চিরঞ্জিৎ সামন্ত 3 posts
পেশায় চিকিৎসক। স্নাতকোত্তর শেষ করে বর্তমানে কলকাতা মেডিকেল কলেজে কর্মরত। পাশাপাশি আশৈশব ভালবাসার টানে শিল্প ও সাহিত্যচর্চায় নিমগ্ন। বেশ কিছু বছর ধরে যুক্ত রয়েছেন প্রচ্ছদ, গ্রন্থচিত্রণ ও ক্যালিগ্রাফির কাজে। এছাড়া কার্টুন আঁকিয়ে হিসেবে দীর্ঘদিন যুক্ত আছেন কার্টুনদলের সঙ্গে। লেখালিখির শুরু মূলত কবিতার হাত ধরে। প্রকাশিত কবিতার বই 'প্রচ্ছদ শ্রমিকের জার্নাল'।
View posts →চিরঞ্জিৎ সাহা 1 post
লেখক চিরঞ্জিৎ সাহা বয়সে তরুণ। উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ ও প্রশাসনিক চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিরত। উনিশ কুড়ি লাভ-স্ট্রাক ২০১৯ বিজেতা। প্রথম প্রকাশিতব্য বই 'X = প্রেম'
View posts →চিরঞ্জীব 1 post
প্রবীণ ক্রীড়া সাংবাদিক চিরঞ্জীবের পিতৃদত্ত নাম চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস| বয়স ৮২ পেরোল ২০২০-তে| গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকে কলকাতা ময়দান চষেছেন পেশাগত ভালোবাসায়| ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের নানা ঘটনা, উত্থান-পতনের সাক্ষী তিনি| চাকরি করেছেন আনন্দবাজার পত্রিকায়, তার পর সম্পাদক ছিলেন 'খেলার আসর' সাপ্তাহিকের| বছর কয়েক আগে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁকে সম্মান দেয়|
View posts →চিরঞ্জীব 1 post
পিতৃদত্ত নাম চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস। জন্ম ১৯৩৯-এর সেপ্টেম্বরে, পূর্ববঙ্গের খুলনা জেলায়। পিতার পুলিশের চাকরির সূত্রে ও দেশ ভাগের জেরে এ পার বাংলায় পাড়ি। সাউথ সিটি কলেজে পড়তে পড়তেই লেখালিখি শুরু। প্রথম লেখা বেরোয় ও পার বাংলার ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ। সাংবাদিকতার চাকরি শুরু ‘জনসেবক’ পত্রিকায়। আনন্দবাজার পত্রিকায় যুক্ত হওয়ার পর চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস নামটা সন্তোষকুমার ঘোষ ও অমিতাভ চৌধুরী বদলে করে দেন চিরঞ্জীব। আনন্দবাজারে এক যুগেরও বেশি চাকরি করার পর যোগ দেন ‘ইত্যাদি প্রকাশনী’-তে, সম্পাদক হন ভারতের সর্বাধিক প্রচারিত ক্রীড়া সাপ্তাহিক ‘খেলার আসর’-এর। পরে ‘গণশক্তি’, ‘ওভারল্যান্ড’ ‘সত্যযুগ’-এ কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার সূত্রে গিয়েছেন বহু দেশে। ‘এই সময় সংবাদপত্র’ ও ‘মালয়ালা মনোরমা’ সংস্থার বাংলা প্রকাশনায় ফ্রি-ল্যান্সিং করছেন ৮৬ পার করেও।
View posts →চিরশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় 3 posts
বিশ্বভারতী থেকে ভূগোলে স্নাতকোত্তর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট। পেশায় লেখক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত বাংলা ও ইংরেজি পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখা প্রকাশ। তা ছাড়া পনেরটি বাংলা ও একটি ইংরেজি বই প্রকাশিত। বিবেকানন্দ-নিবেদিতা গবেষক। এই বিষয়ে এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে আমন্ত্রিত বক্তৃতা দিয়ে থাকেন।
View posts →চুমকি চট্টোপাধ্যায় 1 post
কিশোর ভারতী পত্রিকার সহ-সম্পাদক চুমকি চট্টোপাধ্যায় আদতে ছিলেন জুলজির ছাত্রী। বিবাহসূত্রে পত্রভারতী-র কর্ণধার ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়ের সংস্পর্শে আসা এবং কিশোর ভারতীর দায়িত্ব গ্রহণ। লেখালেখির সূত্রপাত আশির দশক থেকেই। নামী-অনামী অসংখ্য পত্রিকায় গদ্য লেখেন। ছোটগল্পের জন্য সবিশেষ খ্যাতি। প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু বই। 'মাটি আকাশের মাঝখানো', 'সুন্দর আর ভালো' তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
