Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

আতাকামা’র মরুদ্যানে

Chile Atacama
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Chile Atacama)

আবারও এক দেশ ছেড়ে আরেক দেশে আমাদের অভিযান। বাক্স-প্যাঁটরা গুছিয়ে নিয়ে যাত্রা শুরু হল। এবার আমরা চললাম পেরু থেকে চিলির উদ্দেশ্যে। সান্তিয়াগো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে ক্লোকরুমে প্রধান ব্যাগ ও ব্যাগেজভর্তি ঢাউস বাক্স-প্যাঁটরা গচ্ছিত রেখে আগে থেকে গোছানো যৎসামান্য জিনিস নিয়ে আরেকটি ছোট্ট বিমানে কালামায় ল্যান্ড করলাম। মাত্র দেড় ঘণ্টার আকাশপথ। সেখান থেকে বাসে ‘সান পেড্রো ডি আতাকামা’। প্লেনের একফালি জানলা দিয়েই প্রথম আন্দিজ ঘেরা আতাকামা মরুভূমি দৃষ্টিগোচর হল। ফ্লাইট লেট করায় সেই মরুপ্রান্তরে পৌঁছতে বেশ রাত হয়ে গেল। মধ্যরাতে হোটেলে ঢুকলাম সকলে। 


আরও পড়ুন: মাচু পিচুর পিছুপিছু


রিসেপশনে নীল পাসপোর্ট হাতে আমাদের চেক-ইন করতে দেখে রিসেপশনের সবাই হতভম্ভ। তারা জন্মে ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট চোখে দেখেনি। একদল লোকজন এই মরুভূমি ‘সান পেড্রো’তে এসেছে সুদূর ইন্ডিয়া থেকে! ভারতীয় অভিবাসীরা বিভিন্ন দেশ থেকে চিলিতে এলেও, ভারতবর্ষ থেকে কাউকে আসতে দেখেনি তারা। বেশ আনন্দ হল শুনে। কনকনে ঠান্ডা সেই মরুভূমি। আলো জ্বলছিল শুধু হোটেলে। সেই আলোতেই এক ঝলক ঘুটঘুটে অন্ধকার মরু রিসর্টটির আশপাশ দেখে নিয়ে ঠান্ডায় জড়ভরত হয়ে গেলাম। 

Chile Atacama
আতাকামা মরুপ্রান্তরে

দক্ষিণ আমেরিকার চিলির উত্তর অংশে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল ঘেঁষে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই মরুভূমি। একপাশে ভাঁজে ভাঁজে বিশাল আন্দিজ পর্বতমালা এবং অন্যপাশে চিলির উপকূলীয় পর্বতমালা। পৃথিবীর সবচাইতে শুষ্কতম এই মরুভূমিতে বছরে গড়ে মাত্র ১-১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। গাছপালাও তথৈবচ! তবে কোনও এক অদ্ভূত ভৌগোলিক কারণে সান পেড্রো শহরে বৃষ্টির আশীর্বাদ ঝরে পড়ে বৈকি। আর তাই বুঝি সেখানে শহরায়ণ সম্ভব হয়েছে।

পরদিন ভোরে মরুশহরের সেই হোটেলটির দিকে তাকিয়ে মনে হল, এ কোথায় এসেছি! সূর্যের আলো তখন চুঁইয়ে পড়ছে হলদে বালি রঙের অ্যাডোবি স্টাইল কটেজগুলোয়। প্রতিটি কটেজের টালির চাল আর পাথরের দেওয়াল। এখানে সব একতলা বাড়ি এভাবেই বানানোর রীতি।

শহরের স্থাপত্যে আধুনিক বহুতল বাড়ি বানানোতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পুরনো অ্যাডোবি স্টাইলের বাড়িকেই তারা প্রাধান্য দিয়ে পেট্রিয়ার্কি প্রতিষ্ঠা করে। এই অ্যাডোবি স্টাইলেই ঘরদোর, হোটেল, রেস্তরাঁ, দোকানপাট সবকিছু গজিয়ে উঠেছে সেখানে।

