Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

সারাদিন ডাবলিন

কাকলি মজুমদার

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

Dublin Tour
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Dublin Tour)

ব্রাসেললন্ডন-ডাবলিন ঘুরে ক’দিন আগেই ফিরলাম ক্যালগেরিতে। তিনটে শহর তিনরকম দৃশ্যের সমাহার। মনে তাই একরাশ ভাল লাগা, আনন্দের অনুভূতি। এত অনুভূতির ভিড় থাকলে, কোথা থেকে লেখা শুরু করা যায়, তা ঠিক করা মুশকিল হয়। নিজস্ব এক অভ্যাস দিয়ে শুরু করা যাক?

কোথাও যাওয়ার আগে সেখানের আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা দেখে নেওয়া আমার এক রকম বাতিক। ডাবলিনে দেখলাম কয়েক দিন ধরেই রোজই মেঘলা-স্যাঁতস্যাঁতে বৃষ্টির সম্ভাবনা। গতিক সুবিধার ঠেকল না। কিন্তু অবাক কাণ্ড, ল্যান্ড করে দেখি চারদিকে ঝকঝকে রোদ্দুর। সেদিন রবিবার, ছুটির দিন। আমরা পৌঁছাতেই ভাইপো ঋষি চলে এল। পড়াশোনা শেষ করে সে ডাবলিনেই কর্মরত। কাছেই একটা রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে খেতে গেলাম। 


আরও পড়ুন: ফ্রেডারিক্টন: একটা এলোমেলো বেড়ানো


১৮৫০ সালে মানে ১৭৫ বছর আগে এই রেস্টুরেন্টটির পরিষেবা শুরু হয়! গায়ে ইতিহাসের ওড়না জড়ানো নিশ্চয়ই। এতগুলো বছর পার করে পুরনো রূপ-গন্ধ টিকে আছে। আজকের সদা পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে একভাবে দীর্ঘদিন টিঁকে থাকা বেশ বিরল। অবশ্য পশ্চিম ইউরোপের সব বড় শহরেই প্রাচীন আর আধুনিকের সহাবস্থান দেখেছি। প্রাচীন শহর সংরক্ষিত, সেখানে টুরিস্টদের ভিড়। নতুন শহরে স্থানীয় লোকদের বসতি, লোকসংখ্যা বাড়বার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমাগত পরিধিও বেড়ে চলেছে। 

Dublin Tour
পশ্চিম ইউরোপের সব বড় শহরেই প্রাচীন আর আধুনিকের সহাবস্থান দেখেছি। প্রাচীন শহর সংরক্ষিত, সেখানে টুরিস্টদের ভিড়।

ডাবলিন যে অস্কার ওয়াইল্ডের শহর, তা জানতাম না। এখানেই ওঁর জন্ম। এই রেস্টুরেন্টেও উনি কাজ করেছেন। রেস্টুরেন্টে ঢোকার মুখে একটা বেঞ্চে ওঁর একটা মূর্তি দেখলাম। দিব্যি লম্বা ছিপছিপে, আকর্ষণীয় চেহারা। ডাবলিনের অলিতে গলিতে তিনি বিরাজমান। হয় মূর্তি বা ছবি, না হয় দেওয়ালে ম্যুরাল হয়ে।

Dublin Tour
কিন্তু অবাক কাণ্ড, ল্যান্ড করে দেখি চারদিকে ঝকঝকে রোদ্দুর। সেদিন রবিবার, ছুটির দিন। 

অস্কার ওয়াইল্ড একাধারে ঔপ্যনাসিক, কবি ও নাট্যকার। ওঁর লেখা বিখ্যাত বইয়ের তালিকায় রয়েছে ‘দ্য পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে’, ‘লেডি উইন্ডারমেরের ফ্যান’, ‘দি ইমপোর্টেন্স অফ বিয়িং আর্নেস্ট’। কোনোটাই আমার পড়া হয়নি যদিও। তবে এবার পড়ে দেখব। 

আমরা পুরনো শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠেছি। হোটেল নির্বাচন বরের দায়িত্ব। কাজের জন্য ওকে খুব ঘুরতে হয়। সেই সব অভিজ্ঞতা থেকে ও ভাল জায়গা ঠিক করে নেয়। যেখান থাকবো, সেখান থেকে সহজেই ট্রেনে/ট্রামে দ্রষ্টব্যগুলোতে পৌঁছে যাওয়া যায়।

