Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

আইখম্যানের ঠিকানার খোঁজে (এলি কোহেন – এক গুপ্তচরের কাহিনি)

Eli Cohen 13
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Eli Cohen 13)

এলি কোহেন যখন সিরিয়ায় তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অভিযানে চলেছেন, ইজরায়েল তখন অ্যাডল্ফ আইখম্যানের ধরা পড়া ও বিচার নিয়ে উত্তাল। ইহুদি বিদ্বেষ কোন পর্যায়ে যেতে পারে, তা আইখম্যানের কর্মকাণ্ড যত প্রকাশ্যে এল, তত গোটা বিশ্ব বুঝতে শুরু করল। কোহেনও বুঝতে পারছিলেন, সেই বিদ্বেষের ভয়াবহতার মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হবে।

তাই, আইখম্যানের সন্ধান পর্বটা তাঁর কাছেও আকর্ষণীয় ছিল দুটো কারণে। ভিন দেশে যে কোনও এজেন্টকেই ছদ্ম পরিচয়ে থাকতে হয়। আর আইখম্যান ছিল বুয়েন্স এয়ার্সে, যার সব রাস্তা-গলি কোহেনেরও নখদর্পণে। শুরু হল আইখম্যান সন্ধান পর্ব।

পর্দা উঠল এলি কোহেন ত্রয়োদশ পর্বের।


পড়ুন এলি কোহেনের আগের পর্ব – (১), (২), (৩), (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (৯) (১০), (১১), (১২)


জার্মানরা যদি ইহুদি খতম অভিযান পুরোপুরি শেষ করতে পারত…

‘বাবা এই হল নিক। তোমাকে যার কথা বলেছিলাম।’

সিলভিয়া হের্মান এইভাবেই তার বয়ফ্রেন্ড নিক আইখম্যানের সঙ্গে পরিচয় করাল তার পিতা লোথার হের্মানের।

‘হালো নিক’

Eli Cohen 13
লোথার হের্মান

‘গুটেন ট্যাগ হের হের্মান’। পরিষ্কার জার্মান ভাষায় সম্ভাষণ করে নিক ওরফে নিকোলাস ওরফে ক্ল্যস আইখম্যান করমর্দন করল লোথার হের্মানের সঙ্গে।

১৯৫৬ সালের ডিসেম্বরের এক শেষ হয়ে যেতে বসা বিকেল। লা প্লাতা নদীতে পড়ন্ত সূর্যের সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সোনালি আলোর ছোঁয়া লেগেছে বুয়েন্স এয়ার্সের কেন্দ্র থেকে মাইল দশেক উত্তরে ভিঁসেত লোপেজ এলাকায় এই জার্মান মহল্লা অলিভসেও।

স্থানীয় এক ডান্স হলে সিলভিয়া-নিকের দেখা, কথা বলা, ভাল লাগা। তারপর বেশ কয়েকবার দু’জনের ডেটিং। শেষমেশ নিককে বাড়িতে আসার নিমন্ত্রণ জানিয়েছে সিলভিয়া। উদ্দেশ্য বাবার সঙ্গে আলাপ করানো। সেই নিমন্ত্রণ রক্ষা করতেই নিকের এই অলিভসের মহল্লায় পা রাখা।

জার্মান ইহুদি লোথার ছিলেন জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। প্যালেস্তাইনের ইহুদি বসবাসকারীদের চোরা পথে অর্থ ও পণ্য সামগ্রী পাঠাতে গিয়ে ১৯৩৫ সালে জার্মান গুপ্ত পুলিশ গেস্তাপোর হাতে ধরা পড়েন। ডাচাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে তার উপর নির্মম অত্যাচার চালানো হয়। পরিণামে লোথার তাঁর এক চোখের দৃ্ষ্টিশক্তি হারান। মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৩৬ সালের অগস্টে লোথার নেদারল্যান্ডে চলে যান।

