সন্দীপ দত্ত 1 post
সন্দীপ দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর ও বিএড করে সিটি কলেজ স্কুলে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন। ১৯৭৮ সালে তিনি লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।
View posts →সন্দীপ মিত্র 2 posts
সন্দীপ মিত্রের জন্ম ১৯৫৫ সালে কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। ১৯৭৮ সালে বিদেশমন্ত্রকে চাকরিতে যোগ দেন। এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের ভারতীয় দূতাবাসে কাজ করেছেন দীর্ঘকাল। ২০১৫ সালে অবসর নেন। ভালোবাসেন বই পড়তে, ব্লগ লিখতে, দেশবিদেশ ঘুরে ঘুরে ছবি তুলতে। ভারতীয় রাজনীতি, বিদেশনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী।
View posts →সন্দীপ রায় 4 posts
পেশায় স্কুলশিক্ষক। বিষয় বাংলা সাহিত্য। বর্তমানে হালিশহরের বাসিন্দা। সাহিত্যের প্রতি একনিষ্ঠ দীর্ঘদিন ধরেই। ইতিমধ্যেই দুটি ছোটগল্প সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। একটির নাম তৃতীয় প্রহর। অপরটি পূর্বাপর।
View posts →সন্দীপন চক্রবর্তী 3 posts
সন্দীপন চক্রবর্তী কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলচ্চিত্র বিদ্যায় স্নাতকোত্তর। নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকেই নানা পত্রপত্রিকায় লেখা শুরু। গবেষণা করেছেন 'কৃত্তিবাস' পত্রিকার ইতিহাস নিয়ে, এ-বাংলার নব্বই দশকের কবিদের নাগরিক কাব্যভাষা নিয়ে। সম্পাদনা করেছেন 'পাঠকই কবিতা' পত্রিকা। এযাবৎ প্রকাশিত কবিতার বই 'জীয়নকাঠি মরণকাঠি', 'কারাই সময় নেই দাঁড়ানোর', 'বাতাসের দোষ নেই', 'শরণার্থী শব্দদল' ইত্যাদি। ২০১৯ সালে দেজ় থেকে প্রকাশিত হয় সন্দীপনের করা গুলজ়ারের উর্দু কাব্যগ্রন্থ 'মাশকুক নজ়মে'-র বাংলা ভাষান্তর 'সন্দেহজনক কবিতা'।
View posts →সন্দীপন ভট্টাচার্য 1 post
সন্দীপন ভট্টাচার্য বাংলা বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত। যুক্ত অর্থে বইপ্রকাশের অনেকগুলো পর্যায় তিনি নিজের হাতেই করেন। প্রুফ দেখা থেকে প্রচ্ছদ তৈরি পর্যন্ত। আর অল্পবিস্তর লেখেন, অনুবাদ করেন, ছবি আঁকেন। নিজের সম্পর্কে বলতে অস্বস্তিবোধ করেন।
View posts →সন্দীপন সরকার 1 post
বেড়ে ওঠা ছোটো শহরে, প্রকৃতি যেখানে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কলকাতায় আসা। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে আড়াই দশকের বসত। বহুজাতিক সংস্থায় পদস্থ কর্মী। কাজের ফাঁকে যন্ত্রকে বাংলা শেখানোর গবেষণা। সে পথেই ডক্টরেট প্রাপ্তি। বাংলা আর রবি ঠাকুরের ভালোবাসায় tagoreweb.in সহসৃষ্টি। প্রকৃতির নেশায় টালমাটাল। ফাঁক পেলেই পালিয়ে যাওয়া জঙ্গল-পাহাড়-নদীর কাছে। গবেষণা, প্রযুক্তি এবং ব্যবসা নিয়ে ইংরেজিতে প্রবন্ধ লেখেন দীর্ঘদিন ধরে। ইদানীং বাংলাতেও লিখছেন।
View posts →সন্দীপা মালাকার 3 posts
ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার। নতুন নতুন জায়গায় বেড়ানো এবং স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ভালোবাসেন। তাঁর ছবির মাধ্যমে দর্শকদের কাছে কোনও একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চান।
View posts →সপ্তর্ষি বসু 1 post
View posts →সপ্তর্ষি রায় বর্ধন 41 posts
সপ্তর্ষি রায় বর্ধনের জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই তার প্রাণের শহর কলকাতায়। প্রথাগত ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। লেখাজোকা, ছবি তোলা, নাট্যাভিনয় আর হেরিটেজের সুলুক সন্ধানের নেশায় মশগুল। সঙ্গে বই পড়া, গান বাজনা শোনা আর আকাশ পাতাল ভাবনার অদম্য বাসনা। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন- "রূপকথার মতো- স্মৃতিকথায় প্রণতি রায়", "খেয়ালের খেরোখাতা" এবং "চব্য চোষ্য লেহ্য পেয়"।
View posts →সবর্ণা চট্টোপাধ্যায় 6 posts
সবর্ণা শূন্য দশকের কবি। জন্ম, বেড়ে ওঠা চন্দননগরে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতকোত্তর। গান, নাচ, ছবি আঁকার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে ওঠে নিজস্ব ভাবনার জগৎ। পরবর্তীতে হঠাৎই কবিতাকে আঁকড়ে ধরা। গদ্য কবিতার পাশাপাশি ছন্দে লিখতেও ভালবাসেন। ২০১৮-তে সিগনেট প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'চারদেওয়ালি চুপকথারা'। ২০১৯-এ পেয়েছেন সোনাঝুরি সাহিত্যসম্মান। ২০২০-তে বইতরণী থেকে প্রকাশ পায় তাঁর 'সাদা হরফের হাঁসগুলি' ই-বুক। ২০২১ সালে পূর্বা থেকে প্রকাশিত হয় ' রোদসংসার ও তারামন্ডল'। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত কবিতা ও প্রবন্ধ লেখেন। কিশোর সাহিত্যেও আগ্রহী।
View posts →সবিতা রায় বিশ্বাস 3 posts
অঙ্ক নিয়ে পড়াশোনা। অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককর্মী। নেশা লেখা, ভ্রমণ, নাটক পরিচালনা, নির্দেশনা, বাচিক শিল্প, অভিনয়, গান রচনা, সমাজসেবা (ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ)। শুকতারা, কিশোরভারতী , মৌচাক, প্রসাদ, জলফড়িং, কফি হাউস, গৃহশোভা, গণশক্তি, সুখবর ও বিভিন্ন ওয়েবজিনের নিয়মিত লেখক। ২০টি মঞ্চসফল নাটকের পরিচালক ও প্রযোজক ও আঠেরোটি নাটকের রচয়িতা। প্রকাশিত বই ২১টি, সম্পাদনা ৪টি। বিভিন্ন মাধ্যমে গল্প বলার জন্য ‘গল্পদিদি’ নামে জনপ্রিয়।
View posts →সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় 1 post
অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর। কিছুদিন বেসরকারি ফার্মে চাকরি। এখন সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লেখালিখির শুরু ২০১৫ সালে। 'শুকতারা'তে ভূতের গল্প দিয়ে আত্মপ্রকাশ। ভালবাসেন কবিতা লিখতে, বিদেশি সিনেমা আর সিরিজ দেখতে। ফুটবল বলতে অজ্ঞান। অনীশ দেবের সম্পাদনায় পত্রভারতীর "১০১ ভূতের গল্প", দুই বাংলার উদীয়মান কবিদের নিয়ে "কবিতার এপার ওপার ৫" এবং দুই বাংলার গল্পকারদের নিয়ে "গল্পের এপার ওপার ২" গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে তাঁর লেখা।
View posts →