ঘুম নেই প্রাচ্যে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ঘুমপাড়ানি মাসি এবং পিসি দুজনেরই খুব গুমর। যখন ওনাদের ডাকাডাকি করা হয় তখন ওনারা সে ডাকে পাত্তা দেন না, বাড়ির ঠিকানা খুঁজে পান না। অথচ পরীক্ষার আগেরদিন, যেদিন ভোর পাঁচটায় বেরনোর কথা তার আগের রাতে, মাসি পিসিরা আদর করে চোখের পাতায় এসে বাসা বাঁধেন। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, সাহেবসুবোদের মাসিপিসিরা এতটা নিষ্ঠুর নন।

স্লিপ মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যাচ্ছে, প্রাচ্যের চেয়ে পাশ্চাত্যের মানুষ ঘুমোয় বেশি। তার মধ্যেও আবার মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ সবচেয়ে দেরিতে ঘুমোতে যায়। এই পরীক্ষা করা হয় ১৬ থেকে ৩০ বছরের সতেরো হাজারের কিছু বেশি মানুষের ওপর।

নতুন শতাব্দীতে প্রযুক্তি, সোশ্যাল নেটওয়ার্কের বাড়বাড়ন্ত, কাজের বেড়ে চলা চাপ প্রভাব ফেলছে নতুন প্রজন্মের ওপর। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিদেশি ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে বেশি রাত অবধি জেগে কাজ করার অভ্যেসও তৈরি হয়েছে এক শ্রেণীর মধ্যে। সেইসঙ্গে বেড়েছে টেলি ও ওয়েব সিরিজের প্রতি আসক্তি। সব মিলিয়েই তাই মিলেনিয়াল প্রজন্ম নিশাচর।

তবে প্রাচ্যের মানুষদের মধ্যে ঘুমনোর তুলনামূলকভাবে কম হবার কারণ হয়তো কিছুটা সামাজিক। পারিবারিক দায়দায়িত্ব পালন ও পড়াশোনার চাপের কারণেই ঘুমের সময় কম পড়ছে প্রাচ্যে যেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের গড় সময় সাড়ে ছ ঘন্টা এবং ইওরোপে সেটা সাত ঘন্টার বেশি।

তথ্যসূত্র:

রেডিফ
হিন্দুস্তান টাইমস

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

sharbat lalmohon babu

ও শরবতে ভিষ নাই!

তবে হ্যাঁ, শরবতকে জাতে তুলে দিয়েছিলেন মগনলাল মেঘরাজ আর জটায়ু। অমন ঘনঘটাময় শরবতের সিন না থাকলে ফেলুদা খানিক ম্যাড়মেড়ে হয়ে যেত। শরবতও যে একটা দুর্দান্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে এই সিনটিতে, তা বোধগম্য হয় একটু বড় বয়সে। শরবতের প্রতি লালমোহন বাবুর অবিশ্বাস, তাঁর ভয়, তাঁর আতঙ্ক আমাদেরও শঙ্কিত করে তোলে নির্দিষ্ট গ্লাসের শরবতের প্রতি।…