পেট্রিয়ার্কি শব্দটি চিলিতে দু’ভাবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত যাকে আমরা পুরুষতন্ত্র বলি, সেটাই ওই দেশের হেরিটেজ বা ঐতিহ্য বলেও মানা হয়। যেমন শহরের স্থাপত্যে আধুনিক বহুতল বাড়ি বানানোতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পুরনো অ্যাডোবি স্টাইলের বাড়িকেই তারা প্রাধান্য দিয়ে পেট্রিয়ার্কি প্রতিষ্ঠা করে। এই অ্যাডোবি স্টাইলেই ঘরদোর, হোটেল, রেস্তরাঁ, দোকানপাট সবকিছু গজিয়ে উঠেছে সেখানে। সোনার বালির রং চারিদিকে। মনে পড়ে সোনার কেল্লার কথা। একফোঁটা কৃত্রিমতা নেই। পুরোপুরি শহুরে সাহেবি কেতাদুরস্ত, কিন্তু তারই মধ্যে যেন একটা মরুশহরের আটপৌরে নিপাট কৌলীন্য।

ব্রেকফাস্ট সেরে নিয়েই বেরিয়েছি মরুভূমি অভিযানে। বাস ছুটে চলেছে শীতল মরুভূমির উপর দিয়ে। সুন্দর রাস্তা। পাহাড়ের নততলে সদর্পে ক্যাকটাস মনের সুখে ইতিউতি মাথা তুলে আছে। এই ক্যাকটাসের নাম কারডন (Cardón cactus)। মাইলের পর মাইল ধূ ধূ বালির রাজ্যে এমন সবুজ ক্যাকটাস চোখের পক্ষে বেশ আরামদায়ক।

Chile Atacama
সারি সারি কাঁটাগাছ

লাদাখ আর কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রাকালে তিব্বতে শীতল মরুভূমি চাক্ষুষ দেখেছি। আমাদের হিমালয় পেরিয়ে জলীয় বাষ্প পৌঁছতে পারে না সেখানেও। কিন্তু পেরু থেকে চিলি পৌঁছে, ‘সান পেড্রো ডি আতাকামা’তে গিয়ে মনে হল, আগে কিছুই দেখিনি। আতাকামার শীতল মরুভূমি এতই বিশাল, দূষণমুক্ত আর নির্জন যে, নাসার বিজ্ঞানীরা সেখানে জ্যোতির্বিজ্ঞানের (অ্যাস্ট্রোনমিকাল) নানাবিধ পরীক্ষানিরীক্ষা চালান। মঙ্গলগ্রহের মতো লালচে রং মাটির, একফোঁটা জল কোথাও নেই। মাইলের পর মাইল আছে বিচিত্র স্যান্ড ডিউনস (বালির টিলা)। আন্দিজ পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে যেন রামধনু রং খেলে বেড়াচ্ছে। সে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা।

ভোরের সূর্যের আলোয় সে মরুপাহাড়ের এক রূপ। প্রদোষকালে সূর্যাস্তের সময় হবে তার আরেক রূপ। ঈশ্বরের কার্পণ্যের চরম উৎকর্ষ সে মরুশহরের বুকে উপচে পড়ছে। একপাশে আন্দিজ এবং অন্যপাশে চিলির উপকূলীয় পর্বতশ্রেণি থাকায় এখানে বৃষ্টির মেঘ পৌঁছাতে পারে না। প্রশান্ত মহাসাগরের জলীয় বাষ্প পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে বৃষ্টি ঝরানোর আগেই শুষ্ক হয়ে যায়।

সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই অনন্য মরুভূমি এত স্পেশাল কারণ, প্রথমত, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক শীতল মরুভূমি। দ্বিতীয়ত, মহাকাশ গবেষণার স্বর্গরাজ্য এই আতাকামা।

দুই পাশের পর্বতমালার ঘেরাটোপে বন্দী হয়ে বৃষ্টিবাহী মেঘকে হয়তো সে বরণ করতে পারে না। কিন্তু অনাবৃষ্টির জন্য সৌন্দর্য কিছু কম পড়েনি। ভূগোলের পরিভাষায় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল একেই বলে। আন্দিজের জেদের কাছে সত্যিই পরাজিত এই বিধ্বস্ত ও প্রত্যন্ত টেরেইন (ভূমি অ়ঞ্চল)। রূপসী আন্দিজের একই অঙ্গে এত রূপ! দিন ও রাতের তাপমাত্রার ফারাকও এখানে অনেক বেশি।

সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই অনন্য মরুভূমি এত স্পেশাল কারণ, প্রথমত, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক শীতল মরুভূমি। দ্বিতীয়ত, মহাকাশ গবেষণার স্বর্গরাজ্য এই আতাকামা। খুব কম আর্দ্রতা, মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে বলে মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য এটি পৃথিবীর সেরা জায়গা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপগুলোর বেশ কয়েকটি এখানে বসানো হয়েছে, যার মধ্যে ALMA (Atacama Large Millimeter/submillimeter Array) এবং VLT (Very Large Telescope) অন্যতম। রাতের গহীন অন্ধকারে টেলিস্কোপে চোখ রাখার অভিজ্ঞতাও হল। 

Chile Atacama
অ্যাডোবি স্টাইল বাড়ি

নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আতাকামা মরুভূমির মাটি ও পরিবেশের সঙ্গে মঙ্গলগ্রহের মাটির বহু মিল রয়েছে।  মঙ্গলগ্রহে কোনও রোভার বা রোবট পাঠানোর আগে নাসা (NASA) সেগুলোর চাকা এবং যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য এই আতাকামা মরুভূমিকে বেছে নেয়। এখানকার মাটি এতটাই চরমভাবাপন্ন যে, অনেক জায়গায় কোনও ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীবও বেঁচে থাকতে পারে না।

তৃতীয়ত, এখানকার ল্যান্ডস্কেপ বা ভূপ্রকৃতি একদম অন্য কোনও গ্রহের মতো। বিশেষ করে এর ‘ভ্যালে দে লা লুনা’ (Moon Valley) দেখতে হুবহু চাঁদের পৃষ্ঠের মতো। এছাড়া এখানে রয়েছে বিশাল ‘সালার দে আতাকামা’ বা লবণের হ্রদ, যেখানে মাইলের পর মাইল শুধু ধবধবে সাদা লবণের আস্তরণ প্রত্যক্ষ করলাম সেদিন সূর্যোদয়ের ভোরে। আর, এই মরুভূমির চতুর্থ বিশেষত্ব হল রেইনবো মাউন্টেন। তবে আতাকামার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে, তার প্রেমে হাবুডুবু খাওয়ার পঞ্চম কারণ হল বিখ্যাত এল তাতিও গিজারস (El Tatio Geysers)। তার কথায় পরে আসব।

Chile Atacama
রামধনু পাহাড়ের বিচিত্র রং

প্রথমদিনের অভিযান তালিকায় ছিল ভ্যালে ডেল আরকোইরিস (Valle del Arcoíris) বা রেইনবো ভ্যালি আর সল্ট মাউন্টেন। এটি সান পেড্রো ডি আতাকামা থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে, করডিলেরা ডোমেইকো (Cordillera Domeyko) পর্বতমালায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ উঁচুতে।

সাধারণত, দূরের ঘনসবুজ পাহাড়ের সামনে হালকা সবুজ রং দেখতে আমরা অভ্যস্ত। কিংবা গাছপালা না থাকলে পাথুরে পাহাড় মানে কালচে বা ধূসর বা বাদামি পাহাড় দেখি। কিন্তু এসব রঙের একফোঁটা অস্তিত্ব নেই এখানে। এই উপত্যকা ও তার চারপাশের পাহাড়গুলো লাল, সবুজ, সাদা আর হলুদের এক অদ্ভুত রঙের মেলায় সেজে রয়েছে। আর সে রঙের বৈচিত্র্যের মূলে খনিজ ও লবণের খেলা।