মাঝের চত্বরে গানবাজনা হচ্ছে। ইউরোপের বাস্কিং কালচার আমার খুব প্রিয়। আকাশভরা আলোর মতো মুক্ত-উদাত্ত কণ্ঠে গান শুনে মনে আনন্দে ভরে গেল।

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে আমি প্রচুর হোমওয়ার্ক করি। ডাবলিন মাত্র একটা দিনের মেয়াদ। তাই বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে আসিনি। ঋষির কথামতো আমরা গ্রাফটন স্ট্রিটে গেলাম। রাস্তার দু’ধারে সারি সারি ফ্যাশন বুটিক, স্যুভেনির শপ, কাফে, ফুলের দোকান। মাঝের চত্বরে গানবাজনা হচ্ছে। ইউরোপের বাস্কিং কালচার আমার খুব প্রিয়। আকাশভরা আলোর মতো মুক্ত-উদাত্ত কণ্ঠে গান শুনে মনে আনন্দে ভরে গেল।

ডাবলিনের রাস্তার দু’পাশে সারি সারি সুদৃশ্য বাড়ি। বাড়ির প্রধান দরজার রং গাঢ় উজ্জ্বল। প্রত্যেকটা বাড়ির দরজার রং আলাদা। বেশ অবাক হলাম। মনে হল, যেন প্ল্যান করে পুরো পাড়ায় রং করা হয়েছে। তা কি সম্ভব? এর কারণ কী? নানা গল্প আছে এই নিয়ে। যেটা সবচেয়ে আকর্ষণীয়, সেটাই লিখছি।

Dublin Tour
রাস্তার দু’ধারে সারি সারি ফ্যাশন বুটিক, স্যুভেনির শপ, কাফে, ফুলের দোকান। মাঝের চত্বরে গানবাজনা (busking) হচ্ছে।

আয়ারল্যান্ড তখন ব্রিটিশ সরকারের অধীন। ইংল্যান্ডে রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যুর পর ডাবলিনে শোক পালনের জন্য বাড়ির দরজায় কালো রং করতে আদেশ দেওয়া হয়। তাঁরা তা তো করলেনই না, উল্টে সব বাড়ির দরজায় গাঢ় রঙ-এর প্রলেপ পড়ল। এর থেকে এদেশের লোকেদের লড়াকু মানসিকতার প্রমাণ মেলে। ডাবলিনের টুরিস্ট প্রমোশনে, পিকচার পোস্টকার্ডেও সারি সারি রঙিন দরজার ছবি দেখেছি। (Dublin Tour) 

রাস্তার ওপাশে মিরিয়ন স্কোয়ার। এক টুকরো সবুজ পার্কে খোলা মাঠ, বড় বড় গাছ। রবিবার ছুটির দিন বলেই বোধহয় কিছু স্থানীয় লোক হাঁটছেন। ছেলেপুলেরা খেলছে। এখানেও অস্কার ওয়াইল্ডের মূর্তি। স্টাইলিশ চুল, গায়ে স্যুট, পায়ে বাহারি বুট। তিনি যে খুব শৌখিন ছিলেন বোঝা যায়। এলোমেলো পোশাকে ওঁকে কোথাও দেখলাম না। (Dublin Tour)

অনেক বছর আগে থেকে মানব-হিতৈষী নানা উদ্যোগে এখানে পার্ক তৈরি করা হয়েছে। ইদানিং, নাগরিকদের জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে শহর পরিকল্পনায় পার্ক ও সবুজ স্কোয়ার আবশ্যিক করা হয়েছে। 

ডাবলিনে দু’পা হাঁটলেই, এক টুকরো সবুজ। এ যে কী চোখের আরাম আর মনের শান্তি! হাঁটতে হাঁটতে সেন্ট স্টিফেনস গ্রিনে এলাম। বেশ বড় পার্ক। চারিদিকে সবুজ মাঠ আর প্রাচীন গাছের মাঝে ছোট্ট জলাশয়ে হাঁস চড়ছে। ডাবলিন শহরের মধ্য দিয়ে লিফি নদী বয়ে গেছে, কিছুটা দূরে সমুদ্র । তাই স্বভাবতই শহরে সবুজের বিকাশ। অনেক বছর আগে থেকে মানব-হিতৈষী নানা উদ্যোগে এখানে পার্ক তৈরি করা হয়েছে। ইদানিং, নাগরিকদের জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে শহর পরিকল্পনায় পার্ক ও সবুজ স্কোয়ার আবশ্যিক করা হয়েছে। (Dublin Tour)

Dublin Tour
স্টাইলিশ চুল, গায়ে স্যুট, পায়ে বাহারি বুট। তিনি যে খুব শৌখিন ছিলেন বোঝা যায়। 

