সেন্সোজি মন্দির থেকে বেরিয়ে দেখি রাস্তার দু’পাশে ফুলন্ত চেরি গাছ, গোলাপি-সাদা। তবে আমায় বেশি আকর্ষণ করল ফুল ফোটার আশায় ছোট ছোট কুঁড়ি সমেত তাজা চেরি গাছ। ঠিক যেন আমাদের বাংলা দেশের অরক্ষণীয়া কুমারী মেয়ে, রূপের হাটে নিজেকে বিকিয়ে দিতে উন্মুখ।
লিখছেন কৃষ্ণা রায়...
ছ’জনের ছোট্ট দল। রাত কাবার হতে না হতেই আবার কলকল— হৈ হৈ এবং তল্পিতল্পা নিয়ে নেমে পড়ার তোড়জোড়। পৌঁছে গেলাম মাল জংশন। না, শীত তো একেবারেই নেই; তবে কলকাতার থেকে গরম কম। বেশ ঝকঝকে এপ্রিলের সকাল।
লিখছেন মন্দার মুখোপাধ্য়ায়...
জাপানি রূপকথা, ফুজিয়ামা পাহাড়ের গল্প পড়ে আমার কাছে জাপান মানে রূপকথা, ফুজি পাহাড়, আর কিমোনো পরা জাপ সুন্দরীরা। তারা সরু সরু আঙুল দিয়ে টি-পট থেকে চা ঢালে। তরুণ বয়সে জাপানকে মনে হত হিরোসিমা-নাগাসাকির দেশ, ধ্বংসস্তূপ থেকে নবকলেবর ধারণ করা উন্নত দেশ।
লিখছেন কৃষ্ণা রায়...
আশ্বিনের আলোর মতো আর কী আছে! সে যেন সকলকে ছাপিয়ে যায়, ঝরিয়ে দেয় তার শিউলি। ভোরেরা এখন হিম মাখতে শুরু করেছে। সেই অস্বচ্ছ হিমতন্তুর ওপার থেকে দেখা দেন আলোর দেবতা। তখন কোঁচড় ভরে ফুল কুড়োতে যাই।
বনজ কুসুম পর্ব ২৯। লিখছেন অমৃতা ভট্টাচার্য...
সে আলুভাজা ছিল দিল্লির। কড়মড়ে, লাল, ঝাল মশলা মাখানো। ওই আলুভাজা খেতে খেতে তাকে আলুভাজা বলে দিব্যি ঠাহর করা যেত, মানে আলুভাজার ভিতরে আলুর রস থাকত এবং তাতে একটা মাংস মাংস, আমিষ আমিষ গন্ধ ছিল ভরপুর।
লিখছেন ইন্দ্রনাথ রুদ্র...
ভাদ্র এসে পড়ল। আকাশের আলো আর হাওয়া জানিয়ে দিচ্ছে সে কথা। মাঠে মাঠে এখন ধানের জাজিম পাতা— সেসব জমি কখনও জলহীন হয়ে মোরাম বেরিয়ে পড়ছে, কখনও বাঁধভাঙা নোনাজল ডুবিয়ে দিচ্ছে ক্ষেত খামার। মানুষের জীবনে তাই দিন শেষে দুই কুড়ি সুখ তিন কুড়ি দুঃখ। কিন্তু রান্নাঘরের এত কি ভাবার সময় আছে? শোক বলো বিরহ বলো চুলো জ্বালিয়ে দুটো ভাত তাকে ফোটাতেই হয়।
বনজ কুসুম পর্ব ২৮। লিখছেন অমৃতা ভট্টাচার্য...
ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ আমাদের ভারতবর্ষ, ফলে এ দেশে গরমের দাপট বেশি। এই বছর উষ্ণায়নের প্রভাবে এক দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে গোটা দেশ। মৌসুমী বায়ুর গতিপ্রকৃতি বোঝা ভার! পশ্চিম ভারতের অবস্থা অসহনীয়।
লিখছেন সোমনাথ মুখোপাধ্যায়...
ভারতে প্রতি ২৮ জনের মধ্যে ১ জনের স্তনের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা। এর মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের জীবনহানির সম্ভাবনা। সাধারণত অনেক দেরিতে ধরা পড়ে, শতকরা ৬০ ভাগের স্টেজ ৩ এবং ৪ অবস্থায় ধরা পড়ে ক্যানসার।
লিখছেন চিকিৎসক অশোক কুমার ঘোষ...
চেম্বারে আসা পুলিশ বন্ধুর হাত থেকে সমস্ত রিপোর্ট গুলো খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করলাম। লিভার এনজাইম বেড়েছে কিন্তু বিলিরুবিন স্বাভাবিক। অ্যালবুমিন কমেছে। প্লেটলেট কম। লিম্ফোসাইটের পরিমাণ প্রথমে কমলেও পরের রিপোর্টে তা স্বাভাবিকের থেকে খানিক বেড়েছে। রোগীর হাতের স্যালাইনের নলটিকে সাবধানে সরিয়ে রেখে জামা খুলে দেখলাম র্যাশ গুলো কেন্দ্রমুখী।
লিখছেন ডঃ শুভেন্দু বাগ...