Chile Atacama
নীল রঙের কপার খনিজসমৃদ্ধ রামধনু পাহাড়

মাটিতে হয়ে রয়েছে হলুদাভ এক গুল্ম। আতাকামার হোটেলের রিসেপশনেই সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা ছিল শুকনো এই গুল্মলতা। গাইডের মুখে মরুভূমিতে গিয়ে শুনলাম স্থানীয়দের কাছে নানা ভেষজগুণসম্পন্ন সে গাছের নাম কাচিয়ুয়ো (Cachiyuyo বা katchiyouyoa)। এটি দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয়, লবণাক্ত মাটিতে জন্মানো কষ্টসহিষ্ণু এক গুল্ম, যার লবণ সহ্য করার ক্ষমতা অসীম।

Chile Atacama
রামধনু পাহাড়ের লাল রং

রামধনু পাহাড়ের এই বিচিত্র রঙের পিছনে রয়েছে কোটি কোটি বছরের টেকটনিক মুভমেন্ট, আগ্নেয়গিরির লাভা উদগীরণ এবং বিভিন্ন খনিজের রাসায়নিক বিক্রিয়া। যেমন মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড থাকার কারণে পাহাড়ের রং কোথাও লাল। এরপর আশ্চর্য হলাম জেনে যে, আতাকামা তামার জন্য বিখ্যাত। তাই পাহাড়ের কোথাও দীর্ঘ এলাকা জুড়ে শুধু নীলচে বা সবুজ। কপারের নানা ‘সল্ট’ (রাসায়নিক যৌগ) রয়েছে এই পাহাড়ে। মনে পড়ে গেল, ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রি (অজৈব রসায়ন) বইতে পড়া ‘আটাকামাইট’ নামে কপারের একটি মিনারেলের নাম। তার সঙ্গে আতাকামার সম্পর্ক এদ্দিনে বোঝা গেল।

Chile Atacama
বিচিত্র রামধনু পাহাড়

সবুজ ও নীলচে আভার পাহাড় শ্রেণি। কপার বা তামা অক্সিডেশনের (জারণ) ফলে সবুজ রং ধারণ করেছে। গাইড সঠিক বলতে না পারায়, হাতের মুঠোয় থাকা গুগলকে জিজ্ঞেস করতে সদুত্তর পেলাম। ১৮০২ সালে চিলির বিখ্যাত এই আতাকামা মরুভূমিতেই প্রথম এই মিনারেল আবিষ্কৃত। তাই এর নাম রাখা হয় ‘আটাকামাইট’। রাসায়নিকভাবে এটি একটি হাইড্রেটেড কপার ক্লোরাইড খনিজ (যার রাসায়নিক সংকেত Cu₂Cl(OH)₃)। এবার বোঝা গেল আতাকামার এক অংশের এই পাহাড় শ্রেণির এমন পান্না-সবুজ রঙের মাহাত্ম্য।

Chile Atacama
এক পাহাড়ের কত রূপ

প্রথমে কেবলই ম্যালাকাইট গ্রিনের কথা মনে হচ্ছিল, কিন্তু ম্যালাকাইটের জন্য এমন শুষ্ক পরিবেশ তো লাগে না। পরে বুঝলাম অক্সিজেন, সল্ট ও জলের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় আটাকামাইট এমন রং ধারণ করে। বোঝা গেল, পেরুতে লামা নামক চতুষ্পদের যে আইকনিক ধাতব রেপ্লিকা কিনেছি, তার পিঠে কেন তামার পাতের উপর বোঝা চড়ানো।

Chile Atacama
তেরঙা রামধনু পাহাড়

এরপরেই চিত্ত বিগলিত ধবধবে সাদা পাহাড় দেখে। আর তার মূলে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে জমে থাকা ক্যালসিয়াম সালফেট (Gypsum) এবং লবণের আস্তরণ। কবির ভাষায়, সেই জিপসামের আস্তরণ পাহাড়ের গায়ে ‘calcium’s sleeping feet.’ মূর্ত তখন চোখের সামনে। যেন লবণ হ্রদের চোরাস্রোত অন্তঃসলিলা হয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে। কখনও কখনও রোদ পড়ে তা মাইকার মতো চকচক করলেও মোটেও মাইকা বা অভ্র নয়। ভূতত্ত্ববিদদের কাছে চোখ ধাঁধানো এই রামধনু পাহাড় যে গবেষণার বিষয়, তা বলাই বাহুল্য। আতাকামার এই রূপ উঠে এসেছিল পাবলো নেরুদার কবিতায়।

Chile Atacama
একই অঙ্গে এত রূপ

অনুবাদক Jack Schmitt-এর ভাষায় আজ বড় প্রাসঙ্গিক মনে হল কবিতাটি সেই মরুভূমির রঙিন রূপরহস্যের কথা লিখতে গিয়ে।

‘Atacama’
‘Insufferable voice, disseminated
salt, substituted
ash, black bouquet
on whose extreme dewdrop the blind moon
rises, through grieving galleries of copper.’