রাস্তার ধারে একটা বেঞ্চে বসে ‘পিপল ওয়াচিং’ শুরু করলাম। কোনও নতুন দেশে বেড়াতে গিয়ে পাবলিক স্পেসে মানুষের গতিবিধি লক্ষ করলে অনেক কিছু জানা যায়। আশেপাশে দলে দলে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা ঘুরছে, প্রচুর ভারতীয় আছে। এরা কি স্টুডেন্ট? বেশ ছেলেমানুষ দেখতে। আমার আন্দাজ, কাছে নিশ্চয়ই একটা কলেজ আছে। ডাবলিনে আইটি বা টেক সেক্টরের দ্রুত প্রসার ঘটছে। ইউরোপের বড় বড় টেক সেক্টরের হেড অফিসগুলো এই শহরে – গুগল, মেটা, আমাজন…। ইদানিং, ভারত থেকে অনেক আইটি বা টেক শিক্ষাপ্রাপ্ত ছেলেমেয়েরা এখানে চাকরি করছে। (Dublin Tour)

Dublin Tour
হাঁটতে হাঁটতে সেন্ট স্টিফেনস গ্রিনে এলাম। চারিদিকে সবুজ মাঠ আর প্রাচীন গাছের মাঝে ছোট্ট জলাশয়ে হাঁস চড়ছে।

একটু হাঁটতেই ট্রিনিটি কলেজ (Trinity College) ক্যাম্পাসে পৌঁছে গেলাম। ৪০০ বছরের পুরনো ট্রিনিটি কলেজ আয়ারল্যান্ডের এক নম্বর ইউনিভার্সিটি। সবুজ সুদৃশ্য ক্যাম্পাসে খুব সুন্দর গথিক নকশার বাড়ি। ঝকমকে রোদ্দুরে অনেকেই ক্যাম্পাস দর্শনে এসেছেন। স্টুন্ডেন্টরা গরমের ছুটিতে টুরিস্ট গাইডের কাজ করছে। (Dublin Tour)

একটু হাঁটতেই ট্রিনিটি কলেজ (Trinity College) ক্যাম্পাসে পৌঁছে গেলাম। ৪০০ বছরের পুরনো ট্রিনিটি কলেজ আয়ারল্যান্ডের এক নম্বর ইউনিভার্সিটি।

আমাদের বুক অব কেলস-এর টিকিট কাটা ছিল। খুঁজে খুঁজে লাইব্রেরিতে গেলাম। অনেক লোক লাইনে দাঁড়িয়ে। ভিতরে ঢুকে অ্যাপ ডাউনলোড করে কানে হেডফোন লাগিয়ে প্রদর্শনী দেখতে গেলাম। কাঁচের গ্লাসকেসে ইতিহাস সাজানো। ‘বুক অফ কেলস’-র ইতিহাস একটা রহস্যকাহিনির মতো, যার সবকিছু এখনও সমাধান হয়নি। বইটা আয়ারল্যান্ডের জাতীয় সম্পদ।

এটা বাইবেলের (New Testament) এক অলংকৃত পান্ডুলিপি। তার থেকেও আশ্চর্য, পান্ডুলিপিটি বাছুরের চামড়ার উপর সোনা এবং খুব দামি রং দিয়ে আঁকা হয়েছিল। আসাধারণ সুন্দর, সূক্ষ্ম অলংকরণ। একটা প্যাটার্নের সঙ্গে অন্যটা জুড়ে নকশা কাটা। 

অষ্টম শতকের শেষ দিকে স্কটল্যান্ডের পশ্চিম প্রান্তে, আইওনাতে সমুদ্রের ধারে কোনও এক খ্রিস্টান মঠে বইটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। নিশ্চয়ই লক্ষ্য করলেন যে বইটি ‘লেখা’ না বলে, ‘তৈরি’ শব্দটা ব্যবহার করলাম। এটা বাইবেলের (New Testament) এক অলংকৃত পান্ডুলিপি। তার থেকেও আশ্চর্য, পান্ডুলিপিটি বাছুরের চামড়ার উপর সোনা এবং খুব দামি রং দিয়ে আঁকা হয়েছিল। আসাধারণ সুন্দর, সূক্ষ্ম অলংকরণ। একটা প্যাটার্নের সঙ্গে অন্যটা জুড়ে নকশা কাটা। বইতে বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্ট থেকে যিশু খ্রিস্টের জীবন, শিক্ষা, মৃত্যু ও তাঁর পুনরুজ্জীবনের (রেজারেকশন) বর্ণনা করা হয়েছে। (Dublin Tour)

