গায়ের রঙই লিপল্টিক আর ব্লাশার কেনার মাপকাঠি

গায়ের রঙই লিপল্টিক আর ব্লাশার কেনার মাপকাঠি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি‚ তার পরেই অপেক্ষার অবসান| নতুন জামাকাপড়‚ নতুন জুতো নিয়ে বাঙালির সেরা উৎসবের জন্য তৈরি? পুজোর আগে আমরা অনেকেই নতুন প্রসাধনী কিনে থাকি| কিন্তু এমন অনেক বার হয় কেনার পর বোঝা যায় সেই রংটা আপনাকে মানায়নি| বিশেষত লিপস্টিকের আর ব্লাশারের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েই থাকে| লিপস্টিক আর ব্লাশার কেনার আগে তাই নীচে দেওয়া গাইডলাইন ফলো করুন|

ফ্যাশনিস্তাদের মতে নিওন লিপস্টিক নাকি ‘ইন থিং ‘| কিন্তু ‘ইন থিং’ মানে এই নয় যে আপনার গায়ের রঙের সঙ্গে তা মানাবে|বেশিরভাগ ফ্যাশন ম্যাগাজিন বা ফ্যাশন ব্র্যান্ড শুধুমাত্র এক ধরনের স্কিন টোনের ওপরেই নজর দেয় এবং আমাদের মধ্যে অনেকেই অন্ধের মতো তা মেনে চলি|কিন্তু আমাদের সবার গায়ের রং এক নয়|

তা হলে কী দেখে লিপস্টিক আর ব্লাশারের কিনবেন? লিপস্টিকের ক্ষেত্রে সব সময় ঠোঁটের রঙের থেকে দুই শেড গাঢ় রং নির্বাচন করুন| আর ব্লাশারের ক্ষেত্রে নিজের গালের নরম অংশটা আঙুলে একটুক্ষণ চেপে রাখলে দেখবেন রংটা একটু পালটে গেছে। এই রংটাই আপনার স্বাভাবিক রং এবং এই শেডেই আপনাকে সবচেয়ে বেশি মানাবে।

স্কিনটোনও খুব জরুরি। আপনার গায়ের রঙ ফর্সা নাকি গমের মতো নাকি গাঢ়, আগে সেটা দেখুন| এই বার আসুন দেখে নিন কোন স্কিনটোনের সঙ্গে কোন লিপস্টিকের রং ও ব্লাশার মানাবে|

# ফর্সা রং : যাদের রং ফর্সা তাদের মনে রাখতে হবে গাঢ রঙের লিপস্টিক কিন্তু মোটেই ভাল দেখাবে না আপনাকে| তাই মিডিয়াম শেড বাছার চেষ্টা করুন| অ্যাপ্রিকট আর কোরাল আপনাকে খুব সুন্দর দেখাবে| তবে অরেঞ্জ এবং ব্রাউন লিপস্টিক এড়িয়ে চলুন| পিচ‚ মভ এবং মোকা শেডস আপনাকে ভাল মানাবে।

ব্লাশারের ক্ষেত্রে এপ্রিকট আর রোজ় পিঙ্ক শেড আপনার গায়ের রঙের সঙ্গে দারুণ মানানসই। এই শেডের ব্লাশ পরলে মোটেই চড়া দেখাবে না, বরং অনেক বেশি উজ্জ্বল আর দীপ্তিময়ী লাগবে। রাতের অনুষ্ঠানেও একই শেডের ব্লাশ লাগান, তার সঙ্গে বাড়তি উজ্জ্বলতার জন্য সামান্য হাইলাইটারের প্রলেপ দিন।

# গমরঙা ত্বকের জন্য : আপনার যদি গমের মত গায়ের রং হয় তা হলে আপনি খুবই লাকি| কারণ এরা সব ধরনের লিপস্টিকের শেড ক্যারি করতে পারেন| আপনি ব্রাউন থেকে পিচ যে কোনও রং লাগাতে পারেন| তবে লিপস্টিকের ক্ষেত্রে নুড রং এড়িয়ে চলুন কারণ এই সব রঙে আপনাকে বিবর্ণ দেখাবে| তার বদলে ব্রোঞ্জ‚ সিনামন‚ কপার‚ পিঙ্ক‚ রেড‚ ক্র্যানবেরি সবই মানাবে| তবে ট্যমাটো রেড এড়িয়ে চলুন|

অধিকাংশ ব্লাশের শেডই এদের ত্বকের সঙ্গে চমৎকার মানিয়ে যায়। চোখ বন্ধ করে বেছে নিন কোরাল, পিচ, গাঢ় গোলাপির নানান শেড! একটু এক্সপেরিমেন্ট করার ইচ্ছে হলে কমলার নানা শেডও ব্যবহার করে দেখতে পারেন, তবে সে ক্ষেত্রে বাকি মেকআপটা নিউট্রাল রাখবেন।

# শ্যামবর্ণ :  লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ব্রাউন এবং বেরি শেড আপনার জন্য আদর্শ| কমলা‚ গোলাপি এই সব শেড একেবারে এড়িয়ে চলুন| ব্রিক রেড‚ ব্রাউন রেড বা ক্যারামেল-ও ভালো মানাবে| যাদের ডার্ক কমপ্লেকশন তারা ব্রাউন‚ রেড‚ পার্পল সহজেই ব্যবহার করতে পারেন| অরেঞ্জ আর পিঙ্ক শেডের থেকে দূরে থাকুন| কপার‚ ওয়ালনাট‚ ব্রোঞ্জ‚ হানি‚ রুবি রেড আর ওয়াইন রঙের লিপস্টিকের শেড ভাল মানাবে|

শ্যামবর্ণারা ব্লাশ ব্যবহার করতে মোটেও দ্বিধা করবেন না! গাঢ় প্লাম, গোলাপি আর মভ শেডের ব্লাশ আপনাদের মুখে বাড়তি ডাইমেনশন এনে দেবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

sharbat lalmohon babu

ও শরবতে ভিষ নাই!

তবে হ্যাঁ, শরবতকে জাতে তুলে দিয়েছিলেন মগনলাল মেঘরাজ আর জটায়ু। অমন ঘনঘটাময় শরবতের সিন না থাকলে ফেলুদা খানিক ম্যাড়মেড়ে হয়ে যেত। শরবতও যে একটা দুর্দান্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে এই সিনটিতে, তা বোধগম্য হয় একটু বড় বয়সে। শরবতের প্রতি লালমোহন বাবুর অবিশ্বাস, তাঁর ভয়, তাঁর আতঙ্ক আমাদেরও শঙ্কিত করে তোলে নির্দিষ্ট গ্লাসের শরবতের প্রতি।…