গল্পগাছা করতে করতে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হল। ডিনার টেবিলে বসে এ কথা সে কথায় জার্মানির প্রসঙ্গ এল। এক দশক আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও তা নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে আসা জার্মানদের আবেগের রক্তক্ষরণ এখনও চলছেই। যুদ্ধোত্তর জার্মানি নিয়ে উৎকণ্ঠা জ্ঞাপনের পাশাপাশি পরাশক্তি হয়ে ওঠা তৃতীয় রাইখ নিয়ে গর্বিত স্মৃতি রোমন্থন। নিক এই শেষোক্ত দলের।

আর সেটা বেশিক্ষণ চাপাও রইল না নিকের কথায়। সঙ্গে বেরিয়ে এল যুদ্ধে হারলেও ইহুদিদের প্রতি ঘৃণা এক বিন্দু না কমা। আগেই নিক বলে বসে আছে, তার বাবা নাৎসি জমানায় বড় সরকারি পদাধিকারী ছিল। দেশের ভালর জন্য ছিল নিবেদিত প্রাণ। এই পর্যন্ত ডিনার টেবিলে আড্ডাটা মোটের উপর ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু আলোচনা আর বেশি দূর এগোল না ইহুদিদের কথা উঠতেই। নিক ফস করে বলে বসল, ‘জার্মানরা যদি ইহুদি খতম অভিযানটা পুরোপুরি শেষ করতে পারত, তাহলে ভালই হত।’

Eli Cohen 13
নিক আইখম্যান

লোথার এই নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করলেন না। তিনি শুধু আলোচনার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিলেন। আদতে নিকের মুখে ইহুদি ঘৃণা শুনে তিনি মোটেই অবাক হননি। তখন বুয়েন্স এয়ার্সের পথে ঘাটে এরকম বহু যুদ্ধের পরে পালিয়ে আসা জার্মানের দেখা মিলত, যারা সুযোগ পেলেই ইহুদিদের শাপশাপান্ত করত। তবে নিক চলে যাওয়ার পর ওর কয়েকটা কথায় লোথারের মনে সন্দেহের চোরা স্রোত বইতে শুরু করল।

এখানে লোথার হের্মানের দিকে আলোকপাত করা যাক। জার্মান ইহুদি লোথার ছিলেন জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। প্যালেস্তাইনের ইহুদি বসবাসকারীদের চোরা পথে অর্থ ও পণ্য সামগ্রী পাঠাতে গিয়ে ১৯৩৫ সালে জার্মান গুপ্ত পুলিশ গেস্তাপোর হাতে ধরা পড়েন। ডাচাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে তার উপর নির্মম অত্যাচার চালানো হয়। পরিণামে লোথার তাঁর এক চোখের দৃ্ষ্টিশক্তি হারান। মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৩৬ সালের অগস্টে লোথার নেদারল্যান্ডে চলে যান। সেখানেই তাঁর দেখা হয় ভবিষ্যৎ খ্রিস্টান স্ত্রী মার্তা ওয়াল্ডম্যানের সঙ্গে।

ঠিক এই কারণেই অ্যাডল্ফ আইখম্যানের বড় ছেলে ক্ল্যস বুঝতেই পারেনি যে, সিলভিয়া আদতে অর্ধ ইহুদি। তবে ক্ল্যস যতই তার পরিবার সম্বন্ধে ধোঁয়াশা রাখুক, যতই বলুক বাবা নেই, মা জার্মানি থেকে আর্জেন্টিনা এসে আবার বিয়ে করেছে, লোথারের মনে সন্দেহের কাঁটা বিঁধেই ছিল।