View posts →চৈতালি বিশ্বাস 1 post
জন্ম শিলিগুড়িতে হলেও বেড়ে ওঠা হাওড়ার বালিতে। মফসসলের জীবন থেকে বেঁচে থাকার সংগ্রহ করা চলত প্রতিনিয়ত। সেগুলোই এক দিন কবিতা হয়ে ওঠে। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে সংস্কৃতে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। পড়া শেষ করে যোগ দেন সাংবাদিকতায়। বর্তমানে আনন্দবাজার পত্রিকায় কর্মরত। ভালবাসেন শব্দ দিয়ে মানুষের কথা লিখে রাখতে।
View posts →চৈতালী চট্টোপাধ্যায় 4 posts
পদার্থবিদ্যার স্নাতক চৈতালির প্রথম প্রেম সাহিত্য। আশির দশক থেকেই বাংলা কবিতার জগতে পরিচিত নাম। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম বিজ্ঞাপনের মেয়ে, বিষাক্ত রেস্তোরাঁ, দেবীপক্ষে লেখা কবিতা ইত্যাদি। পেয়েছেন বিষ্ণু দে পুরস্কার, শক্তি চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার, মীরাবাই পুরস্কার-সহ একাধিক সম্মান।
View posts →জগদীশ গুপ্ত 2 posts
জগদীশ গুপ্ত বাংলাভাষার এক বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার। লিখেছেন বিজলী, কালিকলম, কল্লোল প্রভৃতি পত্রিকায়। তাঁর পরিচিতি বাংলা সাহিত্যে অন্যধারার গল্পলেখক হিসাবে। জন্ম ব্রিটিশ ভারতের কুষ্টিয়ায়। সাহিত্যজীবন শুরু কবি হিসাবে। তাঁর সাহিত্যে ধরা পড়েছে মানুষের কদর্য অবচেতন ও মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা।
View posts →জয় গোস্বামী 32 posts
জয় গোস্বামীর জন্ম ১৯৫৪ সালে, কলকাতায়। শৈশব কৈশোর কেটেছে রানাঘাটে। দেশ পত্রিকাতে চাকরি করেছেন বহু বছর। আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন দু'বার - ১৯৯০ সালে 'ঘুমিয়েছ ঝাউপাতা?' কাব্যগ্রন্থের জন্য। ১৯৯৮ সালে 'যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল' কাব্যোপন্যাসের জন্য। ১৯৯৭ সালে পেয়েছেন বাংলা আকাদেমি পুরস্কার। দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন কবিতার সাহচর্যে। ২০১৫ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি.লিট পেয়েছেন।
View posts →জয়দীপ ভট্টাচার্য 2 posts
জয়দীপ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৭২ সালে, মুর্শিদাবাদ জেলার আমতলা গ্রামে। আমতলা হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক, নীলরতন সরকার ও রিজিওন্যাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা থেকে ডাক্তারির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠ। পেশায় চক্ষুরেগ বিশেষজ্ঞ। শেওড়াফুলিতে গত ১৪ বছর ধরে কর্মরত। নেশা বলতে দেশবিদেশের ফুটবল খেলা, নাটক, গান, বাংলা সাহিত্যচর্চা, ছাদের ফুলবাগান, লেখালেখি এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। এবং আজন্ম আমৃত্যু কোহলবর্জন।
View posts →জয়ন্ত ঘোষাল 1 post
চার দশকেরও বেশি সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা। ১৯৮৪ সালে 'বর্তমান' পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীতে 'আনন্দবাজার পত্রিকা'র দিল্লির সম্পাদক ছিলেন। বার্তামন, এবিপি নিউজ, ইন্ডিয়া টিভিতে কাজ করেছেন। বর্তমানে ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপের কনসাল্টিং এডিটর।
View posts →