বিনায়ক রুকু 2 posts
আমি রুকু বিনায়ক। সবাই বলে আমি বুদ্ধু। ভোঁদাই। মা আমাকে গাধা বলে না মুনা বলে।পাপা বলে পুচাই। আমার দুটো হাত, দশটা হাতের আঙুল,দুটো চোখ আছে,যা দিয়ে আমি ছবি আঁকা। পাপা মা বলে আমার অটিজম আছে। অটিজম কি আমি জানিনা। তবে আমি একটু কেমন যেন। আমার গাড়ির চাকা, টেবিল ফ্যান, ছোট ছোট রবারের পুতুল ,রং,তুলি পেন্সিল ভাল লাগে।আমি লাফাতে ভালোবাসি। এ দেয়াল থেকে ও দেয়াল। সব দেয়ালে হাতের চাপ,সব দেয়ালে সর্দি,নাকের পোঁটা লাগে। মা বলে যাতা। আর মোছে।।
View posts →বিনোদ ঘোষাল 1 post
বিনোদ ঘোষাল এই সময়ের এক সুপরিচিত সাহিত্যিক। জন্ম হুগলি জেলার কোন্নগরে ১৯৭৬ সালে। প্রথম গল্পগ্রন্থ 'ডানাওলা মানুষ' ২০১১ সালে লাভ করেছিল বাংলা ভাষায় প্রথম সাহিত্য অকাদেমি যুব পুরস্কার। তারপর ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাডেমি পুরস্কার, ২০১৭ সালে মিত্র ও ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার, ২০১৮ সালে শৈলজানন্দ স্মৃতি পুরস্কার , ২০২২ সালে বিজন ভট্টাচার্য স্মৃতি পুরস্কার, জিরোপয়েন্ট নজরুল এ্যাওয়ার্ড এবং মাননীয় রাজ্যপাল মহাশয়ের কাছ থেকে বর্ষসেরা সাহিত্যিক সহ আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। দেশের বহু সাহিত্য উৎসবে বাংলা সাহিত্যের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অনেক ছোটগল্প এবং উপন্যাস মঞ্চে ও ছায়াছবিতে রূপ পেয়েছে। ২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতিভবন থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন রাইটার্স ইন রেসিডেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার জন্য। ১৫ দিন মাননীয় রাষ্ট্রপতির আতিথ্য গ্রহণ করেছেন বাংলা সাহিত্যের প্রতিনিধি হয়ে। কাজী নজরুল ইসলামের সমগ্র জীবনাশ্রিত মহাকাব্যিক উপন্যাস 'কে বাজায় বাঁশি'-র রচনাকার বিনোদ ঘোষাল ভারতের সংস্কৃতিমন্ত্রকের ফেলোশিপও লাভ করেছেন।
View posts →বিপুল দেব নাথ 3 posts
বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা ও বাংলা সাহিত্যের নিবিড় পাঠক। তথ্য বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেছেন বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
View posts →বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায় 1 post
বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, মূলত একজন নাট্যকর্মী, অভিনেতা ও পরিচালক। তাঁর প্রথম নাটক 'দখল', স্যাস নাট্য-পত্রিকায় ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়। আরও দুটি নাটক- 'দ্য হাউস অফ বার্নার্ডা আলবা' অবলম্বনে খন্ডহর (বাংলা) মঞ্চস্থ হয়। ২০১৮ সালের নাট্যসৃজন শারদীয়ায় প্রকাশিত হয় সত্যজিৎ রায়ের গল্প অবলম্বনে 'সুজন হরবোলা' এবং আননায়ুধ নাট্য-পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে নাটক বিষয়ে প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ব্রাত্যজন নাট্যপত্র, কৃত্তিবাস পত্রিকা, আননায়ুধ ও কলকাতা কথকতায়।
View posts →বিবেক সেনগুপ্ত 4 posts
কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বিবেক পেশাগত ভাবে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মী। কিন্তু নেশায় আদ্যন্ত কার্টুনিস্ট এবং পর্যটক। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালিখির অভ্যাস ও সম্পাদনা। তাঁর লেখা তিনটি বইও ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। খেলাধুলোয় তাঁর উৎসাহের কথা বেরিয়ে এসেছে সেই বইয়ের মাধ্যমেই। দ্য আমেজিং অলিম্পিকস: ডাউন দ্য সেঞ্চুরিজ়, দ্য ওয়র্ল্ড চেজ়িং দ্য কাপ এবং ফুটবল ফান বুক পাঠকমহলে খুবই সমাদৃত হয়েছে। বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান কার্টুন গ্যালারিতে তাঁর কার্টুন নিয়ে একক প্রদর্শনীও হয়েছে।
View posts →বিভাস চক্রবর্তী 1 post
খ্যাতনামা নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অন্য থিয়েটার নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা। একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত। 'নাটক নিয়ে' এবং 'থিয়েটার যা দেখা তা নিয়ে লেখা' ওঁর দুটো জনপ্রিয় বই।