এরপর এল ১৯৩৮ সালের ৯ আর ১০ই ডিসেম্বরজুড়ে ক্রিশ্চেনাত বা ‘নাইট অফ ব্রোকেন গ্লাস’-এর অভিশপ্ত রাত। গভীর রাতে জার্মানি, অস্ট্রিয়া আর চেকশ্লোভাকিয়া সুদেতেনল্যান্ড জুড়ে ইহুদিদের উপর নেমে এল চূড়ান্ত অত্যাচার। নাৎসিদের কুখ্যাত এসএস বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ল ইহুদিদের সব দোকান, বাজার, স্কুল, হাসপাতাল, সিনেগ্যগ ধ্বংস করতে। এসএস বাহিনীর নৃশংস আক্রমণে ৯০ জনের যে শুধু প্রাণ গেল তাই নয়, ১৪০০ সিনাগগ ধ্বংস হল, হাজার সাতেক ইহুদি মালিকানাধীন দোকান লুঠ হল, হাজার তিরিশেক ইহুদিকে ভুয়ো অভিযোগে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক রবার্ট জে ইভান্সের হিসাবে সেই রাতে ৬৩৮ জন ইহুদিকে খুন করা হয়। বলা হয়, পরবর্তীকালে ইউরোপ জুড়ে ৬০ লক্ষ ইহুদির যে নরমেধ যজ্ঞ নাৎসিরা চালিয়েছিল, ক্রিশ্চেনাত ছিল তার ট্রেলার মাত্র।

বিপদ যে ঘনিয়ে আসছে, তা লোথারও বুঝেছিলেন। তাই স্ত্রী মার্তাকে নিয়ে রটারড্যাম বন্দর থেকে জাহাজে উরুগুয়ে পাড়ি দেন। সেখান থেকে পড়শি দেশ আর্জেন্টিনা। সেখানেই ১৯৪১ সালের মে মাসে কন্যা সিলভিয়ার জন্ম হয়। বিশ্বযুদ্ধ তখন পুরোদমে চলছে। দিন দিন আর্জেন্টিনায় জার্মানি থেকে আসা লোকজনের সংখ্যা বাড়ছে। তার মধ্যে তাঁর মতো ইহুদি যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রচুর সাধারণ ইহুদি বিদ্বেষী জার্মানও। বুয়েন্স এয়ার্সের রাস্তায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে ‘হেইল হিটলার’ ধ্বনি। তাই সদ্যজাত সন্তানকে ইহুদি হওয়ার জন্য যাতে বিপদে না পড়তে হয়, সেই কথা মাথায় রেখে খ্রিষ্টধর্ম অনুসারে তার প্রতিপালন করা হল।

Eli Cohen 13
সিলভিয়া হের্মান

ঠিক এই কারণেই অ্যাডল্ফ আইখম্যানের বড় ছেলে ক্ল্যস বুঝতেই পারেনি যে, সিলভিয়া আদতে অর্ধ ইহুদি। তবে ক্ল্যস যতই তার পরিবার সম্বন্ধে ধোঁয়াশা রাখুক, যতই বলুক বাবা নেই, মা জার্মানি থেকে আর্জেন্টিনা এসে আবার বিয়ে করেছে, লোথারের মনে সন্দেহের কাঁটা বিঁধেই ছিল।

আইখম্যানের খোঁজে সিলভিয়া…

এর মধ্যে ১৯৫৭ সালে হের্মান পরিবার বুয়েন্স এয়ার্সের অলিভস ছেড়ে কয়েকশো মাইল দূরে ছোট্ট শহর করোনেল সুয়ারেজে এসে উঠেছে। লোথার স্থানীয় কর্মীদের পেনশন পেতে সাহায্য করা শুরু করেছেন। সিলভিয়া চেষ্টা করছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার ডিগ্রি অর্জনের। 

নিজের পরিবারের ব্যাপারেও অদ্ভুত কথা বলেছিল ক্ল্যস। যুদ্ধের পরে বাবার খোঁজ সে নাকি জানে না, কিন্তু মা আর্জেন্টিনাতে এসে ফের এক জার্মানকে বিয়ে করেছে। তাহলে ক্ল্যসের বাবাই পলাতক সেই এসএস অফিসার নয়তো? মেয়ের কাছে সব শুনে লোথারও নিশ্চিত হলেন, ক্ল্যস ওরফে নিকের সেই বাবাই সেই পলাতক যুদ্ধাপরাধী।

