সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় 7 posts
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমার মাস্টার মশাই ছিলেন বলে বা সরকারি প্রতিষ্ঠান 'রূপকলা কেন্দ্র'-র অধিকর্তা ছিলেন বলে তাঁর নামের পাশে 'চলচ্চিত্রবেত্তা' অভিধাটি স্বাভাবিক ভাবেই বসে যায়। আসলে কিন্তু সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় একজন চিন্ত্যক ও আমাদের সাংস্কৃতিক আধুনিকতার ভাষ্যকার। কাব্য বা উপন্যাস, চিত্রকলা বা নাটক,জনপ্রিয় ছায়াছবি বা রবীন্দ্রসংগীত-যে কোন পরিসরেই সঞ্জয় এক ধরনের মৌলিক ভাবনার বিচ্ছুরণ ঘটান। সেই মনোপ্রবণতায় আকাদেমিয়ার জীবাশ্ম নেই বরং ছড়িয়ে থাকে মেধার কারুবাসনা। আলোচনাচক্রে, দেশে ও বিদেশে,বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ভাষনে তিনি প্রতিষ্ঠিত বক্তা। ঋত্বিক ঘটকের প্রবন্ধাবলী সহ সম্পাদনা করেছেন একাধিক গ্রন্থ। অনুবাদ করেছেন ছটি বিখ্যাত সিনেমার চিত্রনাট্য। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আট। একমাত্র উপন্যাস 'বুনো স্ট্রবেরি' ইতিমধ্যেই তরুণ মহলের নজরে। হাইকোর্টসঙ্কুল এই শহরে তিনি নিজেকে 'আমুদে বাঙাল' ভেবেই খুশি।
View posts →সঞ্জয় সেনগুপ্ত 22 posts
বিশিষ্ট গ্রামোফোন রেকর্ড সংগ্রাহক সঞ্জয় সেনগুপ্ত, গান বাজনা-র জগতে এক বিস্ময়কর নাম। কলকাতায় জন্ম হলেও ছেলেবেলা কেটেছে ওড়িশায়। দীর্ঘদিন এইচ.এম.ভি-র মতো ঐতিহ্যশালী সাঙ্গীতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে। তাঁর অনবদ্য কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে আছে প্রায় ১২০০ বই ও পত্র-পত্রিকায়, দেশ বিদেশ জুড়ে। সঙ্গীত ছাড়াও আগ্রহ নানা বিষয়ে। খেলাধূলা, মূলত ক্রিকেট ও সিনেমা সংক্রান্ত লেখায় তাঁর পান্ডিত্য ঈর্ষণীয়।
View posts →সঞ্জিত চৌধুরী 2 posts
সঞ্জিত চৌধুরীর জন্ম কলতাতায় এবং লেখাপড়া সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। পেশায় আলোকচিত্রী এবং পরিচালক সঞ্জীত একজন প্রিন্ট ও গ্লাস নেগেটিভ সংগ্রাহকও। ওঁর ছবি দেশে বিদেশে একাধিক প্রদর্শনীতে জায়গা করে নিয়েছে। তিনি একজন বিশিষ্ট খাদ্যবিশারদ ও রন্ধন ইতিহাসবিদ হিসেবেও সুবিদিত।
View posts →সন্দীপ দত্ত 1 post
সন্দীপ দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর ও বিএড করে সিটি কলেজ স্কুলে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন। ১৯৭৮ সালে তিনি লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।
View posts →সন্দীপ মিত্র 2 posts
সন্দীপ মিত্রের জন্ম ১৯৫৫ সালে কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। ১৯৭৮ সালে বিদেশমন্ত্রকে চাকরিতে যোগ দেন। এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের ভারতীয় দূতাবাসে কাজ করেছেন দীর্ঘকাল। ২০১৫ সালে অবসর নেন। ভালোবাসেন বই পড়তে, ব্লগ লিখতে, দেশবিদেশ ঘুরে ঘুরে ছবি তুলতে। ভারতীয় রাজনীতি, বিদেশনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী।
View posts →সন্দীপ রায় 4 posts
