মলয় দে 1 post
মলয় দে পেশায় রাশিতত্ত্ববিদ। বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। নেশা বলতে অংকের জটিল ধাঁধা তৈরি আর তবলায় বোল ফোটানো। নিজের মনে লেখালিখি করতে আর গানবাজনা নিয়ে মেতে থাকতে ভালবাসেন।
View posts →মলয় রক্ষিত 1 post
মলয় রক্ষিত। গবেষক, প্রাবন্ধিক ও আখ্যানকার। পেশায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। নাটক থিয়েটার এবং উনিশ ও বিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস নিয়ে লেখালিখি করেন।
View posts →মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় 1 post
মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা ও প্রদীপ সেন্টার ফর অটিজম ম্যানেজমেন্টের মূল কর্ণধারদের একজন। প্রদীপ-এর দায়িত্ব সামলে যতটা সময় পান তা অটিজম বিষয়ের ওপর পড়াশোনা ও লেখালেখি করেই কাটে।
View posts →মহালয়া চট্টোপাধ্যায় 3 posts
মহালয়া চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক। নগর অর্থনীতি, মহিলা শ্রম এবং লিঙ্গবৈষম্য বিষয়ে ওঁর লেখা একাধিক দেশি বিদেশি জার্নালে প্রকাশ পেয়েছে। মূলত ইংরেজিতে লেখালেখি করেন। ইকোনমিকস অফ আরবান ল্যান্ড ইউজ, এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট ইন ইন্ডিয়া, ওঁর লেখা গবেষণামূলক কিছু বই।
View posts →মহুয়া রায় 6 posts
মহুয়া এক কর্পোরেট সংস্থায় কর্মরত কাউন্সিলর। ভ্রমণ এবং নতুন নতুন খাদ্য-সংস্কৃতি সম্বন্ধে তাঁর অসীম আগ্রহ।
View posts →মহুয়া সেন মুখোপাধ্যায় 24 posts
মহুয়া সেন মুখোপাধ্যায় বস্টন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মূলতঃ ছোট গল্প এবং আর্টিকেল লেখেন। ছোট গল্প সংকলন ক্যালাইডোস্কোপ এবং অপরাজিতা প্রকাশিত হয়েছে, কমলিনী,দেজ পাবলিকেশন থেকে।একটি ছোট গল্পের অনুবাদ শর্টলিস্টেড হয়েছে, ‘Armory Square Prize for women writers in South Asian literature’ এ। অনুদিত গল্পটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত Words Without Borders এর পাতায় ।আনন্দবাজারের বিদেশ পাতার নিয়মিত লেখেন তাছাড়া রোববার-সংবাদ প্রতিদিন, বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালী এবং আরো কিছু ম্যাগাজিনে গল্প এবং ছোট বড় প্রবন্ধ নিয়মিত লেখেন।
View posts →মহুয়া সেনগুপ্ত 2 posts
মহুয়ার জন্ম উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে। বড় হয়ে ওঠা হুগলিতে। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে শারীরবিদ্যায় স্নাতক। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচ.ডি ডিগ্রি। পেশা অধ্যাপনা ও গবেষণা। বর্তমানে, শিলচরে অসম কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। তিনটি কাব্যগ্রন্থ , এ আমার ছায়াজন্ম (পরম্পরা প্রকাশন, ২০০৯), চিরহরিৎ গাথা (সপ্তর্ষি প্রকাশন, ২০১৮) ও তারামাছ নাকছাবি (বইওয়ালা বুক ক্যাফে, ২০২০) এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত।
View posts →মাইকেল মধুসূদন দত্ত 1 post
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি, ১৮২৪ – ২৯ জুন, ১৮৭৩) ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার। হিন্দু কলেজে পড়াশোনা করার সময় মধুসূদন প্রথম কাব্যচর্চা শুরু করেন। তাঁকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মনে করা হয়। ঐতিহ্যের অনুবর্তন অগ্রাহ্য করে তিনি কাব্যে নতুন রীতি প্রবর্তন করেন। বাংলা ভাষায় তিনিই অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও চতুর্দশপদী বা সনেটের প্রবর্তক।
View posts →মাধবেন্দু হেঁস 4 posts
সুখে থাকতে ভূতে কিলায়-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সে সুখের চাকরি ছেড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়ানো হোক কিংবা সমাজ মাধ্যমের বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়া হোক। শিক্ষায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। পেশায় বিয়েবাড়ির ক্যামেরাম্যান। আর নেশায় ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার।
View posts →মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় 4 posts
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় বিশ্বভারতীতে বাংলার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ভবনের মুখ্য সমন্বয়ক। বেজিং ফরেন স্টাডিস ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রিত ভিজিটিং ফেলো হিসেবে ২০১৯ সালে তিনি চিন যান। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, চিন্তাজগৎ এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁর চর্চার বিশেষ ক্ষেত্র। 'বাকিরাত্রির ঘুম' (কাব্যগ্রন্থ), 'কোথায় আমার শেষ' (উপন্যাস), 'গোষ্ঠীজীবনের উপন্যাস' (আলোচনাগ্রন্থ ), 'উপন্যাসের যৎকিঞ্চিৎ' (প্রবন্ধ সংকলন), 'রবীন্দ্রনাথ: আশ্রয় ও আশ্রম' (প্রবন্ধ সংকলন) ইত্যাদি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ। বেশ কয়েকটি বইয়ের সম্পাদনাও করেছেন। বিচিত্র বিষয় নিয়ে পড়াশোনা তাঁর একমাত্র প্যাশন।
View posts →মানস ঘোষ 2 posts
কর্মক্ষেত্রের দাবি এবং প্রকাশের জড়তা কাটিয়ে প্রথম আত্মপ্রকাশ ২০১৪ সালে। মানসের এযাবৎ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দু'টি বিদগ্ধমহলে সমাদৃত। এছাড়া একাধিক পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত। সমকালের সামাজিক, রাজনৈতিক ঘটনার অভিঘাত তাঁকে বিচলিত করে, কবিতায় উঠে আসে তার বেদনা, প্রতিবাদ। বিঘ্নিত হয় কবির নিভৃতযাপন। তারই মাঝে রঙ ছড়ায় হৃদয়ের গভীরে ডুব দিয়ে তুলে আনা মণিমুক্তো।
View posts →মানস দাস 4 posts
পেশায় বাস্তুকার। নেশায় পাহাড়ের কোলে বিচরণ কিংবা সময় পেলেই এদিক ওদিক ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া। ৩৭ বছর ধরে ফটোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত। ছবির জগতে শতাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ও বহু আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার বিচারক মানস দাস, ফটোগ্রাফিক এসোসিয়েশন অফ আমেরিকা,ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফি ও ছায়াপথ কলকাতার সদস্য।
View posts →