এপ্রিল মাসে প্রায় দৃ্ষ্টিহীন লোথারকে স্থানীয় জার্মান ভাষায় সংবাদপত্র আর্জেন্টিনিশেস ট্যাজেব্লাট (যার অর্থ আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র) থেকে খবর পড়ে শোনাচ্ছিলেন সিলভিয়া। ১৮৭৮ সালে সুইজারল্যান্ডের বার্ন থেকে আসা ইয়ানন আলেমন আর্জেন্টিনার বাড়তে থাকা জার্মানদের জন্য খবরের কাগজটি চালু করেন। জার্মানির ক্ষমতাসীন নাৎসি পার্টির বিরোধী এই সংবাদপত্র ইহুদিদের হয়েও লিখত। স্বাভাবিকভাবেই হের্মান পরিবার ছিল এই সংবাদপত্রের নিয়মিত পাঠক।

একটা খবরে সিলভিয়ার নজর আটকে গেল। যুদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ ইহুদিকে গ্যাস চেম্বারে পাঠানোর অন্যতম কুশীলব এসএস অফিসার অ্যাডল্ফ আইখম্যান এখনও ফেরার। তার জোর খোঁজ চলছে। সিলভিয়ার মনে পড়ল ডিনার টেবিল ক্ল্যস আইখম্যানের ইহুদি নিধনের কথা। ক্ল্যস তার বাড়িতে সিলভিয়াকে নিয়ে যাওয়া তো দূরস্থান, তাকে বাড়ির ঠিকানা পর্যন্ত দেয়নি। নিজের পরিবারের ব্যাপারেও অদ্ভুত কথা বলেছিল ক্ল্যস। যুদ্ধের পরে বাবার খোঁজ সে নাকি জানে না, কিন্তু মা আর্জেন্টিনাতে এসে ফের এক জার্মানকে বিয়ে করেছে। তাহলে ক্ল্যসের বাবাই পলাতক সেই এসএস অফিসার নয়তো? মেয়ের কাছে সব শুনে লোথারও নিশ্চিত হলেন, ক্ল্যস ওরফে নিকের সেই বাবাই সেই পলাতক যুদ্ধাপরাধী।

Eli Cohen 13
মিসেস আইখম্যান

কিন্তু, তাঁর এই ধারণার কথা বলবেন কাকে? এক দশকেরও বেশি আগে যুদ্ধ শেষ হলেও এখনও হিটলারের ভক্তরা বুয়েন্স এয়ার্সের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যদি আইখম্যানের এখানে থাকার কথা জার্মান দূতাবাসকে জানান, তবে একটাই ফল হবে। আইখম্যান জেনে যাবে আর ফের উধাও হয়ে যাবে। তাই ওই পথে লোথার হের্মান হাঁটেননি। সংবাদে লেখা ছিল, ফ্রাঙ্কফুর্টের এক আইনজীবী খুঁজছেন এই পলাতক আইখম্যানকে। আইখম্যান নাম ভাঁড়িয়ে সপরিবারে বুয়েন্স এয়ার্সে যে রয়েছে, সেই খবরটা ফ্র্যাঙ্কফুর্টের আইনজীবী ফ্রিট্জ বয়্যরকে জানালেন লোথার। এর আগে ১৯৫৬ সালে ডিসেম্বর মাসে, হেসের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে বয়্যর আইখম্যানকে ধরার জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন। ফলে লোথারের চিঠি তাঁর কাছে মেঘ না চাইতেই জল।

তিনি সহযোগীদের নির্দেশ দিলেন যুদ্ধের সময় যতটা সম্ভব আইখম্যানের কার্যকলাপের তথ্য জোগাড় করতে, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়। আর লোথারকে চিঠি লিখলেন, আইখম্যানের ঠিকানা জোগাড় করতে।

