ঘুম না ব্যায়াম‚ শরীর ক্লান্ত থাকলে কী করবেন?

আমাদের সবারই এক এক দিন প্রচন্ড ক্লান্ত লাগে আর বিছানা থেকে উঠে কোনও কাজ করতে, বিশেষত জিমে যেতে ইচ্ছা করে না| এমনটা অনেক কারণের জন্য হতে পারে| রাতে হয়তো দেরি করে শুয়েছেন বা মানসিক চাপের মধ্যে আছেন ফলে কাজ করার উৎসাহ খুঁজে পাচ্ছেন না| অথচ আপনার বিছানা থেকে ওঠা দরকার, কিন্তু আপনার শরীর তা মানতে রাজি নয় কিছুতেই| সে ঘুম চায়। এমন হলে কী করবেন জিমে যাবেন নাকি ঘরে বিশ্রাম নেবেন?

বিশেষত যাঁরা ফিটনেস ফ্রিক, তাঁদের এক দিন জিমে না গেলে বা ব্যায়াম না করলে মন খুঁতখুঁত কো করেই, অপরাধ বোধেও ভোগেন অনেকে। নিজের প্রতি এতটা রূঢ় হবেন না। আপনি জোর করে জিন করলে ফল উল্টো হতে পারে। আপনার মন-মস্তিষ্কের চাহিদার সঙ্গে শরীরের চাহিদাটাও বুঝতে হবে।

ঘুম আর যোগ ব্যায়ামের মধ্যে সম্পর্ক :

ঘুম আর যোগ ব্যায়ামের মধ্যে সম্পর্কে কী সেটা প্রথমে বুঝতে হবে| আমরা সবাই জানি কম ঘুমোলে শরীর ক্লান্ত থাকে‚ বিরক্ত লাগে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়| এ ছাড়াও রোজকার কাজের ওপরেও তার ছাপ পড়ে| আসুন দেখে নিন শরীর ক্লান্ত থাকাকালীন জিমে গেলে কী হবে?

– কম ঘুমোনোর ফলে শরীর ক্লান্ত থাকে তাই জিমে গিয়ে যোগ ব্যায়াম করার শক্তি পাবেন না|
– মন দিয়ে যোগ ব্যায়াম করতে পারবেন না|
– শরীর ক্লান্ত থাকলে আপনি মনযোগ দিতে পারবেন না ফলে যোগ ব্যায়াম করার সময় চোট পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যাবে|
– শরীর ক্লান্ত থাকা মানে আপনার শরীরের বিশ্রাম দরকার| বিশ্রাম না নিয়ে যদি জোর করে ব্যায়াম করেন তাহলে পেশীতে ব্যাথা বেদনা বাড়বে|

অথচ আমরা ভাবি জিমে গিয়ে বা বাড়িতে শরীরচর্চা করলে শরীরের ক্লান্তি দূর হবে, ঝরঝরে তাজা লাগবে শরীর। ঘাম বেরিয়ে শরীর হালকা হয়ে যাবে, টক্সিন নির্গত হবে, তা হলে ফিট হয়ে যাবে শরীর। আদতে উল্টোটাই হয়। শরীর আরও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

যদি শরীর ক্লান্ত লাগে তাহলে জিমে না গিয়ে বিশ্রাম নিন| এক দু’দিন জিমে না গেলে কোনও ক্ষতি নেই| রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করুন| সকালে জিমে যেতে না পারলে সন্ধ্যেবেলায় যাওয়ার চেষ্টা করুন| তাও না পারলে অল্প হেঁটে আসুন|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

afgan snow

সুরভিত স্নো-হোয়াইট

সব কালের জন্য তো সব জিনিস নয়। সাদা-কালোয় উত্তম-সুচিত্রা বা রাজ কপূর-নার্গিসকে দেখলে যেমন হৃদয় চলকে ওঠে, এ কালে রণবীর-দীপিকাকে দেখলেও ঠিক যেমন তেমনটা হয় না। তাই স্নো বরং তোলা থাক সে কালের আধো-স্বপ্ন, আধো-বাস্তব বেণী দোলানো সাদা-কালো সুচিত্রা সেনেদের জন্য।স্নো-মাখা প্রেমিকার গাল নিশ্চয়ই অনের বেশি স্নিগ্ধ ছিল, এ কালের বিবি-সিসি ক্রিম মাখা প্রেমিকাদের গালের চেয়ে।