View posts →বিভাস রায়চৌধুরী 4 posts
কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক বিভাস রায়চৌধুরী দীর্ঘদিন কবিতার প্রকাশনা ও চর্চার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। 'কবিতা আশ্রম' পত্রিকার মুখ্য পরিকল্পক। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার। ওঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম নষ্ট প্রজন্মের ভাসান (১৯৯৬)। এর পরে কবি পাঁচটি উপন্যাস সহ কুড়িটিরও বেশি কবিতা গদ্য ও প্রবন্ধের বই লিখেছেন।
View posts →বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 3 posts
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। তাঁর জন্ম নদিয়া জেলার ঘোড়াশাল গ্রামে, ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ সালে। তিনি কলকাতার রিপন কলেজ (বর্তমানে সিটি কলেজ) থেকে পড়াশোনা করেন। জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষকতা, জমিদারি অফিসের কাজ, অনুবাদসহ নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর সাহিত্যজীবন শুরু হয় ছোটগল্প দিয়ে। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’, যা তাঁকে সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘চাঁদের পাহাড়’, ‘আরণ্যক’, ‘দেবযান’, ‘অদৃষ্ট’ প্রভৃতি। তাঁর লেখায় গ্রামীণ জীবনের ছবি, প্রকৃতির বর্ণনা এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম উঠে এসেছে সরল ও বাস্তব ভাষায়। ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর ঘাটশিলায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
View posts →বিয়াস মুখোপাধ্যায় 2 posts
একযুগ সাংবাদিকতায় কাটিয়েছেন। কলম তাঁর হাতিয়ার। বই তাঁর বন্ধু। তাই সাদা পাতায় কলমের আঁচড় কেটে মনের কথা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন মুখে না বলে। ভালো লাগে গান, আবৃত্তি-সহ সমস্ত শিল্পকলা। বোধহয় নিজে ষোলকলায় পূর্ণ নন বলেই...।
View posts →বিশাখা ঘোষ 9 posts
বিশাখা ঘোষ পেশাগত বাঁধনে বাঁধা অর্থনীতির সঙ্গে। কিন্তু মন চায় ঘুরে ঘুরে বেড়াতে, আর অজানা পৃথিবীকে চিনতে। তাতে নিজেকেও তো চেনা হয়। আপনাকে জানাতে তাঁর ভারী কৌতূহল। ছাত্রাবস্থা কেটেছে প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁটাকল ক্যাম্পাস আর আইএসআই-তে। এখন কল্যাণী বিশ্ববিদ্য়ালয়ে অধ্যাপনা করেন। ভালোবাসেন আড্ডা মারতে।
View posts →বিশ্বজিৎ পাণ্ডা 1 post
বিশ্বজিৎ পাণ্ডার জন্ম ১৯৭৪-এ। পেশা অধ্যাপনা। পূর্ব বর্ধমানের আচার্য সুকুমার সেন মহাবিদ্যালয়ে পড়ান। মূলত আলোচক ও প্রাবন্ধিক। সমসাময়িক বাংলা সাহিত্য নিয়ে চর্চায় বিশেষ পারদর্শী। এযাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থ : যৌনতা ও বাংলা সাহিত্যের পালাবদল, বাংলা লিটল ম্যাগাজিন, স্বাধীনতা-উত্তর ছোটগল্পে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম মানস, সাহিত্য সাধক উৎপল দত্ত, পথের পাঁচালির আঁকেবাঁকে, আরণ্যকের আলোছায়া। এছাড়াও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে শতাধিক প্রবন্ধ ও আলোচনা।
View posts →বিশ্বজিৎ রায় 23 posts
বিশ্বজিৎ রায়ের জন্ম ১৯৭৮-এ, কলকাতায়। রামকৃষ্ণ মিশন পুরুলিয়ায় স্কুলজীবন কাটিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশুনো। উভয় পর্যায়েই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম। বর্তমানে বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যজগতে সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গসংস্কৃতি বিষয়ে তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দ: স্বদেশে সমকালে’, ‘সচলতার গান’, ‘সব প্রবন্ধ রাজনৈতিক’। এর বাইরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর মুক্তগদ্যের বই ‘ঘটিপুরুষ’, ‘অন্দরবেলা’ ও ‘ইস্কুলগাথা’ এবং পদ্যের বই ‘বিচ্ছেদ প্রস্তাব’ ও ‘গেরস্থালির পদ্য’। ‘ঘটিপুরুষ’ গ্রন্থের জন্য পেয়েছেন নীলাঞ্জনা সেন স্মৃতি পুরস্কার।
View posts →