পেশায় স্কুলশিক্ষক। বিষয় বাংলা সাহিত্য। বর্তমানে হালিশহরের বাসিন্দা। সাহিত্যের প্রতি একনিষ্ঠ দীর্ঘদিন ধরেই। ইতিমধ্যেই দুটি ছোটগল্প সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। একটির নাম তৃতীয় প্রহর। অপরটি পূর্বাপর।
View posts →সন্দীপন চক্রবর্তী 3 posts
সন্দীপন চক্রবর্তী কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলচ্চিত্র বিদ্যায় স্নাতকোত্তর। নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকেই নানা পত্রপত্রিকায় লেখা শুরু। গবেষণা করেছেন 'কৃত্তিবাস' পত্রিকার ইতিহাস নিয়ে, এ-বাংলার নব্বই দশকের কবিদের নাগরিক কাব্যভাষা নিয়ে। সম্পাদনা করেছেন 'পাঠকই কবিতা' পত্রিকা। এযাবৎ প্রকাশিত কবিতার বই 'জীয়নকাঠি মরণকাঠি', 'কারাই সময় নেই দাঁড়ানোর', 'বাতাসের দোষ নেই', 'শরণার্থী শব্দদল' ইত্যাদি। ২০১৯ সালে দেজ় থেকে প্রকাশিত হয় সন্দীপনের করা গুলজ়ারের উর্দু কাব্যগ্রন্থ 'মাশকুক নজ়মে'-র বাংলা ভাষান্তর 'সন্দেহজনক কবিতা'।
View posts →সন্দীপন ভট্টাচার্য 1 post
সন্দীপন ভট্টাচার্য বাংলা বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত। যুক্ত অর্থে বইপ্রকাশের অনেকগুলো পর্যায় তিনি নিজের হাতেই করেন। প্রুফ দেখা থেকে প্রচ্ছদ তৈরি পর্যন্ত। আর অল্পবিস্তর লেখেন, অনুবাদ করেন, ছবি আঁকেন। নিজের সম্পর্কে বলতে অস্বস্তিবোধ করেন।
View posts →সন্দীপন সরকার 1 post
বেড়ে ওঠা ছোটো শহরে, প্রকৃতি যেখানে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কলকাতায় আসা। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে আড়াই দশকের বসত। বহুজাতিক সংস্থায় পদস্থ কর্মী। কাজের ফাঁকে যন্ত্রকে বাংলা শেখানোর গবেষণা। সে পথেই ডক্টরেট প্রাপ্তি। বাংলা আর রবি ঠাকুরের ভালোবাসায় tagoreweb.in সহসৃষ্টি। প্রকৃতির নেশায় টালমাটাল। ফাঁক পেলেই পালিয়ে যাওয়া জঙ্গল-পাহাড়-নদীর কাছে। গবেষণা, প্রযুক্তি এবং ব্যবসা নিয়ে ইংরেজিতে প্রবন্ধ লেখেন দীর্ঘদিন ধরে। ইদানীং বাংলাতেও লিখছেন।
View posts →সন্দীপা মালাকার 3 posts
ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার। নতুন নতুন জায়গায় বেড়ানো এবং স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ভালোবাসেন। তাঁর ছবির মাধ্যমে দর্শকদের কাছে কোনও একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চান।
View posts →সপ্তর্ষি বসু 1 post
View posts →সপ্তর্ষি রায় বর্ধন 41 posts
সপ্তর্ষি রায় বর্ধনের জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই তার প্রাণের শহর কলকাতায়। প্রথাগত ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। লেখাজোকা, ছবি তোলা, নাট্যাভিনয় আর হেরিটেজের সুলুক সন্ধানের নেশায় মশগুল। সঙ্গে বই পড়া, গান বাজনা শোনা আর আকাশ পাতাল ভাবনার অদম্য বাসনা। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন- "রূপকথার মতো- স্মৃতিকথায় প্রণতি রায়", "খেয়ালের খেরোখাতা" এবং "চব্য চোষ্য লেহ্য পেয়"।
View posts →