখীর এই মিথ্যে বিয়ের খবর চাউর করেছেন।

সম্প্রতি আর একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রাখী। দীপক কালাল নাকি তাঁর সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করায় রাখীর ননদ দীপককে চড় মেরেছেন। এই ভিডিওটি দীপকও নিজের ইনস্ট্যাগ্র্যাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন। ভিডিওটি ইতিমধ্যে ভাইরালও হয়ে গেছে। আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে কয়েক মাস আগে মিডিয়া ডেকে রাখী আর দীপক ঘোষণা করেছিলেন যে তাঁরা বিয়ে করছেন। সেটাও আদতে নাটকই ছিল। আর পুরোটাই প্ল্যান করেছিলেন দীপক ও রাখী। এবারেও ঠিক একইভাবে তাঁরা দীপকের চড় খাওয়াটা সাজিয়েছেন। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, দীপক নাকি রাখীকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছেন এই নাটকটি করার জন্য। যে মেয়েটিকে ভিডিওতে চড় মারতে দেখা গেছে, সে আদতে রাখীর কোনও ননদ নয়। রাখী যে বিতর্কের আর এক নাম সেটা কিন্তু উনি ফের প্রমাণ করলেন। কিন্তু এই ভাবে আর কতদিন চর্চার বিষয় হবেন, সেটা সময়ই বলবে!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।