সিলভিয়া তার আরেক পুরনো বন্ধুর দেখা পেয়ে গেল। সে আবার নিক কোথায় থাকে, তা জানে। তার কাছ থেকেই নিকের ঠিকানা পেয়ে গেল সিলভিয়া। সেই ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে ৪২৬১ নম্বরের সামনে হাজির হল সিলভিয়া। সাদা রঙের একতলা বাড়ি। 

ঠিকানা জোগাড় করতে বলে বয়্যর খালাস, কিন্তু, লোথার তো আর বুয়েন্স এয়ার্সে থাকেন না। থাকেন আর্জেন্টেনীয় রাজধানী থেকে কয়েকশো মাইল দূরে। তাও হাল ছাড়লেন না লোথার। মেয়ে সিলভিয়াকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। ঘণ্টা দশেক ট্রেন জার্নি করে এসে পৌঁছালেন বুয়েন্স এয়ার্স। তারপর অলিভসের চাচাবুচো স্ট্রিটে বাবা মেয়ের ঘোরাঘুরি। নিক তো এই এলাকাতে থাকে বলেছিল। তাই যদি নিকের সঙ্গে যদি দেখা হয়ে যায়, এই আশায় বুক বেঁধে এই এলাকায় ঘোরাফেরা। নিকের দেখা না পেলেও পরিশ্রম পুরো জলে গেল না। সিলভিয়া তার আরেক পুরনো বন্ধুর দেখা পেয়ে গেল। সে আবার নিক কোথায় থাকে, তা জানে। তার কাছ থেকেই নিকের ঠিকানা পেয়ে গেল সিলভিয়া। সেই ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে ৪২৬১ নম্বরের সামনে হাজির হল সিলভিয়া। সাদা রঙের একতলা বাড়ি। 

তথ্যসূত্র – (১) ড্যানিয়েল গর্ডিস-ইজরায়েল-আ কনসাইজ হিস্টরি অফ আ নেশন রিবর্ন, (২) জ্যাক্সন হ্যালে-এলি কোহেন-দ্য স্পাই হু নিয়ারলি বিকেম আ সিরিয়ান মিনিস্টার, (৩) এলি কোহেন- আ লাইফ অফ এসপিওনাজ অ্যান্ড স্যাক্রিফাইস, (৪) নীল বসকম্ব-হান্টিং আইখম্যান-চেজিং ডাউন দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট নটোরিয়াস নাৎসি, (৫) গাই ওয়াল্টার্স- হান্টিং ইভিল, (৬) উকি গোনি-হাউ নাৎসি ওয়্যার ক্রিমিনালস এসকেপড ইউরোপ, (৭) সাইমন উইজেনথাল- জাস্টিস নট ভেঞ্জেন্স, (৮) লি সন্ডার্স- দ্য পাজল, (৯) হায়াম এ কাপলান- স্ক্রল অফ অ্যাগোনি-দ্য ওয়ারশ ডায়েরি অফ হায়াম এ কাপলান, (১০) ড্যানিয়েল জোনাহ গোল্ডহাগেন-হিটলার্স উইলিং এক্সিকিউশনার্স-অর্ডিনারি জার্মানস অ্যাণ্ড দ্য হলোকাস্ট

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Picture of কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়

কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়

মূলত শিল্প বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকতায় ব্যপ্ত বিগত তিন দশক। তবে সুযোগ পেলে ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া বা অন্য ধরনের লেখাতে প্রাণের আরাম খোঁজার চেষ্টাও চলে
Picture of কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়

কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়

মূলত শিল্প বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকতায় ব্যপ্ত বিগত তিন দশক। তবে সুযোগ পেলে ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া বা অন্য ধরনের লেখাতে প্রাণের আরাম খোঁজার চেষ্টাও চলে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

হেমেন্দ্রকুমার রায়
বিতস্তা ঘোষাল
নীলাঞ্জন দরিপা

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
ইন্দ্রনাথ রুদ্র
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com