কালো দাগকে বিদায় জানান

1970

পুজোর সময় অনেকেরই স্লিভলেস বা হাতকাটা টপ‚ কুর্তি পরার ইচ্ছা থাকলেও পরতে লজ্জা পান| কারণটা হল বাহুমূলে কালো দাগ| শেভিং‚ নিয়মিত বডি স্প্র‚ ত্বকের সঙ্গে ত্বকের ঘর্ষণ এ সবের কারণে বাহুমূলের রং গাঢ় হয়ে যায়| তবে চিন্তার কারণ নেই| আজকে রইলো বাহুমূলের কালো দাগ মুছে ফেলার সহজ ঘরোয়া উপায়|

১) লেবু‚ হলুদ ও মধুর প্যাক : এই প্যাক বানাতে লাগবে একটা পাতিলেবু‚ ২ চা চামচ হলুদ বাটা‚ ১চা চামচ ময়দা| একটা কাঁচের বাটিতে সব একসঙ্গে মিশিয়ে নিন| এবার উভয় বাহুমূলে ভাল করে প্যাকটা লাগিয়ে নিন| হালকা করে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন| এতে ত্বকের ময়লা ও মরা কোষ দূর হবে| ২০-৩০ মিনিট প্যাকটা লাগিয়ে রেখে হাল্কা গরম জলে সুতির কাপড় বা রুমাল ভিজিয়ে পরিষ্কার করুন| প্যাকটা সম্পূর্ণ তোলার পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন| সপ্তাহে অন্তন তিন দিন এই প্যাক লাগানোর চেষ্টা করুন| কালো দাগ তো দূর হবেই একই সঙ্গে বাহুমূলের খসখসে ভাব ও কমবে|

২) চন্দনের গুঁড়ো ও গোলাপ জল দিয়ে প্যাক : চন্দন ও গোলাপ জলের প্যাক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে| সঙ্গে ত্বকের কালছে ভাব দূর করে| তবে সপ্তাহে চারদিন এই প্যাক লাগাতেই হবে| দু’সপ্তাহের মধ্যে হাতে নাতে ফল পাবেন। একটা কাঁচের বাটিতে ৪ চা চামচ চন্দনের গুঁড়ো নিন| এতে ২চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন| উভয় বাহুমূলে প্যাকটা লাগিয়ে নিন ভালো করে| সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে ভিজে সুতির কাপড় দিয়ে প্যাক তুলে ফেলুন|

৩) চিনি ও পাতিলেবুর প্যাক : একটা কাঁচের বাটিতে খানিকটা চিনি আর পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিন| খেয়াল রাখবেন চিনি যেন লেবুর সঙ্গে মেশার পরও একটু দানা দানা থাকে| এইবার উভয় বাহুমূলে এই প্যাকটা লাগান| হাল্কা করে চিনি সম্পূর্ণ গলে যাওয়া অবধি ম্যাসাজ করুন| খানিক ক্ষণ রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন|

৪) বেকিং সোডা ও পাতিলেবুর প্যাক : লেবুর প্রাকৃতিক উপায় কালো দাগ মুছে ফেলতে সাহায্য করে| এই প্যাক নিয়মিত লাগালে অবশ্যই পরিবর্তন দেখতে পাবেন| অল্প পরিমাণে বেকিং সোডা নিয়ে তাতে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন | ২- ৩ মিনিট বাহুমূলে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন| আরও ২ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন| সপ্তাহে দু’ থেকে তিন বার এটা করতে পারেন|

নিয়মিত প্যাক লাগানো ছাড়াও হেয়ার রিমুভাল ক্রিমকে না বলতে হবে | হেয়ার রিমুভাল ক্রিমে এমন কিছু ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা বগলের ত্বক কালো করে দেয় | এ ছাড়াও রেজার ব্যবহার করে শেভ করলেও পরবর্তী বারে যখন অবাঞ্ছিত লোম গজায় তখন শক্ত লোম ত্বক কালো করে দেয় | তাই রেজার দিয়ে শেভ না করাই ভাল |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.