মধুজা বন্দ্যোপাধ্যায় 11 posts
ছাত্রী ইতিহাসের আর চাকরি গণমাধ্যমে। তাতে কী! নেশা কিন্তু আঁকা এবং লেখা। বিশেষত নকশা। নোটবুক ভর্তি তার প্রতিটি ছবিই গল্প বলে চলে। গুছিয়ে বসে বা দফতরের মিটিংয়ের ফাঁকে - রং কাগজ এবং কলম সবসময় মজুত।
View posts →মধুময় পাল 32 posts
মধুময়ের জন্ম ১৯৫২ সালে পূর্ববঙ্গের ময়মনসিংহে, কিশোরগঞ্জে। লেখাপড়া কলকাতায়। শৈশব-যৌবন কেটেছে স্টেশনে, ক্যাম্পে, বস্তিতে। গল্প লিখে লেখালেখি শুরু। পরে উপন্যাস। বই আখ্যান পঞ্চাশ, আলিঙ্গন দাও রানি, রূপকাঠের নৌকা। অনুসন্ধানমূলক কাজে আগ্রহী। পঞ্চাশের মন্বন্তর, দাঙ্গা-দেশভাগ, নকশালবাড়ি আন্দোলন নিয়ে কাজ করেছেন। কেয়া চক্রবর্তী, গণেশ পাইন তাঁর প্রিয় সম্পাদনা। প্রতিমা বড়ুয়াকে নিয়ে গ্রন্থের কাজ করছেন চার বছর। মূলত পাঠক ও শ্রোতা।
View posts →মধুশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় 1 post
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক, তাঁর গ্রন্থ 'প্রাগিতিহাস-ভারতবর্ষে পরিযান ও জাতিগোষ্ঠী গঠন' মুজাফ্ফর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ 'ধর্ম সংস্কৃতি ও রাজনীতি-ছিন্ন চিন্তার ককটেল', 'প্রাগিতিহাসের আগে-প্রাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস', 'ধর্মের সূচনা ও দেবতার জন্ম', 'ডুয়ার্সে তেভাগার ঢেউ'। 'আরেক রকম' পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। 'ইতিহাস আড্ডা' পোর্টাল-এর সম্পাদক। আরও দুই সহকর্মীর সঙ্গে একত্রিতভাবে সম্পাদনা করেছেন, 'বঙ্গ ইতিহাস প্রবাহ'।
View posts →মধুশ্রী মৈত্র 1 post
মধুশ্রী মৈত্র তাঁর কর্মজীবনে ছিলেন কলকাতা দূরদর্শনের প্রোগ্রাম এগজিকিউটিভ। অবসর নিয়েছেন অনেক বছর হল। এখন এই সাতাত্তরে পৌঁছে লেখালিখি আর গানই তাঁর মুখ্য অবলম্বন। বাবা ছিলেন বিখ্যাত গীতিকার অমিয় বাগচি। তাই লেখা ও সুর দুইই তাঁর রক্তে। একাধিক লিটল ম্যাগাজ়িন ছাড়াও মনোরমা, সাপ্তাহিক বর্তমান, যুগশঙ্খ, বাংলা স্টেটসম্যানে নিয়মিত লেখেন।
View posts →মনীষা মুখোপাধ্যায় 2 posts
পেশায় সাংবাদিক ও বাচিক শিল্পী। লেখালেখি করেন একাধিক বাংলা পত্র পত্রিকায়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'জলপাই অরণ্যের পারে'।
View posts →মনোরঞ্জন নস্কর 1 post
মনোরঞ্জন নস্কর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। পেশা অধ্যাপনা। সিটি কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বাংলার অধ্যাপক। প্রবন্ধ এবং কবিতা লেখেন।
View posts →মন্দাক্রান্তা সেন 2 posts
মন্দাক্রান্তা কবিতা লিখছেন নব্বইয়ের দশক থেকে। তাঁর জন্ম কলকাতায়। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়েও ফাইনাল পরীক্ষা দেননি। কবিতার টানে প্রথাগত পড়া ছেড়ে মননচর্চা শুরু। প্রথম বই ১৯৯৯ সালে 'হৃদয় অবাধ্য মেয়ে।' সে বছরই এই বই আনন্দ পুরষ্কার এনে দেয় তাঁকে। এরপর 'বলো অন্যভাবে', 'ছদ্মপুরাণ', 'উৎসারিত আলো', 'এসবই রাতের চিহ্ন' প্রভৃতি একের পর এক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। উপন্যাসও লিখেছেন তার পাশাপাশি। 'ঝাঁপতাল', 'দলছুট', 'ঋতুচক্র' পাঠকমহলে বহুল সমাদৃত হয়।
View posts →মন্দার মুখোপাধ্যায় 80 posts
আড্ডা আর একা থাকা,দুটোই খুব ভাল লাগে। লিখতে লিখতে শেখা আর ভাবতে ভাবতেই খেই হারানো।ভালোবাসি পদ্য গান আর পিছুটান। ও হ্যাঁ আর মনের মতো সাজ,অবশ্যই খোঁপায় একটা সতেজ ফুল।
View posts →মলয় গোস্বামী 1 post
মলয় গোস্বামী সীমান্তশহর বনগাঁর বাসিন্দা। বাবা মণীন্দ্রনাথ গোস্বামী, মা উমা গোস্বামী দু’জনেই লিখতেন। আবৃত্তি, অভিনয়, নাট্য পরিচালনা, ছবি আঁকায় পারদর্শী। তাঁর গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীত যে কোনও শ্রোতাকে মুগ্ধ করে দিতে পারে। প্রথম কবিতার বই ‘স্মৃতিতে সময়ে ছুড়ি অলৌকিক জাল’ (১৯৭৯)। অন্যান্য আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ: মন্দিরে প্রশ্নচিহ্ন, হাতছানি দেয় বংশীকানাই, ভেতর ভর্তি ময়লামাটি ইত্যাদি। ১৯৯৭ সালে পেয়েছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার। এছাড়াও শিস, প্রথম আলো ইত্যাদি সম্মান। নব্বইয়ের দশকে পূর্ণিমা গোস্বামী নামেও কবিতা লিখেছেন।
View posts →মলয় দে 1 post
মলয় দে পেশায় রাশিতত্ত্ববিদ। বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। নেশা বলতে অংকের জটিল ধাঁধা তৈরি আর তবলায় বোল ফোটানো। নিজের মনে লেখালিখি করতে আর গানবাজনা নিয়ে মেতে থাকতে ভালবাসেন।
View posts →মলয় রক্ষিত 1 post
মলয় রক্ষিত। গবেষক, প্রাবন্ধিক ও আখ্যানকার। পেশায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। নাটক থিয়েটার এবং উনিশ ও বিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস নিয়ে লেখালিখি করেন।
View posts →মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় 1 post
মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা ও প্রদীপ সেন্টার ফর অটিজম ম্যানেজমেন্টের মূল কর্ণধারদের একজন। প্রদীপ-এর দায়িত্ব সামলে যতটা সময় পান তা অটিজম বিষয়ের ওপর পড়াশোনা ও লেখালেখি করেই কাটে।
View posts →