‘ভূত দেখেছি’ বলেই সাড়ে-সাতবছরের পাপান,
দাদুর দিদার ঘাড়ে চড়ে সে কী লাফান-ঝাঁপান।
বললে হেসে কুঁচকে ভুরু চোখ পাকিয়ে, ভূত,
দেখেছে সে কত্তরকম এবং তাদের পুত।
হ্যাংলা ভূত আর ক্যাংলা ভূতের বাড়ি বরিশালে,
সুযোগ পেলেই ইট ছোড়ে সব খোড়োবাড়ির চালে।
ইলিশমাছের গন্ধ পেলেই রান্নাঘরের ধারে,
কখন সেটি করবে হাপিস, থাকবে চুপিসাড়ে।
ভূতের সঙ্গে শাঁকচুন্নি, পেত্নি, বেম্মদত্যি!
মানুষ ছানাপোনা যত ওদের নাকি পথ্যি।
লিকপিকে ভূত সজিনগাছের সরু ডালে ঝুলবে,
ফুলকো ভূতের ছানাগুলো রাগে কেবল ফুলবে।
হিড়িম্বা ভূত, তিড়িম্বা ভূত, ছানা তাদের একশো,
সন্ধে হলেই ধরবে কাকে, বানাবে তার নকশো।
শুনে সবাই ভীষণ অবাক, বলছে কী সব পাপান?
জানার জন্য সবাই এসে তার দুয়ারে ঝাঁপান…
পাপান বলে, সত্যি বলছি, মিথ্যে কী আর কই?
বলেই প্রমাণ দেওয়ার জন্য খুলল ভূতের বই!
*ছবি সৌজন্য: চিরকালের ছেলেবেলা