আহা! তখনই মনে পড়ে রম্যাণি বীক্ষ্য! কী দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভোলা মুশকিল!
‘O mother of the ocean!, maker
of blind jasper and golden silica’

অথবা যেখানে কবি নেরুদার অনুবাদে রয়েছে,

‘Land, land
above the sea, above the air, above the gallop
of the horsewoman full of coral’
আহা! তখনই মনে পড়ে রম্যাণি বীক্ষ্য! কী দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভোলা মুশকিল!
‘O mother of the ocean!, maker
of blind jasper and golden silica’

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Picture of ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বিগত ২০ বছর ধরে পূর্ণ সময়ের লেখক। প্রথমে বেথুন কলেজ ও পরে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের অরগ্যানিক কেমিস্ট্রিতে ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড। সাহিত্যের সব শাখায় সমান বিচরণ তাঁর। উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনি, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, ফিচারের পাশাপাশি বায়োনভেলা, খাদ্য সংস্কৃতি, লোকসংস্কৃতি নিয়ে নিয়মিত লেখেন। প্রথম ছোট গল্প দেশ পত্রিকায় ও প্রথম উপন্যাস সানন্দা শারদীয়ায় প্রকাশিত। প্রথম শ্রেণির পত্রিকার পাশাপাশি বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন এবং ওয়েব পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। এ যাবৎ বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত নানা স্বাদের বইয়ের সংখ্যা তিরিশ ছাড়িয়েছে। টুকটাক পুরস্কারও পেয়েছেন সেই সূত্রে। শখ বলতে ঘুরে বেড়ানো, রান্নাবান্না, পুরাণ-লোকসংস্কৃতি চর্চা এবং অবশ্যই গান। কলকাতা দূরদর্শনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে এবং আকাশবাণীর মহিলামহলে একাধিকবার আমন্ত্রিত হয়েছেন বক্তা হিসেবে।
Picture of ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

বিগত ২০ বছর ধরে পূর্ণ সময়ের লেখক। প্রথমে বেথুন কলেজ ও পরে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের অরগ্যানিক কেমিস্ট্রিতে ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড। সাহিত্যের সব শাখায় সমান বিচরণ তাঁর। উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনি, রম্যরচনা, প্রবন্ধ, ফিচারের পাশাপাশি বায়োনভেলা, খাদ্য সংস্কৃতি, লোকসংস্কৃতি নিয়ে নিয়মিত লেখেন। প্রথম ছোট গল্প দেশ পত্রিকায় ও প্রথম উপন্যাস সানন্দা শারদীয়ায় প্রকাশিত। প্রথম শ্রেণির পত্রিকার পাশাপাশি বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন এবং ওয়েব পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। এ যাবৎ বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত নানা স্বাদের বইয়ের সংখ্যা তিরিশ ছাড়িয়েছে। টুকটাক পুরস্কারও পেয়েছেন সেই সূত্রে। শখ বলতে ঘুরে বেড়ানো, রান্নাবান্না, পুরাণ-লোকসংস্কৃতি চর্চা এবং অবশ্যই গান। কলকাতা দূরদর্শনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে এবং আকাশবাণীর মহিলামহলে একাধিকবার আমন্ত্রিত হয়েছেন বক্তা হিসেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

বিতস্তা ঘোষাল
বিনোদ ঘোষাল
দীপান্বিতা রায়

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

নির্মাল্য চ্যাটার্জি
দেবার্চন চ্যাটার্জি

উপন্যাস

[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com