অস্থায়ী
বাড়ি তো মাথার মধ্যে থাকে
অভাবে বা পরাভবে কী দিয়ে যে
নিজেকে সাজাই
কোথাও বকুল ফুল ফুটেছে কি ম্লান
বনমধ্যে হাত পেতে আষাঢ়ের
হা হুতাশ রাতে
হৃদয়ে লালিত ছিল স্বপ্নবৎ ধানজমি, জলা,
হঠাৎ বাতাস দিলে খসে পড়া
মধু কুলকুলি
অতিদূরে কবেই তো, সুঁটি নদী হেজে মজে গেছে
এখন দুহাত জুড়ে ঈশ্বরীর পায়ে
অঞ্জলিতে দিয়ে দিই যেটুকু যা
ফুলের অহং
অনন্তরা
অতঃপর ফিরে যাব
ফিরে ফিরে চলে যাব যেখানে যাবার কথা
ছিল নাকো আর
তবে কি কাহিনি ছিল
গল্পের সুতোগুলি এতকাল যত্নে শুকিয়ে
মধ্যেকার গ্রন্থি তবু এড়াতে পারেনি সেই
কথক স্বয়ং
জটাপড়া চুল বেয়ে পুবের বারান্দা থেকে
নেমে আসে মেঘের নিষাদ
শুদ্ধ কোমলে আর দ্বিধা দ্বন্দ্বে গৃহহীন
বুকে যদি পুষে রাখতে হয়
দ্বেষ কেন, ঘৃণা কেন
মাটি থেকে, মূল থেকে, এত যে
সুঘ্রাণ উঠে আসে
*ছবি সৌজন্য: Pexels
One Response
ভালো লিখেছেন