Dublin Tour
নানা হাত ঘুরে আয়ারল্যান্ডের কেলস-এ পৌঁছায়। ইতিহাস বলছে, আগে থেকেই আইওনা আর কেলসের মঠের মধ্যে যোগাযোগ ছিল।

বোধহয় স্কটল্যান্ডের মঠ থেকে বইটা চুরি যায়। তারপরে নানা হাত ঘুরে আয়ারল্যান্ডের কেলস-এ পৌঁছায়। ইতিহাস বলছে, আগে থেকেই আইওনা আর কেলসের মঠের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। কে যে বইটা আয়ারল্যান্ডে নিয়ে এসেছিল, তা সঠিকভাবে বলা যায় না। অনেকের ধারণা, এই বইটির চিত্রণ আইওনায় শুরু হয়ে কেলস-এ শেষ হয়। প্রার্থনার জন্য এটি ব্যবহার হত। এত বছরের পুরনো বইয়ের একটাই কপি। যেকোনও সময়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই লাইব্রেরিতে কাচের শো-কেসে রাখা। পাতা উলটানো যাবে না। (Dublin Tour)

Dublin Tour
বহু হাত ঘুরে ১৬৬১ সালে বুক অফ কেলস ট্রিনিটি কলেজে এসে পৌঁছায়।

বহু হাত ঘুরে ১৬৬১ সালে বুক অফ কেলস ট্রিনিটি কলেজে এসে পৌঁছায়। তারও অনেক বছর পর, ২০০৬ সালে, ট্রিনিটির লাইব্রেরি ‘বুক অফ কেলস’-এর প্রথম ডিজিটাল সংস্করণ তৈরি করে। এখন অনলাইনে যে কেউ বইটা পড়তে পারেন, বা গবেষণার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন। (Dublin Tour)

এরপর গেলাম লাইব্রেরির দোতালায় ঐতিহাসিক লং রুমে। হাজার বছরের পুরনো বইয়ের সংগ্রহশালা। আবছা আলোতে সারি সারি কালচে-বাদামি তাকগুলো দুপাশে রেখে সামনে এগিয়ে চললাম। অনেকগুলো তাক খালি। বইগুলো কোথায় গেল? দেওয়ালে নোটিশ ঝোলানো আছে, পুরনো দুষ্প্রাপ্য বই-এর ডিজিটাল কপি তৈরি হচ্ছে। প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা খুব ভাল লাগল। ট্রিনিটি কলেজ যে প্রাচীন পুঁথির ডিজিটাল সংরক্ষণে পথপ্রদর্শক, তা বুঝতে অসুবিধা হল না। (Dublin Tour)

লন্ডন আর ডাবলিনের মাঝে আইরিশ সমুদ্র। প্লেনে মাত্র এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট। লন্ডন থেকে ডাবলিনে এসে সম্পূর্ণ এক নতুন অনুভূতির মুখোমুখি।

একটা হল ঘরে বসে ‘বুক অফ কেলস’-এর নিয়ে একটা ইমার্সিভ ডকুমেন্টারি দেখলাম। যেকোনও ইমার্সিভ অভিজ্ঞতা দর্শকদের ওই পটভূমিকায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত করে ফেলে। যেন আমরা সিনেমার দৃশ্যেরই অংশ। এক সময় এটাকে সত্যের চেয়েও বড় সত্য বলে মনে হয়। এবারেও তাই হল। (Dublin Tour)

ডাবলিন অপেক্ষাকৃত ছোট শহর, জীবনের গতি তুলনামূলকভাবে মন্থর।

লন্ডন আর ডাবলিনের মাঝে আইরিশ সমুদ্র। প্লেনে মাত্র এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট। লন্ডন থেকে ডাবলিনে এসে সম্পূর্ণ এক নতুন অনুভূতির মুখোমুখি। ব্যস্ততায় ডুবে থাকা মেগা শহর লন্ডনের জনবিস্ফোরণে নিজেকে অসংখ্য মানুষের একজন বলে মনে হচ্ছিল। ডাবলিন অপেক্ষাকৃত ছোট শহর, জীবনের গতি তুলনামূলকভাবে মন্থর। পাবে, রেস্টুরেন্টে লোকজন ছুটির দিনে আড্ডা দিচ্ছে। আমাদের সঙ্গে কেউ কেউ যেচে আলাপও করলেন। দুই দেশ, দুই শহরের মধ্যে প্রচুর লোকের যাতায়াত। একটাতে হাঁপিয়ে উঠলে, মানুষ অন্যটায় চলে যায়। (Dublin Tour)

