‘সিঙ্গল’ থাকাই ভাল বলছে সমীক্ষা

‘সিঙ্গল’ থাকাই ভাল বলছে সমীক্ষা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

যদি সুখে থাকতে চান তা হলে ‘সিঙ্গল’ থাকুন বলছে সমীক্ষা| এক জন সঙ্গী থাকলে ভাল নিশচয়ই লাগে| কিন্তু নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ববিদ এরিক ক্লিনেনবার্থ ও নাটালিয়া সার্কিসেন-এর গবেষণা অনুযায়ী‚ যাঁরা একা থাকেন তাঁরা সামাজিকভাবে অনেক বেশি সক্রিয়, যাঁরা বিবাহিত বা সঙ্গীর সঙ্গে থাকেন, তাঁরা কম সক্রিয়| ওঁরা আরও জানিয়েছেন যে সমস্ত শহরে ‘সিঙ্গল’ মানুষের সংখ্যা বেশি সেই সব শহরের মানুষ অনেক বেশি সুখী| একই সঙ্গে এরিক-এর গবেষণা বলছে যাঁরা একা থাকেন তাঁরা সহজেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন অন্যদের জন্য|

মনে রাখতে হবে যুগের হাওয়া মেনে বাড়ছে কেরিয়ারের চাপ| কর্মক্ষেত্রে উন্নতি আবার একই সঙ্গে সঙ্গীকে সময় দেওয়া পস্পরবিরোধী হয়ে দাঁড়াচ্ছে| দু’দিকের তাল সামলাতে না পেরে হিমশিম খেয়ে মনোকষ্টে ভুগছেন অনেকেই|

সিঙ্গল ব্যক্তিরা শারীরিকভাবেও অনেক বেশি ফিট হন| ১৬-৬৪ বছর বয়সি ১৩,০০০ জনকে নিয়ে করা সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে যারা বিয়ে করেননি তাংরা ব্যায়াম এবং শরীরচর্চার দিকে অনেক বেশি মনোযোগ দেন| পাশাপাশি এটাও জানা গেছে যাঁরা একা থাকেন তাঁরা অনেক বেশি স্বনির্ভর হন| ফলে তাঁদের চিন্তাভাবনা অনেক বেশি আধুনিক হয়| ১৯৯৮ সালে সার্ভে অব ফ্যামিলি অ্যান্ড হাউজহোল্ডস জানিয়েছিল ‘সিঙ্গল’ ব্যক্তিরা বিকাশের দিক দিয়ে অনেক বেশি এগিয়ে‚ যা আজকের পৃথিবীর জন্য অত্যন্ত জরুরি|

অন্য দিকে আর একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে ব্যক্তির অনেক বন্ধু আছে তাঁরা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি খুশি থাকে| ২৮০,০০০ ব্যক্তিদের নিয়ে সমীক্ষা করেন সাইকোলজিস্ট উইলিয়াম চোপিক| উনি জানিয়েছেন মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও বেশি দরকারি হয়ে পড়ে| যে সব বয়স্ক ব্যক্তিদের বন্ধু আছে তাঁরা স্বাস্থ্যের দিক দিয়েও অনেক বেশি ভাল থাকেন, জানিয়েছেন চোপিক |

উইলিয়াম চোপিকের কথায় ‘সব ব্যক্তিরই কয়েক জন ভাল বন্ধু থাকাটা খুব জরুরি| এর ফলে আমরা মানসিক এবং শারীরিক দিক দিয়ে অনেক বেশি ভাল থাকি| ‘

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