Dublin Tour
শহরটাতে একটা ‘ওল্ড টাউন চার্ম’ রয়েছে। সমুদ্রের ধার দিয়ে ট্রেন অনেকগুলো পাথুরে বিচ পথে চলে।

দেখতে দেখতে সন্ধ্যে হয়ে এল। শহরতলিতে সমুদ্র দেখতে যাব ভেবেছিলাম। ডাবলিন থেকে বন্দর শহর ডুন লাওঘাইর ট্রেনে যেতে মাত্র ৩০ মিনিট লাগে। শহরটাতে একটা ‘ওল্ড টাউন চার্ম’ রয়েছে। সমুদ্রের ধার দিয়ে ট্রেন অনেকগুলো পাথুরে বিচ পার হয়ে ভারি সুন্দর পথে চলে। সময়ের অভাবে এবার আর যাওয়া হল না। তবে ভাইপো যখন আছে, পরেরবার নিশ্চয়ই হবে! (Dublin Tour)

ছবি সৌজন্য: লেখক

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Author Kakali Majumdar

কাকলির জন্ম এবং পড়াশুনা কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, পেশায় রিসার্চ ফেসিলিটেটর। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি, কলেজ, ফাউন্ডেশানে রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি এবং গ্রান্ট ডেভালেপমেন্টের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরি শহরের অধিবাসী। ঘুরেছেন নানা দেশ, ভালবাসেন সৃষ্টিশীল কাজ। লেখা তাঁর বহুদিনের ভালোবাসা। তার লেখায় ছুঁয়ে থাকে প্রকৃতি, প্রেম, পূজা আর মানুষের কাহিনি; কিছু গভীর অনুভবের আর অনুপ্রেরণার উপলব্ধি। গল্প ছাড়াও লেখেন প্রবন্ধ আর ভ্রমণ কাহিনি। তাঁর বেশ কিছু লেখা দেশ, সাপ্তাহিক বর্তমানে এবং অন্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

Picture of কাকলি মজুমদার

কাকলি মজুমদার

কাকলির জন্ম এবং পড়াশুনা কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, পেশায় রিসার্চ ফেসিলিটেটর। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি, কলেজ, ফাউন্ডেশানে রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি এবং গ্রান্ট ডেভালেপমেন্টের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরি শহরের অধিবাসী। ঘুরেছেন নানা দেশ, ভালবাসেন সৃষ্টিশীল কাজ। লেখা তাঁর বহুদিনের ভালোবাসা। তার লেখায় ছুঁয়ে থাকে প্রকৃতি, প্রেম, পূজা আর মানুষের কাহিনি; কিছু গভীর অনুভবের আর অনুপ্রেরণার উপলব্ধি। গল্প ছাড়াও লেখেন প্রবন্ধ আর ভ্রমণ কাহিনি। তাঁর বেশ কিছু লেখা দেশ, সাপ্তাহিক বর্তমানে এবং অন্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
Picture of কাকলি মজুমদার

কাকলি মজুমদার

কাকলির জন্ম এবং পড়াশুনা কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, পেশায় রিসার্চ ফেসিলিটেটর। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি, কলেজ, ফাউন্ডেশানে রিসার্চ স্ট্র্যাটেজি এবং গ্রান্ট ডেভালেপমেন্টের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরি শহরের অধিবাসী। ঘুরেছেন নানা দেশ, ভালবাসেন সৃষ্টিশীল কাজ। লেখা তাঁর বহুদিনের ভালোবাসা। তার লেখায় ছুঁয়ে থাকে প্রকৃতি, প্রেম, পূজা আর মানুষের কাহিনি; কিছু গভীর অনুভবের আর অনুপ্রেরণার উপলব্ধি। গল্প ছাড়াও লেখেন প্রবন্ধ আর ভ্রমণ কাহিনি। তাঁর বেশ কিছু লেখা দেশ, সাপ্তাহিক বর্তমানে এবং অন্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

জীবনানন্দ দাশ

সংস্কৃতি

আহার

শ্রুতি গঙ্গোপাধ্যায়
অমৃতা ভট্টাচার্য
ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বিহার

কাকলি মজুমদার
মধুছন্দা মিত্র ঘোষ
নির্মাল্য চ্যাটার্জি

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

নির্মাল্য চ্যাটার্জি
দেবার্চন চ্যাটার্জি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com